নমো ওঁবিষ্ণুপাদায় কৃষ্ণপ্রেষ্ঠায় ভূতলে।
শ্রীমতে ভক্তিবেদান্ত স্বামীনিতি নামিনে॥
নমস্তে সারস্বতে দেবে গৌরবাণী প্রচারিনে।
নির্বিশেষ-শুন্যবাদী পাশ্চাত্যদেশ তারিণে॥
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু-নিত্যানন্দ
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ ॥
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে
হরি হরয়ে নমঃ কৃষ্ণ যাদবায় নমঃ
গোপাল গোবিন্দ রাম শ্রী মধুসূদন
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.৭.৩৯
নিমিত্তানি চ তস্যেহ প্রোক্তান্যনঘসূরিভিঃ।
স্বতো জ্ঞানং কুতঃ পুংসাং ভক্তির্বৈরাগ্যমেব বা॥
অনুবাদ: ভগবানের নিষ্কলঙ্ক ভক্তেরা এই প্রকার জ্ঞানের উৎস সম্বন্ধে উল্লেখ করেছেন। সেই সমস্ত ভক্তদের সহায়তা ব্যতীত ভক্তিযোগ এবং বৈরাগ্য সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করা কিভাবে সম্ভব?
তাৎপর্য: এই রকম অনেক অনভিজ্ঞ ব্যক্তি রয়েছে যারা সদ্গুরুর সহায়তা ব্যতীত আত্ম উপলব্ধির ওকালতি করে। গুরু গ্রহণের আবশ্যকতা অস্বীকার করে এবং নিজেরাই গুরু সেজে ঘোষণা করে যে, গুরু গ্রহণের কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। কিন্তু শ্রীমদ্ভাগবত এই দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থন করে না। এমনকি ব্যাসদেবের মতো মহান তত্ত্বজ্ঞানী পণ্ডিতেরও গুরু গ্রহণের আবশ্যকতা ছিল, এবং তাঁর গুরুদেব নারদ মুনির নির্দেশ অনুসারে, তিনি এই দিব্য সাহিত্যসম্ভার শ্রীমদ্ভাগবত প্রণয়ন করেছিলেন। এমনকি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুও যিনি হচ্ছেন স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, তিনিও গুরু গ্রহণ করেছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ লোকশিক্ষার জন্য সান্দীপনি মুনিকে গুরুরূপে বরণ করেছিলেন। পৃথিবীর সমস্ত আচার্য এবং মহাত্মাদের গুরু ছিলেন। ভগবদ্গীতায় অর্জুন শ্রীকৃষ্ণকে তাঁর গুরুরূপে বরণ করেছিলেন, যদিও সেই প্রকার লৌকিকতার কোন প্রয়োজন ছিল না। অতএব প্রতিটি ক্ষেত্রেই, গুরু গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে কোন সন্দেহই নেই। শর্ত কেবল একটিই, এবং তা হচ্ছে গুরুকে সৎ হতে হবে বা প্রামাণিক হতে হবে, অর্থাৎ গুরুদেবকে যথাযথ পরম্পরার অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।
সূরি মানে হচ্ছে মহাপণ্ডিত, কিন্তু তাঁরা সর্বদাই অনঘ বা নিষ্পাপ নাও হতে পারেন। অনঘসূরি হচ্ছেন তিনি যিনি ভগবানের শুদ্ধ ভক্ত। যারা ভগবানের শুদ্ধ ভক্ত নয়, অথবা যারা ভগবানের সমকক্ষ হতে চায়, তারা অনঘসুরি নয়। শুদ্ধ ভক্তেরা প্রামাণিক শাস্ত্রের ভিত্তিতে বহু জ্ঞানগর্ভ গ্রন্থ রচনা করেছেন। শ্রীল রূপ গোস্বামী এবং তাঁর সহকারীরা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ অনুসারে, ভাবী ভক্তদের পরিচালনা করার জন্য বহু শাস্ত্র রচনা করেছেন, আর যারা ভগবানের শুদ্ধ ভক্তির স্তরে উন্নীত হতে ঐকান্তিকভাবে আগ্রহী, তাদের কর্তব্য হচ্ছে সেই সমস্ত গ্রন্থাবলীর সাহায্য গ্রহণ করা।
জয়পতাকা স্বামী: আজকে একটা বিশেষ শ্লোক হয়েছে। দেখো, সাধারণত আমি শনিবার সকাল বেলা পাঠ দেই, কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এবং অন্যান্য পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলিতে তাদের শনিবার ছুটি থাকে, কিন্তু পূর্ববর্তী সপ্তাহান্তিক কালে শ্রীশ্রীমৎ ভক্তিচারু মহারাজের বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ছিল। তখন আমি শুনেছি যে ক্লাস দিচ্ছে একটা ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের শিষ্য। এইটা আমি ভেবেছি খুব ভালো, কারণ আমরা পরবর্তী প্রজন্মের অনুক্রম দেখতে চাই।
আমি আজকে সকাল বেলার ঘোষণার সময় শুনেছিলাম যে আমি পাঠ দেব এবং সাধারণত পূর্বরাত্রে কেউ একজন আমার কাছে সেই অংশ পড়ে, কিন্তু আমাকে দিয়েছে যে শ্লোক অষ্টম অধ্যায় চৈতন্য চরিতামৃত থেকে।
শ্রীমদ্ভাগবতের এই শ্লোকের তাৎপর্য হচ্ছে যে কিভাবে আমাদের সকলের গুরুর প্রয়োজন আছে। শ্রীল প্রভুপাদ প্রথমে তিনি ঘাসের কুটিরে ছিলেন, যা আমরা সংরক্ষণ করে রেখেছি এবং শ্রীল প্রভুপাদ আমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন যে কিভাবে একজন যথার্থ বৈষ্ণব হওয়া যায় এবং তারপর তিনি পদ্মভবনে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন, সেখান থেকে শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর অনেক সঙ্গ ও নির্দেশ প্রদান করেছিলেন।
পরবর্তী সপ্তাহান্তিক কালে আমাদের ‘শ্রীল প্রভুপাদ কানেকশন’ একটি বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। আমি এই বিষয়ে বেশি কিছু জানি না, কিন্তু যতটা জানি যে প্রত্যেক ভক্ত শ্রীল প্রভুপাদের বিষয়ে কিছু বলার সুযোগ পাবেন যে কিভাবে তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য এবং তিনি কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি আমাদেরকে বৈদিক তারামণ্ডলী নির্মাণ করতে বলেছেন এবং এই সপ্তাহে আমাদের পরামর্শদাতা বেছে নেওয়ার কার্যক্রম হবে। তিনটি কোম্পানির নাম সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা আছে।
এখানে আমরা এই শ্লোকে দেখতে পাই যে এটি উল্লেখ করা হয়েছে, আমরা অবশ্যই একটা গুরু আশ্রয় নিতে হবে এবং কিছু উদাহরণ দেওয়া হইল কেমন সবাই একটা গুরু, এমন কৃষ্ণ, ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু একটা গুরু গ্রহণ করতে হয়।
আমি চিন্তা করছিলাম যে আমাকেও চলে যেতে হত, কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে বিভিন্ন নির্দেশ প্রদান করেছেন এবং আমি যতটা সম্ভব তা পূর্ণ করতে চাইছিলাম। আমার অনেক সাহায্য দরকার! মানুষেরা আমার কাছে আসে এবং আমাকে জিজ্ঞেস করে—“আমি এখন দীক্ষা গ্রহণ করেছি, আপনি আমাকে কি নির্দেশ প্রদান করবেন?” কেবলমাত্র চিঠির মাধ্যমে নয়, তারা ব্যক্তিগতভাবে এসেও আমাকে বলে এবং আমি চিন্তা করছি যে শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে কত নির্দেশ দিয়েছেন, এর মধ্যে তুমি কোন নির্দেশ পূরণ করার ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করতে চাও? আমাকে বলো!
আমি প্রায় তিন মাস ধরে দিল্লিতে ছিলাম এবং কিছু নেত্রীবর্গীয় শিষ্যরা আমাকে ফোন করেছিল এবং বলছিল, “আপনি আসবেন না! মায়াপুরে আসবেন না! সবকিছু ঠিক হলে তারপরে আসবেন। তোমার যখন স্বাস্থ্য ভালো, তখন তুমি আসবে।” এবং তিন মাস পর আমি মায়াপুরে এসেছি। তারপর আমাকে বলা হল যে আমার জন্য হাসপাতাল প্রস্তুত নেই এবং তখন আমি কলকাতায় ফিরে যাই। আমি দেখলাম যে এমনকি কলকাতার হাসপাতালও যথার্থ ব্যবস্থাযুক্ত নয়, তখন আমাকে বলা হলো যে— “একটি হাসপাতালে সেই যন্ত্র আছে যা আপনি চান।” তখন আমি আমার ডায়ালিসিস সেখানে করেছিলাম এবং পুরো রথযাত্রা মহোৎসাবে কলকাতায় থেকেছিলাম। তারপরে এখানে মায়াপুর প্রস্তুত ছিল, তাই আমি এখানে ফিরে আসি এবং আমার শ্রীশ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামীর তিরোভাব মহোৎসবে অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয়েছিল।
গতরাত্রে তারা আমার কাছে চৈতন্য চরিতামৃত থেকে পাঠ করেছে যে কিভাবে শ্রীমতী রাধারানী এবং শ্রীমাধব একত্রিত হয়ে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু হয়েছেন। এছাড়া মহাপ্রভু হচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণের সর্বোচ্চ করুণাময় স্বরূপ। তিনি এই কলিযুগে এসেছেন বিশেষত সকল বদ্ধ জীবদের উদ্ধার করতে এবং মুক্ত করতে। কিন্তু যদি কেউ মনে করে যে তারা শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণের পূজা করবে, কিন্তু তারা যদি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে বাদ দিয়ে দেয় বা অবজ্ঞা করে, সেইজন্য এখন তারা উদ্ধার হবে না।
যেহেতু আজকে হচ্ছে সোমবার এবং অস্ট্রেলিয়াবাসীরা কর্মে লিপ্ত, তাই হয়ত কয়েকজন পাঠ শুনতে পারছে, কিন্তু মায়াপুরবাসী, আপনারা চেষ্টা করবেন আপনার কোন আত্মীয়, বন্ধু, যারা আসে মায়াপুরে, তাদের যে চৈতন্য মহাপ্রভুর আশ্রয় নিতে হয়। কারণ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আশ্রয় ছাড়া আর কোন আশা নেই! তিনি সকল বদ্ধ জীবাত্মার উদ্ধার করার জন্য এসেছিলেন। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, নিতাই, অদ্বৈত, গদাধর, শ্রীবাস আদি গৌর ভক্তবৃন্দ। শ্রীল রূপ গোস্বামী বলেছেন— “মহাবদান্যায়” — সর্বাপেক্ষা করুনাময় চৈতন্য মহাপ্রভু। এখন সুযোগ আছে যে আপনারা আমরা শ্রীবাস, চৈতন্য, পঞ্চতত্ত্ব আশ্রয় নিতে হয়। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এমনকি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের থেকেও অধিক কৃপা বিতরণ করেন, যদিও তিনি হচ্ছেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ, কিন্তু তিনি রাধারাণীর সঙ্গে সংমিশ্রিত, সেইজন্য তাঁর কৃপা অধিক। হরিবোল!
ভক্তবৃন্দ: হরিবোল!
জয়পতাকা স্বামী: গৌরাঙ্গ!
ভক্তবৃন্দ: গৌরাঙ্গ!
জয়পতাকা স্বামী: আমাদের এই দুর্লভ সৌভাগ্য লাভ করেছি যে আমরা চৈতন্য মহাপ্রভুর ধামে বসবাস করছি। (ভক্তবৃন্দ: হরিবোল!) মানুষদের এটা জানা উচিত যে ভগবান চৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপা কত মহৎ। আপনারা এই গোপন তত্ত্ব আপনার যারা আসেন, যা আপনারা জানেন আপনারা বলুন। দেখো শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে তিনি তাঁর ভক্তদের সাথে ভাববিনিময় করেন, কিন্তু তিনি গোপীদেরকে বলেছিলেন যে, “আমি তোমাদের ঋণ শোধ করতে পারব না কেননা তোমরা ভক্তি এত যে আমি পরিশোধ করতে পারব না।” ব্রজে এক বিশেষ সখ্য রস আছে, সেখানে বাৎসল্য রসও অতি বিশেষ এবং ব্রজের মাধুর্য রস হচ্ছে সর্বত্তোম। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চিন্তা করলেন যে আমি ব্রজে এবং অন্যান্য স্থানে এই সমস্ত বিশেষ রস আস্বাদন করছি, কিন্তু ভক্তরা, বদ্ধ জীবাত্মারা, তারা এর থেকে বঞ্চিত। তাই তাদেরকে কিভাবে তা প্রদান করা যেতে পারে? সেজন্য চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাব হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই ইচ্ছা শক্তি ছিল। অন্যান্য প্রকাশের তা নেই, কেবল কৃষ্ণের এই ইচ্ছা রয়েছে, তাই পঞ্চতত্ত্ব, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, তাঁদের আগমন হয়েছিল। আমাদের এই সুযোগ আছে যে চৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপা প্রচার করা। তুমি ব্রহ্মচারী বা গৃহস্ত যাই হও, তোমার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এই বাণী প্রচার করা উচিত।
গৌরাঙ্গ নিত্যানন্দ শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ! (ভক্তবৃন্দ পুনরাবৃত্তি করলেন)
প্রভুপাদ তিনি নির্দেশনা দিচ্ছিলেন, তিনি বলেছিলেন যে, মায়াপুর হচ্ছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর উপাসনা করার স্থান। তিনি বলেছিলেন, বৃন্দাবন হচ্ছে তাঁর বাসস্থান এবং বোম্বে হচ্ছে তাঁর কার্যালয়। কোন না কোনভাবে তিনি আমাকে মায়াপুরে পাঠিয়ে ছিলেন। মায়াপুর হচ্ছে আমার বাসস্থান। মায়াপুর হচ্ছে আমার উপাসনা স্থল। (ভক্তবৃন্দ: হরিবোল!) তাই তোমরা সবাই আমার থাকার জন্য প্রার্থনা করেছ।
যারা আমার দেখাশোনা করছে, তাদের একটি সমস্যা হয়েছে যে… তাদের সকালের শিফট দুপুরের সিফট এবং রাতের শিফট আছে। এখন মায়াপুরে এসে সেই শিফটের দলনেতা কাউকে বলে একদিন কিছু সেবা করতে পারে। এখন মায়াপুরে এই সমস্ত ভক্তরা, শিষ্যবর্গ, পুরুষেরা তারা নিজেদেরকে একদিনের একটি শিফটে সেবায় লাগাতে পারে এবং মহিলারা রন্ধন করতে পারে বা অন্য কোন কিছু করতে পারে।
যাইহোক আপনারা আমার যে সমস্ত আদেশ আছে, আপনারা যদি মনে কর কিছু সাহায্য করতে পারবে একটা, তাহলে বলবে। এবং এখানে আমরা দেখতে পারছি যে কিভাবে গুরু ছাড়া কেউ এগোতে পারবে না এবং এটি কোন বিকল্প নয়, আমাদের নিশ্চিতরূপে একজন সৎ গুরু থাকতে হবে। এই শ্লোক এটি প্রতিপন্ন হচ্ছে যে কিভাবে গুরুর সেবা করার মাধ্যমে আমরা কৃষ্ণের সেবায় অগ্রগতি লাভ করতে পারি। এটি এক অতি বিশেষ কৃপা এবং শ্রীল প্রভুপাদ, তিনি আমাদেরকে এই কৃপা প্রদান করেছেন যা পরম্পরার মাধ্যমে নিন্মে এসেছে। শ্রীল প্রভুপাদ এই ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন যে ৫০,০০০ ভক্তবৃন্দ এখানে থাকবেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আমি কেবল ৭৫০০ ভক্তকেই দেখতে পাচ্ছি, তবে আরো সাতগুন হবে।
কোন প্রশ্ন উত্তর হবে?
ঘোষণা (শ্রীপাদ জন্মাষ্টমী প্রভু) (ACBSP): হরে কৃষ্ণ মহারাজ, আপনার এই অসাধারণ প্রবচনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। কেবল স্পষ্টিকরনের জন্য বলছি — শ্রীল প্রভুপাদ কানেক্ট দিবস হচ্ছে ১৯৬৬ সালে নিউইয়র্কের ইসকন সংস্থার ৫৮তম বার্ষিকী এবং এটি হবে ২৭,২৮,২৯ এই ৩ দিন। একটি বিনম্র অনুরোধ যা শ্রীল প্রভুপাদ নেটওয়ার্ক দল সমস্ত ভক্তবৃন্দকে করছেন, বিশেষত বাঙালি ভক্তবৃন্দকে যে তারা যাতে তাদের ফোনে এফএম রিসিভার চালু রাখেন। যদি তা কেমন ভাবে করতে হয় তারা সে বিষয় নিশ্চিত না থাকেন, তাহলে সেইজন্য তাদের সাহায্য করার জন্য আমাদের পঞ্চতত্ত্ব প্রাঙ্গণে টেবিল থাকবে, এছাড়াও রাধামাধবের প্রাঙ্গণে সকাল ৬:৪৫ থেকে ৮টা পর্যন্ত টেবিল থাকবে। আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে নির্দেশাবলীও দেব যে কিভাবে তা বাংলায় করা যেতে পারে। এই অনুষ্ঠানটি পঞ্চতত্ত্ব মন্দিরে হবে।
জয়পতাকা স্বামী: যদি সেই অনুষ্ঠানের বিস্তারিত বর্ণনা লিখিতরূপে প্রকাশ করা যায়, তাহলে ভালো হবে।
ঘোষণা: আমরা ক্যাম্পাসের চারিদিকে এটি আজকে প্রকাশ করেছি এবং এটি সোশ্যাল মিডিয়াতে ও প্রকাশ করা হয়েছে।
জয়পতাকা স্বামী: আমরা চাইনা যে সব মানুষেরা সোশ্যাল মিডিয়া দেখে তা জানতে বাধ্য হোক।
ঘোষণা: আমাদেরকে ক্যাম্পাসের চারদিকে ১২টি পোস্টার থাকবে এবং ক্যাম্পাসের বাইরেও তা থাকবে। ইসকনের প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শ্রীল প্রভুপাদ ইসকনের সাতটি উদ্দেশ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এই অনুষ্ঠান, এই মহোৎসবটি পরের সপ্তাহে আসছে যা প্রত্যেককে সেই উদ্দেশ্য অনুধাবনে এবং তা পূরণে এক অংশ হতে সাহায্য করবে।
জয়পতাকা স্বামী: হরিবোল! গৌরাঙ্গ নিত্যানন্দ অদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ (ভক্তরা পুনরাবৃত্তি করলেন)
ঘোষণা: এবং আমরা নিশ্চিত করছি যে প্রত্যেকেই সম্পূর্ণ আনন্দে অভিভূত হবেন এবং এটি এত অসাধারণ অনুষ্ঠান হবে।
জয়পতাকা স্বামী: হরিবোল!
ভক্তবৃন্দ: হরিবোল!
জয়পতাকা স্বামী: কোন প্রশ্ন আছে?
প্রশ্ন: গুরুমহারাজ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! দয়া করে আপনার শ্রীপাদপদ্মে আমার বিনম্র প্রণাম গ্রহণ করুন। আপনি এত কৃপালু, আপনি আমাদেরকে অনুসরণ করার জন্য সুন্দর নির্দেশাবলী প্রদান করেন, কিন্তু তবুও আমরা নিজেদের আধ্যাত্মিক জীবনে অগ্রসর হতে পারছি না, বিশেষত আমি। আমরা জানি যে আমাদের এই জড়জগতের প্রতি, আমাদের আত্মীয়-পরিজন এবং সকলের প্রতি সমস্ত আসক্তি ছেদন করা উচিত এবং তাহলেই একমাত্র আমরা ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে পারব, কিন্তু আমার কাছে এই আসক্তি ছেদন করা কঠিন মনে হয়। এবং আমাদের মধ্যে, বিশেষত আমার মধ্যে সেই শুদ্ধতা নেই, তাই গুরুদেব কিভাবে আমাদের মধ্যে শুদ্ধতা আনয়ন করা যাবে? দয়া করে পথনির্দেশনা প্রদান করুন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ গুরুদেব!
জয়পতাকা স্বামী: আমরা এখন শ্রীমদ্ভাগবতের এই শ্লোকে পড়লাম যে কিভাবে শুদ্ধ ভক্তরা কৃপা প্রাপ্ত হন। তাই, তুমি যা কিছু বলছ, তা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু কে বল যে তোমার কৃপা দরকার। আমার কৃপা দরকার!!
ভক্তবৃন্দ: হরিবোল!
জয়পতাকা স্বামী: গৌরাঙ্গ!
ভক্তবৃন্দ: গৌরাঙ্গ!
জয়পতাকা স্বামী: গৌরাঙ্গ!
ভক্তবৃন্দ: গৌরাঙ্গ!
জয়পতাকা স্বামী: গৌরাঙ্গ!
ভক্তবৃন্দ: গৌরাঙ্গ!
তোমাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ