মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
জয়পতাকা স্বামী:- কিছু কিছু ওড়িয়া জানি। কিন্তু আমার বেশি অভ্যাস আছে বাংলা বলার। কে অনুবাদ করবে? তো আমি বাংলা বলবো, উনি অনুবাদ করবেন। আমাকে বলেনি যে এই অনুষ্ঠান আছে। আপনাদের দেখে আমার আনন্দ হয়েছে। এখানে প্রভুপাদের পূজা করতে পেরেছি। কালকে হিন্দি অনুষ্ঠান গিয়েছিলাম এবং হলধর মহারাজ পাঠ করছিলেন। তিনি বলছিলেন সমস্ত প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়ণ করতে। আমার একই কথা আছে। এখন ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ করলেন ভক্তিচারু স্বামী, আর ইংরেজি থেকে ওড়িয়া করেছেন গৌর গোবিন্দ স্বামী। আমরা প্রভুপাদের কাছে কৃতজ্ঞ এবং এই গৌর গোবিন্দ মহারাজের কাছে কৃতজ্ঞ। এখন আমি বিভিন্ন জায়গা ওড়িশা গিয়েছিলাম, ভুবনেশ্বর মন্দির তখন ছিল না, প্রভুপাদের ভজন কুঠির ছিল, গৌর গোবিন্দ মহারাজ ছিল, আমি সেখানে কুটিরের মধ্যে ছিলাম। এত উইপোকা ছিল যে বসে বসে আমাদের দড়ি ফুটো করে দিচ্ছিল। এখন সুন্দর মন্দির হয়েছে, গেস্টহাউস হয়েছে, আশ্রম হয়েছে। এখন আমাদের খুব ভাগ্য হলো, অনেক সঙ্গ পেয়েছি গৌর গোবিন্দ মহারাজের সাথে। ১৯৭৭ সালে প্রভুপাদ আমাকে বাংলা, ওড়িশা জিবিসি স্থান দিয়েছেন। এবং এইভাবে আমি ওড়িশা ঘুরেছি কিছুটা এবং এখন এখানে চৈতন্য মহাপ্রভু তার অনেক লীলা ছিল উৎখল দেশে। এবং এখানকার ভক্ত অত্যন্ত মহাপ্রভু প্রিয়। এইভাবে এখন আমাদের বিশেষ কর্তব্য হচ্ছে একইভাবে চৈতন্যদেবের আন্দোলন সারা পৃথিবীতে বিস্তার হবে। যখন চৈতন্যদেব দক্ষিণ ভারতে ঘুরছিলেন, তিনি আদেশ দিয়েছিলেন,
যারে দেখো তারে কহ কৃষ্ণ উপদেশ।
আমার আজ্ঞায় গুরু হইয়া তার এই দেশ।।
যাতে উৎখল দেশের সকলে চৈতন্যদেবের অনুগামী হয়, এটা আমাদের প্রয়োজন আছে। এখন চৈতন্যদেবের যেভাবে কৃপা করলেন এরকম কোন অবতার দেখিনি। এখন রূপ গোস্বামী তার একটা প্রণাম বানিয়েছে—
নমো মহাবদান্যায় কৃষ্ণপ্রেম প্রদায়তে।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যনাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ।।
যে মহাবদান্যা মানে অত্যন্ত কৃপালু। উনি সকলকে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে উদ্ধার করেছিলেন। তিনি লোক দেখে উৎখলে, দক্ষিণ ভারতে দেখে আলিঙ্গন করতেন। এবং তাঁর আলিঙ্গন পেয়ে প্রেম ভক্তি লাভ করেছে। এইভাবে এখন সাধারণ অবতার আলিঙ্গন করবে কিন্তু প্রেমভক্তি দেওয়া হয় না। এইভাবে, চৈতন্যদেব এসেছেন, শ্রীল প্রভুপাদ এইভাবে শিক্ষা দিয়েছেন যাতে আমরা চৈতন্যদেবের অনুগামী হতে পারি। মহাপ্রভু বলছিলেন,
কিবা বিপ্র কিবা ন্যাসি শূদ্র কেণে নয়,
যেই কৃষ্ণ তত্ত্ব বেত্তা, সেই গুরু হয়
(চৈ চ মধ্য ৮.১২৮)
যে আমাদের চৈতন্যদেব চেয়েছেন সকলের কৃষ্ণের শিক্ষা অর্জন করবেন, এবং সেই ভাবে কৃষ্ণের শিক্ষা, কৃষ্ণের নিজের পদ্মমুখ বাণী ভগবদ্গীতা হল, কৃষ্ণ সম্বন্ধে শ্রীমদ্ভাগবতম হল। এবং আমরা জানি চৈতন্যদেব তিনি কৃষ্ণ অবতার তার জন্য চৈতন্য চরিতামৃত আমাদের শিখা কর্তব্য। এখন, আমি চৈতন্যদেবের চরণ স্থাপিত করলাম রাধাকুণ্ড শ্যামকুণ্ড, বৃন্দাবনে। আসলে, বৃন্দাবন গুপ্ত ছিল, চৈতন্য মহাপ্রভু সেটা আবিষ্কার করলেন। তিনি ধান ক্ষেতে একটা ছোট পুকুর মত ছিল, ওটায় তিনি জল দিয়ে স্নান করছিলেন, লোক জিজ্ঞাসা করছেন একজন সন্ন্যাসী ধান খেতে জল দিয়ে স্নান করছেন। এইটা রাধা কুণ্ড, ওটা হচ্ছে শ্যাম কুণ্ড। হরি বোল! কিছু জায়গা আবিষ্কার করলেন চৈতন্যদেব তারপর তিনি ষড়গোস্বামী পাঠিয়ে দিয়েছেন বাকিটা আবিষ্কার করার। এখন লোকনাথ স্বামী তিনি একমাস ধরে ব্রজ পরিক্রমা করছেন। ওই একমাস স্থান আবিষ্কার হইল চৈতন্যদেব এবং ষড়গোস্বামী কর্তৃক। দ্বাদশ বনের বিভিন্ন জায়গা। আর লোকনাথ স্বামী বললেন, এক মাস থাকার পরে এক দিনে ভক্তি পুরুষোত্তম মহারাজের সাথে শ্রীক্ষেত্রে জগন্নাথ মন্দিরে পরিক্রমা করলে পাওয়া যায়।
যাই হোক, আমরা আসছি কেন, এই চৈতন্যদেব ১৮ বছর থেকে ছিলেন জগন্নাথ পুরীতে। আপনারা জপ করছেন, কৃষ্ণ সেবা করছেন এই জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আশা করি সবাই এই গ্রন্থ অধ্যায়ন করবেন। প্রভুপাদ উনি আদেশ দিয়েছেন ৫০০০০ শীর্ষ করা। তার উপর হয়ে গেল। এখন আমার কাছে অনেক শীষ্য আসেন গৃহস্থ বলেন আশীর্বাদ করুন আমাদের সন্তান হয়নি। প্রত্যেক মা-বাবা চাই সন্তান। আমি গুরু হয়ে আমি চাই আমাদের অনেক প্রচারক, গুরু, অনুগামী হবে। আপনারা গ্রন্থ পড়ুন। আমি এমনি দেবনা গ্রন্থ পড়তে হবে। প্রভুপাদ বলছেন হরিনাম দীক্ষা পেতে গেলে দশবার ভগবদ্গীতা পড়তে হবে। আমি বলছি দুবার। সে বলছে সময় নাই, করব। আর যারা গায়ত্রী নিয়েছে, ভক্তিশাস্ত্রী নিতে হবে বলছিলাম। সে উনি বলছেন আমি তো অশিক্ষিত, আমি করতে পারবো না। ডাক্তার বলছে, আমি অশিক্ষিত। এমবিবিএস, এমডি ডাক্তার হতে কি করে অশিক্ষিত হল! আমি মেডিসিন শিখেছি কিন্তু পারমার্থিক তত্ত্ব শিখিনি। আমি পারমার্থিক তত্ত্ব অশিক্ষিত। সেটা বললে হয় না, শিখতে হবে। মেডিসিন শিখতে পারি, কেন গিতা শিখতে পারবে না? এখন কেউ বলে আমি অশিক্ষিত, সত্যি কারের অশিক্ষিত, পড়তে জানি না। কিন্তু আজকাল সকলের, আমার এখানে কয়জনের মোবাইল ফোন আছে, স্মার্টফোন? ওটার মধ্যে রেকর্ডিং ক্ষমতা থাকে না! গীতা ভাগবত মোবাইল ফোনে হতে পারে। আমাদের এখন গীতার অডিও প্রয়োজন, ইংরেজি আছে, উৎখল ওড়িয়া যদি না হয়, করব। সে শুনুক। মৌখিক দেবে। জ্ঞানটা তো থাকা দরকার। এইভাবে মানুষের জীবন চৈতন্যদেব বলছেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ যারা এই ভারতবর্ষে মনুষ্য জন্ম গ্রহণ করে। ভারতবর্ষে মনুষ্য জন্ম হইল যার, জন্ম সার্থক করি কর পরোপকার। এইভাবে চৈতন্য বলছেন যে ভারতবর্ষে মনুষ্য জন্ম হইল, আপনার জন্মকে সার্থক করুন। এখন এই সার্থক করা, আপনারা চেষ্টা করুন যে অপরকে উপকার করতে।
সকালে আমি শুনছিলাম প্রভুপাদ কোথায় একটা পাঠ করছিলেন, তিনি বলছেন, কৃষ্ণ গীতাতে বলছেন,
সর্বধর্মান্ পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ।
অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ।।
(গীতা ১৮.৬৬)
কৃষ্ণ এই আদেশ দিয়েছেন, যে ওনার কাছে আত্মসমর্পণ করো, তিনি তোমাকে সুখী করে দেবে। কিন্তু আমরা করতে চাই না। আমরা বদমাইশ হয়ে থাকতে চাই। এখন, এই যত কোটি বছর কোটি কোটি জন্মে যদি থাকতে হয়, এই যতক্ষণ এই জড় শরীর থাকবে, সুখ হবে না, মৃত্যু হবেই! যে সুখ হয়, সেটা তুচ্ছ! যেই কৃষ্ণ নাম, কৃষ্ণ সেবা যদি করি এটা আনন্দ হয়। আমরা কেউ চাইনা মরতে কিন্তু এখানে জড় শরীরে থাকলে মৃত্যু তো হবেই। মরে গেলে আবার জন্ম হবে। জন্ম হলে আমরা কেউ চাইনা অসুস্থ হতে। কিন্তু না চাইলে অসুস্থ তো হবেই। এখন, আমাদের কোভিড, করোনা ভাইরাস মহামারী হলো, আমরা কিছু করতে পারলাম নাই। আমাদের কত বন্ধুগণ মরে গেল, এইভাবে, যারা বলে অনেক হসপিটাল হয়ে গেল, হসপিটাল হলেও রোগ তো বন্ধ হয়নি। হসপিটাল কি? রোগ হচ্ছে না! কিন্তু সেখানে রোগী হয়, এখন না চাইলেও বৃদ্ধ হয়। এইভাবে মৃত্যু জন্ম জরা ব্যাধি এটা হতে থাকে। আমি চাই যে আপনারা সকলে ভগবত ধাম ফিরে যান। হরিবোল! এই মৃত্যু জন্ম জরা ব্যাধি স্থান থাকবেন না। ওই স্থানে নেই, এই স্থানে আছে। আপনারা একা যাবেন না, যত বন্ধু, প্রতিবেশী, সহকর্মী সব জনকে আপনারা নিয়ে যান সঙ্গে। আপনাদের সন্তান, বাবা,মা, ঠাকুমা।
একজন কলকাতা বাড়িতে স্ত্রী ছেলে-মেয়ে সব ভক্ত, সব দীক্ষা নিয়েছে। কিন্তু স্বামী চায়নি। কিন্তু ডাক্তার বলছে স্বামীকে যে তোমার ক্যান্সার হয়ে গেল। খাটের মধ্যে শুয়ে ছিল, ব্যথা করছে শরীর। পর তারপর দেওয়াল থেকে কয়েকজন মানুষ খুব ভয়ংকর, মানুষের মতো কালো চুল সারা শরীরে বেরিয়েছে। তাদের রাগের দৃষ্টি, তাদের দাঁত বড়, তাদের হাতে একটা দড়ি ছিল, কাছে এসছে “হা হা হা হা” স্বামী বলছে, “না না না না, আমি যাব না! আমি যাব না!” অনেক চিৎকার করে, তারপরে এই দেওয়ালের মধ্যে মিশে গিয়ে চলে গেল। স্ত্রীকে ডেকেছে, “আমাকে গলায় তুলসী মালা দাও, জপমালা, আমার জন্য ভগবদ্গীতা পড়ো” এক সেকেন্ডে যমদূতদের দর্শন করার ফলে, ভক্ত হয়ে গেল! তো এইভাবে যমদূতর জন্য অপেক্ষা করে না। সবাই আপনার বন্ধুগন, আত্মীয়-স্বজন, সবাইকে বলুন হরে কৃষ্ণ নাম করতে। হরিবোল!
যাই হোক, এটা আমি অত্যন্ত খুশি হয়ে গেলাম আপনাদের সকলকে দেখার পর। আশা করি আপনারা সবাই মন্দির, নামহট্ট, ইত্যাদি সেবা করছেন। কৃষ্ণের সেবা করলে, কৃষ্ণ তোমায় সুখি করে দেবে। এমনি ভৌতিক জগতে চেষ্টা করলে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হতে পারবে না। আমি শুনেছি আপনারা যেভাবে কীর্তন করলেন, প্রভুপাদের দর্শন করলাম, এতে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়ে গেছি।
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ