Text Size

২০২৩১০০৩ সান্ধ্য প্রবচন

3 Oct 2023|Duration: 00:15:48|Bengali|Public Address|Bangalore, India

নিন্মোক্ত সান্ধ্য প্রবচনটি শ্রীশ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ ৩ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ব্যাঙ্গালোর, ভারতে প্রদান করেছেন। এই প্রবচন ইসকন শ্রী নরসিংহ গিরিধারী মন্দির, ব্যাঙ্গালোর, ভারতে প্রদান করা হয়েছে।

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
   যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
   পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
   হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- নম্য বেঙ্গালুরু! আমাদের বেঙ্গালুরু! এখানে ভক্তদের উৎসাহ অত্যন্ত বিশেষ। আমরা কিছু স্থানে দেখলাম যে তরুণ ভক্তরা উল্লম্ফন করে নৃত্য করছে, কিন্তু এখানে তরুণ, প্রবীণ সকলেই অত্যন্ত সক্রিয়। আমরা বেঙ্গালুরুকে ভারতের পারমার্থিক সদর দপ্তর হিসেবে দেখতে চাই। এর জন্য আমাদের আপনাদের প্রচেষ্টা দরকার। আপনারা প্রত্যেকেই অন্য কাউকে আরো আধ্যাত্মিক হওয়ার ব্যাপারে প্রভাবিত করতে পারেন। কৃষ্ণ প্রত্যেকের হৃদয়ে পরমাত্মারূপে আছেন। কেউ হিন্দু, খ্রিস্টান নাকি মুসলিম তা কোন ব্যাপার নয়, তিনি প্রত্যেকের হৃদয়ে আছেন। তাই আমরা চাই প্রত্যেকের এই চেতনা আসুক যে কৃষ্ণ তাদের হৃদয়ে আছেন। কৃষ্ণভাবনাময় হওয়ার মাধ্যমে তারা সব সময় তাদের সাথে কৃষ্ণকে পাবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমার তাড়াতাড়ি বেঙ্গালুরুতে যাত্রা হয়েছে। যদিও যখন আমি এখানে ছিলাম, আমি শুনলাম যে কর্নাটকে খরা হয়েছে। এই জগতের কিছু কিছু স্থানে বন্যা হয়, কিছু কিছু স্থানে খরা হয়। এমনকি নিউইয়র্ক শহরেও সেখানে সাম্প্রতিক বন্যা হয়েছিল। আপনারা হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করার মাধ্যমে কৃষ্ণের কৃপায় এখানে বৃষ্টি পেতে পারেন। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে অন্ধ্রপ্রদেশে খরা হয়েছিল, এবং তাদের ১০৮ কুণ্ডু সহ বড় যজ্ঞ-অনুষ্ঠান হচ্ছিল। কিন্তু তাতে সেখানে অনেক ধোয়া হয়েছিল, তবে কোন বৃষ্টি হয়নি। শ্রীল প্রভুপাদ এক ভক্তগোষ্ঠী নিয়ে যান এবং হায়দ্রাবাদে কীর্তন করতে শুরু করেন, আর তখন বৃষ্টি হয়েছিল, এটাই হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের রহস্য! যদি প্রত্যেকে হরে কৃষ্ণ জপ-কীর্তন করে, তাহলে তা জলবায়ু সংগঠিত করবে। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে/ হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে। বর্তমান জগৎ জলবায়ু পরিবর্তনের দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হচ্ছে, তারা কার্বন নির্গমনের বিষয়টি পরিবর্তন করতে চায়, কিন্তু প্রকৃত রহস্য হচ্ছে প্রত্যেকের হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা উচিত। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে/ হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে। আপনি জপ করার মাধ্যমে এবং অন্যদেরকে জপ করতে উৎসাহিত করার মাধ্যমে আমূল পরিবর্তন আনতে পারেন।

আমি অত্যন্ত খুশি যে হোয়াইট ফিল্ড কিছু নতুন জমি পেয়েছে। আমি এই দেখে আনন্দিত যে এখানে খুব ভালো ভক্তগোষ্ঠী আছে, খুব সুন্দর শ্রীবিগ্রহগণ আছেন, আমি দুঃখিত যে আমার আজ রাতে দেরি হয়েছে। এখানে অনেক মহানন্দে মগ্ন ভক্তরা আছেন, চৈতন্য মহাপ্রভু এই ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন যে এই জগতের প্রতি নগর ও গ্রামে মানুষেরা তাঁর পবিত্র নাম জপ করবে। হরে কৃষ্ণ! আমি আনন্দিত যে কিভাবে এই মন্দির আমাকে সহায়তা করে আসছে যে, আপনারা সমগ্র বেঙ্গালুরুতে মন্দির চান। এইভাবে আপনারা পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন এবং তা ইতিবাচক চেতনা নিয়ে আসবে। আমি সকল নেত্রীদের প্রতি এবং এই মন্দিরের ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা সমগ্র বেঙ্গালুরুতে কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচারে সহায়তা করছেন। তাই, আপনারা সবাই যদি একত্রে প্রচেষ্টা করেন, তাহলে নিশ্চিতভাবে তা সত্য হবে! এটাই হচ্ছে চৈতন্য মহাপ্রভুর ভবিষ্যৎবাণী, তাই নিশ্চিতরূপে আপনাদের প্রচেষ্টা ফলপ্রসু হবে! আপনাদের আবার ধন্যবাদ জানাই! হরে কৃষ্ণ!

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 24/1/2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions