Text Size

২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব

1 Apr 2022|Bengali|Question and Answer Session|Atlanta, USA

অপরা গৌরাঙ্গী দেবী দাসী, সান জোসে :  শ্রীল প্রভুপাদের অনুগামী হিসাবে আমাদের কোন সময়ে পূর্বতন-আচার্যবর্গের রচনাগুলি পাঠ শুরু করা উচিত এবং আমাদের ভাব কেমন হওয়া উচিত?

শ্রীশ্রীমৎ শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ :  শ্রীল প্রভুপাদ, তিনি চেয়েছিলেন যে তাঁর ব্রাহ্মণ শিষ্যগণকে আরও অধিক জ্ঞানবান হতে হবে আর সেইহেতু তিনি বলেছিলেন যে দ্বিতীয় দীক্ষা প্রাপ্ত হতে গেলে আমাদের ‘ভক্তিশাস্ত্রী’ প্রাপ্ত হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন যে সন্ন্যাসীগণের ‘ভক্তি-বৈভব’ থাকা উচিত। আর পূর্বেই তিনি শ্রীপাদ হংসদূত ও তাঁর পত্নীকে বর্ণনা করেছিলেন যে আমার সমস্ত শিষ্য ও শিষ্যাকে ভক্তিবেদান্ত পদে উত্তীর্ণ হওয়া উচিত। তৎকালীন ভক্তিবেদান্তগণ শ্রীচৈতন্য শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন এবং তাঁরা শিষ্য গ্রহণ করতে পারতেন। অবশ্য ভারতবর্ষে এখনও সবাই বিতর্ক করে যে মহিলারা আবার গুরু হতে পারেন কি-না। তবে শ্রীল প্রভুপাদের মতানুসারে, তিনি বলেছিলেন যে, তাঁরা (মহিলারা) যদি জ্ঞানবতী হন তবে তাঁরাও গুরু হতে পারেন। অতএব যাইহোক্‌ আমি মনে করি আমার সকল শিষ্যই ‘ভক্তিবেদান্ত’ ও ‘ভক্তি-সার্বভৌম’ উপাধি প্রাপ্ত হোক্‌, আর এই পদ্ধতিতে তাঁরা সমস্ত দর্শন-শাস্ত্র শিক্ষা করুক। তার পরে, শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন যে, আমরা যারা উচ্চ-শিক্ষিত তারা শ্রীজীব গোস্বামী বিরচিত ‘সৎ সন্দর্ভ, অধ্যয়ন করতে পারি। অতএব আমি মনে করি ভক্তদের সর্বপ্রথমে শ্রীল প্রভুপাদের রচিত গ্রন্থাবলী অধ্যয়ন করা উচিত আর সেগুলি পাঠ সমাপ্ত হওয়ার পর, ভক্তরা শ্রীল প্রভুপাদের নির্দেশিত অন্যান্য গ্রন্থাবলী পাঠ করতে পারেন।

প্রশ্ন:-  পারমার্থিক গুরুদেব জীবিত থাকাকালীন তাঁর শিষ্যদের শিষ্য গ্রহণ করা উচিত নয়। তা হলে কিভাবে কোন শিষ্য ‘ভক্তিবেদান্ত’ উপাধি প্রাপ্ত হয়ে গুরুদেবের বর্তমানে শিষ্য গ্রহণ করতে পারেন?

শ্রীশ্রীমৎ শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ :  গুরুদেব যদি তাঁর শিষ্যকে শিষ্যত্ব গ্রহণ করতে আদেশ প্রদান করেন, তখন তাকে তাঁর গুরুদেবের আদেশ অনুসরণ করতেই হয়। উদাহরণ স্বরূপ রেমুনায়, সেখানে রসিকানন্দ ও তাঁর গুরুদেব শ্রীশ্যামানন্দ পণ্ডিতের বিগ্রহ রয়েছেন। তিনি (রসিকানন্দ) তাঁর গুরুদেবের বর্তমানেই গুরু হয়েছিলেন। যেহেতু তিনি তাঁর গুরুদেব শ্রীশ্যামানন্দ পণ্ডিতের নিকট হতে শিষ্যগ্রহণ করতে আজ্ঞাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। রাশিয়াতে চৈতন্য চন্দ্র চরণ দাস নামে আমার একজন শিষ্য আছে, আমি তাকে গুরু হতে আদেশ করেছি। তার সহস্রাধিক শিষ্য রয়েছে, আর সে রাশিয়ায় প্রচার করে। অনুরূপভাবে, আমি অন্যান্য যোগ্যবান শিষ্যদেরও বলছি, আর কেউকে যতক্ষণ না গুরুদেব শিষ্য গ্রহণ করতে আদেশ করছেন তাদের শিষ্য গ্রহণ করা উচিত নয়। তবে গুরুদেব যদি আজ্ঞা করেন, তবে তাঁকে শিষ্য গ্রহণ করতে হয়।

প্রশ্ন:-  তবে কি বিবর্ত-বাদ, নির্বিশেষ-বাদ এবং মায়াবাদ এগুলি সবই এক?

শ্রীশ্রীমৎ শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ :  মায়াবাদ হলো সাধারণ। বিবর্ত-বাদ পন্থাটি হলো শ্রীশঙ্করাচার্য কৃত ভাষ্য, এবং মায়াবাদের অংশ। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু দেখিয়েছেন যে কিভাবে তা ত্রুটিপূর্ণ।

প্রশ্ন:-  আপনি গতকাল পাঠের সময় গৌর-মণ্ডল ভূমির সীমানা নির্ধারণের কথা বলেছিলেন। এবং আপনি পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং বাংলাদেশের কিছু অংশে এর বিভিন্ন প্রান্তের উল্লেখ করছিলেন। তবে আমরা এও জানি যে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এমন বহু পার্ষদ রয়েছেন যারা কিনা ভারতবর্ষের অন্যান্য প্রান্ত যথা:- দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুও দক্ষিণ ভারত, মহারাষ্ট্র, শ্রীবৃন্দাবনে তথা বিভিন্ন প্রান্তে গমন করেন এবং তথায় লীলাবিলাস করেন। তা হলে আমরা কিভাবে গৌর-মণ্ডল ভূমি সীমানাকে বিবেচনা করব এবং গৌর-মণ্ডল ভূমির অংশ কী?

শ্রীশ্রীমৎ শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ :  দেখুন ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বিভিন্ন স্থানে গমন করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশে গিয়েছেন, তিনি দক্ষিণ ভারতে গিয়েছেন, মহারাষ্ট্রে, গুজরাটে গিয়েছেন। তিনি উত্তর-প্রদেশের বৃন্দাবনেও গিয়েছেন। ভৃন্দাব হচ্ছে ব্রজধাম আর জগন্নাথ পুরী হচ্ছে শ্রী-ক্ষেত্র। গৌর-মণ্ডল ভুমি হচ্ছে শ্রীমায়াপুর ধাম থেকে ১৬৮ কিমিঃ পর্যন্ত বিস্তৃত। সুতরাং তার অর্থ হলো দক্ষিণে রেমুনা পর্যন্ত। দক্ষিণ-পূর্বে আমরা পুণ্ডরীক-ধাম পাই। আর উত্তর-পূর্বে আমরা শ্রীঅদ্বৈত আচার্য ঠাকুরের আবির্ভাব স্থান পাই। আর উত্তর-পশ্চিমে আমরা কানাই-নাটশালা ছাড়িয়ে পাহাড়গুলি পর্যন্ত বিস্তৃত পাই। আমি সেই পাহাড়গুলির নাম ভুলে গেছি। সুতরাং সেই নির্দিষ্ট এলাকাগুলি গৌর-মণ্ডল ভূমি নামে পরিচিত। আর উড়িষ্যা রাজ্যটি শ্রীক্ষেত্র নামে পরিচিত। আর বৃন্দাবনকে ব্রজধাম হিসাবে জানা যায়। সুতরাং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বিভিন্ন পার্ষদ হয়তো বা অন্যান্য অংশে ছিলেন, কাবেরি নদী ও শ্রীরঙ্গমের চারিদিকে যে সমস্ত দিব্যস্থান সেগুলি হয়তো গৌর-মণ্ডল ভূমি নাও হতে পারে, তবুও সেগুলি এক দিব্য স্থান। তেমনই ভারতবর্ষে অনেকগুলি পবিত্র নদ-নদী ও পবিত্র স্থান রয়েছে, এবং অগত্যা সেগুলি গৌর-মণ্ডল ভূমি নয়।

প্রশ্ন:-  তাৎপর্যে এটি লিখিত আছে যে অসত্যকে সত্য হিসাবে গ্রহণ করা হলো বিবর্তবাদ। এমন কোন কারণ আছে কি যে মায়াবাদ দর্শনে শরীরকে আত্মারূপে গ্রহণ করার চেয়ে বিবর্তবাদ হিসাবে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে?

শ্রীশ্রীমৎ শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ :  আমি বুঝি না। কৃষ্ণের অঙ্গ এবং কৃষ্ণ অভিন্ন। আমাদের দেহ আত্মা হতে ভিন্ন। তবে শ্রীকৃষ্ণ তেমন নন। তিনি চিন্ময়। তাঁর অঙ্গ এবং তিনি একই। তাই মায়াবাদীগণ মনে করেন যে শ্রীকৃষ্ণের অঙ্গ এবং তিনি ভিন্ন। তবে তা মনে করা অপরাধ। শ্রীকৃষ্ণ পরিবর্তিত হন না। তিনি সৃষ্টি করতে, পালন করতে এবং ধ্বংস করতে পারেন তথাপি তিনি একই থাকেন।

প্রশ্ন:-  শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন যে প্রচার করতে হলে আমাদের জীবন থাকতে হবে। আপনি কি এটি একটু ব্যাখ্যা করে বলতে পারেন?

শ্রীশ্রীমৎ শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ :  শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর বলেছিলেন “প্রাণ আছে যার সেই হেতু প্রচার ।” কেউ যদি পারমার্থিক জীবন-যাপন করেন তবে তিনি প্রচার করতে পারেন। নির্বিষেশবাদকে গ্রহণ করার ভুলে আমরা বস্তুতপক্ষে আমাদের পারমার্থিক জীবন বিনাশ করে ফেলি। আর সেইহেতু আমরা প্রচারে সমর্থ হই না। কিন্তু আমরা যদি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার প্রকৃত সারমর্ম অনুধাবন করি, তখন আমরা অনায়াসেই প্রচার করতে পারি। আর সেই কারণেই আমরা চাই যে লোকেরা যেন শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা যথাযথ, শ্রীমদ্ভাগবত, এবং চৈতন্যচরিতামৃত অধ্যয়ন করে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এইসমস্ত মায়াবাদী সন্ন্যাসীকে কিভাবে বুঝিয়েছিলেন সেটি হৃদয়ঙ্গম করা আমাদের কাছে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা শ্রীল প্রভুপাদের কাছে প্রার্থনা করি যেভাবে তিনি শূন্যবাদী এবং মায়াবাদীদের কাছে দর্শন ব্যাখ্যা করেন। তাই একইভাবে, আমাদের শ্রীল প্রভুপাদের শিক্ষা হৃদয়ঙ্গম করা উচিত আর তাহলেই আমরা মায়াবাদীদের ধারণা বুঝতে সক্ষম হব।

প্রশ্ন:-  শ্রীমদ্ভাগবতের একাদশতম স্কন্ধের ৫ম অধ্যায়ে বলা হয়েছে যে কলিযুগের বিভিন্ন স্থানে সেই সকল ভক্তরা আবির্ভূত হয়েছেন যাঁরা কাবেরী, তাম্রপর্ণী এবং পদ্মাবতী নদীর জল পান করেন তাঁরা অত্যন্ত পরিষ্কার হৃদয়ের ভক্ত হবেন। বেশির ভাগ কথাই বলে যে তাম্রপর্ণীর ভক্তরা অত্যন্ত শুদ্ধ হৃদয়ের। সুতরাং এটি বুঝতে গেলে আমরা কেবল গঙ্গে চ যমুনে চ গোদাবরী সরস্বতী… এই মন্ত্র জপ করব। কিন্তু আমরা দেখি যে, দক্ষিণ ভারতে তাঁরা বলেন, কাবেরী, তাম্রপর্ণী, গোদাবরী, মহানদী। তাই আমি বুঝতে চাই এই ভক্তদের গুরুত্ব কি?

শ্রীশ্রীমৎ শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ :  আপনি ইতিমধ্যেই শ্রীমদ্ভাগবতের শ্লোকটি পাঠ করেছেন। আর আপনি বলছেন আপনি তা বুঝতে পারেন নি? এইগুলি হলো পবিত্র নদী। আর স্বাভাবিকভাবে যারা পবিত্র নদীর কাছাকাছি জন্মগ্রহণ করে তারা বিশেষ সুবিধা প্রাপ্ত হয়। আমরা আমাদের সাফারী নিয়ে সেখানে গিয়েছিলাম এবং তাম্রপর্ণী নদীর জলে তামা রয়েছে। সুতরাং এই স্থানগুলি অতি পুণ্যস্থান। আমরা দেখি যে, দক্ষিণ ভারতে, সন্ন্যাসী ও ব্রাহ্মণগণ এখনও নির্দিষ্ট কিছু আচার-বিধি পালন করে থাকেন। রাজমুন্দ্রিতে গোদাবরী নদীর পাশে এক দম্পতি বাস করতেন, আর স্বামীটি নিজেকে কল্কি-অবতার বলে দাবী করেছিলেন। কল্কিদেব কলিযুগের অন্তিমে আসবেন। আমরা কলিযুগের ৫০০০তম বছরে রয়েছি। কিছু ভক্ত সেখানে যান এবং তাকে জিজ্ঞাসা করেন, “আপনার কি একটু তাড়াতাড়ি আসা হয়ে গেল না? তিনি বললেন, “আমি হয়তো বা কল্কি অবতার নই তবে আমি একজন অবতার আর আমি ভগবান! আমি একজন ভগবান! শ্রীল প্রভুপাদ ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন বোস্টন বন্দরে পৌঁছান, তিনি অনেক মালা উপহার পেলেন এবং তিনি বললেন যে তাঁরা গুরুদেবকে ভগবানের মতো করে পূজা করেন। তবে তিনি মনে করেন না যে তিনি ভগবান। তিনি যদি মনে করেন যে তিনি ‘গড’, তা হলে তিনি ‘ডগ,’ তাই শ্রীল প্রভুপাদ খুবই স্পষ্ট ছিলেন যে তিনি হলেন ভগবানের একজন ভক্ত।

আমার যখন ঘাত (স্ট্রোক) হয়েছিল আমি তখন ভক্তিবেদান্ত হাসপাতালে ছিলাম। তাদের একটি দল ছিল যাঁরা ভক্তদের যত্ন নেন। একজন ব্যক্তি আমাকে দৈনিক কোথায় কী ঘটছে তার প্রতিবেদন দিতেন। তিনি বলেছিলেন যে এক ব্যক্তি আছে যার কাছে অনেক ঔষধ, অর্থাৎ আধ্যাত্মিক ঔষধ আছে। ব্রহ্মকুমারী ইত্যাদি বিভিন্ন ধার্মিক সংস্থা রয়েছে। তাই সেই ভক্তটি তাকে প্রশ্ন করলেন, আপনি কি আধ্যাত্মিক বিষয়ের প্রতি আগ্রহী। তিনি বলেছিলেন, “আমি আগ্রহী তবে প্রত্যেক সংস্থা বলে যে আপনার বাবা হলেন ভগবান।” “বাঃ!” আর তারপর সেই ভক্ত তাকে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা যথাযথ দেন, আর তখন তিনি বলেন যে, “আমি কখনোই জানতাম না যে একজন প্রতিষ্ঠাতা আচার্য আছেন যিনি নিজেকে বলেন যে তিনি একজন ভক্ত!” সুতরাং ভারতবর্ষে ঐ ধরনের সত্যিকারের মানুষ এবং প্রজল্পবাজ মানুষ আছে।”

আর যখন আমি শ্রীল প্রভুপাদের কাছে গেলাম এবং আমরা বিশ্ব ভাগবত-গীতা সভায় গেলাম সেখানে একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি মৌন-ব্রত পালন করছিলেন কারণ তারা গো-হত্যা করছিল। আর তার সাথে তার অনুগামীরা ছিল যারা ভগবত-গীতা পাঠ করছিল আর শ্রীল প্রভুপাদের সাথে ছিলেন হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করার জন্য তাঁর শিষ্যগণ। আর তখন একজন মায়াবাদী সন্ন্যাসী গীতা পাঠ সম্পূর্ণ করতে চেয়েছিলেন তাই তিনি গাইতে লাগলেন, “সচ্চিদানন্দ কৃষ্ণ! সদ্‌-চিৎ আনন্দ কৃষ্ণ! শ্রীল প্রভুপাদ ক্রুদ্ধ ছিলেন। কিন্তু প্রভুপাদ কেবল তাঁর শিষ্যদের কীর্তন করতে বললেন আর ভক্তরা কীর্তন করতে শুরু করলেন। তখন সকলেই খুব খুশি হলো। দেখুন যে মায়াবাদী সন্ন্যাসীটি যল্পনা করে কিছু মন্ত্র বলেছিলেন। ভারতবর্ষে অনেক ভাল মানুষ রয়েছেন আবার কিছু মায়াবাদী প্রজল্পকারীও আছেন। সুতরাং সেই কারণেই আমরা চাই যে মানুষ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা যথাযথ পাঠ করুক এবং তা অনুসরণ করুক।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by জয় রাসেশ্বরী দেবী দাসী
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions