মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
শ্রীমদ্ভাগবতম ২/৮/২৮-২৯
শ্লোক ২৮
প্রাহ ভাগবতং নাম পুরাণং ব্রহ্মসম্মিতম্।
ব্রহ্মণে ভগবৎপ্রোক্তং ব্রহ্মকল্প উপাগতে॥ ২৮॥
অনুবাদ:- মহারাজ পরীক্ষিতের প্রশ্নের উত্তরে তিনি সৃষ্টির প্রারম্ভে সর্বপ্রথম কল্পে ভগবান বহ্মাকে যে বেদগর্ভ ভাগবত নামক পুরাণ বলেছিলেন, তা বলতে আরম্ত করলেন।
তাৎপর্য:- শ্রীমদ্ভাগবত হচ্ছে ভগবত্তত্ব-বিজ্ঞান। নির্বিশেষবাদীরা বেদগর্ভ শ্রীমদ্ভাগবতের মহান তত্ত্ববিজ্ঞান না জেনে সব সময় ভগবানের স্বরূপ সন্বন্ধে ভ্রান্ত ধারণা প্রদান করার চেষ্টা করে। এই তত্ত্ব বিজ্ঞান অবগত হতে হলে নিজের মনগড়া ব্যাখ্যা করার পরিবর্তে মহারাজ পরীক্ষিতের পদাঙ্ক অনুসরণ করে শ্রীশুকদেব গোস্বামীর প্রতিনিধির আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে। তা না করে নিজের মনগড়া ব্যাখ্যা করতে গেলে ভগবানের চরণে মহা অপরাধ হয়। অভক্তদের দ্বারা শ্রীমদ্ভাগবতের ভ্রান্ত ব্যাখ্যার ফলে শ্রীমদ্ভাগবতের বাণী হৃদয়ঙ্গম করার ব্যাপারে মহা উৎপাতের সৃষ্টি হয়। তাই যারা ভগবত্তত্ব-বিজ্ঞান হৃদয়ঙ্গম করতে চায়, তাদের এই বিষয়ে সর্বদা সচেতন থাকা কর্তব্য।
শ্লোক ২৯
যদ্ যৎ পরীক্ষিদৃষভঃ পাণ্ডূনামনুপৃচ্ছতি।
আনুপূর্ব্যেণ তৎসর্বমাখ্যাতুমুপচক্রমে॥
অনুবাদ:- মহারাজ পরীক্ষিৎ ছিলেন পাণ্ডুবংশের শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী, এবং তাই তিনি উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে উপযুক্ত প্রশ্ন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। শুকদেব গোস্বামীও মহারাজ পরীক্ষিতের সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর প্রদান করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করলেন।
তাৎপর্য:- মহারাজ পরীক্ষিৎ যথাযথভাবে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার জন্য গভীর ঔৎসুক্য সহকারে অনেক প্রশ্ন করেছিলেন, কিন্তু গুরুদেব শিষ্যের সেই প্রশ্নগুলির ক্রম অনুসারে উত্তর নাও দিতে পারেন। কিন্ত, একজন অভিজ্ঞ শিক্ষকরূপে গ্রীল শুকদেব গোস্বামী সুসংবদ্ধভাবে, পরম্পরা-ধারায় যেভাবে সেই জ্ঞান লাভ করেছিলেন, সেই অনুসারে সেই সমস্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দিয়েছিলেন। তিনি কোন প্রশ্ন বাদ না দিয়ে সবকটি প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছিলেন।
***
জয়পতাকা স্বামী:- একজন বলছে আমি জানিনা, বলছে আমার একটু হালকা জ্বর আছে, কিন্তু যাইহোক আমি বলার চেষ্টা করব। আজকে দুটি শ্লোক আছে এবং প্রত্যেকটা শ্লোক সংক্ষিপ্ত তাৎপর্য আছে। পরীক্ষিত মহারাজ খুব ভাল করে প্রশ্ন দিয়েছেন ও শুকদেব গোস্বামী উত্তর দিচ্ছেন সব। তিনি এতে অত্যন্ত নিপুণ এবং তিনি সেই ভাবেই সেই সব উত্তর দিয়েছিলেন যেমনভাবে তিনি চাইছিলেন। মানুষেরা শ্রীল প্রভুপাদকে প্রশ্ন জিজ্ঞাস করত, কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর নিজের মত করে সেইসবের উত্তর দিতেন, সবশেষে প্রত্যেকেই সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হত। এইভাবে প্রভুপাদের ইচ্ছা যে প্রশ্নগুলো ঠিক মতন দেওয়া হয়। শ্রীল প্রভুপাদ শুকদেব গোস্বামীর একজন প্রকৃত প্রতিনিধি। যে সমস্ত প্রশ্নগুলি পরীক্ষিত মহারাজ শুকদেব গোস্বামীকে করেছিলেন, তা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে ব্রহ্মা কর্তৃক করা হয়েছিল। এটিকে বলা হয় অবরোহী জ্ঞান। যেই জ্ঞান ভগবান শ্রীকৃষ্ণ থেকে এসেছে, তা গুরু-পরম্পরার মাধ্যমে নিন্মে প্রদান করা হয়েছে।
আমাদের TOVP-র প্রদর্শনীর ওয়েস্ট উইং, বর্তমান বিজ্ঞানে তারা আরোহী পন্থার দ্বারা সবকিছু দর্শন করে। তারা এখন এত কিছু জানে এবং তার উপর ভিত্তি করে মনে করে যে তারা অধিক কিছু জানে কিন্তু দিব্য জ্ঞান পরমেশ্বর ভগবানের দ্বারা দর্শিত এবং তাঁর চক্ষু হচ্ছে সাক্ষ্য এবং এইভাবে তা নিন্মে এসেছে এবং আমরা প্রকৃতপক্ষে এটি বুঝতে পারব না যে কিভাবে এই সবকিছু প্রকাশিত হয়েছে। মহাবিষ্ণু তাঁর রোমকূপ থেকে অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু আরোহী পন্থায় তারা তা জানতে পারেনা, এইভাবে কি হয়, কেন হয় এটা অবরোহী পন্থার মাধ্যমে জানতে হয়। এইভাবে শুকদেব গোস্বামী উনি জানেন, কারণ উনি কৃষ্ণের কাছ থেকে শুনেছেন যে কিভাবে সবকিছু সৃষ্টি হল। শ্রীমদ্ভাগবত এক অত্যন্ত বিশেষ গ্রন্থ কেননা ভগবান যে কিভাবে সৃষ্টি করেন এটা উনি শ্রীমদ্ভাগবতমে সমস্ত তথ্য প্রকাশ হয় এবং সাধারণ লোক এটা বুঝতে পারছে না যে কিভাবে সবকিছু প্রকাশিত হয় যদি এটা ভগবানের কাছ থেকে না শোনে। যেহেতু কৃষ্ণ এটা বর্ণনা করলেন, তাই আমরা বুঝতে পারি। ঠিক যেমন ঋক বেদে এটি বলা হয়েছে যে তিনি দিব্য এবং সেই কারণে তারা কৃষ্ণকে কেবল কয়েকটি শব্দের মধ্যে ব্যাখ্যা করেছেন এবং সেই শ্লোকগুলোতে এই বিষয় সম্পর্কে বলা আছে ও শ্রীমদ্ভাগবত হচ্ছে এটির ব্যাখ্যা। প্রকৃতপক্ষে আমরা যদি শ্রীমদ্ভাগবত থেকে শ্রবণ করি, তাহলে আমাদের কাছে যথাযথ জ্ঞান আছে। ভক্তিবৈভব হচ্ছে শ্রীমদ্ভাগবতের প্রথম ষষ্ঠ স্কন্ধ এবং ভক্তিবেদান্ত হচ্ছে ভাগবতের দ্বিতীয় ষষ্ঠ স্কন্ধ। যদি আমরা শ্রীমদ্ভাগবতের পুরো ১২টি স্কন্ধ অধ্যায়ন করি, তাহলে আমাদের এক খুব ভালো ধারণা থাকবে যে কিভাবে এই জড়জগৎ সৃষ্টি হয়েছে, এই কারণে আমি আশা করি যে সব ভক্তরা শ্রীমদ্ভাগবতের দ্বাদশ স্কন্ধ অধ্যায়ন করবে। শ্রীমদ্ভাগবতের পর কেউ চৈতন্য-চরিতামৃত অধ্যায়ন করতে পারে, এইভাবে বিভিন্ন ভক্তরা বিভিন্নভাবে শ্রীমদ্ভাগবতের বিষয় বস্তু অধ্যয়ন করেন।
পরীক্ষিত মহারাজ বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলেন এবং শুকদেব গোস্বামী উত্তর দিয়েছেন, কিন্তু যেভাবে পরীক্ষিত মহারাজ প্রশ্ন দিয়েছেন, ঠিক সেইভাবে হয়ত উওর দেওয়া হয়নি। আমরা দেখি যে শুকদেব গোস্বামী একজন উপলব্ধি প্রাপ্ত শিক্ষক, কিন্তু তিনি উত্তরগুলি সুসংবদ্ধভাবে প্রদান করেছেন। একইভাবে শ্রীল প্রভুপাদ কখনও কখনও ভক্তরা তাকে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতেন, কিন্তু তিনি উত্তর দিলেন সুসংবদ্ধভাবে। কখনও কখনও তারা যেভাবে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করত, তার কোন মানে হত না। আপনারা হয়ত দেখেছেন যে কখনো কখনো প্রশ্নগুলি এক নির্দিষ্টভাবে প্রদান করা হয়, কিন্তু তার উত্তর অন্যভাবে হয়। তাই দেখুন, পরীক্ষিত মহারাজ তিনি কুরু বংশের এক অত্যন্ত উপযুক্ত সদস্য ছিলেন, আর তার প্রশ্নগুলি ছিল স্পষ্ট, অত্যন্ত ভালো। কিন্তু তিনি হয়ত সেই প্রশ্নগুলি এক ভিন্ন ক্রমানুসারে দর্শন করেছিলেন। তাই তিনি সব উত্তর প্রদান করেছিলেন কিন্তু সেই একইভাবে যেভাবে গুরু পরম্পরার দ্বারা তা প্রদান করা হয়েছে। তাই পরীক্ষিত মহারাজ তিনি বিভিন্ন প্রশ্ন করেছিলেন এবং তিনি তার উত্তর পেয়েছিলেন। তাই শ্রীমদ্ভাগবতের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এইভাবে দেওয়া আছে।
শুকদেব গোস্বামী তিনি সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন এবং এক একটা প্রশ্ন কিভাবে উত্তর দেওয়া চলে, সেভাবে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন। তিনি সেইভাবেই উত্তর দিয়েছিলেন যে সমস্ত প্রশ্নগুলি শ্রীমদ্ভাগবতে আছে, সেগুলি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলী এবং আমরা দেখি যে কিভাবে ভিন্ন ভক্তরা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছেন এবং কিভাবে তিনি উত্তর দিয়েছেন। তাই সেখানে কোন জল্পনা কল্পনা বা কোন ধরনের অনুমান ছিল না। আমরা দেখি যে বিজ্ঞান যেটিকে বলা হয়, তারা আসলে বিষয়বস্তুর অনুমান করে এবং সেই অনুমান হচ্ছে বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা। ফলস্বরূপ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন থিওরি প্রদান করে, তারা প্রকৃতপক্ষে তা জানে না এবং তারা শুধু অনুমান করে যে এটা নিশ্চয়ই এইরকম হবে। সেই কারণে বৈজ্ঞানিক গবেষণা অত্যন্ত প্রায়শই বদল হয়, তারা যা দেখে সেটি ব্যাখ্যা করে, তার উপর সেটি নির্ভর করে, এই কারণে শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন যে আমাদেরটি হচ্ছে প্রকৃত বিজ্ঞান যে আমরা এই জগত সম্পর্কে অবরোহী জ্ঞানের মাধ্যমে অধ্যয়ন করছি। আমাদের কাছে এই অবরোহী জ্ঞান হাজার হাজার বছর ধরে আছে এবং এটি পরিবর্তিত হয় না। তাই, আমাদের কাছে সেই বিজ্ঞান আছে যা পরিবর্তিত হয় না এবং তাদের কাছে সেই বিজ্ঞান আছে যা সব সময় পরিবর্তিত হয়। তাই যদি কেউ সঠিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে জানে, তাহলে তারা অত্যন্ত যথাযথ উত্তর পেতে পারে। তাই আমরা দেখি যে কিভাবে বিভিন্ন তত্ত্ব আছে এবং কিভাবে তারা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে যে কি ঘটছে। তাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য আছে, যেমন ডারউইনের তত্ত্ব যেখানে তিনি প্রস্তাব দিচ্ছেন যে সবকিছু জড় পদার্থ থেকে আসে। উনি বলছেন যে ওনার ঠাকুরদা বানর। এখন সেইভাবে একটি উপহাস আছে, ছেলে তার মাকে জিজ্ঞেস করছে, “বাবা বলছে যে আমরা বানর থেকে এসেছি?” তখন তার মা বলছে, “আমি তোমার বাবার পক্ষের পরিবার সম্পর্কে জানি না।” অবশ্য তারা বলেছে যে আমরা বানরের থেকে এসেছি। যাই হোক, এখন তোমাদের কি জিজ্ঞেস করার কোন প্রশ্ন আছে?
Lecture Suggetions
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ