Text Size

২০২৪০২২৪ প্রশ্ন-উত্তর পর্ব

24 Feb 2024|Duration: 00:37:52|Bengali|Question and Answer Session|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী: আমার আরেকটি বৈঠক আছে। কোন প্রশ্ন আছে? আমরা তোমাদের লিখিত প্রশ্ন নিতে পারি এবং কালকে আমি তার উত্তর দেব।

প্রশ্ন: আমি শুনেছি যে পরবর্তী দর্শকটি হবে অশ্রুপাতের দশক, যেহেতু ধীরে ধীরে শ্রীল প্রভুপাদের সকল শীর্ষবর্গ এই ধরাধাম ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। শ্রীল গুরুমহারাজ, একজন তরুণ শিষ্য হিসেবে আমাদের কিভাবে এর সম্মুখীন হওয়া উচিত? আমরা এখনো অনেক অপরিপক্ক।

জয়পতাকা স্বামী: অবশ্যই, কিছু কিছু শিষ্যবর্গ ৮০-র দশকে, ৯০-র দশকে যুক্ত হয়েছেন। আমরা আশা করি যে, বরিষ্ঠ শিষ্যরা কনিষ্ঠ শিষ্যদের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। আসলে, একটি চিঠি আছে যা শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে লিখেছিলেন যে— আমার বেশিরভাগ সময় মায়াপুরে অতিবাহিত করা উচিত এবং সমগ্র বিশ্বে কৃষ্ণভাবনামৃতে প্রচার করার ক্ষেত্রে আমার সহকারীদের সাহায্য গ্রহণ করা উচিত। সেইসময় আমার সহকারীরা সবাই ছিলেন আমার কনিষ্ঠ গুরুভ্রাতা এবং গুরুভগিনীরা, কিন্তু এখন আমার শীষ্যবর্গ আছেন এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ বরিষ্ট ও অধিক পরিপক্ক। আমি  ব্রজেশ্বর গৌর দাসের সাহায্যে আমার অনেক শিষ্যকে নতুন গুরুরূপে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছি, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যে তাদের মধ্যে অনেকেই শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন করেনি, এছাড়াও অন্যান্য সমস্যা আছে, কিন্তু যদি প্রত্যেকেই শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন করে, তাহলে আমরা এই বিশ্বাস রাখতে পারি যে তারা সেই একই বাণী প্রচার করবে। দ্বাদশ স্কন্ধে এটি বলা হয়েছে—

কলের্দোষনিধে রাজন্নস্তি হ্যেকো মহান্ গুণঃ।
কীর্তনাদেব কৃষ্ণস্য মুক্তসঙ্গঃ পরং ব্রজেৎ॥ ৫১॥
[শ্রী. ভা. ১২.৩.৫১]

আরেকটি শ্লোক আছে:

হরের্নাম হরের্নাম হরের্নামৈব কেবলম্। 
কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতিরন্যথা।। 
[চৈ. চ. আদি ১৭.২১] 

মানুষেরা যত এই বিভিন্ন ধরনের প্রমাণের সাথে পরিচিত হবে, ততই তারা প্রচার করতে পারবে। আমরা সেই সমস্ত ব্যক্তিদের পাওয়ার চেষ্টা করছি, যারা প্রচার করতে সক্ষম। যাইহোক, এতে আমরা কি করতে পারি? এটি হচ্ছে জড়জগৎ, জন্ম-মৃত্যুর জগৎ। এটিকে বলা হয় মর্তলোক,  মৃত্যুর লোক। এখানে মানুষ, অন্যান্য সবাই মরণশীল। তোমার শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ন ও তাঁর প্রবচন শোনার প্রতিটি সুযোগ গ্রহণ করা উচিত। কেবল কনিষ্ঠ অধিকারী-ই থেকে যেও না!

আমার হঠাৎ করেই দীক্ষা হয়েছিল এবং তারপর আমি মন্ট্রিয়লে মন্দির অধ্যক্ষ হই। আমি টরন্টোতে নতুন মন্দির খুলেছিলাম। তারপর শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে এল.এ. (লস এঞ্জেলস) -এ ডেকেছিলেন, কিন্তু তারপর তিনি বলেছিলেন যে, তিনি আমাকে পরে ডাকবেন। তারই মধ্যে আমাকে শিকাগোতে পাঠানো হয়েছিল নতুন মন্দির উদ্বোধনের ক্ষেত্রে ভগবান (দাস) কে সাহায্য করতে এবং তারপর আমাকে কলকাতায় ডাকা হয়। তারা শ্রীল প্রভুপাদের কাছে এই মিথ্যা বলেছিল যে তাদের এখানে থাকার স্থান আছে, কিন্তু তাদের কাছে তা ছিল না। আমি কিছু মাসের জন্য গৌড়ীয় মঠে থাকছিলাম। বেশ দীর্ঘসময় ধরে তারা আমাকে বর্ণশংকর হিসেবে দেখছিলেন! কোন না কোনভাবে,  আমি জানিনা, আমি সেখানে ছিলাম। তারপর আমি কলকাতার মন্দিরের অধ্যক্ষ হই। এবং এরপর আমি মায়াপুরের স্থানান্তরিত হই।

এখন একটি জি.ই.পি.ও.সি. বৈঠক আছে। হরিবোল!

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 28-06-25
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions