নিন্মোক্ত প্রবচনটি শ্রীল জয়পতাকা স্বামী ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারতে প্রদান করেছেন। এই প্রবচনটি শুরু হয়েছে শ্রীমদ্ভাগবতের ৩য় স্কন্ধ, ২য় অধ্যায়, ৩ নং শ্লোক পাঠের মাধ্যমে।
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়!
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়!
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়!
শ্রীমদ্ভাগবত ৩.২.৩
স কথং সেবয়া তস্য কালেন জরসং গতঃ।
পৃষ্টো বার্তাং প্রতিব্রুয়ার্দ্ভতুঃ পাদাবনুস্মরন্॥
অনুবাদ:- এইভাবে উদ্ধব শৈশব থেকে পরমেশ্বর ভগবানকে অবিরত সেবা করেছিল এবং তার বার্ধক্য বয়সে সেই সেবাভাব কখনো হ্রাস পায়নি। যেই মাত্র তাকে পরমেশ্বর ভগবানের বার্তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল, তৎক্ষনাৎ সে ভগবানকে নিয়ে সবকিছু স্মরন করতে লাগল।
তাৎপর্য:- ভগবানের প্রেমময়ী সেবা জড়জাগতিক কার্যকলাপ নয়। ভক্তের সেবাবৃত্তি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং তা কখনই শিথিল হয় না। সাধারণত বৃদ্ধ বয়সে মানুষ জড়জাগতিক কার্যকলাপ থেকে অবসর গ্রহণ করে, কিন্তু অপ্রাকৃত ভগবৎ সেবায় অবসর গ্রহণের কোন প্রশ্নই ওঠে না। পক্ষান্তরে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সেবার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। অপ্রাকৃত সেবায় কখনই তৃপ্তি হয় না, এবং তাই তা থেকে অবসর গ্রহণের প্রশ্ন ওঠে না। জড়জাগতিকভাবে কোন মানুষ যখন তার জড় দেহ দিয়ে কোন কার্য করে, তখন সে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, এবং তখন তাকে অবসর গ্রহণ করতে বলা হয়, কিন্তু প্রেমময়ী ভগবৎ সেবায় কোন রকম শ্রমের অনুভূতি হয় না। কেননা তা চিন্ময় সেবা এবং তা দৈহিক স্তরে সম্পাদিত হয় না। দৈহিক স্তরের সেবা বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিথিল হয়, কিন্তু আত্মা কখনও জড়াগ্রস্ত হয় না, এবং তাই চিন্ময় স্তরে সেবা কখনও ক্লান্তিজনক নয়।
নিঃসন্দেহে উদ্ধব বৃদ্ধ হয়েছিলেন, কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, তাঁর আত্মা বৃদ্ধ হয়েছিল। তখন তাঁর সেবার মনোভাব অপ্রাকৃত স্তরে পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়েছিল, এবং তাই বিদুর তাঁকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্বন্ধে প্রশ্ন করামাত্রই তৎক্ষণাৎ তাঁর পরম প্রভুর প্রসঙ্গে প্রতিটি কথা স্মরণ হয়েছিল এবং তাঁর জড়জাগতিক স্তরে দেহচেতনার বিস্মৃতি হয়েছিল। এইটিই হচ্ছে ভগবানের শুদ্ধ ভক্তির লক্ষণ, যা পরে মাতা দেবহূতির প্রতি ভগবান কপিলদেবের উপদেশ প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা করা হবে (লক্ষণং ভক্তিযোগস্য, ইত্যাদি)।
***
জয়পতাকা স্বামী:- বিদুর উদ্ধবকে জিজ্ঞাসা করলেন, “শ্রীকৃষ্ণ কী বললেন?” যখনই তাকে শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল, তখন সে পারমার্থিক স্মৃতিতে নিমগ্ন হলেন। সুতরাং, এখানে সুন্দর তাৎপর্যটি উল্লেখ করছে যে আধ্যাত্মিক জীবনে কোন অবসর গ্রহন নেই। প্রকৃতপক্ষে, একজনের যত বয়স বৃদ্ধি পায়, তত তার সেবাভাব বৃদ্ধি পেতে থাকে। শ্রীল প্রভুপাদের বয়স যখন ৭০ বছর, তখন তিনি আমেরিকাতে পৌছান। জড়জগতে এই বয়সে একজন ব্যক্তি অবসর গ্রহন করে। কিন্তু প্রভুপাদ ওই বয়সে সমগ্র বিশ্বকে উদ্ধার করেছিলেন। প্রভুপাদ যখন ছিলেন সেই সময় মন্দিরে এত ভক্ত ছিল না। কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদ উল্লেখ করেছিলেন যে এটা শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার, সময় কেবল ব্যবধান সৃষ্টি করছে। তাই আমাদের এই করুনা প্রদানের জন্য কতটা কৃতজ্ঞ থাকা উচিত! গতরাত্রে আমরা অধ্যয়ন করছিলাম যে কীভাবে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর মৃদুহাসি পূর্ণ কৃপা দৃষ্টি নিয়ে এই ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন, কীভাবে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বিশেষ ভাব হল কৃপা। বলরাম সর্বদা এই বিশেষ ভাব সহ শ্রীকৃষ্ণের সেবা করেন। দশম স্কন্ধে কৃষ্ণ লীলায় বর্ণীত আছে যে কীভাবে রুক্মীনীর ভাই বলরামকে দ্যূতক্রীড়ায় আহ্বান করেছিল। প্রথমে দুইজন পাশার দান ফেলে এবং রুক্মী জয় লাভ করে। তখন বলরামের পক্ষ থেকে ১ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দেওয়া হয়। কিন্তু তারপর যদিও রুক্মী পরাজিত হয়, তবুও সে বলতে থাকে, “আমি জিতে গেছি, আমি জিতে গেছি।” তখন রুক্মী ১ কোটি স্বর্ণমুদ্রার বাজি ধরে। আমরা বৈদিক তারমণ্ডলি মন্দির (TOVP) -এর জন্য সেটা ব্যবহার করতে পারতাম! কিন্তু বলরাম জয়লাভ করে। রুক্মী বলে, “আমি জিতেছি, আমি জিতেছি” আর তখন এক আকাশ বাণী হয়— “বলরাম জয় লাভ করেছেন।” রুক্মী আকাশ বাণীতে মনোযোগ দেয়নি। আর সেইসময় সে বলরামকে নানানভাবে অপমান করতে থাকে, সে বলে, বলরাম ক্ষত্রিয় নয়, বলরাম একজন গোয়ালা ইত্যাদি। তখন বলরাম গদা নিয়ে রুক্মীর মাথায় আঘাত করে এবং রুক্মী সেইস্থানেই প্রান হারায়। পূর্বে এক রাজা বলরামের দিকে তাকিয়ে হাসাহাসি করছিল, বলরাম বলে “তুমি দাঁত দেখাচ্ছ হা-হা-হা” তখন সে বলরামের কাছ থেকে ছুটে পালায়। কিন্তু বলরাম তাকে ধরে ফেলে আর তার সব দাঁত ভেঙ্গে দেয়। শ্রীকৃষ্ণ তার সুখ প্রদর্শীত করতে পারতেন না কেননা রুক্মীনী এটার তারিফ করতেন না। আবার কৃষ্ণ তার দু:খ দেখাতে পারতেন না কেননা বলরাম সেটা গ্রহন করতেন না। এই হল কৃষ্ণলীলা।
গৌর লীলায় বলরাম নিতাই রূপে অবতীর্ণ হন। যখন তিনি জগাই ও মাধাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন, তখন মাধাই একটি মদের বোতল দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে রক্তপাত করায়। কৃষ্ণলীলায় তারা বলরামকে আঘাত করেনি, তারা শুধু বলরামের বিরুদ্ধে কথা বলেছিল। গৌর লীলায় নিতাইয়ের রক্তপাত হওয়ার কারণস্বরূপ হয়ে ওঠেন। আর নিতাই বলেন, “শুধু তুমি আমার রক্ত ঝরিয়েছ, তার মানে এই নয় যে আমি তোমায় কৃষ্ণপ্রেম দেব না?!” তাই আমরা খুব সৌভাগ্যবান যে আমাদের এমন সময় জন্ম হয়েছে, যেখানে শ্রীল প্রভুপাদের কৃপায় শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর লীলাবিলাস এখনও সংঘটিত হচ্ছে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু অত্যন্ত কৃপালু, তাই বলরাম সেইভাব ধারন করে তা সম্প্রসারিত করেছেন। তাই, এইভাবে আমরা দেখতে পাই যে একটা ঐতিহ্য আছে যা উল্লেখ করে যে নিত্যানন্দ প্রভু অধিক কৃপাময় রূপে পরিচিত, সাধারণত মানুষ যখন যজ্ঞ, তপ ও বিবিধ প্রকারের তপশ্চর্যা সম্পাদন করে, তখন তারা কৃষ্ণ কৃপা লাভ করে। এই সম্পর্কে শ্রীল প্রভুপাদ অর্ধকুম্ভমেলাতে বলছিলেন যে যারা ভক্তিযোগে এসেছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে সমস্ত প্রকারের যজ্ঞ, তপস্যা অতিক্রম করে এসেছেন। প্রশ্ন-উত্তর চলাকালীন একজন বরিষ্ঠ ভক্ত একটি প্রশ্ন করেন, তিনি বলেন, “আমি আমার জীবনে দেখতে পাই যে আমি জীবনে কোনো পূন্য করিনি, তাহলে কীভাবে আমি ভক্তিযোগ পেলাম?” প্রভুপাদ উত্তরে বলেন, “আমি তোমার সৌভাগ্য তৈরী করেছি।”
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এটা একটা বিশেষ লীলা, তিনি পাপী ও গৃহহীন মানুষদের গ্রহন করে কৃষ্ণপ্রেম প্রদান করতেন। গতরাত্রে আমরা এই শ্লোকটা পাঠ করছিলাম যে, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যজ্ঞ, দান, তপ, সাধনা প্রভৃতি সমস্ত পূণ্য কর্ম প্রদান করতেন। এই সমস্ত কিছুর লক্ষণ ছাড়াই মহাপ্রভু তাঁর কৃপা প্রদান করতেন। গৌরাঙ্গ!!! গৌরাঙ্গ!!! গৌরাঙ্গ!!! পূর্বে কী হত না, যখন আপনি শরনাগত হবেন, তখন আপনি কৃপা লাভ করবেন। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপা প্রথম এমন যে তিনি আপনাকে ভগবৎ প্রেম প্রদান করেন এবং এরপর আপনি শরনাগত হন। এটা এই রকম বিষয় যে প্রথমে আপনি মালপত্র নিন, আর পরে এর মূল্য পরিশোধ করুণ। শ্রীল প্রভুপাদ ছিলেন একজন অন্তরঙ্গ প্রতিনিধি। তিনি আমাদের কৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপা প্রদান করছিলেন। এমনকি যে সমস্ত ব্যক্তি যজ্ঞ, ধ্যান, জপ, তপস্যা, সন্ন্যাস, বিধি নিষেধ পালন, বৈদিক শাস্ত্র অধ্যয়ন প্রভৃতি সম্পাদন করেনি, ভালো চরিত্রের নয়, কোন কিছুই নেই, তাদেরকেও তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপা প্রদান করেছিলেন। এইভাবে শ্রীল প্রভুপাদ কৃপা বিতরন করেছিলেন। এখানে তাৎপর্যে শ্রীল প্রভুপাদ উল্লেখ করেছেন ইতিমধ্যে উদ্ধব অনেক প্রবীন ব্যক্তি ছিলেন। শ্রীল প্রভুপাদের কাছে আমরা শুনেছিলাম যে যখন কৃষ্ণ ভগবদগীতা প্রদান করেন, তখন তাঁর বয়স ১২৫। শ্রীকৃষ্ণ বৃদ্ধ হননি, কেননা তাঁর জড় শরীর নেই। উদ্ধবের বয়স হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তিনি তার সেবা ভাব হারাননি। এইভাবে একজনের কৃষ্ণভাবনামৃতে সেবা সম্পাদন করার উৎসাহ ধরে রাখা উচিত। তাই, উদ্ধব হলেন একজন মহান ভগবদ্ভক্ত।
শাস্ত্র বলছে যে যখন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এই জগতে আসেন, তখন পরিস্থিতি পূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল। যদিও আমাদের মন স্থির নয়, তবুও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপাতে মন স্থির হয়। যদিও আমাদের হৃদয় পাথরের মতন শক্ত, তবুও মহাপ্রভুর কৃপাতে সেটি বিগলিত হয়। শ্রীল প্রভুপাদ সেই বৃদ্ধ বয়সে শ্রীজগন্নাথ রথযাত্রার সামনে মাইলের পর মাইল নৃত্য করেছিলেন। শ্রীল প্রভুপাদকে দেখে মানুষের হৃদয় পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল। তাই মাঝে মাঝে কীর্তনের সময় আমরা দেখি ভক্তরা উপরে লাফিয়ে ওঠে আর বৃত্তাকারে নৃত্য করে। আমাদের অনেকবার মনে পরে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যের রাজধানী আটলান্টার নিউ পানিহাটি ধামে……..শ্রীল প্রভুপাদ উপস্থিত থাকতেন। একজন শোনেন যে কেউ একজন এত উপরে লাফিয়ে উঠেছিলেন যে মনে হচ্ছিল তিনি ঘরের ছাদকে স্পর্শ করবেন। শ্রীল প্রভুপাদ বললেন, “তোমরা পরম সুখী যে এখানে গৌর নিতাই বিরাজ করছেন।” শ্রীল প্রভুপাদ একবার বলছিলেন নারদ মুনি নিউ ইয়র্ক মন্দিরে গিয়েছিলেন, আর তিনি লক্ষ্য করছিলেন যে কীভাবে এই ম্লেচ্ছ ও যবনরা নৃত্য কীর্তন করছে। এটাই ছিল শ্রীমন মহাপ্রভু ও শ্রীল প্রভুপাদের কৃপা। শ্রীল প্রভুপাদের যখন বয়স হয়েগিয়েছিল, তখন তা হয়েছিল। শ্রীল প্রভুপাদ আমাদেরকে বলতেন, “আমি জানি না আমি কতদিন এই জগতে থাকব, তাই তোমরা সবাই দায়িত্ব গ্রহন কর।” একইভাবে আমিও বলছি যে আমি জানি না আমি কতদিন এই জগতে থাকব। তোমাদের দায়িত্বভার গ্রহন করে কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচার চালিয়ে যাওয়া উচিত।
ঠিক যেমন উদ্ধব শ্রীকৃষ্ণ স্মরন ধরে রেখেছিল, একইভাবে তোমাদের সকলের মনে রাখা উচিত যে কীভাবে শ্রীল প্রভুপাদ এই পরস্পরার মাধ্যমে তোমাদেরকে তাঁর কৃপা (কৃষ্ণভাবনামৃতের পন্থা) প্রদান করেছেন। প্রকৃতপক্ষে আমাদেরকে যা প্রদান করা হয়েছে, সেটি একটি অমূল্য বস্তু আর খুব সহজেই আমাদেরকে এটা প্রদান করা হয়েছে, তাই এটাকে খুব সস্তা ভাবে নেবেন না। আপনারা শ্রেষ্ঠ সম্পদ লাভ করেছেন, খুব সযত্নে এটির রক্ষনাবেক্ষন করুন। এটা মনে করবেন না যে কেবল আপনি বৃদ্ধ হয়েছেন বলে ভক্তিযোগ থেকে অবসর নিতে পারেন। কৃষ্ণের প্রতি সেবাভাব হল আধ্যাত্মিক, আর শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন যে এর কখনও হ্রাস হয় না। দিল্লিতে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি সংকল্প করেন যে ম্যারাথনের সময় তিনি ৫০০০ ভগবদ্গীতা বিতরন করবেন। তিনি গাড়ীর সামনে দাঁড়াতেন, আর বলতেন, “যদি আপনারা একটা গ্রন্থ না নেন, তাহলে আমি আপনাদেরকে যেতে দেব না।” এটা একটা অতুলনীয় প্রক্রিয়া, আপনার যা পদ্ধতিই থাকুক না কেন, আপনি তা ভাবতে পারেন। এখানে আপনারা মহারাজকে পেয়েছেন, আপনারা কিছু ধারনা পেতে পারেন। আর এই বছর আমরা অনেক গ্রন্থ বিতরন করতে চাই। ডিসেম্বর মাসের গত দুই সপ্তাহে আমরা সাধারনত অনেক মানুষকে পাই, যারা মায়াপুরে আসেন। আমরা চাই মানুষ যেন ভাগবতগীতা ও শ্রীমদ্ভাগবতম গ্রন্থ নিয়ে যায়। আর কেন্দ্রীয় সরকার রাম মন্দির উদ্ধোধনের সময় আমাদেরকে থাকার জন্য আমন্ত্রন জানিয়েছেন এবং কীভাবে প্রত্যেকে গীতা নিতে পারে, তার জন্য কিছু পরিকল্পনা আছে। তাই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু আমাদেরকে এই কৃপা প্রদান করেছেন এবং আমি আশা করি যে আপনারা সবাই এই কৃপা ও পরম আনন্দ লাভ করছেন।
গৌরাঙ্গ!!! নিত্যানন্দ!!! অদ্বৈত!!! পঞ্চতত্ব কি জয়!
শ্রীল প্রভুপাদ কি জয়!!! শ্রীল গুরু মহারাজ কি জয়!
Lecture Suggetions
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ