Text Size

২০২৪০২২২ নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী সান্ধ্যকালীন প্রবচন

22 Feb 2024|Duration: 03:22:23|Bengali|Festival Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
   যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
   পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
   হরি ওঁ তৎ সৎ

গুরুমহারাজ সংকীর্তন দলের সঙ্গে প্রায় ৫ মিনিট কীর্তনে অংশগ্রহণ করলেন।

জয়পতাকা স্বামী: শ্রীল প্রভুপাদের জয় হোক! শ্রীমন্নিতাইয়ের জয় হোক! আজ হচ্ছে শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভুর আবির্ভাব তিথি, আজ হচ্ছে তাঁর ব্যাস পূজা দিবস। ভগবান নিত্যানন্দ প্রভুর গুণসমূহ হচ্ছে অনন্ত। ভগবান অনন্ত শেষ তাঁর সহস্রাধিক শ্রীমুখ দ্বারা ভগবান নিত্যানন্দ প্রভুর গুণাবলী বর্ণনার অন্ত খুঁজে পান না। এবং আমি শ্রীমদ্ভাগবতমের দশম স্কন্ধ পড়ছিলাম যে ভগবান নিত্যানন্দ, শ্রীঅদ্বৈত, শ্রীচৈতন্য, তাঁরা সকলেই হচ্ছেন অবতার, তাঁদের জড়জাগতিক শরীর নেই। আমরা তাঁদের কার্যকলাপ অনুকরণ করতে পারি না। ভক্তিরসামৃতসিন্ধু গ্রন্থে এটি বর্ণনা করা হয়েছে যে কিভাবে আমরা বিধিমার্গে ভক্তি অনুশীলন করি এবং ধীরে ধীরে তা রাগ-মার্গে উপনীত হয়।

শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু, তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে সহায়তা করেছিলেন এবং এছাড়াও যখন শ্রীকৃষ্ণ অবতীর্ণ হন, শ্রীবলরাম তাঁকে বিভিন্ন লীলায় সহায়তা করেন। শ্রীবলরাম হচ্ছেন শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু। যখন শ্রীরাম আবির্ভূত হন, তখন তাঁর সাথে লক্ষণ আছেন এবং লক্ষণ হচ্ছেন শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু। আমরা ভক্তিমূলক সেবা করি, কিন্তু পরিপূর্ণতা হচ্ছে যখন আমরা আসলেই ভগবানের প্রতি প্রেমময়ী সেবার স্বাদ আস্বাদন করতে পারি। আমরা ভক্তিমূলক সেবা করি, কিন্তু পরিপূর্ণতা হচ্ছে যখন আমরা ভগবানের প্রতি প্রেম বিকশিত করতে পারি। নিত্যানন্দ প্রভু মনোভাব হচ্ছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ভবিষ্যৎবাণী সম্পূর্ণ করা। এই দশ সহস্র বছর হচ্ছে ভক্তির স্বর্ণযুগ। কিভাবে ভগবান তাঁর শুদ্ধ ভক্তদের সঙ্গে তাঁর আধ্যাত্মিক সম্বন্ধের রসাস্বাদন করেন। ভগবান নিতাই, তাঁকে বাংলায় ফেরত পাঠানো হয়েছিল, সেই কার্য সুসম্পন্ন করার জন্য যা তাঁরা ছেড়ে গিয়েছিলেন। তিনি পানিহাটি, খরদহ এবং আদি সপ্তগ্রামে গিয়েছিলেন। খরদহ হচ্ছে সেই স্থান, যেখানে তিনি নবদ্বীপ থেকে ফিরে এসেছিলেন এবং তারপর তিনি শচীমাতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। শচীমাতা তাঁকে কিছুদিনের জন্য নবদ্বীপে থাকতে অনুরোধ করেছিলেন। এখানে এবং সর্বত্রই তাঁরা সকলে পবিত্র নাম কীর্তন করছিলেন— 

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আদেশে শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু গৃহস্থ আশ্রমে প্রবেশ করেছিলেন এবং জাহ্নবা দেবী ও বসুধাকে নিত্যানন্দ প্রভু তাঁর সঙ্গিনী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, পুরুষ এবং মহিলারা সবাই যাতে কৃষ্ণভাবনামৃত অনুশীলন করে। ১৯৭৩ সালে লন্ডনে শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর ব্যাস পূজার প্রবচনে তাঁর গৃহস্ত ভক্তদেরকে বলেছিলেন যে, তাদের সকলের পরমহংস হওয়া উচিত। শ্রীল প্রভুপাদ হচ্ছেন শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভুর প্রতিনিধি। আমি আর এই কীর্তন থামিয়ে দিতে চাই না, শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু চাইতেন যে আমরা সকলেই যাতে হরেকৃষ্ণ কীর্তন করি —

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 28-06-25
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions