Text Size

২০২৩০৬২৫ দীক্ষা প্রবচন

25 Jun 2023|Duration: 00:13:59|Bengali|Initiation Address|Kolkata, India

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
   যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
   পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
   হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- আজকে বৃষ্টি হচ্ছে এটা শুভ লক্ষণ। আজকে দীক্ষা নিতে এসেছে অনেক লোক। দীক্ষার আগে আকাঙ্ক্ষী এবং আশ্রয় নিতে আসে। জয় জগন্নাথ জয় বলদেব জয় সুভদ্রা জয় সুদর্শন চক্র! জয় রাধা গোবিন্দ! এখন ঠাকুরের সামনে সবাই দীক্ষা নিচ্ছে। তার মানে সে গুরু পরম্পরা অন্তর্গত হয়ে যাচ্ছে। 50:51 গুরু পরম্পরার প্রতি দায়িত্ব আছে। সেই দায়িত্ব হচ্ছে প্রচার করা। চৈতন্যদেব বলছিলেন, “ভারত ভূমিতে মনুষ্য জন্ম হইল যার, জন্ম সার্থক করি কর পরোপকারআমাদের জন্ম যাতে সার্থক হয় এটা হচ্ছে সম্পূর্ণভাবে কৃষ্ণের আশীর্বাদ। এবং অপর ব্যক্তি যাতে কৃষ্ণের আশ্রয় পায় এটা প্রচেষ্টা। চৈতন্যদেব বলছেন, “কৃষ্ণ এত মধুর! যদি এক বিন্দু, যদি সমুদ্র থেকে এক বিন্দু নেওয়া হয়, এক বিন্দুর মিষ্টি বা মাধুর্য পুরো জগৎ ভাসিয়ে দিতে পারে।আমরা যারা পৃথিবীতে আছি, মনে করি পৃথিবীতে জিনিস পেলে খুশি হব। কিন্তু দরকার হয় আমাদের কৃষ্ণের কৃপা, কৃষ্ণের মাধুর্য পাওয়া। এখন এটা কৃষ্ণের মাধুর্য থেকে বঞ্চিত থাকার ফলে কষ্ট পাচ্ছি। এখন যে বর্তমান যে ত্রিগুণ আছে, সেটা পারমার্থিক দিক দিয়ে ... পারমার্থিক বিচার করতে গেলে, 55:32 দরকার। প্রভুপাদ বলতেন পুরুষ, মহিলা, শূদ্র যেহোক, সবাই যদি কৃষ্ণ চেতনা স্তরে থাকতে পারে, সব এক। আমরা প্রচেষ্টা করি সবাই কৃষ্ণচেতনা স্তরে আসুক। কালকে রাত্রে অনেক লোক ভক্তি শাস্ত্রী ডিগ্রি পেয়েছে। এইভাবে আশা করি সবাই প্রভুপাদের গ্রন্থ গীতা-ভাগবত, চৈতন্য চরিতামৃত ইত্যাদি সুন্দরভাবে অধ্যায়ন করবে। এইভাবে পারমার্থিক কৃপা নিজে গ্রহণ করা সবাই দরকার। এখন কলকাতায় বহু লোক আছে কিন্তু তার মধ্যে কয়জন বুঝতে পারে যে তারা কে? সনাতন গোস্বামী প্রধানমন্ত্রী ছিল, এবং তিনি বলছিলেন সব লোক তাকে পণ্ডিত বলে। কিন্তু ওঁনার বিচারে তিনি মূর্খ। তিনি জানেনা তিনি কে। তার জন্য তিনি চৈতন্য দেব এর কাছে বলছেন, “আমি কে আপনি বলুন।চৈতন্যদেব বলছেন, “তুমি জীব। জীবের স্বরূপ হয় কৃষ্ণের নিত্য দাস।এইভাবে আজকে যারা দীক্ষা গ্রহণ করছেন, এটার উদ্দেশ্য আপনারা এখন কৃষ্ণের দাসত্ব মধ্যে থাকবেন। এইভাবে আনন্দ হয়। হরে কৃষ্ণ!  

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 12/1/2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions