Text Size

২০২২০১০৮ শ্রীমদ্ভাগবতম ১.১৩.৪৪

8 Jan 2022|Duration: 00:48:17|Bengali|Śrīmad-Bhāgavatam|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

নিন্মোক্ত বার্তাটি শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ প্রদান করেছেন, ১ জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারত।

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
 যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
 পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
 হরি ওঁ তৎ সৎ

ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়

শ্রীমদ্ভাগবতম ১.১৩.৪৪
যন্মন্যসে ধ্রুবং লোকমধ্রুবং বা ন চোভয়ম্‌।
সর্বথা ন হি শোচ্যাস্তে স্নেহাদন্যত্র মোহজাৎ॥

অনুবাদ: হে রাজন, যদিও মানুষকে জীবরূপে নিত্য ও দেহরূপে অনিত্য, অথবা অনির্বচনীয় হেতু নিত্য ও অনিত্য উভয় রূপেই আপনি মনে করেন, তবে যে কোন অবস্থা থেকে বিচার করলে তারা আপনার শোকের পাত্র নয়। মোহজনিত স্নেহ ব্যতীত শোকের আর অন্য কোন কারণ নেই।

তাৎপর্য: প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি জীবই পরমেশ্বর ভগবানের বিভিন্ন অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং তাই তার কর্তব্য হচ্ছে ভগবানের সেবা করা। জড় জগতের বদ্ধ অবস্থায় অথবা নিত্য জ্ঞানময় মুক্ত অবস্থায়, জীব নিয়তই পরমেশ্বর ভগবানের নিয়ন্ত্রণাধীন। কিন্তু যাদের প্রকৃত জ্ঞান নেই তারা জীবের প্রকৃত অবস্থা সম্বন্ধে নানা রকম মনগড়া সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করে। তবে প্রটিতি দার্শনিক মতবাদই স্বীকার করে যে জীব নিত্য এবং পঞ্চ ভূতাত্মক জড় দেহটি তার অনিত্য। নিত্য জীব তার কর্মের ফল অনুসরে এক জড় দেহ থেকে আরেক জড় দেহে দেহান্তরিত হয়, এবং প্রটিতি জড় দেহই তার মূল আকৃতির দ্বারাই নশ্বরতা প্রাপ্ত হয়। তাই আত্মার এক দেহ থেকে আর এক দেহে দেহান্তরিত হওয়ার ব্যাপারে কিংবা কোন বিশেষ অবস্থায় জড় দেহের বিনাশের ব্যাপারে কোন অনুশোচনা করার কারণ নেই।

অন্য আর এক শ্রেণীর মানুষ রয়েছে, যারা বিশ্বাস করে যে, আত্মা যখন জড়জাগতিক কারাবন্ধন থেকে মুক্ত হয়, তখন সেই আত্মা ব্রহ্মে লীন হয়ে যায় এবং আর এক শ্রেণীর মানুষ রয়েছে, যারা আত্মার অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, কিন্তু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জড় পদার্থে বিশ্বাস করে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখতে পাই যে, প্রতিনিয়ত জড়ের পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু সেই পরিবর্তনের জন্য আমরা শোক করি না। পূর্বোল্লিখিত উভয় ক্ষেত্রেই ভগবানের দিব্য শক্তি অপ্রতিহত থাকে; তার উপর হস্তক্ষেপ করার কোন রকম ক্ষমতা কারোরই নেই এবং তাই শোক করার কোন কারণ নেই।

***

জয়পতাকা  স্বামী:- নারদ মুনি যুধিষ্ঠির মহারাজ এবং তার পরিবারকে তার নির্দেশ দিচ্ছেন। তিনি বলছেন যে, “কোনভাবেই শরীরের জন্য শোক করা কোন কারণ নেই।” কারণ বলে তিনি শুরু করছেন যে কিভাবে এই শরীর হলো সাময়িক, কিন্তু আত্মা নিত্য এবং আত্মা দেহান্তর প্রাপ্তি হয় সেজন্য কোনো শোক করা উচিত নয়। সে দেহ বুদ্ধি থাকলে, দেহবোধে শোক হয়।

আসলে বিদুর ধৃতরাষ্ট্রের কাছে প্রচার করেছিলেন এবং তাই তিনি আত্ম উপলব্ধির পন্থা অনুশীলনের জন্য হিমালয়ের উদ্দেশ্যে যান এবং গান্ধারী তার স্ত্রীও তার সাথে চলে গেলেন। এখন বিদুর অন্য জায়গায় চলে গেলেন, নারদ মুনি বলছেন যে বিলাপ করার কোন কারণ নেই, তিনি বলছেন শোকগ্রস্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। [১৭.২২-১৭:৪০ শোনা যাচ্ছেনা] তার কাকারা কোথায় গেছে তা প্রকাশ করার আগে তিনি তত্ত্বগত কথা বলছেন। আসলে তারা কাকা নয় তারা জ্যাঠা। ধৃতরাষ্ট্র প্রথম জন্ম গ্রহণ করেছিলেন, তারপর বিদুর এবং তারপর পাণ্ডু। 

এখানে একটি আকর্ষণীয় বিষয় আছে, কারণ এখন এই মহামারীর কারণে ৫০,০০০০০ বেশি মানুষ মারা গিয়েছে এবং আমরা দুঃখ করছি যে কেউ আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। এবং আমরা সকলেই কোনো না কোনো কাছের মানুষকে হারিয়েছি, কিন্তু এখানে বলা হয়েছে যে কোন কারণবশতই আমাদের শোক করার কোন কারণ নেই কারণ আত্মা এখনো জীবিত। এই দেহ অনিত্য কেননা নষ্ট হবে, আজ বা কাল দেহ চলি যাবে। কিন্তু আত্মা নিত্য, আত্মা থাকবে, অনেক লোক আছে এই সম্বন্ধে জানেনা।

এখন আমরা এই সুযোগে প্রত্যেককে শুভ নতুন খ্রিস্টাব্দ বছরের শুভেচ্ছা জানাতে চাই। এক অর্থে আমাদের নতুন বছর হল গৌরাব্দ, গৌর পূর্ণিমা। কিন্তু যেহেতু আমরা সকলে ইংরেজি পঞ্জিকা, খ্রিস্টাব্দ ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি, তাই স্বাভাবিকভাবে আমরাও এটি পালন করি। গতকাল আমরা এই দেখে অত্যন্ত আনন্দিত ছিলাম যে মায়াপুরে ভক্তবৃন্দ হরে কৃষ্ণ কীর্তনের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে, কিন্তু খ্রিস্টান বা যীশু খ্রীষ্ট তিনি দশটি নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর প্রথম নির্দেশ হলো — “আমাদের ভগবানকে ভালবাসতে হবে, আমাদের হৃদয়ে আত্মা ও মন দিয়ে” একটি নির্দেশ আছে —হত্যা করো না।কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, শ্রীল প্রভুপাদ উল্লেখ করেছেন যে অনেক খ্রিস্টানরা পশু হত্যা করে, তাদের সেখানে কসাইখানা আছে, এখন আমাদের সমগ্র বিশ্বে মহামারী হয়েছে, কিন্তু আমরা এত পশু হত্যা করছি। আমার এক সচিব আমাকে বললেন যে নাগাল্যান্ড, যা ভারতের খ্রিস্টান রাজ্য, সেখানে খ্রিস্টান পরিবার মুরগি বলিদান করে আর তাদের শূকর হত্যার জন্য কসাইখানা আছে। শ্রীল প্রভুপাদ বলছিলেন যে, “কিভাবে মানুষেরা মনে করে যে তারা হলো ধর্মপরায়ণ, কিন্তু তারা এমনকি ভদ্রলোকও নয়, যদি তারা এমনভাবে পশু হত্যা করে। তাই কোনভাবে যদি মানুষেরা পশু হত্যা বন্ধ করে, তাহলে কম যুদ্ধ এবং কম মহামারী হবে। আমেরিকাতে কিছুদিন আগে আমরা শুনলাম যে ৫,৮২,০০০ মানুষেরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত ধরা পড়েছে এবং লন্ডনে প্রায় ২,২০,০০০। যদিও অস্ট্রেলিয়াতে তুলনামূলক কম কিন্তু পূর্ব অস্ট্রেলিয়ারতে এটি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মানুষেরা যদি তারা মাংসাহার বন্ধ করে এবং জপ করতে শুরু করে, ভগবানের নাম করতে শুরু করে, তাহলে এই সমস্ত কিছু পরিবর্তন হবে। 

শ্রীল প্রভুপাদ বলছিলেন যে সবথেকে শ্রেষ্ঠ উপায় হল হরে কৃষ্ণ জপ করা কিন্তু যদি মানুষেরা হরে কৃষ্ণ জপ করতে না চায়, তাহলে তারা হরির, ভগবানের যেকোনো নাম জপ করতে পারে। তারা আল্লাহ, জিহভা বা ভগবানের যেকোনো অনুমোদিত নাম জপ করতে পারে। সকলকে নাম জপ শুরু করতে দিন, তাহলে তা এই জগতে শান্তি আনবে। কিন্তু একইসাথে তাদের মাংসাহার ও পশু হত্যা করা বন্ধ করতে হবে, পশুর স্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হলে তারপর তারা তাকে তা খেতে পারে। যীশু খ্রীষ্ট বলেছেন, “হত্যা করবে না।

যাই হোক, আজকে উদ্ধারণ দত্ত ঠাকুরের তিরোভাব তিথি। তার মন্দির ত্রিবেণীতে আছে, তিনি ছিলেন নিত্যানন্দ প্রভুর পার্ষদ। তিনি এক সুবর্ণ বণিক ছিলেন, তার সোনার কারবার ছিল, তবে তিনি ছিলেন এক মহান বৈষ্ণব। গৃহস্ত হিসেবে বৈশ্য রূপে তিনি তার পেশায় যুক্ত ছিলেন কিন্তু তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর বিভিন্ন সেবাতেও নিযুক্ত ছিলেন। ত্রিবেণীতে তার নামে এক অতি সুন্দর মন্দির আছে, শ্রীল প্রভুপাদ তার বংশধর। কিন্তু উনি এটা বেশি বললেন না, একবার উনি স্বীকার করলেন ওঁনার গ্রন্থের মধ্যে। তাদের প্রথা হলো বিবাহের পূর্বে পরিবারের লোককে দীক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং রঘুনাথ দাস গোস্বামী ওনার এই কাছাকাছি ছিলেন। 

তারপরে আসছে মহেশ পণ্ডিতের দিন। আমি শ্রীল প্রভুপাদের সাথে মহেশ পণ্ডিতের মন্দিরে গিয়েছিলাম, চাকদহের পরের স্টেশনে মহেশ পণ্ডিতের জায়গা আছে। আমার সেই নামটা মনে পড়ছে না, কলকাতার দিকে যেতে এটি পরবর্তী স্টেশন। আমার মনে হয় সেই স্টেশনের নাম পালপাড়া। যাই হোক, প্রভুপাদ বলেছিলেন যে “ওখানে সব গ্রামবাসী একসাথে হয়, রবিবারের তাদের ছুটির দিন।” উনি বলেছেন, “যা এনে তোমরা খাবে, সেই দিন সব ঠাকুরকে দিয়ে রান্না করে প্রসাদ পাও। সব সামগ্রী মন্দিরকে দেবে, একসাথে রান্না করবে, সবাই একসাথে সেই প্রসাদ পাবে।”

ওখানে যিনি সেবায়েত ছিলেন, উনি প্রভুপাদকে মন্দির দান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কোন কারণে এটা হয়নি। কিন্তু এই যুক্তি অত্যন্ত ভালো ছিল। আমাদের বাংলাদেশে এবং অস্ট্রেলিয়া ও বিভিন্ন স্থানে অনেক মন্দির আছে এবং মালয়েশিয়ার ভক্তরা সপ্তাহে একদিন তারা তাদের খাদ্যশস্য, শাকসবজি মন্দিরে দেয় এবং তারা রান্না করে ও তারপর সেই প্রসাদ ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করে। তাই শ্রীল প্রভুপাদ, তার পরিকল্পনা ছিল প্রত্যেকে যাতে প্রসাদ পায়, সেই দিন তারা তা শ্রীবিগ্রহের কাছে নিবেদন করে ও প্রসাদ পায়। 

এখন ভারতে শীতকাল কিন্তু অস্ট্রেলিয়াতে গ্রীষ্ম এবং মালেশিয়ার আশেপাশে স্থান প্রায় গ্রীষ্ম। যেহেতু মালয়েশিয়া নিরক্ষরেখার কাছাকাছি আর অস্ট্রেলিয়া সেখানে অনেক মানে আম, লিচু অত্যুষ্ণকালীয় ফল পাওয়া যায়। সেখানে এখন ক্রিসমাসের পরের দিন, তাদের বক্সিং ডে, জগন্নাথের স্নানযাত্রা হয়। সেখানে পানিহাটি উৎসব হয় একদিনে এবং সেই সুন্দর দৃশ্য ছবি আঁকা হয় — রাধা কৃষ্ণ, গৌর নিতাই, জগন্নাথ। 

তারা বিভিন্ন ধরনের অস্ট্রেলিয়ান ফল দিয়ে চিড়া দধি বানায়। আমি সেখানে ব্যক্তিগতভাবে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান বর্ডার এখন খোলা নেই। তাই আমি জুমের মাধ্যমে সেখানে গিয়েছিলাম। এবং সেখানে এই পাত্রগুলো নিলাম করার এবং মন্দিরে অনুদান দেওয়ার একটি সুযোগ থাকে। আমি নিলাম অনুষ্ঠান কিছুটা দেখেছিলাম। আপনারা অবাক হবেন যে একটি মাটির পাত্রের জন্য ৬০০ ডলার তারা দিয়েছে, ৩০,০০০ টাকা! অবশ্য বাংলাদেশি টাকায় তা আরো বেশি হবে কিন্তু আমি ভারতীয় মূল্যের কথা বললাম। এটি অবিশ্বাস্য যে একটি পাত্রের জন্য ৩০,০০০ টাকা মূল্য। 

যাই হোক, ইস্‌কনে আমরা সমগ্র বিশ্বে বিভিন্ন উৎসব করি, এইভাবে আমাদের এক ধরনের নিত্য মহোৎসব চলে। তাই এই নতুন বছরের দিনটি ও আমাদের জন্য উৎসবের। নতুন বছরের আগের দিনে, গতকাল রাত্রেও আমরা নৃত্য কীর্তন করছিলাম, কিন্তু অন্যান্য শহরে অনেক আতশবাজি ফাটানো হয়। শ্রীল প্রভুপাদ বলছিলেন যে, “আতশবাজি যেন চোখের সুরসুরির মতো! আতশবাজি দেখে আপনি কি পান? গোপীরা কৃষ্ণের শ্রীমুখপদ্ম দেখেন এবং অবিশ্বাস্য সুখ লাভ করেন। কৃষ্ণের সৌন্দর্য অনতিক্রমনীয়!” আসলে আমরা জড়জগতের এই সমস্ত জিনিসের প্রতি আসক্ত হতে চাই না, আমরা কৃষ্ণ এবং তাঁর সর্বাঙ্গসুন্দর রূপের প্রতি আকর্ষিত হতে চাই, আধ্যাত্মিক জগতে ফিরে যেতে চাই এবং কৃষ্ণের সেবায় নিত্যভাবে যুক্ত হতে চাই।

এই ভৌতিক জগতে“পদম-পদম যত বিপদম” প্রতি পদক্ষেপে বিপদ আছে, এই সব বিপদ পারমার্থিক জগতে নাই। সেখানে আমরা কৃষ্ণের শক্তির মধ্যে শক্তি হয়ে কৃষ্ণের সেবা আনন্দ পাই। যতক্ষণ আমরা এই জড়জগতে আছি, ততক্ষণে আমরা যদি কৃষ্ণের প্রতি আমাদের সুপ্ত প্রেম জাগরিত করতে পারি, তাহলে তা হলো জীবনের পরিপূর্ণতা। আমাদেরকে ভগবান কৃষ্ণের সেবায় একে অপরের সাথে সহযোগিতা করতে হবে। আসলে এই কলিযুগ হল এমন যে আমরা সর্বদা ঝগড়া করতে এবং বিভেদ সৃষ্টি করতে চাই। কিন্তু কোনোভাবে নারদ মুনির কৃপায় এবং শ্রীল প্রভুপাদের কৃপায় আমাদের কৃষ্ণের সেবায় একত্রিত থাকা উচিত এবং এই হল মনুষ্য জীবনের আসল উদ্দেশ্য যে আমাদের ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে হবে। 

গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু এসছেন সবাইকে উদ্ধার করার জন্য, আমরা শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর চরণের সেবা করে এইভাবে আমরা যাতে অনেক লোক কৃষ্ণ ভক্ত হয়ে যায় চেষ্টা করতে হয়। আমরা আশা করি যে এই নতুন বছরে আপনারা সকলে অনেক কৃষ্ণভাবনাময় ভক্ত বানাতে পারবেন। 

আপনাদের সকলকে আমার শুভেচ্ছা!

রাধা কৃষ্ণে মতি রস্তু!

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 10/5/2023
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions