২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ কর্তৃক সংকলিত শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য গ্রন্থ। ২২শে জুলাই ২০২১, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারতবর্ষ।
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎ-কৃপা তম্ অহং বন্দে শ্রী-গুরুং দীন-তারণম্
পরমানন্দং মাধবং শ্রী চৈতন্য ইশ্বরম্
হরিঃ ওঁ তৎ সৎ
ভূমিকা: আজ আমরা শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য নামক গ্রন্থের ক্রমাগত সংকলন বজায় রাখব।
দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
এই বিভাগাধীন : ভগবানের শ্রীবৃন্দাবনে গমণের প্রয়াস।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৬৪
পণ্ডিত দেবানন্দ—
বিপ্রেরে করিতে প্রভু তত্ত্ব-উপদেশ।
ক্ষণেকে পণ্ডিত দেবানন্দের প্রবেশ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যখন সেই ব্রাহ্মণটিকে পারমার্থিক নির্দেশাবলী প্রদান করছিলেন, তখন সেখানে দেবানন্দ পণ্ডিত আগমন করলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৬৫-৪৬৬
গৃহবাসে যখন আছিলা গৌরচন্দ্র।
তখনে যতেক করিলেন পরানন্দ॥
প্রেমময় দেবানন্দ পণ্ডিতের মনে।
নহিল বিশ্বাস, না দেখিল তে কারণে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: ভগবান শ্রীগৌরচন্দ্র প্রভু যখন গৃহকর্তা রূপে লীলাভিনয় করে তাঁর সময় অতিবাহিত করছিলেন, তখন তাঁর ওপর দেবানন্দ পণ্ডিতের আস্থা ছিল না। সেইহেতু তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে বুঝতে অসমর্থ ছিলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৬৭
দেখিবার যোগ্যতা আছয়ে পুনঃ তান।
তবে কেনে না দেখিলা, কৃষ্ণ সে প্রমাণ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: যদিও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে দর্শন করার জন্য তাঁর যোগ্যতা ছিল, কেন যে তিনি তাঁকে চিনতে অক্ষম ছিলেন তা কেবল শ্রীকৃষ্ণই জানেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৬৮
সন্ন্যাস করিয়া যদি ঠাকুর চলিলা।
তান ভাগ্যে বক্রেশ্বর আসিয়া মিলিলা॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্যদেব যখন গৃহত্যাগ করলেন এবং সন্নাস গ্রহণ করলেন, দেবানন্দ পণ্ডিতের তখন বক্রেশ্বর পণ্ডিতের সাথে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হলো।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৬৯
বক্রেশ্বর পণ্ডিতের গুণ—
বক্রেশ্বর পণ্ডিত-চৈতন্য-প্রিয়-পাত্র।
ব্রহ্মাণ্ড পবিত্র যাঁ’র স্মরণেই মাত্র॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: বক্রেশ্বর পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর একজন প্রিয় পার্ষদ ছিলেন। কেবল তাঁর স্মরণেই সমগ্র বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড পবিত্র হয়ে যায়। বক্রেশ্বর পণ্ডিত এমনই একজন বিশিষ্ট ভক্ত ছিলেন এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এতই প্রিয় ছিলেন, কেবল তাঁর স্মরণেই ব্রহ্মাণ্ড বিশুদ্ধ হয়ে যায়। দেবানন্দ পণ্ডিত বক্রেশ্বর পণ্ডিতের সাক্ষাৎ করলেন আর এভাবেই তাঁর হৃদয় পরিবর্তন হয়ে যায়।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭০
নিরবধি কৃষ্ণ-প্রেম-বিরহ বিহ্বল।
যাঁর নৃত্যে দেবাসুর—মোহিত সকল॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: তিনি সদা-সর্বদাই শ্রীকৃষ্ণ বিরহের ভাবে ভাবাবিষ্ট হয়ে থাকতেন। এমনকি দেবতাগণ ও অসুরেরাও তাঁর নৃত্যের দ্বারা মোহিত হতেন। সুতরাং, বক্রেশ্বর পণ্ডিত নিরবধি ৭২ ঘন্টা যাবৎ নৃত্য করতেন। তাঁর নৃত্য ছিল খুবই বিশেষ ধরনের, কথিত আছে যে দেবতা হন বা অসুরের, সকলেই তাঁর এই নৃত্যে অবাক হয়েছিলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭১-৪৭২
বক্রেশ্বরের কৃষ্ণপ্রেমোন্মাদ—
অশ্রু, কম্প, স্বেদ, হাস্য, পুলক, হুঙ্কার।
বৈবর্ণ-আনন্দমূৰ্ছা-আদি যে বিকার ॥
চৈতন্যকৃপায় মাত্র নৃত্যে প্রবেশিলে।
সকলে অসিয়া বক্রেশ্বর-দেহে মিলে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: বক্রেশ্বর পণ্ডিত যখনই নৃত্য শুরু করতেন, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপায় প্রেমাবিষ্ট হয়ে পড়ার সব কয়টি পরিবর্তন যেমন, অশ্রু, কাঁপুনি, ঘাম, কেশাগ্র খাঁড়া হয়ে যাওয়া, গর্জন করা, এবং বিবর্ণ হয়ে যাওয়া প্রভৃতি তাঁর অঙ্গে দেখা দিল। যেহেতু বক্রেশ্বর পণ্ডিতের নৃত্য ছিল প্রেমভাবে পরিপূর্ণ তাই তাঁর নৃত্য ছিল পুরোপুরি চিন্ময়।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭৩
বক্রেশ্বর পণ্ডিতের উদ্দাম বিকার।
সকল কহিতে শক্তি আছয়ে কাহার॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: বক্রেশ্বর পণ্ডিতের এই সীমাহীন রূপান্তরতা এবং প্রেমাবেশ ও উদ্দীপনা বর্ণন করতে পারে এমন কার সাধ্য আছে?
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭৪
দেবানন্দ পণ্ডিতের আশ্রমে বক্রেশ্বর পণ্ডিতের অবস্থান—
দৈবে দেবানন্দ পণ্ডিতের ভক্তিবশে।
রহিলেন তাঁহার আশ্রমে প্রেমরসে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: দৈবযোগের ব্যবস্থাপনায় এবং দেবানন্দ পণ্ডিতের স্নেহের দ্বারা আবদ্ধ হয়ে, বক্রেশ্বর পণ্ডিত কিছুদিনের জন্য দেবানন্দ পণ্ডিতের আশ্রমে অবস্থান করলেন এবং প্রেমাবিষ্ট হওয়ার রসাস্বাদন করলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭৫-৪৭৬
বক্রেশ্বর পণ্ডিতের সেবাপ্রভাবে দেবানন্দের শ্রীচৈতন্যপাদপদ্মে বিশ্বাস—
দেখিয়া তাঁহার তেজঃপুঞ্জ কলেবর।
ত্রিভুবনে অতুলিত বিষ্ণু-ভক্তি-ধর ॥
দেবানন্দ পণ্ডিত পরম সুখী মনে।
অকৈতবে প্রেম-ভাবে করেন সেবনে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: বক্রেশর পণ্ডিতের দীপ্তমান দেহ দর্শন করে এবং ভগবান শ্রীবিষ্ণুর প্রতি তাঁর সেবাভাব, যা ত্রিভুবনের মধ্যে তুলনাহীন, ইহা দর্শন করে দেবানন্দ পণ্ডিত পরম সন্তুষ্ট হলেন এবং আন্তরিকভাবে স্নেহময় ভালবাসার সাথে তাঁর সেবা করেছিলেন। কখনো কখনো ভগবানের ভক্তের সেবা করা ভগবানের সেবা করার চেয়েও অধিক কার্যকর হয়ে থাকে, তাই বক্রেশ্বর পণ্ডিতের সেবা করার দ্বারা দেবানন্দ পণ্ডিত শুদ্ধ হয়ে গেলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭৭
বক্রেশ্বর পণ্ডিত নাচেন যতক্ষণ।
বেত্রহস্তে আপনে বুলেন ততক্ষণ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: বক্রেশর পণ্ডিত যতক্ষণ পর্যন্ত নৃত্য করেছিলেন দেবানন্দ পণ্ডিত হাতে একটি বেতের ছড়ি নিয়ে তাঁর চতুর্দিকে পাহারা দিচ্ছিলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭৮
আপনে করেন সব লোক এক ভিতে।
পড়িলে আপনে ধরি’ রাখেন কোলেতে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: তিনি স্বয়ং লোকজনকে বক্রেশ্বর পণ্ডিতের থেকে দূরে সরিয়ে রাখতেন, আর বক্রেশ্বর পণ্ডিতের যখন অচৈতন্য হয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হতো, দেবানন্দ পণ্ডিত তখন তাঁকে তাঁর বাহুতে ধরে রাখতেন। সুতরাং দেবাবন্দ পণ্ডিত এভাবেই বক্রেশ্বর পণ্ডিতকে রক্ষা করছিলেন আর এভাবেই দেবানন্দ পণ্ডিত ভগবানের ভক্তগণের প্রতি কৃত সমস্ত অপরাধ থেকে ক্ষমালাভ করতে পেরেছিলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৭৯
তাঁহার অঙ্গের ধূলা বড় ভক্তিমনে।
আপনার সর্ব অঙ্গে করেন লেপনে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: দেবানন্দ পণ্ডিত স্নেহের সাথে বক্রেশ্বর পণ্ডিতের অঙ্গ থেকে ধূলা পরিষ্কার করতেন এবং সেই ধূলিকণা তাঁর নিজ অঙ্গে লেপন করতেন। দেবানন্দ পণ্ডিত এভাবেই বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপালাভ করছিলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৮০
তাঁর সঙ্গে থাকি তান দেখিয়া প্রকাশ।
তখনে জন্মিল প্রভু চৈতন্যে বিশ্বাস॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: বক্রেশ্বর পণ্ডিত যখন দেবানন্দ পণ্ডিতের সাথে অবস্থান করছিলেন, দেবানন্দ পণ্ডিত তখন তাঁর মহিমা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন এবং এভাবেই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ওপর তাঁর বিশ্বাস বৃদ্ধি করেছিলেন। বক্রেশ্বর পণ্ডিতের সান্নিধ্য লাভ এবং তাঁর সেবা করে স্বাভাবিকভাবেই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা বর্দ্ধিত করলেন।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৮১
বৈষ্ণবসেবার ফল কহে যে পুরাণে।
তার সাক্ষী এই সবে দেখ বিদ্যমানে॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: বৈষ্ণবের সেবা করার যে কত ফল যা পুরাণে বর্ণিত রয়েছে তা এই কাহিনীতে প্রত্যক্ষ করা গিয়েছিল।
শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর কৃত তাৎপর্য: বৈষ্ণবসেবার ফলে কুলিয়ার দেবানন্দ পণ্ডিত মহাপ্রভুর চরণে বিশ্বাসী হইয়াছিলেন। শ্রীবক্রেশ্বর পণ্ডিত দেবানন্দের গৃহে অবস্থান করায় তাঁহার মঙ্গলের কারণ হইয়াছিলেন। এই দেবানন্দ পণ্ডিত স্মার্তধর্মে প্রবিষ্ট হইলেও মহা-জ্ঞানী ও সংযত ছিলেন। শ্রীমদ্ভাগবত ব্যতীত অন্য কোন গ্রন্থ তাঁহার পাঠ্য ছিল না। ‘তিনি ঈশ্বরনিষ্ঠ, ইন্দ্রিয়াদির অবশীভূত ছিলেন। কিন্তু শ্রীগৌরসুন্দরের প্রতি বিশ্বাসের অভাব ছিল। শ্রীবক্রেশ্বরের অনুগ্রহে তাঁহার সেই দুর্বুদ্ধি দূর হইয়া তিনি ভগবানে শ্রদ্ধালু হইলেন।
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: সুতরাং বৈষ্ণবগণের সেবাতে এমন এক মহান শক্তি রয়েছে যে তা সমস্ত অনর্থ নিবৃত্তি করে বা ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা দূর করে।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৮২
আজন্ম ধার্মিক উদাসীন জ্ঞানবান।
ভাগবত -অধ্যাপনা বিনা নাহি আন॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: জন্মথেকেই দেবানন্দ পণ্ডিত ছিলেন ধার্মিক-মনোভাবাপন্ন, বৈরাগী ও পণ্ডিত। তিনি শ্রীমদ্ভাগবত বিনা অন্য কোন শাস্ত্র শিক্ষা দিতেন না।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৮৩
আজন্ম ধার্মিক, উদাসীন, জ্ঞানবান, শান্ত, দান্ত ও জিতেন্দ্রিয় ভাগবত অধ্যাপকেরও বৈষ্ণবসেবা ব্যতীত শ্রীভগবৎ-পাদপদ্মে বিশ্বাস অসম্ভব—
শান্ত, দান্ত, জিতেন্দ্রিয়, নির্লোভ বিষয়।
প্রায় আর কতেক বা গুণ তানে হয়॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: দেবানন্দ পণ্ডিত ছিলেন শান্ত স্বভাবের, স্ব-নিয়ন্ত্রিত, ইন্দ্রিয়ের-নিয়ন্ত্রক, লোভ থেকে মুক্ত, এবং আরও বহু সদ্গুণাবলীর অধিকারী।
শ্রীশ্রীচৈতন্য-ভাগবত অন্ত্যখণ্ড ৩/৪৮৪
ভক্তভাগবত বক্রেশ্বরের কৃপায় পণ্ডিতের কুবুদ্ধি বিনাশ—
তথাপিত গৌরচন্দ্রে নহিল বিশ্বাস।
বক্রেশ্বর প্রসাদে সে কু-বুদ্ধি-বিনাশ॥
শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী: যদিও দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ওপর কোন শ্রদ্ধা ছিল না। তাঁর সেই পাপীষ্ঠ মনোভাবটি বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপায় বিনষ্ট হয়েছিল। সুতরাং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ওপর শ্রদ্ধা ব্যতীত তাঁর ভক্তিপথ সম্পূর্ণ ছিল না, এবং তাঁর সেবা এবং বক্রেশ্বর পণ্ডিতের সান্নিধ্যলাভের দ্বারা, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ওপর তাঁর শ্রদ্ধা জাগরিত হলো। সুতরাং, এই সমস্ত সদ্গুণাবলী থাকাই যথেষ্ট নয়, আমাদের ভগবানের ভক্তদের সেবা করার অনুভূতি থাকা উচিত।
ভগবানের শ্রীবৃন্দাবনে গমণের প্রয়াস: এই বিভাগাধীন, দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয় নামক এই অধ্যায়টি এখানে সমাপ্ত হয়েছে।
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
20230104 পঞ্চ-ক্রোস পরিক্রমা
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ