Text Size

২০২৩০৯২০ দীক্ষা প্রবচন

20 Sep 2023|Duration: 03:41:39|Bengali|Initiation Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
 যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
 পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
 হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- আপনারা অনেক ভাষণ শুনলেন। আমার একটু দেরি হয়েছে, তাই আমি বেশি বলব না।  ..এখন ভগবানের আশ্রয়ে দীক্ষা দেওয়া হয়। এখন মানুষের বিশেষ সুবিধা হয়, এই মনুষ্য জন্মে আমরা ভগবানের চরণে আত্মসমর্পণ করতে পারি। এবং ভগবানের কৃপা পেয়ে আমাদের জন্ম সার্থক হয়ে গেল। এবং তারপর শ্রীচৈতন্য দেব বলছেন অপরকে সাহায্য করতে হয়।

ভারত ভূমিতে মনুষ্য জন্ম হৈল যার
 জন্ম সার্থক করি, কর পর-উপকার।

এখন যাতে আমরা ভগবানের কাছে যাব এবং আমরা যত সম্ভব অপর ব্যক্তিকে নিয়ে যাব। হরিবোল! আপনারা কেউ যেতে চান? আপনারা অপর ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন। এই হচ্ছে দীক্ষা অনুষ্ঠানের বিশেষ রহস্য। আশা করছি আপনারা লজ্জা পাবেন না, বদ্ধ জীব এরা বিশেষ ভগবানের কৃপা পাওয়ার জন্য। এখন গুরুদেব বলেছিলেন আমাকে পঞ্চাশ হাজার শিষ্য করার জন্য, এটা হয়ে গেল। আমি এখন অনেক শিষ্যকে আদেশ দিচ্ছি, তার মধ্যে অন্যতম গৌরাঙ্গ প্রেম স্বামীকে দীক্ষা দেওয়ার জন্য। আমার কাছে যারা আশ্রয় নিয়েছে, যারা এটা নেওয়ার জন্য আগে থেকে চায়, তাদের দেব। এরপরে আমার শিষ্য আশা করি শিষ্য নেবে। কিন্তু নিয়ম হচ্ছে গুরু আশ্রয় নিলে তারপরে ছয় মাস পর দীক্ষা দেবে। এখন হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র বলব। 

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে/ হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 10/ JUL / 2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions