মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১৩.১৪
মনুরুবাচ
আদেশেঽহং ভগবতো বর্তেয়ামীবসূদন।
স্থানং ত্বিহানুজানীহি প্রজানাং মম চ প্রভো॥
অনুবাদ: শ্রীমনু বললেন—হে সর্বশক্তিমান প্রভু! হে সর্ব পাপনাশক! আমি আপনার আদেশ পালন করব। দয়া করে আপনি আমাকে বলুন, আমার স্থান কোথায় এবং আমার থেকে উৎপন্ন প্রজাদের স্থান কোথায়।
শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১৩.১৫
যদোকঃ সর্বভূতানাং মহী মগ্না মহাম্ভসি।
অস্যা উদ্ধরণে যত্নো দেব দেব্যা বিধীয়তাম্॥
অনুবাদ: হে দেবাদিদেব! আপনি কৃপা করে প্রলয়-সলিলে নিমগ্ন পৃথিবীকে উদ্ধার করার প্রযত্ন করুন, কেননা তা হচ্ছে সমস্ত জীবেদের বাসস্থান। আপনার প্রচেষ্টা ও পরমেশ্বর ভগবানের কৃপায় তা করা সম্ভব হবে।
তাৎপর্য: এখানে যে মহাজলধির উল্লেখ করা হয়েছে, তা হচ্ছে গর্ভোদক সমুদ্র, যা ব্রহ্মাণ্ডের অর্ধভাগ পূর্ণ করে রাখে।
শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১৩.১৬
মৈত্রেয় উবাচ
পরমেষ্ঠী ত্বপাং মধ্যে তথা সন্নামবেক্ষ্য গাম্।
কথমেনাং সমুন্নেষ্য ইতি দধ্যৌ ধিয়া চিরম্॥
অনুবাদ: শ্রীমৈত্রেয় বললেন—এইভাবে জলমগ্ন দেখে, ব্রহ্মা দীর্ঘকাল ধরে চিন্তা করেছিলেন, কিভাবে তাকে উদ্ধার করা যায়।
তাৎপর্য: শ্রীল জীব গোস্বামীর মতে এখানে যে বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে, তা অন্য কল্পের। বর্তমান বিষয়টি শ্বেতবরাহ কল্পের, এবং চাক্ষুষ কল্পের বিষয়ও এই অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: মনু ব্রহ্মাকে বলেছিলেন যে তিনি তাঁর নির্দেশ পালন করবেন। এইভাবে শ্রীল প্রভুপাদ আধ্যাত্মিক গুরুর নির্দেশ পালন করতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেছেন যে এবং এটি বলা আছে শাস্ত্রের মধ্যে যে গুরুদেবের আদেশ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দেখেছি যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী খারগার, নাভি মুম্বাইতে নতুন মন্দির উদ্বোধনের সময় এটি প্রশংসা করেছেন যে কিভাবে শ্রীল প্রভুপাদ ৭০ বছর বয়সে প্রচারে গিয়েছিলেন, যখন বেশিরভাগ ব্যক্তিরাই অবসর গ্রহণ করে। উনি ৪৫ মিনিট বলছিলেন যে কোণে কোণে পৃথিবীতে মধ্যে গিয়েছেন, এটা একটা ধর্ম নয়, এটা হচ্ছে আন্দোলন। উনি বলেছেন যে গোপাল কৃষ্ণ গোস্বামী মহারাজের সাথে তার দেখা হয়েছে এবং পৃথিবীতে সবথেকে বড় ভগবদগীতা পূজা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, তিনি গোপাল কৃষ্ণ গোস্বামী মহারাজকে এটি কথা দিয়েছিলেন যে তিনি খারগার মন্দির উদ্বোধন করবেন। শ্রীল প্রভুপাদের এই ধরাধামে অবস্থান কালে কিছুজন তাঁর পরিচিতি সম্বন্ধে অবগত ছিলেন এবং কিছুজন তাঁর পরিচিতি সম্বন্ধে অবগত ছিলেন না কিন্তু এখন অন্তত তাঁর সম্বন্ধে সবাই অবগত হচ্ছেন। শ্রীল প্রভুপাদ কৃষ্ণের কাছে প্রার্থনা করছিলেন যে — তুমি আমাকে এই উগ্রদেশে নিয়ে এসেছ। মনু ব্রহ্মার কাছে প্রার্থনা করছেন যে, ভগবানের কৃপায় আপনি আপনার প্রচেষ্টায় ভূমন্ডলকে জল থেকে বের করে নিয়ে আসতে পেরেছিলেন। ঠিক একইভাবে, শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর প্রচেষ্টায় বহির্গমন করেছিলেন এবং ভগবানের কৃপায় এই সবকিছু সম্ভবপর হয়েছিল। কেন শ্রীল প্রভুপাদ ৬৯ বা ৭০ সালে গিয়েছিলেন? হয়ত তা আপনাদের সকলকে অনুপ্রাণিত করার জন্য যে আপনাদের প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একই সাথে ভগবানের কৃপাও গুরুত্বপূর্ণ!
ব্রহ্মা দীর্ঘ সময় ধরে চিন্তামগ্ন ছিলেন যে, কিভাবে তিনি ভূমন্ডলকে উপরে তুলতে পারবেন। শ্রীল প্রভুপাদও দীর্ঘ সময় ধরে চিন্তামগ্ন ছিলেন যে কিভাবে তিনি তাঁর আধ্যাত্মিক গুরুর নির্দেশ পালন করতে পারবেন। এমনকি প্রাথমিক পর্যায়ে তিনি বলতেন যে কিভাবে ইসকনের সমগ্র বিশ্বব্যাপী শাখা আছে, প্রভুপাদ ভবিষ্যতে দেখছিলেন যে এ কিভাবে বিস্তার হবে। এবং আমার সৌভাগ্য হল আমি প্রত্যেক ইসকনের শাখা দেখেছিলাম এই সময়ে— তিনটি শাখাই! সানফ্রান্সিসকো, নিউইয়র্ক এবং মন্ট্রিয়াল, কিন্তু আমার মনে হয় না এখন ইসকনের সব মন্দিরে যাওয়া সম্ভব!
এখন যে এই বাংলা, বাংলাদেশে গৌর মণ্ডল ভূমি আছে, এটা দেখা যায়, কিন্তু আমার মনে হয় না অনেক ভক্তরা এখনও এমনকি গৌর মণ্ডল ভূমির অন্তর্ভুক্ত মন্দিরগুলিও দর্শন করেছেন। শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর এই ধরাধামে অবস্থানকালীন সময়ে শেষ সপ্তাহে তিনি ভক্তিবেদান্ত স্বামী চারিটি ট্রাস্ট নির্মাণ করেছিলেন এবং উনি বলছিলেন এই গৌর মণ্ডল ভূমির যত স্থান এবং নবদ্বীপ ধামকে উন্নয়ন করতে। মায়াপুর পর্যটন তাই গৌর মণ্ডল ভূমির ভ্রমণ কার্যক্রম প্রারম্ভ করেছে, তারা মায়াপুরের নিকটস্থ বিভিন্ন স্থানে যান। গৌর মণ্ডল ভূমি রিমুনা থেকে শুরু করে কানাই নাটশালার সামান্য অধিক পর্যন্ত বিস্তৃত, আর পূর্বদিকে বাংলাদেশে পুণ্ডরীক বিদ্যানিধি ধাম থেকে অদ্বৈত গোঁসাইয়ের জন্মস্থান, ওটা সিলেট থেকে আরও উত্তর দিকে। বিজ্ঞপ্তি ফলকে আপনারা আগামী ২৬শে জানুয়ারির ভ্রমণ সম্বন্ধে দেখতে পারেন এবং শ্রীল ভক্তিবিঘ্ন বিনাশক নরসিংহ স্বামী মহারাজ এই দলকে সঙ্গ প্রদান করবেন।
মনু, তিনি ব্রহ্মাকে জিজ্ঞেস করছিলেন যে, “যদি ধরিত্রী জলের তলায় চলে যায়, তাহলে আমি কোথায় বাস করব এবং আমার বংশধরেরা কোথায় বাস করবে?” একইভাবে শ্রীল প্রভুপাদ ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে তাঁর ব্যাসপূজায় ভক্তদের কাছে একটি প্রবচন দিচ্ছিলেন, সেখানে নিশ্চয়ই তাঁর অনেক গৃহস্থ ভক্তরা ছিলেন, তাই তিনি বলেছিলেন যে— সকল গৃহস্থের পরমহংস হওয়া উচিত। পরমহংসের অর্থ হল আপনি আপনার হৃদয়ে, আপনার মনে সর্বক্ষণ কৃষ্ণ অবস্থান করছেন। এবং উনি বলছিলেন গৃহস্ত সব আচার্য সন্তান করা উচিত। ব্রহ্মা মনুকে বলেছিলেন যে, “তুমি হচ্ছে এক সদ্ শীষ্য। তুমি তোমার মতোই সন্তান সৃষ্টি কর, যারা সদ্ শিষ্য।” শ্রীল প্রভুপাদ উল্লেখ করেছিলেন যে, তাঁর গুরু ছিলেন একজন আচার্য, তিনি ছিলেন শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সন্তান ও ইত্যাদি বিষয়। তাই শ্রীল প্রভুপাদ চেয়েছিলেন যে অনেক আচার্যরা থাকবেন যাতে এই জগতকে তারা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশনার দ্বারা প্লাবিত করবেন।
এই অধ্যায়টি হচ্ছে ভগবান বরাহদেবের আবির্ভাব বিষয়ক। এই সমস্ত বিষয়গুলি ভগবান বরাহদেবের আবির্ভাবের প্রাক-ঘটনাবলী। শ্রীল জীব গোস্বামী বলছিলেন যে, শয়ম্ভুব মনুর কল্পে শ্বেত বরাহ অবতার হয় এবং বরাহদেব হচ্ছেন চক্ষুসা কল্পের। আমি জানিনা কোন বরাহদেব, কিন্তু কোলা দ্বীপে ভগবান বরাহদেব অসুরকে পদাঘাত করার সময় তাঁর এক শ্রীচরণ রেখেছিলেন, হয়ত অসুর হিরণ্যক্ষ তাঁকে তার গদা দিয়ে আক্রমণ করেছিল এবং ভগবানের পশ্চাদপদ নবদ্বীপ ধামের কোলা দ্বীপ স্পর্শ করেছিল। দেবানন্দ গৌড়ীয় মঠে সেখানে ভগবান বরাহদেবের একটি শ্রীবিগ্রহ আছে। তাই, নবদ্বীপ ধামে থাকা মানে হচ্ছে এই স্থান হচ্ছে বিভিন্ন অবতারদের সঙ্গে সংযোগযুক্ত।
আমাদেরকে খুবই উৎসাহী হতে হবে, বিনয়ী হতে হবে এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং পঞ্চতত্ত্বের বাণী পালন করার চেষ্টা করতে হবে। এর দ্বারা আমরা শ্রীল প্রভুপাদকে সহায়তা করব, তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য এবং আমরা সবাই চরমে তাঁর পথনির্দেশনায় কার্য করছি। ঠিক যেমন তিনি যা করেছিলেন, তা হচ্ছে এক অলৌকিক ঘটনা যে ১০৮টি মন্দির স্থাপন করা। ঠিক যেমন, ভগবান শ্রীরাম, তিনি তাঁর বানর সেনাদের রাবণের সঙ্গে যুদ্ধে নিযুক্ত করেছিলেন, ঠিক একইভাবে শ্রীল প্রভুপাদ পাশ্চাত্য দেশীয় পুরুষ এবং মহিলাদেরকে এই আন্দোলনে নিযুক্ত করেছিলেন, যারা ছিল খুবই অধঃপতিত, এবং এখন আরো বিস্তার হয়েছে এবং সবাই চেষ্টা করছে। তাই শ্রীল প্রভুপাদকে সহায়তা করার চেষ্টা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভক্তিচারু স্বামী এবং শুভগ স্বামী, সমস্ত ইসকন গুরু, সন্ন্যাসী অত্যন্ত প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করছে, করেছে শ্রীল প্রভুপাদকে সাহায্য করতে, কিন্তু এখন ভক্তদেরকে এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। আমাদের কাছে এই তথ্য আছে যে, ভক্তিবিজয় ভাগবত স্বামীর ভক্তদের দলের লক্ষ্য হচ্ছে ৫ লক্ষ ভগবদগীতা বিতরণ করার, কিন্তু ব্রজবিলাস প্রভু বলেছেন যে আমাদের আরও অধিক করা উচিত, আমাদের ৭ লক্ষ করা উচিত। যদি কেউ তাদেরকে গ্রন্থসমূহ বা ভগবদগীতার মূল্য প্রদান করে সাহায্য করতে চান, তাহলে তাতে তাদের সহায়তা হবে। তারা বলেছেন যে, তারা আশা করছেন ৪০কোটি মানুষ কুম্ভ মেলায় যাবে, এবং তাই ৭ লক্ষ গ্রন্থ তেমন বিশাল কিছু নয়, এটা হচ্ছে কেবল এক উদাহরণ, তবে শ্রীল প্রভুপাদ চেয়েছিলেন গীতা, শ্রীমদ্ভাগবত, শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত যাতে সব মানুষদের কাছে বিতারণ করা হয়। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এত কৃপাময় যে তিনি সব মানুষদের কৃষ্ণভাবনাময় দেখতে চেয়েছিলেন। আমাদের এখানে পঞ্চতত্ত্ব ভগবান আছেন —
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু-নিত্যানন্দ
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ॥
পঞ্চতত্ত্ব, তাঁরা প্রত্যেককে উদ্ধার করার এই বাসনা নিয়ে অবতরণ করেছিলেন এবং যে “শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ”— আপনারা তো সব গৌর ভক্তবৃন্দ। এই পঞ্চতত্ত্ব কারা?
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু-নিত্যানন্দ
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ॥
ইংরেজি!
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু-নিত্যানন্দ
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ॥
বংলা!
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু-নিত্যানন্দ
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ॥
সংস্কৃত!
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু-নিত্যানন্দ
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ॥
সাধারণত সমগ্র মানবজাতির উদ্ধার সম্ভবপর নয়, কিন্তু বাসুদেব দত্ত তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে বলেছিলেন যে, আমাকে সমস্ত বদ্ধ জীবদের পাপ গ্রহণ করতে দিন। এবং তাদের সকলকে ভক্ত হতে দিন। তিনি সত্যিই তা মন থেকে বলেছিলেন যে তিনি নরকে যাবেন এবং সমস্ত পাপের জন্য ক্লেশ ভোগ করবেন, কিন্তু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বললেন, “যদি তোমার কাছে এক থলি ভর্তি সরষে থাকে, আর একটি সরষে দানা চলে যায়, তাহলে এটা কি কোন ব্যাপার? কেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চাইবেন যে তোমার মত তাঁর শুদ্ধ ভক্তরা এই সমস্ত পাপের জন্য ক্লেশ ভোগ করবে?” তোমার ইচ্ছার জন্য শুরুতেই এই জগৎ উদ্ধার হয়ে গেল, কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদ আমাদেরকে এই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আমাদের এমন চিন্তা করা উচিত নয় যে — “ওহ তিনি আমার জন্য কষ্ট ভোগ করবে, তাই আমি পাপ করতে থাকি।” এই প্রসঙ্গে শ্রীল প্রভুপাদ খ্রিস্টানদের কথা উল্লেখ করেছিলেন যে, তারা যায় এবং চার্চে গিয়ে স্বীকার করে যে, “আমি এ সমস্ত পাপ করেছি!” এরপর তারা আবার বাইরে বেরিয়ে আসে ও আবার পাপ করতে শুরু করে। সেইজন্য, আমাদের নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করা থেকে বিরত থাকা উচিত এবং আমাদের নাম কীর্তন করা উচিত:
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে
কোন প্রশ্ন আছে?
প্রশ্ন: যখন বাসুদেব দত্ত প্রার্থনা করেছিলেন মহাপ্রভুর কাছে যে সমস্ত জীবকে উদ্ধার করতে, মহাপ্রভু এই সমস্ত জীবকে উদ্ধার করে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন, আর ব্রহ্মাণ্ডে আবার অন্য জায়গা থেকে জীব ভর্তি হয়েছিল, এক নম্বর। এবং দুই নম্বর হচ্ছে যে গুরুমহারাজ এখন যদি কোন বৈষ্ণব, মহাপ্রভুর পার্ষদ প্রার্থনা করেন যে সমস্ত জীব উদ্ধার হয়ে যাবে, তাহলে তো আমরা খুব সহজেই উদ্ধার হয়ে যাব।
জয়পতাকা স্বামী: তাৎপর্যে প্রভুপাদ বলেছিলেন যে কিভাবে যীশু খ্রীষ্ট তিনি তাঁর অনুসারীদের উদ্ধার করেছিলেন, কিন্তু বাসুদেব দত্ত হচ্ছেন লক্ষ্যগুণ মহান, কারণ তিনি তাঁর অনুসারীদের কথা বলেননি, তিনি সকল জীব, সকল বদ্ধ জীবদের কথা বলেছিলেন। নাস্তিক, আস্তিক — যেই হোক, সব রকম জীব, এমন কি যারা নাস্তিক তারাও। তবে শ্রীল প্রভুপাদ এটি নিন্দা করেছিলেন যে, “যদি আমরা মনে করি তিনি আমার জন্য কষ্ট ভোগ করবেন, তাই আমি পাপ করতে থাকি।” তাই বাসুদেব দত্তের শক্তির উপর ভিত্তি করে পাপী হয়ও না। যখন আমরা বুঝতে পারছি যে পঞ্চতত্ত্ব ভগবান আমাদেরকে উদ্ধার করার বাসনা করছেন, তখন আমাদের দিক থেকেও যতটা সম্ভব তার প্রয়াস করা উচিত। জগাই মাধাই উদ্ধার প্রাপ্ত হওয়ার পর, তারা সেই প্রয়াস করেছিলেন! হরিবোল!
Lecture Suggetions
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ