Text Size

২০২৫০৪১২ শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১৫.৮

12 Apr 2025|Duration: 01:05:50|Bengali|Śrīmad-Bhāgavatam|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

নিন্মোক্ত প্রবচনটি শ্রীল জয়পতাকা স্বামী ১২ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারতে প্রদান করেছেন। এই প্রবচন শুরু হয়েছে শ্রীমদ্ভাগবতের ৩য় স্কন্ধ, ১৫ অধ্যায়, ৮নং শ্লোক পাঠের মাধ্যমে।

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
 যৎ কৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
 পরমানন্দমাধবম্ শ্রীচৈতন্য ঈশ্বরম্
 হরি ওঁ তৎ সৎ

ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ
নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায় 

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: এই শ্লোকটি বৈদিক বিধিনিষেধ সম্বন্ধীয়। পরমেশ্বর ভগবান আমাদের জীবদ্দশায় অবশ্য পালনীয় বিধিবিধানসমূহ প্রদান করে থাকেন। আমরা এই ভৌতিক জগতে এসেছি ইন্দ্রিয়তৃপ্তি করতে, এই জন্য এখানে সুখ হয় আবার দুঃখ হয়। তাই যদি আমরা বৈদিক বিধিনিষেধের অবমাননা করি আমরা দুঃখ দুর্দশা পেয়ে থাকি। আর যদি আমরা বৈদিক আচার আচরণ পালন করে চলি তখন আমরা আপেক্ষিকভাবে অধিকতর সুখ পেয়ে থাকি।  আমরা দেখতে পাই কারোর হয়ত অনেক ধনসম্পত্তি আছে বা যশ আছে অথবা রাজনৈতিক ক্ষমতা আছে-এগুলো সবই তাদের পূর্বকৃত কর্মের ফল।  তারপর তার বিপদে পড়ে যার অর্থ হচ্ছে তার পূর্বের সুকর্ম ফুরিয়ে যাচ্ছে এবং আগের যে কুকর্ম ছিল সেটা এখন শুরু হয়েছে।  হতে পারে পাপ করেও কেউ রাষ্ট্রের আইনকে ফাঁকি দিয়ে দিল, কিন্তু ভগবানের আইনকে কেউ ফাঁকি দিতে পারবে না। ব্যবসায়ীরা পরিকল্পনা করে থাকে কিভাবে তারা আয়কর ফাঁকি দিতে পারবে, কিন্তু সরকারও আবার পরিকল্পনা করে কিভাবে আমরা ফাঁকি দেওয়ার সব ছিদ্রগুলি বন্ধ করে দেবো। এভাবে এই প্রতিযোগিতা নিরন্তর চলছে।

তো আমরা এই জড় জগতে রয়েছি কারন আমরা ইন্দ্রিয়তৃপ্তি করতে চাই। এই জড় জগৎ হলো কারাগারের মতো এবং এখানে আমাদের কর্ম অনুসারে সুখ-দুঃখ হতে পারে, কিন্তু ভক্তি হতে পারে না। তার জন্য বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন যজ্ঞপ্রণালী অনুমোদিত হয়েছে। সত্য যুগে ছিল ধ্যান, ক্রেতা যুগে হোম বা অগ্নিহোত্র যজ্ঞ আদি, দ্বাপর যুগের যজ্ঞপ্রণালী ছিল মন্দিরে শ্রীবিগ্রহের অর্চন আর এই কলিযুগে হরিনাম!

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে

ভগবানের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য কৃত সকল কিছুকেই যজ্ঞ বলা হয়।

তো ইন্দ্রিয়তৃপ্তি হল লবণের মত যা প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেওয়া যায় না আবার অতি অল্প নেওয়া যায় না কিন্তু আহার্য বস্তুকে গ্রহণ করতে লবণের ব্যবহার অপরিহার্য। সকল পুরুষের ব্রহ্মচর্য দিয়ে জীবন শুরু করা উচিত, সেইটাই বর্ণাশ্রম প্রথা। ব্রহ্মচর্য হলো একটি আশ্রম, তারপর একজন ব্রহ্মচারী সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে সে গৃহস্থ্ হতে চায় না ব্রহ্মচারীই থাকতে চায়-কত লবণ খেতে চায়! কিন্তু যেহেতু আমরা কৃষ্ণভাবনায় থাকতে চাই তাই আমরা একজন কৃষ্ণ ভক্তকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করতে চাইবো। আমার যখন স্ট্রোক হয়েছিল অনেক রকমের পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে, আমি সে কারণে ভিন্ন ভিন্ন হাসপাতালেও গিয়েছি। সেখানে বেশিরভাগ নার্সেরা মহিলাই হয়ে থাকে আর আপনি ডাক্তারদের থেকে বেশি নার্সদেরকেই দেখতে পাবেন, ডাক্তাররা পরে আসে আর জিজ্ঞাসা করে কেমন আছো? যদি আপনি বলেন ‘ভালো আছি’ তাহলেই সে চলে যাবে। প্রত্যেক হাসপাতালে ডাক্তারদের পরিদর্শনের পারিশ্রমিক মূল্য দেড় থেকে দুহাজার টাকা, তো তাই জন্য আমি কখনো ‘ভালো আছি’ বলতাম না, তাদের কাজ করা দরকার টাকা নিতে হলে! তো সেখানে একজন মহিলা ছিলেন যিনি প্রকৃতপক্ষে নার্স ঠিক নন, তিনি যান্ত্রিক বিষয়ের দেখাশুনা করতেন। তো তিনি আমাকে বিশ্বাস করে বলেছিলেন যে তার স্বামী মাংস খায় আর সে দাবি করে তার পত্নী যেন সেই মাংস রান্না করে দেয়। সে আমাকে বলেছিল যে সে ভক্ত এবং সে বিধিনিষেধের পালন করতে চায় কিন্তু তাকে তার স্বামীর আদেশও পালন করতে হয়। তাই সে জানেনা সে কি করবে! সে বলেছিল যে তার স্বামীর জন্য রান্না শেষ করার পর সে স্নান করে আর তারপর ভগবানের জন্য ভোগ রান্না করে। তো তাই জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যন্ত যথাযথ হয় যদি একজন ভক্ত আরেকজন ভক্তকেই বিবাহ করে। বর্তমানে গৃহস্থেরা গর্ভাধান সংস্কারকে গুরুত্ব প্রদান করছে কারণ তারা আচার্য সন্তান লাভ করতে চায়।  এক দম্পতি আমার কাছে এসেছিল এবং তারা বলছিল আমাদের কৃপা আশীর্বাদ প্রদান করুন যাতে আমরা একজন আচার্যকে সন্তান রূপে লাভ করতে পারি। শ্রীল প্রভুপাদ ১৯৭৩ সালে লন্ডনে একটি প্রবচনে গৃহস্থদের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে আমার গুরু শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর, তিনি হলেন একজন আচার্য। তাই আপনাদেরও আচার্য সন্তান লাভ করা উচিত। যাইহোক কিছুজনের ক্ষেত্রে হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে, কারণ তাদের বয়স হয়ে গেছে।  ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অধিকাংশ পার্ষদ এবং অনুগামীরাই ছিলেন গৃহস্থ। তখনকার সময়ে অনেক অল্প বয়সেই তাদের বিবাহ হয়ে যেত। আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়েছিলাম যে মাধবেন্দ্রপুরী যিনি একজন আচার্য তারও সন্তান ছিল, তিনি প্রথম জীবনে গৃহস্থ ছিলেন।  আমার জানা নেই তার কতজন সন্তান ছিল, কিন্তু একজনের নাম ছিল বিষ্ণু এবং তিনিও একজন মহান ভক্ত ছিলেন। তো ভক্তিমূলক সেবার অর্থ সবকিছুই কৃষ্ণের প্রতিবিধানের উদ্দেশ্যে করো। কিন্তু আপনারা যারা যে আশ্রমেই থাকুন না কেন আপনাদের সেই আশ্রমের নিয়ম নীতি এবং বিধিনিষেধ অবশ্যই পালন করতে হবে। তো গৃহস্তদের জন্য একরকম বিধি নিয়ম আর ব্রহ্মচারী, বানপ্রস্থ এবং সন্ন্যাসীদের জন্য ভিন্ন প্রকারের বিধিনিয়ম রয়েছে। যদিও ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আন্দোলনে বেশিরভাগ অনুগামীরা ছিলেন গৃহস্থ, কিন্তু তারা কৃষ্ণ এবং চৈতন্যদেবের প্রতি অত্যন্ত আসক্ত ছিলেন এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ইচ্ছা হল সমগ্র বিশ্ব উদ্ধার হয়ে যাক! গৌরাঙ্গ! নিত্যানন্দ! অদ্বৈত গোসাই! পঞ্চতত্ত্ব!

তো আমরা ভাগ্যবান যে শ্রীল প্রভুপাদ ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এই আন্দোলনকে সমগ্র বিশ্বের কাছে নিয়ে এসেছেন। শ্রীল প্রভুপাদ এই বিষয়ে ক্লাস দিচ্ছিলেন যে তিনি চান তার প্রত্যেক শিষ্য অথবা অনুগামীরা সকলেই অন্তিমে গুরু হয়ে উঠুক। তিনি বোম্বে এবং বৃন্দাবনে বলছিলেন ভারতীয়দের তো অবশ্যই হওয়া উচিত এবং লস এঞ্জেলস, ডেট্রয়েট এবং অন্য অনেক স্থানে তিনি এমনটা বলেছেন। তো তিনি চান সকলেই গুরু হোক এবং তিনি সর্বদা এটা বলতেন যে চৈতন্যচরিতামৃতে ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু আদেশ দিয়েছেন যে-“যারে দেখো তারে কহ কৃষ্ণ উপদেশ/আমার আজ্ঞায় গুরু হইয়া তারো এই দেশ”(চৈতন্যচরিতামৃত.মধ্যলীলা ৭.১২৮)। এর অর্থ, প্রভু বলেছেন যার সাথেই আপনার সাক্ষাৎ হবে তাকেই ভগবত গীতায় এবং ভাগবতে কৃষ্ণ যে সকল আদেশ দিয়েছেন তা পালন করার উপদেশ দিন আর আমার এই আজ্ঞা পালন করে আপনিও একজন গুরু হন এবং সেই স্থানের প্রত্যেককে উদ্ধারের চেষ্টা করুন। তো ভগবান শ্রী চৈতন্যদেব এরূপ আদেশ দিয়েছেন এবং শ্রীল প্রভুপাদ তার পুনরাবৃত্তি করেছেন বারংবার।

তো আমাদের জন্য স্বয়ং ভগবান কর্তৃক বিহিত বৈদিক আইন সমূহ রয়েছে। চৈতন্যচরিতামৃতে একটি শ্লোকে বলা হয়েছে—“কৃষ্ণভক্ত নিষ্কাম অতএব শান্ত/ ভুক্তি-মুক্তি-সিদ্ধিকামী সকলই অশান্ত”(চৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা ১৯.১৪৯)। ভুক্তি-মুক্তি-সিদ্ধিকামী সকলই অশান্ত অর্থাৎ যে ব্যক্তি জড়জাগতিক সুখ ভোগ করতে চায় অথবা নির্বিশেষ ব্রহ্মে বিলীন হয়ে মুক্তিলাভ করতে চায় তারা সকলেই অশান্ত। কৃষ্ণভক্ত নিষ্কাম অতএব শান্ত কিন্তু কৃষ্ণ ভক্তের কোন জড় কামনা নেই আর তাই তারা শান্ত, কিন্তু এমনটা নয় যে ভক্তের কোন ইচ্ছা থাকবে না। তার একমাত্র ইচ্ছা হচ্ছে কৃষ্ণসেবা করা।  যদি আমাদের কৃষ্ণসেবার বাসনাই একমাত্র থাকে তাহলেই আমরা ভগবত্ধামে আমাদের নিত্য আলয় কৃষ্ণলোকে ফিরে যেতে পারবো। কিন্তু যদি আমাদের ইন্দ্রিয়তৃপ্তির বাসনা থাকে এবং কৃষ্ণের সঙ্গে আমাদের বাসনার কোনো সম্বন্ধই না থাকে তাহলে অন্ততপক্ষে আমাদের বৈদিক বিধিনিষেধ গুলি মেনে জীবনযাপন করা উচিত যাতে আমরা অন্ততপক্ষে উর্দ্ধলোকে উন্নীত হতে পারি।  শ্রীমদ্ভাগবতে পঞ্চম স্কন্ধে বলা হয়েছে যে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মৈথুনের দ্বারা সন্তান উৎপাদনের যে প্রক্রিয়া, তাও ব্রহ্মচর্য। সন্তান উৎপাদনের বিষয় ছাড়া, সাধারণ ক্ষেত্রেও তাদের মিলন ব্রহ্মচর্য হিসেবে পরিগণিত হয়।  এখানে বলা হয়েছে একজন অত্যধিক লবণ যেমন নিতে পারে না আবার অতি অল্প নিলেও চলে না তাই যদি একজন গৃহস্থের কিছু পরিমাণ লবণ প্রয়োজন হয়ও তাহলে বৈদিক শাস্ত্রে যতখানি নিতে অনুমোদন করা হয়েছে ততটা নেওয়াই শ্রেয়শ্কর এবং নেওয়া যেতে পারে। পৃথিবীর কিছু স্থানে তারা আইন সংগত মদের দোকান রেখেছে, আবার কোথাও আইন সঙ্গত গাজার দোকানও রয়েছে। কিন্তু এগুলো বৈদিক নীতি বিরুদ্ধ।  বিভিন্ন দেশে তৈরি করা এসব আইন কিন্তু যমরাজের দ্বারা এখনো স্বীকৃত নয়। আপনি তাকে বলতে পারেন আমি আইন মেনেছিলাম!কিন্তু উনি বলবেন এমনটা কোথায় আছে যে আপনি কৃষ্ণভক্ত হয়ে মদ্যপান করতে পারেন!? তাই আমাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে আমরা কি করছি সে ব্যাপারে এবং আমরা যাই করি তা যেন কৃষ্ণের জন্য করা হয়, যার দ্বারা ওনার প্রীতিবিধান হয়, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু প্রীত হন এবং পঞ্চতত্ত্ব আমাদের প্রতি প্রসন্ন হন! হরিবোল!

কোনো প্রশ্ন?

প্রশ্ন: ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং শ্রীল প্রভুপাদ যে আদেশ দিয়েছেন সকলকে গুরু হতে হবে, তা কেমন গুরু হতে বলা হয়েছে? শিক্ষাগুরু না দীক্ষাগুরু?

গুরুমহারাজ: শ্রীল প্রভুপাদ এটি দীক্ষাগুরু বোঝাতে চেয়েছেন এবং দীক্ষাগুরু একজন শিক্ষাগুরুর ভূমিকাও পালন করেন।  ব্যাসপূজা প্যান্ডেলে গৌড়ীয় মঠের একজন বলছিলেন দীক্ষাগুরু একজনই হয়, কিন্তু আপনার অসীম শিক্ষাগুরু থাকতে পারে।  তিনি বললেন ‘আপনারা সকলেই আমার শিক্ষাগুরু’।  যাইহোক যদিও উনি এমনটা বলছিলেন। 

প্রশ্ন: ব্যাসপূজাতে এবং গতকালকের ই.আই.ডি.সি মিটিংয়ে এবং এর পূর্বেও বহুবার আপনি বলেছেন শ্রীল প্রভুপাদ চেয়েছেন যে সকলে যেন দীক্ষাগুরু হয়।  কিন্তু প্রভুপাদ এও বলেছেন যে তুমি তখনই দীক্ষাগুরু হও যখন তুমি নিজেকে শিষ্যের সমস্ত পাপ গ্রহণে প্রস্তুত হয়েছো মনে করবে তো এমনটা শুনে অনেক ভক্তরাই পিছু হটছে। কারণ যখন শিষ্যদের পাপের বোঝা গ্রহণের প্রশ্ন আসছে ভক্তরা ভীত হচ্ছে, তখন তারা আর দীক্ষাগুরু হতে চাইছেন না।

গুরুমহারাজ: ভক্তরা দেখতে পাবেন একজন দীক্ষাগুরু কি পরিমান কৃপাবর্ষণ করে থাকেন, তখন সেই গুরুর স্বার্থে তারা পাপকর্ম থেকে বিরত থাকবেন আর সেই দীক্ষাগুরু তার শিষ্যদের হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতে বলবেন, তুলসী পরিক্রমা করতে বলবেন, শ্রীবিগ্রহের অর্চন করতে বলবেন এবং এসবের দ্বারা কর্মবন্ধন থেকে তারা মুক্ত থাকতে পারবে।

শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে ৫০ হাজার শিষ্য করতে আদেশ দিয়েছিলেন। আমি ইতিমধ্যেই সেই সংখ্যা অতিক্রম করেছি। এখন যদি তারা সকলে বিধিবিধান পালন করে এবং পরম্পরাকে অনুসরণ করে তাহলে ভালো না হলে আমি বিপদে পড়ে যাব কারণ তখন তাদের সেই শিষ্য সংখ্যায় গননা করা হবে না।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by পায়েল চন্দ্র 3/2/2026
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions