Text Size

২০২৩০৬১৬ মহা-সঙ্গতে প্রদত্ত প্রবচন

16 Jun 2023|Duration: 00:32:46|Bengali|Public Address|Bhaktivedanta Manor, London

নিন্মোক্ত প্রবচনটি শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ ১৬ জুন, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ভক্তিবেদান্ত ম্যানর, লন্ডন, ইংল্যান্ডে প্রদান করেছেন। এই প্রবচনটি মহাসঙ্গ অনুষ্ঠানে প্রদান করা হয়েছিল।

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
 যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
 পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
 হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- আমরা বৈশেষিকা প্রভুর থেকে শোনার জন্য অপেক্ষা করছিলাম, কিন্তু তিনি কৌশল করে আমাকে স্টেজে পাঠিয়েছেন। যাইহোক, ৫০০ বছর আগে তাদের কাছে বেশি গ্রন্থ ছিল না, তখন গ্রন্থগুলি তাল পাতার উপর হস্তলিখিত ছিল, তোমার জীবন দিয়ে তোমাকে গ্রন্থ ক্রয় করতে হত, এখন গ্রন্থ গুলি সস্তা। ৫ ডলার, ১০ ডলার এর বেশি একটি গ্রন্থের দাম হত [৩৬:৫৬] আমরা দেখি শ্রীনিবাস আচার্য ও অন্যান্য ব্যক্তিত্বরা বৃন্দাবন থেকে বাংলায় গ্রন্থ নিয়ে এসেছিলেন এবং সেগুলি চুরি হয়ে গিয়েছিল কারণ বীরভূমের রাজার কাছে এক জ্যোতিষী ছিল যে তাকে বলেছিল যে এই সাধুরা এক অমূল্য রত্ন, অমূল্য খাজানা নিয়ে আসছে এবং সেই সময় তাদের পন্থাটি ছিল যে যেই তাদের রাষ্ট্র দিয়ে যাত্রা করবে, তাদের থেকেই তিনি চুরি করবেন, যদি তাদের কাছে চুরি করার মতো কিছু থাকে। এবং সেই জন্য তার কাছে সেই জ্যোতিষী ছিল যে সেটা করত। সে চোরদেরকে বলেছিল যেতে এবং সেই খাজনার বাক্স চুরি করতে ও তা তার কাছে নিয়ে আসতে। এটা এতই বহুমূল্যবান ছিল যে সে চাইছিল না যে তা তার কাছে নিয়ে আসার আগেই চোরেরা তা দেখুক এবং সেই সময় শ্রীনিবাস আচার্য, নরোত্তম দাস ঠাকুর এবং শ্যামানন্দ পণ্ডিত সেই সমস্ত গ্রন্থগুলি নবদ্বীপে ফিরিয়ে আনছিলেন, তাই তাদের কাছে আসল পান্ডুলিপি ছিল। সেই রাজা সেই খাজনা দেখার জন্য এত আগ্রহী ছিল, এক অমূল্য ধন! যখন চোরেরা সেই স্থানে যায়, তখন তা খুব সহজ মনে হয়েছিল কারণ সাধুরা ঘুমাচ্ছিলেন, তারা সেই ধন পেয়েছিল, তারা জানত না যে তার মধ্যে কি আছে, তখন তারা সেই সিন্দুক রাজার কাছে তুলে নিয়ে আসে। যখন প্রত্যেকে চলে গিয়েছিল, তখন তারা সেই ধন দৌলত খোলে এবং গ্রন্থ আর গ্রন্থ। সে দেখছিল, সে বুঝতে পারছিল না সেটা যেমন চৈতন্য-চরিতামৃত উপরে লেখা ছিল এবং সেই রাজা বিস্মিত হয়েছিল, সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছিল যে সে সাধুদের শাস্ত্রীয় ধন নিয়ে নিয়েছে, “যমদূতগণ আমাকে শাস্তি দেবে!তখন সে সেই চোরেদেরকে সেখানে যেতে বলে এবং দয়া করে তাদেরকে খুঁজতে বলে যে এই সিন্দুক কাদের। যাই হোক, এটা এক দীর্ঘ কাহিনী, কিন্তু শ্রীনিবাস আচার্য বলেছিলেন যে তাকে শ্রীবিগ্রহগণ সেই গ্রন্থগুলি আনতে বলেছিলেন, তাই আমি হচ্ছি এর জন্য দায়ী এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমার সেগুলিকে খুঁজতে হবে। আমি তোমাদেরকে বলব যে সেইসব দিনে গ্রন্থ বিতরণ করা খুব কঠিন ছিল, তোমার কাছে একটি লিখিত গ্রন্থ থাকতে হবে এবং তার জন্য এক কঠোর প্রচেষ্টার মূল্য দিতে হত। মানুষদের তাদের পুরো জীবন দিয়ে মূল্য দিতে হত, তারা সেই সমস্ত গ্রন্থগুলি শিখতেন এবং শিক্ষা দিতেন, এই সমস্ত গ্রন্থগুলি হচ্ছে ভিত্তি। অবশ্য প্রথমে তিনি বিভিন্ন স্থানে এই সমস্ত গ্রন্থগুলি বিতরণ করছিলেন। যখন আমি যুক্ত হয়েছিলাম, তখন সেখানে কোন গ্রন্থ ছিল না, ম্যাকমিলন গীতা ছিল। শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন আমাকে সেই গ্রন্থ দীক্ষা গ্রহণের পূর্বে ১০ বার পড়তেই হবে। আমার কাছে এখনও সেই গীতাটি আছে। এর মধ্যে দাগ করা আছে ১, ২, ৩, ৪ তারপর চিহ্ন করে রাখা। এখন গ্রন্থ সমূহ সহজলব্ধ। আসলে আমি মায়াপুরে দেখেছিলাম যে শ্রীল প্রভুপাদ, তিনি অনেক পরিশ্রম করে অনুবাদ করেছিলেন, তিনি তার ডিকটাফোনে অনুবাদ করতেন এবং সেই প্রতিলিপি বিবিটিতে পাঠান হত। প্রত্যেকদিন রাতে তিনি ১২টার সময় উঠে পড়তেন এবং অনুবাদ করতেন, তার কাছে যে শ্রীমদ্ভাগবত ছিল তাতে আমি ভুলে গেছি ৭ বা ৮টি টীকা ছিল, পূর্ববর্তী আচার্যদের লিখিত কিছু ছিল, তা সবকিছুই সংস্কৃততে ছিল, আর প্রভুপাদ সেগুলি পড়তেন ও পূর্ববর্তী আচার্যদের বাক্যের প্রতি তাঁর নিজস্ব উপলব্ধি ব্যক্ত করতেন এবং তিনি সেটির তাৎপর্যগুলি লিখতেন। কখনও কখনও তিনি আমাকে সকাল দুটোর সময় ডাকতেন, তার সচিব আসতেন ও বলতেন, “শ্রীল প্রভুপাদ আপনাকে দেখতে চান।” আমি আমার মুখ ধুয়ে নিচে যেতাম, আমি দেখতাম যে শ্রীল প্রভুপাদের উপরে মশারি টানানো এবং তিনি অনুবাদ করছেন। তারপর তিনি আমাকে যা বলতে চাইতেন সেটা বলতেন। আমি ২৪ ঘন্টাই থাকতাম, যে কোন সময় তিনি ডাকলে আমি যেতাম, আমি দেখতে পারছিলাম যে কিভাবে তিনি গ্রন্থগুলি অনুবাদ করছিলেন। তাই এই সমস্ত গ্রন্থ অনুবাদের জন্য তিনি এক কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। কেন করেছিলেন? যাতে আমরা সেগুলি পড়তে পারি এবং কৃষ্ণভাবনামৃত তত্ত্ব বুঝতে পারি। আমাদের এই সমস্ত গ্রন্থ বিতরণের এক মহা সৌভাগ্য আছে। সেগুলিকে অধ্যয়ন করো এবং বিতরণ করো। তিনি বলেছিলেন যে তিনি চান না যে ভক্তদের যদি তাদেরকে কোন মানুষ জিজ্ঞেস করে যে এই গ্রন্থে কি আছে, তাহলে তারা বলুক যে আমি জানিনা। আমি শুধু এগুলি বিক্রি করি। তিনি তা চাইতেন না। তুমি গ্রন্থ পড়, তুমি সেই তত্ত্ব বোঝো এবং তারপর তা বিতরণ কর।

 

দিল্লি এবং মায়াপুরের মধ্যে এক বড় প্রতিযোগিতা হয়। আমি অসুস্থ ছিলাম এবং দিল্লিতে ছিলাম। আমি তাদের সেই রহস্য দেখেছি, সেখানে মন্দির অধ্যক্ষ, প্রত্যেক ভক্ত, প্রতি নামহট্ট, প্রত্যেক ভক্তিবৃক্ষ এবং প্রত্যেক শাখায় তারা জিজ্ঞেস করে যে, “আপনার লক্ষ্য কি? কত গ্রন্থ এই ম্যারাথনে বিতরণ করতে পারবে?” একজন ব্যক্তি বলেছিল তিনি পাঁচ হাজার ভগবদগীতা বিতরণ করবে, তাই তারপর তিনি রাস্তায় সিগনাল পড়লে গাড়ির সামনে দাঁড়াতেন এবং বলতেন, “আমি যাব না যতক্ষণ না আপনি একটি গ্রন্থ ক্রয় করবেন!” তিনি প্রায় ৬০ বা ৭০ বছর বয়সী এবং তিনি এইভাবে গ্রন্থ বিতরণ করছিলেন, প্রত্যেকের একটা কোটা আছে। যেমন আমি মায়াপুরে এই রহস্য বলেছিলাম যে প্রত্যেককে বিতরণ করতে হবে — পুরুষ, মহিলা, শিশু সবাইকে এবং এইভাবে আমরা শুরু করেছিলাম, তারপর আমাদের কাছে ১০টি বাসের দল ছিল, তা বেশ ভালো কিন্তু সেটাই যথেষ্ট নয়। আমাদের বিভিন্ন বুক টেবিল আছে, বিভিন্ন ভক্তরা আছেন, বিভিন্ন বিভাগ আছে, নামহট্ট আছে, এইভাবে প্রত্যেকে বাহির হয় এবং পুরো মন্দিরে সবাই গ্রন্থ বিতরণে দৃঢ় হয়। ভাদ্র পূর্ণিমার জন্য আমরা সেই রেকর্ড ভাঙতে চাই শ্রীমদ্ভাগবতের সেট এর ক্ষেত্রে। শ্রী শ্রীমদ ভক্তি বিজয় ভাগবত স্বামী তিনি প্রত্যেক অনুষ্ঠানে অত্যন্ত উৎসর্গীকৃত, তিনি যা সুযোগ পান তাতেই শ্রীমদ্ভাগবতম বিতরণ করেন। ৬০০ সেট, ১২০০ সেট। আমি রাস্তায় যেতে সক্ষম নই, তাই আমি অনলাইনে বিতরণ করছি।

 

চৈতন্য মহাপ্রভু তিনি হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতেন এবং সংকীর্তন যজ্ঞ করতেন, ভক্তরা যখন তারা বাংলা থেকে জগন্নাথপুরীতে আসতেন, তারা জগন্নাথপুরী মন্দিরের চারিপাশে কীর্তন করতেন এবং তাদের চারটি দল ছিল। প্রত্যেক দলে তাদের ৮টি মৃদঙ্গ ছিল, ৩২টি করতাল ছিল এবং প্রত্যেক দলে তাদের নর্তক ছিল। নর্তকেরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তারা সেখানে নৃত্য করতেন এবং যেহেতু তাদের সেখানে লাউড স্পিকার ছিল না, তাই পাঁচজন মিলে কীর্তন করতেন আর তারপর সব ভক্তরা তা বলতেন। তাদের কাছে নৃত্য কীর্তন করছিলেন অদ্বৈত গোঁসাই, তারপর শ্রীবাস ঠাকুর, বক্রেশ্বর পণ্ডিত তিনি ছিলেন অনিরুদ্ধের অবতার, তিনি একটানা ৭২ ঘন্টা নৃত্য করতে পারতেন, এইভাবে তাদের চারটি ভিন্ন দল ছিল এবং চৈতন্য মহাপ্রভু ছিলেন মাঝখানে। এইভাবে তারা কীর্তন, হরিনাম করতেন, যারাই কাছে আসতেন, চৈতন্য মহাপ্রভু তাদেরকে আলিঙ্গন করতেন, তারপর চৈতন্য মহাপ্রভুর অনুসারীগণ ষড় গোস্বামীগণ, কৃষ্ণদাস কবিরাজ, তারা গ্রন্থ লিখেছিলেন এবং যখন তারা সেই সমস্ত গ্রন্থ বাংলায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, সেগুলি চুরি হয়ে গিয়েছিল এবং শ্রীনিবাস আচার্য তিনি শুনেছিলেন যে কোন একজন রাজা শ্রীমদ্ভাগবত প্রবচন শুনতে চান, তাই তখন তিনি সেই রাজার প্রাসাদে গিয়েছিলেন এবং রাজা শ্রীমদ্ভাগবত প্রবচন শুনেছিলেন, কিন্তু তিনি অপছন্দের মুখভঙ্গি করছিলেন এবং তার বাজে ভাবনা আসছিল, তাই তার অপছন্দের মুখভঙ্গি দৃশ্যমান হচ্ছিল। তিনি সেই প্রবচনে কাউকে জিজ্ঞেস করেন নি, তারা কিছু জানতে না, সেটা পরম্পরাভিত্তিক ছিল না। ঠিক আছে! আপনি প্রবচন দিন এবং তখন তিনি প্রবচন দিয়েছিলেন, “যদি তা ভালো না হয়, তাহলে আমরা তোমাকে হত্যা করব।” শ্রীনিবাস আচার্য ব্যক্তিগতভাবে শ্রীল জীব গোস্বামীর দ্বারা প্রশিক্ষিত ছিলেন। তিনি সত্যিই প্রবচন দিতে পারতেন, এই কারণে তিনি আচার্যপদ নাম প্রাপ্ত হয়েছিলেন। তাই তিনি প্রবচন দিতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং সেই রাজা উপলব্ধি করেছিলেন যে হয়ত এই সেই ব্যক্তি যে এই সমস্ত গ্রন্থের অধিকর্তা, তাই তখন সে সেগুলি ফিরিয়ে আনল। তারা তাকে জিজ্ঞেস করেছিল যে এর উদ্দেশ্য কি? তখন তিনি বলেছিলেন যে কিভাবে তিনি এই সমস্ত গ্রন্থগুলি বৃন্দাবন থেকে নিয়ে আসছিলেন এবং সেগুলি চুরি হয়ে গিয়েছিল। তখন রাজা তাঁর শ্রীচরণে পতিত হয়ে প্রার্থনা করলেন, “দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমি এইসব গ্রন্থগুলি নিয়েছিলাম।” সব থেকে উপরে ছিল চৈতন্য-চরিতামৃত এবং অন্যান্য সব গ্রন্থ যেমন ভক্তিরসামৃতসিন্ধুও সেখানে ছিল। তিনি এত ... তিনি তাকে জিজ্ঞেস করল যে, “দয়া করে আমাকে আপনার শিষ্যরূপে গ্রহণ করুন।” আর রাজগুরু হতে গেলে কাউকে গৃহস্থ হতে হবে, কারণ তাকে রাজাকে বিভিন্ন সংস্কারের ও অন্যান্য কিছুতে পথ নির্দেশন করতে হবে। তখন তিনি নরহরির কাছে গিয়েছিলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন যে তার কি সেই রাজার রাজগুরু হওয়া উচিত নাকি? নরহরি বললেন, “হ্যাঁ তাহলে তুমি সেই পুরো রাজ্য কৃষ্ণভাবনাময় করতে পারবে।”

 

যাইহোক, এই হচ্ছে শ্রীনিবাস আচার্যের ব্যাপারে অল্প কিছু কথা। তিনি নবদ্বীপে সেই সমস্ত গ্রন্থগুলি ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং সেগুলি বিতরণ করা শুরু করেছিলেন। আমরা কতগুলি ছাপাতে পেরেছিকত লক্ষ৭০ লক্ষ্য। সেই সমস্ত ব্যক্তিরা কত সৌভাগ্যবান যারা এসব গ্রন্থগুলি পেয়েছে যেমন আমি আগে বললাম, এর আগে মূল্য ছিল জীবন, তাই আমরা এই সমস্ত গ্রন্থ গুলি এত মানুষদের দিচ্ছি, যাতে তারা তা পড়তে পারে। আমি একটি গ্রন্থ আমার ডাক্তারকে ডালাসে দিয়েছি, ভগবদগীতা যথাযথ। হপকিনসের ডাক্তার বলছিল যে সে সব সময় ভগবানের কাছে এটা ওটা প্রার্থনা করেছিল, কিন্তু এখন সেই গ্রন্থ পড়ার পর সে বলছিল যে আমাদের শুধু ভগবানকে জিজ্ঞেস করা উচিত যে আমাদের তার জন্য কি করা উচিত। আমরা সব সময় ভগবানের কাছে বলি দয়া করে আমার জন্য এই ওই করুন, কিন্তু আমাদের আসলে তাঁকে জিজ্ঞেস করা উচিত যে আমরা তার জন্য কি করতে পারি? সে সবেমাত্র সেই বই পেয়েছিল, সে জিজ্ঞেস করছিল যে গীতা যাকে বলা হয়েছে, তার নাম কিভাবে উচ্চারণ করতে হয়? কেউ একজন তাকে বলেছিল যে আমরা বলতে পারি আর (R) এবং জুন (June)— অর্জুন। ভগবদগীতা এবং শ্রীমদ্ভাগবতম্ মানুষেরা এত বোঝে না, মানুষেরা পরমেশ্বর ভগবান সম্পর্কে কিছুই জানেনা, এখানে তারা বোঝে যে পরমেশ্বর ভগবান হচ্ছেন একজন ব্যক্তি এবং আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে তাঁর সেবা করা। আচার্যগণ তারা এই সমস্ত গ্রন্থ সংরক্ষণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন।

 

শ্রীল প্রভুপাদ ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন এবং অন্যান্যরা অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। প্রত্যেককে শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ বিতরণে অনুপ্রাণিত করার জন্য আমরা বৈশেষিকা প্রভুর প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনারা কত কেউ শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ বিতরণ করতে পারেন। আমি কখনও কখনও আসি এবং এই সঙ্গ লাভ করি। আমাদেরকে শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ বিতরণে অনুপ্রাণিত করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!

 

আমি শুধু বলতে চাই যে শ্রীল প্রভুপাদ এই গ্রন্থগুলি অনুবাদ করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন, আমি তাঁর গ্রন্থসমূহ অনেকবার শুনেছি। তাই মায়াপুর ইনস্টিটিউট থেকে আমাকে সম্মানীয় ডিগ্রি দিতে চেয়েছিল, আমি বলেছি না আমি পরীক্ষা দেব। আমি সেই পরীক্ষা দিয়েছি এবং ভক্তিবৈভব পেয়েছি, এখন আমি ভক্তিবেদান্ত ডিগ্রির পরীক্ষা দিচ্ছি। আমি আশা করি যে প্রত্যেকে শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ পড়বে এবং তাদের উপাধি পাবে ও সেগুলি বিতরণ করবে।

 

হরে কৃষ্ণ!  

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 7/10/23
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions