Text Size

২০২৩১২০৫ দীক্ষা প্রবচন

5 Dec 2023|Duration: 00:13:36|Bengali|Initiation Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
   যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
   পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
   হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- আজকে যারা দীক্ষা নেওয়ার জন্য এসেছেন, এটা আমাদের গুরুপরম্পরা প্রণালী অনুসারে এখানে দীক্ষা হচ্ছে। আমরা দাস, দেবী দাসী নাম পাই, তার মানে আমরা ভগবানের দাস বা দাসী। এখন আপনারা যদি দাস/দাসী হতে চান না, তাহলে তাড়াতাড়ি চলে যান। কিন্তু কৃষ্ণ বললেন যে, তিনি রক্ষা করবেন তাঁর ভক্তকে। কিভাবে এটা হচ্ছে Society of Krishna Consciousness (কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ)। তার মানে আমরা কৃষ্ণ চিন্তা করব কৃষ্ণভাবনামৃত হয়ে সবসময়। সকালবেলা, দুপুরবেলা, শয়নের সময় ভগবানকে চিন্তা করা হয়। এটা চৈতন্য মহাপ্রভু বলেছেন যে এইভাবে সবসময় ভগবানের চিন্তা করতে হয়। এইজন্য কমপক্ষে আমরা প্রতিজ্ঞা করি যে কমপক্ষে ১৬ মালা জপ করব। বিভিন্ন সেবার মধ্যে সবসময় আমরা ভগবানকে চিন্তা করি। যশোদা মাই বিভিন্ন সেবা করতেন, তিনি দই মিশিয়ে ঘি তৈরি করতেন। এবং যখন তিনি এইভাবে মাখন তৈরি করছেন; তখন তিনি কৃষ্ণ নাম, কৃষ্ণ লীলা গান করতেন। অসুবিধা কি? এটা করলে আনন্দ লাগে। এই হচ্ছে রহস্য যে প্রতিমুহূর্তে কিভাবে আমার কৃষ্ণ সেবা, কৃষ্ণ নাম, কৃষ্ণ লীলা মনে থাকবে। এখন সেটা না হয় এখন লোক সিনেমার গান শোনে, ফুটবল, ক্রিকেট খেলা চিন্তা করে। কিন্তু আমরা চেষ্টা করি কিভাবে আমরা কৃষ্ণকে চিন্তা করব, এটা হচ্ছে Society of Krishna Consciousness / কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ। আমাদের সমস্ত পূর্ব আচার্যগণ আমাদের কাছে এটা মহিমা দিয়েছেন যে কেউ এটা চিন্তা করতে পারে যে চৈতন্য দেব ৫০০ বছর আগে ছিল, কি করে চিন্তা করব? বিপ্রলম্ভ ভাবের দ্বারা আমরা সবসময় ভগবানকে চিন্তা করতে পারি। সেইভাবে ভগবান তাঁর নাম, তাঁর চিন্তা, তাঁর সেবা এর কোন তফাৎ নাই। তাই প্রত্যেকদিন ১৬ মালার জপ কমপক্ষে করা হয়, এইভাবে বিভিন্নভাবে আমরা চিন্তা করি ভগবানের। তারপর সংকীর্তন, নগর-কীর্তন — বিভিন্নভাবে চৈতন্য দেব প্রণালী দিয়েছেন যাতে আমরা সবসময় কৃষ্ণকে চিন্তা করি। এখন কালকে আমি পড়ছিলাম ১০ম স্কন্ধে ভাগবত, রুক্মিণী বিয়ের আগে,  এখন শিশুপাল সাথে বিয়ে করতে হয়, তার আগে অম্বিকা দেবীর মন্দিরে গিয়েছেন। সেখানে তিনি প্রণাম জানিয়েছেন অম্বিকার স্বামী মহাদেবকে, তিনি প্রণাম দিয়েছেন অম্বিকার ছেলে কার্তিকেয়, গণেশ। কিন্তু ওখানে ওঁনার সঙ্গে যারা মহিলা ছিলেন বিবাহিত, তারা বলছেন, “আপনার যেটা নিজের ইচ্ছা, মানে সবথেকে চান, সেটা বলুন।” রুক্মিণী দেবী অম্বিকার কাছে বলছেন, “আমি কৃষ্ণকে চাই স্বামী রূপে। আমাকে কৃষ্ণ দিন, আমি কৃষ্ণ চাই।” এখন দেবদেবী পূজা করা খুব বড় কথা নয়, আমরা কি চাই, কি প্রার্থনা করি এইটা হচ্ছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। রুক্মিণী কৃষ্ণ চেয়েছেন, সেটা প্রার্থনা করলেন। এবং তাঁর ইচ্ছা পূরণ হল। কৃষ্ণ এসে তাঁকে নিয়ে গেছেন। তো এইভাবে যেখানে যাই, যা করি একটা চিন্তা — গৌরাঙ্গ, কৃষ্ণ কি করে আমার মনে সবসময় চিন্তা হবে? এখন অনেক রাত হয়ে গেল তাই আমি বেশি বলব না, আপনারা পাঠ গৌরাঙ্গ প্রেম মহারাজ ও অন্য মহারাজের মুখ থেকে শুনলেন। হরে কৃষ্ণ!

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 30/1/2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions