নিন্মোক্ত প্রবচনটি শ্রীল জয়পতাকা স্বামী ১১ই মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারতে প্রদান করেছেন।
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎ কৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রীচৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী : নৃসিংহদেবের উপরে শ্রী শ্রীমৎ ভক্তি পুরুষোত্তম স্বামী মহারাজের লেখা এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে এবং এখানে উনি নৃসিংহদেবের বিভিন্ন লীলা সম্বন্ধে বিভিন্ন পুরান থেকে তথ্যসূত্র দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন শাস্ত্র থেকে এই সকল তথ্যসূত্রসমূহ খোঁজার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেছেন। আমি এই গ্রন্থটি পড়তে খুবই উত্সুক হয়ে আছি আর আমি আশা করি আপনারাও সকলেই আগ্রহী হবেন। ভগবান নৃসিংহদেব চিন্ময় জগত থেকে অবতরণ করেন এবং কৃপাপূর্বক তাঁর লীলা প্রদর্শন করেন। আজকে ওনার এই শুভ আবির্ভাব তিথিতে সকলেই নৃসিংহদেবের পূজা করে থাকে। এভাবে ভগবান অবতরণ করেন যা খুবই আনন্দের ব্যাপার।
আজ সকালে আমি সংবাদ পেয়েছি দীঘার জগন্নাথ মন্দিরেও সকাল ছটা থেকেই ভগবানের দর্শন পাওয়ার জন্য আগ্রহী ভক্তদের ভীষণ ভিড় জমতে আরম্ভ করে দিয়েছে। দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে তাদেরও নৃসিংহদেবের শ্রীবিগ্রহ রয়েছে। আমাদের এখানে নৃসিংহদেবের শ্রীবিগ্রহ অনেক বড় এবং তিনি স্তম্ভ ভেদ করে বেরিয়ে এসে অসুর হিরণ্যকশিপুকে অন্বেষণ করার মনোভাবে এখানে বিরাজ করছেন। ওনার রাগ ছিল যে এই অসুর একটা শিশুকে মারতে চায়!আর সেই শিশুটির একমাত্র দোষ ছিল যে সে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর গুণগান করছিলেন। আমরা চাই প্রত্যেক ভক্তরা অবগত হোক কিভাবে প্রহ্লাদ মহারাজ অসুর পুত্রদের কাছেও প্রচার করেছিলেন! আমরা চাই ভক্তরা যেন এভাবে অনুপ্রাণিত হয়ে ভগবানের নাম প্রচার করেন এবং অন্যদেরকে দিব্যনাম গ্রহণে অনুপ্রাণিত করেন। যদি প্রহ্লাদ মহারাজ একজন অসুরের পুত্র হয়ে অন্যদের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নাম, শ্রীবিষ্ণুর নাম গ্রহণ করতে এতখানি উজ্জীবিত করতে পারেন তাহলে তোমরা পারবে না কেন? প্রহ্লাদ মহারাজ অনেক ভাল কাজ করলেন। তাই প্রহ্লাদ মহারাজ ভগবান শ্রীবিষ্ণুর এত প্রিয়। একই রকম ভাবে আপনারাও সকলে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠতে পারেন যদি আপনারাও প্রচার করেন। সকল অসুরদের পুত্রেরা ভগবান শ্রীবিষ্ণুর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন।
আমি আমার একজন শিষ্যের থেকে একটি চিঠি পেয়েছি যে তার বাড়ির সদস্যরা তার ভক্তির অনুকূল নয়। আমরা দেখতে পাই যে, প্রহ্লাদ মহারাজের শিক্ষকেরা, তার বাবা সকলেই তার বিরুদ্ধে ছিল। আমরা আশা করি যে ভারতবর্ষের সকলে ভক্ত হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এখানে সকলে ভক্ত নয়। ব্রহ্মচারীদের বাবা-মা রয়েছে, আত্মীয়-স্বজন রয়েছে, যারা বলে তাদের বিবাহ করা উচিত, তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন করা উচিত, তাদের হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা উচিত নয় ইত্যাদি। তাই কিছু ব্রহ্মচারী বিবাহ করেও নেয়। কিন্তু এটা করলে কি সবাই খুশি হয় নাকি?!আমি দেখেছিলাম যে একবার সুভগ মহারাজের মা শ্রীল প্রভুপাদের কাছে এসেছিলেন এবং বলেছিলেন আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই! সে কাঁদতে আরম্ভ করে এবং মাটিতে গড়াগড়ি দিতে শুরু করে! তখন শ্রীল প্রভুপাদ বলেন আমি তো জোর করে সুভগ মহারাজকে আটকে রাখছি না ওর যদি ইচ্ছে থাকে ও যেতে পারে। তারপর শ্রীল প্রভুপাদ সুভগ মহারাজকে জিজ্ঞাসা করেন(যদিও তখন উনি মহারাজ ছিলেন না)-‘আপনি কি করতে চান?যাবেন না থাকবেন?’ উনি বলেছিলেন আমি আপনার সঙ্গে থাকতে চাই।
পঞ্চতত্ত্বের জয় হোক!
ভগবান নৃসিংহদেব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে তিনি এই জড় জগতে অবতরণ করবেন। আমরা দক্ষিণ ভারতে গিয়েছিলাম এবং মাদুরাই থেকে অনতিদূরে আমরা একটি গ্রামে গিয়েছিলাম। কিছু কারণবশত এই গ্রামটি আধ্যাত্মিক ছিল তাই হিরণ্যকশিপু এই গ্রামকে কোন ক্ষতি করতে পারেনি বা সেখানে যায়নি। ব্রহ্মা, ভগবান শিব এবং ভগবান বিষ্ণু সেখানে একত্র হয়েছিলেন এবং তারা আলোচনা করেছিলেন কিভাবে হিরণ্যকশিপুকে বধ করা যায়। তারপর তারা পরিকল্পনা করেন যে ভগবান শ্রীবিষ্ণু তাঁর নৃসিংহরূপে অবতরণ করবেন। তো সেই মন্দিরে নৃসিংহদেবের শ্রীবিগ্রহ, ভগবান বিষ্ণুর অন্যান্য বিগ্রহসমূহ রয়েছে। সম্প্রতি ভগবান নৃসিংহদেব এবং প্রহ্লাদ মহারাজকে নিয়ে একটি অ্যানিমেশন ফিল্ম তৈরি করা হয়েছে এবং জার্মানি থেকে একজন সিনেমা প্রস্তুতকারী মায়াপুরে দর্শনে এসেছেন, তার সঙ্গে তার গোটা দলও আছে। এভাবে কখনো কখনো দেখা যায় যে সিনেমা প্রস্তুতকারীরা আমাদের কার্যকলাপ নিয়ে ছবি বানায়।
বিভিন্ন পুরানে, বিভিন্ন কল্পে ভগবান নৃসিংহদেবের বিভিন্ন কারণে অবতরণের বর্ণনা রয়েছে। এরকম খুবই আকর্ষণীয় তার বহু লীলা রয়েছে। শ্রীমদ্ভাগবতে আমরা শ্রবণ করতে পারি যে কিভাবে তিনি হিরণ্যকশিপুকে বধ করেছিলেন, কিন্তু অন্য কল্পে অন্য অসুর ছিল। তো একবার এক অসুর ছিল, সে একশো মিটার লম্বা, একশো মিটার চওড়া এবং শীততাপ নিয়ন্ত্রিত একটা বড় প্যান্ডেল তৈরি করেছিল। সেখানে একধারে খাদ্য-পানীয় সহযোগে বিশাল ভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল,যত পরিমাণে তুমি চাও! ইন্দ্রিয়তৃপ্তির সকল সুযোগ সেই প্যান্ডেলে করা হয়েছিল। তো সেই অসুর বলেছিল যে সে প্রহ্লাদকে সন্ধ্যা ছটার সময় হত্যা করবে। ভগবান নৃসিংহদেব সেই প্যান্ডেলে অন্য একটি দিক দিয়ে প্রবেশ করলেন। তারপর তিনি গুপ্তভাবে সেই প্যান্ডেলের ওপরে নজর রাখছিলেন। তারপর সেই অসুরটি এলো এবং ঘোষণা করল এখানে কোন পশুর প্রবেশের অনুমতি নেই। কিন্তু ভগবান নৃসিংহদেব তার প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ করলেন না। তারপর অনেক আগ্নেয়াস্ত্র ভগবান নৃসিংহদেবের দিকে নিক্ষেপ করা হলো, তিনি সবগুলো ধরে ফেললেন। আর কখনো কখনো নৃসিংহদেব তার কেশরকে মেলে দিতেন আর অস্ত্রগুলি তা স্পর্শমাত্র পুড়ে ছাই হয়ে যেত। যেভাবে ভারতে ইলেকট্রিক ব্যাটের মতো একটা মেশিন রয়েছে যার দ্বারা মশা মারা হয়ে থাকে, যখনই তারা সেই মেশিনের সংস্পর্শে আসে তারা পুড়ে যায়। ভগবান নৃসিংহদেবের কেশরগুলি সেরকম ছিল, যখন আগ্নেয়াস্ত্রগুলো তার কেশরে এসে লাগছিল সেগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছিল। তো ভগবান নৃসিংহদেব তিনি কৃষ্ণভক্তির পথে সকল বাধা-বিঘ্নকে ধ্বংস করে দেন, ভক্তিবিনোদ ঠাকুর নৃসিংহপল্লীতে ভগবান নৃসিংহদেবের উদ্দেশ্যে একটি প্রার্থনা রচনা করেছেন।
“এ দুষ্ট হৃদয়ে কাম আদি রিপু ছয়।
কুটিনাটি প্রতিষ্ঠাশা শাঠ্য সদা রয়।।
হৃদয় শোধন আর কৃষ্ণের বাসনা।
নৃসিংহ চরণে মোর এই তো কামনা।।
কাঁদিয়া নৃসিংহ পদে মাগিব কখন।
নিরাপদে নবদ্বীপে যুগল ভজন।।
ভয়, ভয় পায় যাঁর দর্শনে সে হরি।
প্রসন্ন হইবে কবে মোরে দয়া করি।।
যদ্যপি ভীষণ মূর্তি দুষ্ট জীব প্রতি।
প্রহ্লাদাদি কৃষ্ণ ভক্তজনে ভদ্র অতি।।
কবে বা প্রসন্ন হয়ে সকৃপ বচনে।
নির্ভয় করিবে এই মূঢ় অকিঞ্চনে।।
“স্বচ্ছন্দে বইস হে বৎস শ্রী গৌরাঙ্গ ধামে।
যুগল ভজন হউ, রতি হউ নামে।।
মম ভক্ত কৃপা বলে বিঘ্ন যাবে দূর।
শুদ্ধ চিত্তে ভজ রাধা কৃষ্ণ রসপুর”।।
এই বলি কবে মোর মস্তক উপর ।
স্বীয় শ্রীচরণ হর্ষে ধরিবে ঈশ্বর।।
অমনি যুগল প্রেমে সাত্বিক বিকারে।
গড়ায়ে লুটাব আমি শ্রীনৃসিংহ দ্বারে ।।
কৃষ্ণ বলেছেন, এই নবদ্বীপ ধাম শ্রীবৃন্দাবন ধাম থেকে অভিন্ন এবং সকল পবিত্র তীর্থস্থানগুলি এখানে তাদের মূলরূপে বিরাজমান। নবদ্বীপ ধামে আমাদের নৃসিংহপল্লী আছে যেটি ভগবান নৃসিংহদেবের লীলার জন্য সুবিখ্যাত। কোনো কোনো দিন তাঁরা নৃসিংহপল্লী থেকে আমার জন্য প্রসাদ পাঠিয়ে দেন। যাইহোক, ভগবান নৃসিংহদেব এত পরিমাণে ক্রোধের প্রকাশ করছিলেন যে ব্রহ্মাজি পর্যন্ত ভগবান নৃসিংহদেবের কাছে যেতে পারছিলেন না। তাই ব্রহ্মাজি প্রহ্লাদ মহারাজকে বলেছিলেন, ‘হে প্রহ্লাদ!তুমিই ভগবানের দিকে এগিয়ে যাও কারণ তোমার জন্যই উনি অবতরণ করেছেন’। তখন প্রহ্লাদ মহারাজ ভগবানকে ওনার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করলেন এবং প্রার্থনা নিবেদন করলেন। তখন নৃসিংহদেব তার মস্তক স্পর্শ করলেন এবং তারপর ভগবান নৃসিংহদেবের কৃপায় তিনি যথাযথ সুন্দর স্তব করতে সমর্থ হলেন। আমাদেরও ভগবান নৃসিংহদেব-প্রহ্লাদ মহারাজের শ্রীবিগ্রহ দর্শন করা উচিত আর তাঁদের উদ্দেশ্যে সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করা উচিত। তো এভাবে আমরা দেখতে পাই যে ভগবান নৃসিংহদেব প্রহ্লাদ মহারাজের মত তাঁর ভক্তদের প্রতি অত্যন্ত কৃপালু কিন্তু অসুরদের এবং শত্রুভাবাপন্নদের জন্য উনি অত্যন্ত ভয়ানক।
ভগবান শ্রী নৃসিংহদেবের জয়!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন