প্রশ্ন:- একজন গৌড়ীয় বৈষ্ণবের পক্ষে মায়াবাদী দর্শনকে খণ্ডন করাটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এটি কি এমন যা সকলকেই খণ্ডন করা আবশ্যক, নাকি কেবলমাত্র কিছু বিদ্বান ভক্তদেরই তা করনীয়?
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ:- অন্ততপক্ষে দ্বিতীয় দীক্ষাপ্রাপ্তদের জন্য তা করনীয়। সেই কারনেই শ্রীল প্রভুপাদ এক জায়গায় বলেছেন যে যারা দ্বিতীয় দীক্ষা গ্রহণ করবে তাঁদের অবশ্যই ‘ভক্তি-শাস্ত্রী’ থাকা আবশ্যক। আর অন্য কোথাও তিনি বলেছিলেন যে, যাঁরা সন্ন্যাস গ্রহণ করতে চান তাঁদের ‘ভক্তি-বৈভব’ থাকা উচিত। আবার কোন এক জায়গায় তিনি বলছেন যে, আমাদের গুরুবৃন্দের ‘ভক্তিবেদান্ত’ এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রচলিত শিক্ষা থাকা উচিত। সদানন্দ, যোগেন্দ্রর মতো মহান মায়াবাদীরা আছেন, এই ধরনের ব্যক্তিদের পরাজিত করতে আমাদের কোন সাধারণ ভক্তের পক্ষে অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু সাধারণত - আমি আসামের একজন ভদ্রলোককে প্রচার করছিলাম আর তিনি ছিলেন একজন মায়াবাদী। তাই আমি তাঁদেরকে বলছিলাম, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ১৪তম অধ্যায়ের অন্তিম শ্লোকে বলা হয়েছে যে- “ব্রাহ্মণ হি প্রতিষ্টাহম্”। শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন নির্বিশেষ ব্রহ্মের ভিত্তি। আর তিনি বলেছিলেন, “না না! এটি হতেই পারে না! আমি জানি না! আমার জানা নেই!” পরবর্তীতে আমি যখন তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করি তিনি খুব সুখী ছিলেন। আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, কি ব্যাপার? তিনি বললেন, আমি আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রধানকে ডেকেছিলাম, এবং তিনি বলেছিলেন যে এই শ্লোকের তাৎপর্য হলো শ্রীবিষ্ণু হলেন চতুর্মুখী ব্রহ্মার ভিত্তি। এটি শ্রীল প্রভুপাদের তাৎপর্যের মধ্যে রয়েছে, যেখানে তিনি বলছেন, এইসকল জিনিস হচ্ছে মেকি। শ্রীল প্রভুপাদ পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন যে আমাদের মায়াবাদীদের সাথে তর্ক করা উচিত নয় কারণ তাদের মস্তিষ্ক স্বল্প পরিসরের। আর তিনি বলেছিলেন তাঁদেরকে ভক্তিমূলক সেবায় নিযুক্ত করো আর সেটিই হলো উত্তম জিনিস। তারপর বছর কয়েকের মধ্যে আমরা বললাম বেশ, আপনি কী বলছেন তা এখন বোঝার সময় এসেছে। সুতরাং ভগবদ্ভক্তিমূলক সেবা এমনকি মায়াবাদীদের হৃদয় পর্যন্ত পরিবর্তন করে দিতে পারে। আর কোন প্রশ্ন আছে কি?
প্রশ্ন:- আমরা কি বলতে পারি যে আধুনিক বিজ্ঞানীরা, অর্থাৎ নাস্তিক বিজ্ঞানীরা এক ধরনের মায়াবাদী? কারণ তাঁরা ঈশ্বরের অস্তিত্বহীনতা কথাও প্রচার করেন।
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ:- এমন যেকোন ব্যক্তি যে ঈশ্বরের অস্তিত্বকে স্বীকার করে না সে একজন নাস্তিক রাক্ষস এবং তারা নিজেদেরকে মায়াবাদী বা অন্যান্য শ্রেণীতে রাখে।
Lecture Suggetions
-
20230104 পঞ্চ-ক্রোস পরিক্রমা
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ