মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
জয়পতাকা স্বামী:- এখানে কত লোক বাংলা জানে? কতজন ভক্ত হিন্দি জানে? কেউ কি আছে যে শুধু ইংরেজি জানে? ব্রজমণ্ডল পরিক্রমা খুব ভালো। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, রাধাকৃষ্ণের লীলাভূমি দেখা হয়, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের লীলা স্থান দর্শন হয় এবং এখানে ভগবানের লীলাভূমিতে বিভিন্ন... অবস্থান করছে। আজকে আপনারা যাচ্ছেন রাধারানীর স্থান। এবং সেখানে সুন্দর দর্শন স্থান আছে।
এক স্থান আছে যে, রাধারানী এবং তাঁর সখিগণ একটা ময়ূর নৃত্য দেখছেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এসেছেন এবং তিনি… “আমার নৃত্য দেখো! এভাবে ময়ূরের নৃত্য কেন দেখছো?” “ময়ুর নৃত্য করছে তুমি তো করছ না।” ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ময়ূরের সঙ্গে নৃত্য করল। আর তারপরে রাধারানীকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমার নৃত্য কেমন হল?” “ভালো! কিন্তু ময়ূর নৃত্য তোমার থেকে ভালো হইলো।” তারপরে আবার কৃষ্ণ বেশি নৃত্য করলেন এবং রাধারানীকে জিজ্ঞেস করলেন, “আমার নৃত্য কেমন হলো?” “ভালো হলো! কিন্তু তবে ময়ূর নৃত্য ভালো।” তারপরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আরো জোরে নৃত্য করলেন, তারপরে রাধারানী উঠে শ্রীকৃষ্ণের সাথে নৃত্য করলেন। এটা একটা ছবি আঁকা হয়, ময়ূর-কুটির বলা হয়। সেই ছবি যে এঁকেছে সে হচ্ছেন অন্ধ। কিকরে এত সুন্দর একটা ছবি আঁকতে পারে অন্ধ সেটা অসম্ভব। এইভাবে বর্ষানা বিভিন্ন রাধা কৃষ্ণ লীলাভূমি আছে।
আমরা কালকে রাধাকুণ্ড, শ্যামকুণ্ড কাছে একটা চৈতন্য মহাপ্রভু চরণচিহ্ন প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। এটা আমাদের পরম গুরুদেব ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর তিনি এটা শুরু করলেন, আটটা পদপীঠ স্থাপন করলেন। এখন ওনার শীষ্য কয়েকটা পদপীঠ স্থাপন করলো। আমরা প্রভুপাদের নামে এখন তিন চারটা পদপীঠ স্থাপন করলাম। মথুরা জেলা শাসক এসে প্রতিজ্ঞা করলেন উনি সাহায্য করবেন মথুরাতে পদপীঠ স্থাপন করার। আমি চেয়েছি যে বর্ষানাতে একটা পদপীঠ হোক। শ্যাম রসিক বলছেন যে উনি লেখা পায়নি যে চৈতন্য মহাপ্রভু বর্ষানাতে গিয়েছিলেন। আপনার যদি কোন প্রমাণ থাকে বলুন আমরা সেইভাবে ওখানে পদপীঠ স্থাপন করতে পারি। নন্দগ্রাম উনি এসেছেন এটা লেখা আছে। এই ভাবে আমরা যে বৃন্দাবন যত স্থান আছে চৈতন্য মহাপ্রভু, তাঁর অনুগামী, ষড়গোসাই ইত্যাদি উদ্ধার করলেন। এখন চৈতন্য মহাপ্রভু বিভিন্ন পবিত্র ভূমি গিয়েছেন এটায় আমরা ওঁনার পদপীঠ স্থাপন করতে চাই। যাতে সবাই এটা অনুভব করতে পারে যে চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্য এই সকল স্থান উদ্ধার হইল। আমরা ভক্ত হতে পেরেছি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রচেষ্টা অনুসারে এবং সেই হচ্ছে চৈতন্য মহাপ্রভু ভবিষ্যৎবাণী। এখন আশা করি যে আপনারা আনন্দ পাচ্ছেন! উলুধ্বনি! প্রেমধ্বনি! গৌরাঙ্গ! গৌরাঙ্গ! গৌরাঙ্গ! গৌরাঙ্গ!
চৈতন্য মহাপ্রভু উনি দ্বাদশ বন গিয়েছেন। এখন তিনি ব্রজমণ্ডলের কিছু শুনতে পেয়েছেন, ১০০গুণ ওঁনার আনন্দ বাড়ত। আর যখন মথুরা এসেছেন, ১০০০ গুণ। যখন বৃন্দাবনে এসেছেন ১০০০০০ গুণ। ওঁনার সচিব ভয় পেয়েছে যে, এতো ভাবাপণ্য হয়ে যায় যে কি করে বোঝা যায় না। হয় যমুনার মধ্যে ডুবে যাবে, আমি যদি না থাকি কে তুলবে? তিনি তারপরে বলছেন যে উনি বৃন্দাবন থেকে, ব্রজমণ্ডল থেকে বেরিয়ে যান। চৈতন্য মহাপ্রভু অক্রূর ঘাটে থাকছিলেন, প্রতিবার। ওখানে তিনি রাত্রি অবস্থান করতেন, আরো বিভিন্ন স্থান গিয়েছেন। এখন কিছু লোক দেখছে কৃষ্ণ এসছেন কালীয় নাগ নাচছেন যমুনা নদীতে। আসলে ছিল একটা জেলে, মাছ ধরার জন্য একটা আলো... উপরে রেখে এবং সে মাছ ধরছে। তারপরে ওদিকে লোক বলছে যে কৃষ্ণ কালীয়া যমুনাতে আসছে। তারপরে এটা বুঝতে পেরেছে যে এটা মাছ ধরার জন্য এসেছে। চৈতন্য মহাপ্রভুর কাছে একটা ভদ্রলোক বলছিল, চৈতন্য মহাপ্রভুর কাছে ভদ্রলোক আসল ঘটনা বলছিলেন। তারপরে এই ভদ্রলোক বলছিলেন যে চৈতন্য মহাপ্রভু দর্শন করবেন। সে বৃদ্ধ হোক, যুবক হোক, মহিলা হোক সবাই আনন্দ বিভূতি হয়, গুরু সারা পৃথিবীকে উদ্ধার করতে পারে। চৈতন্য মহাপ্রভু সব এই গুন ছিল।
যাইহোক, এখন এই বৃন্দাবন থেকে উনি গেলেন বেনারস, সব মায়াবাদী সন্ন্যাসীকে বৈষ্ণব করে দিয়েছেন। হরিবল! মহাপ্রভু অত্যাধিক আনন্দ হচ্ছে যে আপনারা এই ব্রজমণ্ডল পরিক্রমা করছেন। প্রভুপাদ উনি, ওনার ইচ্ছা ছিল, বৃন্দাবন ওনার বাসস্থান এই মত হোক এবং মায়াপুর চৈতন্য মহাপ্রভুর পূজ্যস্থান হোক আর বোম্বে ওনার কার্যালয়। এইভাবে আমাদের ৫০ বছর স্বর্ণ জয়ন্তী (গোল্ডেন জুবিলী) অনুষ্ঠান হল মায়াপুর বৃন্দাবন ট্রাস্ট (MVT)
কালকে ভগবত মহাবিদ্যালয় গিয়েছে। বলছে যে ১২০০০ ছাত্র, অনলাইন। ২০ হচ্ছে... অনলাইন ১২০০০। আমি একতু ছোটো করে পাঠ দিয়েছি, এই তখন কৃষ্ণ গোবর্ধন লীলা করলেন, এইভাবে ইন্দ্র সব বিপদ দিয়েছে সব ব্রজবাসী এই এখন বেশি ঝড় বৃষ্টি হল। সেই আমি বলছিলাম চৈতন্যদেবের মধ্যে এইভাবে চাঁদ কাজি খোল ভেঙে, সব চৈতন্যদেবের অনুগামী ভয় পেয়ে গেল। এখন চৈতন্য মহাপ্রভু চারটে দল (পার্টি) বার করলেন এবং সেই সংকীর্তনের মধ্যে তিনি লক্ষ লক্ষ লোক উপস্থিত হইল। শ্রীবাস ঠাকুর, হরিদাস ঠাকুর, অদ্বৈত গোঁসাই এক এক পার্টি নেতৃত্ব করলেন। আরেকটা পার্টি ছিলেন চৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর দুপাশে নিতাই এবং গদাধর। এবং সে এমন জোর কীর্তন হলো যে সারা বিশ্ব, বৈকুন্ঠ পর্যন্ত চলে গেছে। তার জন্য ইন্দ্র, অন্যান্য দেবা এসেছে। তারা দেখছে যে স্বয়ং ভগবান নৃত্য করছেন, আনন্দ মধ্যে অজ্ঞান হয়ে পড়ছে, যখন জ্ঞান ফিরে এসেছে মনুষের রূপ ধারণ করে কীর্তনের মধ্যে গিয়েছেন। কিছু নাস্তিক লোক দেখে কথাবার্তা করছে, “এই দেখো দেখো” কিন্তু যখন চৈতন্য মহাপ্রভু দেখছেন তিনি এত আনন্দ করছেন তাঁর চোখে জল আসছে, তিনি নৃত্য করছেন। আর সবাই হাত তুলে, এখন কেউ অজ্ঞান হয়ে কীর্তন করছে। যাই হোক, এইভাবে দেখা যায় যে, কৃষ্ণ যা লীলা করেন তিনি যখন এসেছেন চৈতন্য দেবেররূপে তিনি একইরকম লীলা করলেন কিন্তু বিশেষ বৈচিত্রভাবে। যাইহোক, এখানে এসেছি আমি শুনছি আপনারা কীর্তন করছেন, ব্রজমণ্ডল পরিক্রমা করছেন, তার জন্য আমি এসে আপনাদের বিশেষ আশীর্বাদ দেওয়ার জন্য। কৃষ্ণের মতি রস্তু! আজকে দীপাবলী(দিওয়ালি) দিন। উলুধ্বনি! হরিধ্বনি!
Lecture Suggetions
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ