শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ কর্তৃক সংকলিত শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য গ্রন্থ। ১৯শে জুলাই ২০২১, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারতবর্ষ।
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎ-কৃপা তম্ অহং বন্দে শ্রী-গুরুং দীন-তারণম্
পরমানন্দং মাধবং শ্রী চৈতন্য ইশ্বরম্
হরিঃ ওঁ তৎ সৎ
ভূমিকা: আজ আমরা শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নামক গ্রন্থের ক্রমাগত সংকলন বজায় রাখব।
ফলশ্রুতি – কলিযুগে শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
এই বিভাগাধীন: ভগবানের শ্রীবৃন্দাবনে গমণের প্রয়াস।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪১৮-৪১৯
ব্রহ্মা-শিবাদি-লোকের সুখের অখণ্ডত্ব কৃষ্ণচৈতন্য-কর্তৃক জগতে প্রকাশিত—
ব্রহ্মলোক-শিবলোক আদি যত লোক।
যে সুখের কণা-লেশে সবেই অশোক॥
যোগীন্দ্র মুনীন্দ্র মত্ত যে সুখের লেশে।পৃথিবীতে কৃষ্ণ প্রকাশিলা ন্যাসিবেশে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: এক সন্ন্যাসীর সাজে আভুষিত ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দ্বারা বিতরিত এমনকি এক কণা সুখও ব্রহ্মলোক ও শিবলোকের নেতৃত্বাধীন গ্রহগুলির অধিবাসীগণকে সমস্ত দুর্দশা ও অবসাদ থেকে মুক্তি দিয়েছিল এবং এমনকি শ্রেষ্ঠ যোগী ও ঋষিদেরকেও উন্মত্ত করেছিল।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২০-৪২১
গৌরসুন্দরের এইরূপ ঐশ্বর্য দেখিয়াও যাহারা তাঁহার ভগবত্তা-স্বীকারে বিমুখ, তাহাদের সকলই বৃথা—
হেন সর্বশক্তিসমন্বিত ভগবান্।
যে পাপিষ্ঠ মায়া-বশে বলে অপ্রমাণ॥
তা’র জন্ম-কর্ম-বিদ্যাব্রহ্মণ্য-আচার।
সব মিথ্যা, সেই পাপী শোচ্য সবাকার॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: জন্ম, কর্ম, শিক্ষা, এবং ব্রাহ্মণোচিত ব্যবহার সমন্বিত একজন পাপাচারী ব্যক্তি যিনি মায়ার নিয়ন্ত্রণাধীন হয়ে সর্বশক্তিমান ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যিনি হলেন পরমেশ্বর ভগবান হিসাবে তাঁর অস্তিত্বকে মেনে নিতে অস্বীকার করে, সে নিরর্থক। এই প্রকারের পাপী ব্যক্তি সকলের দ্বারা নিন্দিত।
শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর কৃত তাৎপর্য: যে ব্যক্তি গৌরসুন্দরকে “সর্বশক্তিমান্ ভগবান” বলিয়া না জানে, সে পাপিষ্ঠ এবং মায়া তাহাকে অষ্টপাশে বদ্ধ করিয়া গৌরসুন্দরের ভগবত্তা জানিতে দেয় না। মহাপ্রভুকে ভগবান্ বলিয়া না জানিলে ব্রাহ্মণের জন্ম, কর্ম, বিদ্যা ও আচার সমস্তই ব্যর্থ হইয়া পড়ে এবং তাহার শোচ্য, মিথ্যাচারী ও পাপিষ্ঠ সংজ্ঞা হয়॥
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২২
ভজ ভজ আরে ভাই, চৈতন্য-চরণে।
অবিদ্যা বন্ধন খণ্ডে’ যাহার শ্রবণে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: ওহে ভাইসকল, কেবলমাত্র ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণ যুগলের পূজা করো! তাঁর বিষয়গুলি শ্রবণ করলে আমরা অজ্ঞতার দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যাই।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২৩
চৈতন্যচরণভজনে বিশ্ববাসীকে আহ্বান—
যাহার স্মরণে সর্বতাপ বিমোচন।
ভজ ভজ হেন-ন্যাসিমণির চরণ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যিনি হলেন সর্ব সন্ন্যাসীর চূড়ামণি, কেবলমাত্র তাঁহার শ্রীচরণ যুগলের পূজা করো। তাঁহার স্মরণে আমরা সকল জড়জাগতিক দুর্দশা থেকে মুক্ত হয়ে যাই।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২৪
চতুর্দিকে সংকীর্তন-শ্রবণে প্রভুর মহানন্দ—
এই মত চতুর্দিকে দেখি’ সংকীর্তন।
আনন্দে ভাসেন প্রভু লই’ ভক্তগণ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও তাঁর ভক্তগণ যখন দেখলেন যে সর্বদিকে সকলেই একত্রে কীর্তনে নিয়োজিত হয়েছেন, তাঁরা প্রেমাবেশের মহাসাগরে ভাসতে লাগলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২৫
আনন্দধারায় পূর্ণ শ্রীগৌরসুন্দর।
যেন চতুর্দিকে বহে জাহ্নবীর জল॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: ভগবান শ্রীগৌরসুন্দরের আঁখি হতে প্রবাহিত অশ্রুধারাসকল চতুর্দিকে প্রবাহিত গঙ্গার জলধারার সাথে সাদৃশ্যময়।
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যাহা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, তিনি শ্রীধাম নবদ্বীপে বিরাজিত থাকাকালীন তাঁর প্রতিনিধিগণ, শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু ও অন্যান্যের দ্বারা তাহা পরিচালিত হয়েছিল, আর তাই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন, আমরা তাঁর নয়ন হতে সেই প্রেমাশ্রু গঙ্গা ধারার মতো প্রবাহিত হতে দেখছি।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২৬
প্রভুর সকল সংকীর্তন-সম্প্রদায়ে নৃত্য—
বাহ্য নাহি পরানন্দ-সুখে আপনার।
সংকীর্তন-আনন্দ-বিহ্বল-অবতার॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু চিন্ময় প্রেমে আবিষ্ট হয়ে তাঁর বাহ্যজ্ঞান হারালেন। তিনি ছিলেন সঙ্কীর্তনের ভাবে বিহ্বলতার অবতার। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বাহ্যিক উদ্দেশ্য ছিল সঙ্কীর্তন আন্দোলন, যাকে যুগধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করাই ছিল তাঁর সার্থকতা।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২৭
যেই সম্প্রদায় প্রভু দেখেন সম্মুখে।
তাহাতেই নৃত্য করে পরানন্দ-সুখে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সম্মুখে যে কীর্তনের দল আসছিল, তাদের মাঝে গিয়েই তিনি আনন্দের সাথে নৃত্য করলেন। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সম্মুখে বিভিন্ন কীর্তনের দল এসেছিল এবং তাদের মাঝেই তিনি কীর্তন ও নর্তন করলেন, তিনি চিন্ময় প্রেমের আবেশে পরিপূর্ণ ছিলেন এবং তাঁর কীর্তন অন্যান্যদেরও পরম উৎসাহ প্রদানের দ্বারা কৃপা করেছিল।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২৮
তাহারা কৃতাৰ্থ হেন মানে আপনারে।
হেন মতে রঙ্গ করে শ্রীগৌরসুন্দরে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: সেই সমস্ত কীর্তন দলের সদস্যগণ নিজেদের অত্যন্ত সৌভাগ্যবান বলে বিবেচনা করলেন। এমনই ছিল ভগবান শ্রীগৌরাঙ্গের লীলাসমূহ। তাই কীর্তনের দলগুলি তাঁদের মাঝে ভগবান শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুকে নৃত্য করতে পেয়ে তাঁদের জীবন সার্থক অনুভব করছিলেন। তাঁরা এতই আনন্দিত হয়েছিলেন যে তাঁরা নিজেকে সবচেয়ে ভাগ্যবান মনে করেছিলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪২৯
অবধূতাগ্রগণ্য শ্রীনিত্যানন্দ—
বিহ্বলের অগ্রগণ্য নিত্যানন্দ রায়
কখনো ধরিয়া তাঁ'রে আপনে নাচায়॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: যাঁহারা প্রেমাবিষ্ট ছিলেন, শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু ছিলেন তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য। কোন কোন সময় শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে ধরে নৃত্য করতে প্ররোচিত করতেন। শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কর্তৃক আদিষ্ট হয়েছিলেন বাংলায় সঙ্গবদ্ধ আন্দোলন সঙ্কীর্তন আন্দোলনের ধারা বজায় রাখতে। অতএব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আদেশ পালনের করার জন্য শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু পূর্বে বাংলার প্রতি নগর ও গ্রামে প্রচার কার্য করতেন।
শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর কৃত তাৎপর্য: উৎকলদেশে উন্নত ব্যক্তিকে “বিহুলিয়া” বলে। নিত্যানন্দ প্রভু কৃষ্ণপ্রেমে উন্মত্ত ও বিহ্বলগণের অগ্রগণ্য॥
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩০
আপনে কখন নৃত্য করে তাঁ’র সঙ্গে।
আপনে বিহ্বল আপনার প্রেম-রঙ্গে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: কখনো বা তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সঙ্গে নৃত্য করতেন। তিনি নিজেই তাঁর নিজের প্রেমে প্রেমাবিষ্ট হয়ে থাকতেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩১
মহাপ্রভুর প্রেমহুঙ্কার ও নৃত্য—
নৃত্য করে মহাপ্রভু করি’ সিংহনাদ।
সে নাদ শ্রবণে খণ্ডে সকল বিষাদ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যখন নৃত্য করতেন তখন সিংহের ন্যায় গর্জন করতেন। বিলাপকারীরা যখন তাঁর কম্পন শ্রবণ করতেন, তাদের সেই বিলাপ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যেত।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩২
যাঁর রসে মত্ত—বস্ত্র না জানে শঙ্কর।
হেন প্রভু নাচে সর্ব লোকের ভিতর॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: শঙ্কর যিনি এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে ভগবৎ প্রেমের রসাদ্বাদন করে আবিষ্ট হয়ে নৃত্য করছেন তিনি এতই উন্মত্ত হলেন যে তিনি তাঁর বসনের কথাও ভুলে গেলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩৩
অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড হয় যাঁ’র শক্তিবশে।
সে প্রভু নাচয়ে পৃথিবীতে প্রেমরসে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: অনন্ত ব্রহ্মাণ্ডগুলি যে প্রভুর শক্তিতে পরিচালিত হয় তিনি এখন এই ধরনীতে এসে প্রেমের রসে আবিষ্ট হয়ে নৃত্য করছেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩৪
যে প্রভু দেখিতে সর্ব দেবে কাম্য করে।
সে প্রভু নাচয়ে সর্বগণের গোচরে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: সমস্ত দেবতা যে প্রভুকে দর্শন করতে বাসনা করেন তিনিই এখন সবার চোখের সামনে নৃত্য করছেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩৫
এই মত সর্বলোক মহানন্দে ভাসে।
সংসার তরিল চৈতন্যের পরকাশে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: এই প্রকারে সকলেই ভাবের সমুদ্রে ভাসমান হলেন। সমগ্র বিশ্ব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাবে মুক্ত হয়েছিল।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩৬
যতেক আইসে লোক দশ দিক্ হৈতে।
সবেই আসিয়া দেখে প্রভুরে নাচিতে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নৃত্য দর্শন করতে দশদিক থেকেই মানুষ এসেছিল।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩৭
বাহ্য নাহি প্রভুর বিহ্বল প্রেমরসে।
দেখি’ সর্বলোক সুখ-সিন্ধু-মাঝে ভাসে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: প্রেমের আবেশে বিহ্বল হয়ে প্রভু তাঁর বাহ্যিক সংজ্ঞা হারালেন। তা দর্শন করে সকলেই আনন্দের সমুদ্রে ভাসলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩৮
কুলিয়ায় পাপিকুলের উদ্ধার—
কুলিয়ার প্রকাশে যতেক পাপী ছিল।
উত্তম মধ্যম নীচ—সবে পার হৈল॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: কুলিয়ার স্বল্পপাপী, মধ্যমপাপী, ও মহাপাপী―তারা সকলেই উদ্ধার হলো।
শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর কৃত তাৎপর্য: শ্রীমায়াপুরের অপর পারে কুলিয়া গ্রামে বহুশ্রেণীর পাপিষ্ঠ বাস করিত। উত্তম, মধ্যম ও নীচভেদে ত্রিবিধ পাপিষ্ঠই প্রভুর কৃপায় অপরাধ হইতে মুক্ত হইয়াছিল॥
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৩৯
কুলিয়া গ্রামেতে চৈতন্যের পরকাশ।
ইহার শ্রবণে সর্ব-কর্ম-বন্ধ-নাশ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রকাশের বিষয়ে যে শ্রবণ করল, সেই তার সকল প্রকারের কর্মবন্ধন থেকে মুক্ত হলো।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৪০-৪৪১
সকলজীবেরে প্রভু দরশন দিয়া।
সুখময়-চিত্তবৃত্তি সবার করিয়া॥
তবে সব আপন পার্ষদগণ লৈয়া।
বসিলেন মহাপ্রভু বাহ্য প্রকাশিয়া॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: সকলকে দর্শন দান করার পর এবং তাঁদের হৃদয় সুখে পরিপূর্ণ করে, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর পার্ষদগণকে নিয়ে বসলেন এবং তাঁর বাহ্যিক চেতনায় ফিরে আসলেন।
ভগবানের শ্রীবৃন্দাবনে গমণের প্রয়াস: এই বিভাগাধীন ‘ফলশ্রুতি – কলিযুগে ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল’ নামক অধ্যায়টি এভাবেই সমাপ্ত হয়।
Lecture Suggetions
-
20230104 পঞ্চ-ক্রোস পরিক্রমা
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন