Text Size

20221201 Conversation with His Grace Jananivāsa Prabhu

1 Dec 2022|Duration: 00:07:17|Bengali|Others|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

জননিবাস প্রভু:- আপনার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগছে। দেখছি যেভাবে সব বাইরে যাচ্ছে, গ্রন্থাবলী বাইরে যাচ্ছে প্রচারে, মানুষেরা আসছেন। এবং এখানে এক মহোৎসব হচ্ছে, তাই হাজার হাজার মানুষেরা আসছেন।

জয়পতাকা স্বামী:- আমি ভক্তি শাস্ত্রী সার্টিফিকেট দিচ্ছিলাম।

জননিবাস প্রভু:- হ্যাঁ!

জয়পতাকা স্বামী:- মানুষদের শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যায়ন করতে দেখে অনেক ভালো লাগছে।

জননিবাস প্রভু:- খুব ভালো। এটি ঠিক যেন কৃষ্ণভাবনামৃতের অন্য স্তর। পঞ্চতত্বের লক্ষ্য পূর্ণ হচ্ছে। ঘাসের কুটির থেকে শুরু করে আপনি এখানে বসে, এখন হাজার হাজার লোকেরা এখানে আসছেন। আমরা এখানে থেকে সেটি দেখার মত ভাগ্যবান।

জয়পতাকা স্বামী:- আপনিও ছিলেন সেই ঘাসের কুটিরে। [হাসি] আপনি সেই সম্পর্কে কিছু লেখেন না কেন? কিভাবে মায়াপুর একটি ঘাসের কুটির থেকে শুরু হয়েছিল! যদি আপনি তা রেকর্ড করেন, তাহলে আমি তা কাউকে দিয়ে লিখিয়ে নিতে পারি (এবং এটি দিয়ে একটি বই বানাতে পারি)।

জননিবাস প্রভু:- চেষ্টা!

জয়পতাকা স্বামী:- খুব ভালো!

জননিবাস প্রভু:- আমরা গতকাল কিছু করেছিলাম।

জয়পতাকা স্বামী:- তারা আমাকে জিজ্ঞাসা করছিল... আমি যমদূতদের সম্পর্কে কাহিনীটি বলছিলাম, যারা একটি গ্রন্থ বিতরণ করেছিল। আমি মন্দিরের সেই কাহিনীটি বলেছিলাম, আমি সুজিতেন্দ্রিয়কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম... আপনি সেই গল্পটি শুনেছেন?

জননিবাস প্রভু:- আমি তার একটু পরে এসছিলাম।

মিলন রাধা-মাধব দাস:- হ্যাঁ! আমি এটা শুনেছি। আমি ওনাকে বলে দেব। ঠিক আছে।

ভক্ত:- সেই কাহিনীটি সর্বত্র প্রচারিত হচ্ছে।

মিলন রাধা মাধব দাস:- তিরুপতি থেকে।

জন্ম নিবাস প্রভু:- যে ব্যক্তি মারা গিয়েছিলেন...

ভক্ত:- হ্যাঁ! হ্যাঁ!

জয়পতাকা স্বামী:- তিনি মারা গিয়েছিলেন, তারা তাকে শ্মশানে নিয়ে গিয়েছিল এবং তারা বলছিল হরি বোল, বল হরি!তিনি উঠে বসেন! এবং প্রত্যেকে বলছে আহ! ভূত!তারপর তিনি বললেন, “আমি ভূত নই!তিনি নামলেন (মৃতদেহের খাটিয়া থেকে) এবং তিনি মন্দিরে গেলেন, সেখানে ভগবদ্‌গীতা যথাযথ চাইলেন। এবং তিনি তা ধরলেন ও কাঁদছিলেন। তাই ভক্ত জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনি কাঁদছেন কেন?” তিনি বললেন, “আমি মরে গিয়েছিলাম, যমদূতদের দ্বারা আমাকে এক নরকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এবং যমরাজ বললেন, “আপনারা ভুল জনকে ধরে এনেছেন! তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান!আমি নরকে যেতে চাই না! তারপর তাকে আবার শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, এবং একজন যমদূত বললেন, “আপনার কাছেই সেখানে একটা মন্দির আছে, তাদের কাছে ভগবদ্‌গীতা যথাযথ আছে, যদি আমাদের আর দেখতে না চান তাহলে আপনি সেটা পড়ুন!এরপর তিনি দৌড়ে মন্দিরে যান। তিনি কাঁদতে শুরু করেন। যমদূতগণ গ্রন্থ বিতরণ করছেন।

মিলন রাধা-মাধব দাস:- প্রভুপাদের গ্রন্থাবলী।

জয়পতাকা স্বামী:- সত্য ঘটনা। রেবতী রমন আমাকে বলেছে।

জননিবাস প্রভু:- বাংলা, ভারত?

ভক্তগণ:- তিরুপতিতে।

জননিবাস প্রভু:- ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের উলগ্রাম... সেই বীরনগরে আরেকটি ঘটনা হয়েছিল।

জয়পতাকা স্বামী:- কি হয়েছিল?

জননিবাস প্রভু:- তাদের ওখানে একজন ব্রাহ্মণ (ভূত) একটা গাছে থাকতো। ভক্তিবিনোদ ঠাকুর এক ব্রাহ্মণকে দিয়ে ভাগবতম বা ভগবদ্‌গীতা পড়িয়েছিলেন। তারপর সেই গাছটি পড়ে যায়, যখন তারা পাঠ সম্পন্ন করেন, তখন গাছটি ভেঙে পড়ে এবং সেই ভূত পালিয়ে যায়।

জয়পতাকা স্বামী:- বাহ!

জননিবাস প্রভু:- বীরনগর।

গোপতি কৃষ্ণ দাস:- এই কাহিনীর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

জয়পতাকা স্বামী:- ভূতের কাহিনী, চমৎকার!

জননিবাস প্রভু:- রাতের সময় ভালো নয়!

গোপতি কৃষ্ণ দাস:- হরে কৃষ্ণ, ভুতের কাহিনী! ঠিক আছে গুরুমহারাজ, আমাদের মন্দিরে যেতে হবে, তারপর দর্শন, মধ্যাহ্ন প্রসাদ এবং ক্লাস আছে। আমাদের দেরি হচ্ছে।

মিলন রাধা-মাধব দাস:- ঠিক আছে গুরু মহারাজ!

জননিবাস প্রভু:- হরে কৃষ্ণ! এতদিন ধরে আমাকে সহ্য করার জন্য ধন্যবাদ।

জয়পতাকা স্বামী:- আর কোন গল্প আছে?

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 11/JAN/2023
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions