Text Size

২০২১১২০৫ ‘প্রাণ আছে যার, সেই হেতু প্রচার’ (লিভ টু গিভ) অনুষ্ঠানে জুমে প্রদত্ত বক্তৃতা

5 Dec 2021|Duration: 01:27:22|Bengali|Public Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

ওঁ অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।

নমো ওঁ বিষ্ণুপাদায় কৃষ্ণপ্রেষ্ঠায় ভূতলে।
শ্রীমতে ভক্তিবেদান্ত স্বামীনিতি নামিনে।।
নমস্তে স্বারস্বতে দেবে গৌরবাণী প্রচারিনে।
নির্বিশেষ-শূন্যবাদী পাশ্চাত্যদেশ তারিণে।।

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- বৈশেষিকা প্রভু, আপনি কেমন আছেন? 

বৈশেষিকা প্রভু:- মহারাজ আমাদের আপনাকে দেখে একটি নতুন জীবন লাভ হয়েছে এবং আমরা আপনাকে স্বাগত জানাই। আমরা সমগ্র বিশ্বে ২.২ মিলিয়ন ভগবদ্‌গীতা বিতরণের যে লক্ষ্য ঠিক করেছিলাম, তা অতিক্রম করতে চলেছি। এই বিষয়ে আমরা সকলেই সহমত এবং তা কেবল সম্ভব আপনার আশীর্বাদ দ্বারা, তাই আমরা এখানে আপনাকে স্বাগত জানাই এবং আমি কেমন আছি? আমি আপনাকে দর্শন করে মহা আনন্দে আছি, আমি আপনাকে আপনার সঙ্গ প্রদান করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। 

জয়পতাকা স্বামী:- আমার পূর্ণ আশীর্বাদ! কৃষ্ণের মতি রস্ত! আমরা ঘোষণা করছিলাম ২ মিলিয়ন ৫০০০০০ কিন্তু এখন আমরা বুঝতে পারছি যে এটি ২ মিলিয়ন ২০০০০০। আমরা আশা করি যে আপনারা সেই রেকর্ড ভাঙতে পারবেন। আমার এখানে একটি ভার্চুয়াল বুক টেবিল আছে, কিছু মানুষেরা মোক্ষদা একাদশী পর্যন্ত প্রত্যেকদিন একটি করে ভগবদ্‌গীতা অনুদান দিয়েছে, কেউ কেউ তাদের জন্মদিনের জন্য দেয় এবং অনেকে হয়ত, কেউ যদি ৬০ বছর বয়সী হয় তাহলে তারা ৬০টি ভগবদ্‌গীতা অনুদান দেয়। এইভাবে আজকে ৮৫০টি ভগবদ্‌গীতা অনুদান করা হয়েছে, গতকাল ৫৩০টি ছিল। প্রত্যেকদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ভগবদ্‌গীতা অনুদান দেওয়া হচ্ছে, আমি সকল গুরুবৃন্দদের বলতে চাই কিভাবে তাদেরও ভার্চুয়াল বুক টেবিল থাকতে পারে। আমরা গৌড়ীয় মঠ, বিশ্ববিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে, উপজাতিদের, পৌর গ্রন্থাগারে, বিদ্যালয় ও অন্যান্য স্থানে তা বিতরণ করি। কখনও কখনও আমরা সেই সমস্ত জায়গায় দেই, যেখানে ভগবদ্‌গীতা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়, আর তারা শ্রীল প্রভুপাদের অন্য পাঁচটি গ্রন্থ ক্রয় করে ফেলে ও সেই ভাবে বিবিটির কিছু অর্থ সংগ্রহ হয় ও শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থাবলী প্রকাশিত হতে পারে। 

আজকে রাতে আমি চৈতন্য মহাপ্রভুর সনাতন গোস্বামীকে দেওয়া শিক্ষা থেকে পড়ছিলাম যে আমরা ভক্তিমূলক সেবার অংশ হিসেবে বিভিন্ন কার্য করতে পারি। যা কিছু কৃষ্ণকে প্রসন্ন করে আমাদের সেই সব কিছু করা উচিত। আমাদের সবসময় কৃষ্ণকে স্মরণ করা উচিত ও কখনও তাঁকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। গ্রন্থবিতরণের দ্বারা আমরা স্মরণ করি যে এই গ্রন্থগুলি শ্রীকৃষ্ণ সম্বন্ধীয় এবং এইভাবে আমরা তাঁকে স্মরণ করতে বাধ্য হই এবং শ্রীল প্রভুপাদ, আমার মনে পড়ে তাকে দেখেছিলাম যখন তিনি গ্রন্থাবলী তাঁর টেবিলের উপর দেখতেন, তখন তার চোখ দিয়ে অশ্রু বেয়ে পড়ত। তিনি সর্বদা বলতেন যে আমার গুরু মহারাজ কত প্রসন্ন হবেন। আমি ভাবছিলাম যে শ্রীল প্রভুপাদের প্রশিষ্যরা কত ভাগ্যবান এবং শ্রীল প্রভুপাদ আমাদেরকে সব সময় বলেছেন যে গুরু দাদু শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর আমাদের প্রতি অধিক কৃপা পরায়ণ, তাই শ্রীল প্রভুপাদের শিষ্য হওয়ায় আমাদেরকে শ্রীল প্রভুপাদের দ্বারা শৃঙ্খলিত হতে হয়, কিন্তু প্রশিষ্য হিসেবে তোমরা শ্রীল প্রভুপাদের আরো অধিক কৃপা প্রাপ্ত এবং তিনি তোমাদের মিষ্টি প্রদান করবেন, তার কৃপা ও আশীর্বাদ দেবেন। বিশেষত তুমি যদি তার গ্রন্থ বিতরণ কর, তাহলে তিনি তোমার প্রতি অত্যন্ত প্রসন্ন হবেন যে তুমি গ্রন্থ বিতরণ করছ। 

প্রকৃতপক্ষে এই জগতের মানুষেরা এত কষ্ট পাচ্ছে, তারা মনে করে তারা এই শরীর, তারা জানে না যে তারা চিন্ময় আত্মা, তারা জানে না যে কিভাবে পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সাথে তাদের এক নিত্য সম্পর্ক আছে। এইসব গ্রন্থ বিতরণের মাধ্যমে তারা সেই দিব্য জ্ঞান প্রাপ্ত হবে, আমি এটিও পড়ছিলাম যে শ্রীল প্রভুপাদ বলেছেন, আমাদেরকে অনেক গ্রন্থ পড়তে হবে না, কেবল ভগবদ্‌গীতা, শ্রীমদ্ভাগবতম, ভক্তিরসামৃত সিন্ধু এবং চৈতন্যচরিতামৃত পড়। তিনি প্রত্যেককে এই সকল গ্রন্থ পড়তে বলছিলেন এবং বিতরণ করতে বলছিলেন, তাই আমি আমার আয়ত্তাধীন এলাকায় প্রত্যেককে দিয়ে তা করানোর চেষ্টা করছি এবং আমিও গ্রন্থ পড়ছি ও ভক্তিশাস্ত্রী, ভক্তিবৈভব, ভক্তিবেদান্ত ডিগ্রি লাভ করছি ও গ্রন্থ বিতরণও করছি।

আমার মনে পড়ে কিভাবে একজন ব্যক্তির নিউ অরিলেন্সে সংকীর্তন ভক্তের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং তিনি বলেছিলেন, “আমার গ্রন্থ চাইনা, কারণ এটি আমার জীবনের সবথেকে বাজে দিন, সর্বাপেক্ষা খারাপ দি!” সেই গ্রন্থ বিতরণকারী জিজ্ঞেস করলেন, “কেন সব থেকে বাজে দিন? এই গ্রন্থ বিশেষত সেই সব মানুষদের জন্য যারা তাদের জীবনে সবথেকে খারাপ দিন অতিবাহিত করছে।”  তিনি বললেন, “আমি কেন বিদ্যালয়ে গিয়েছি? আমি কেন বিবাহিত হয়েছি? আমি কেন কাজ করেছি? আমি এই সব কিছুই করেছি আমার মায়ের জন্য এবং তিনি আজকে মারা গেছেন।” ভক্ত বললেন, “না তিনি মারা যাননি, তিনি জীবিত আছেন, দেখুন এখানে ভগবদ্‌গীতায় বলা হয়েছে জীব কখনও মারা যায় না।” তখন তিনি বললেন, “ওহ! সত্যি? আমি কি এই বইটা পেতে পারি?” সেই ভক্ত বললেন, “হ্যাঁ!” তিনি বললেন, “আমি কি ২০ ডলার অর্থ দিলে হবে? সেই ভক্ত বললেন, হ্যাঁ!  

আমরা মানুষদের অত্যন্ত আনন্দিত করি, তারা শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ পেয়ে সবসময় আনন্দিত হয়। মানুষেরা তাদের অজ্ঞানতার কারণে কষ্ট ভোগ করছে, কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদ সেই সকল ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা গ্রন্থ বিতরণের জন্য আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা করছে। এই সেবাটি করার শক্তি কৃষ্ণ কর্তৃক প্রদত্ত, যাতে তা বৃদ্ধি করা যায়। প্রত্যেক বছর আমরা এটি বৃদ্ধি করছি। এমনকি এই নতুন ভাইরাস ওম-ইক্রন। তাই আমরা মানুষদের জোর করছি ওম-ইক্রন এর ওম(ওঁ) জপ করার জন্য। কোনোভাবে আমরা যদি মানুষদের দিয়ে ভগবদ্‌গীতা পড়াতে পারি, তাহলে তারা নির্ভীক থাকতে পারবে। 

যখন আমি এখানে আসলাম, তখন আমি শুনলাম যে গোপালকৃষ্ণ গোস্বামী মহারাজ আমার আগে বক্তৃতা রেখেছিলেন, তিনি বলছিলেন যে কিভাবে কারো এই আন্তর্জাতিক দলের অংশ হওয়া উচিত। প্রকৃতপক্ষে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এই আন্দোলন প্রতি নগর ও গ্রামের জন্য এবং স্বাভাবিকভাবেই ভগবদ্‌গীতা এবং শ্রীমদ্ভাগবতন বিতরণ করার মাধ্যমে, তাতে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, শ্রীমন নিত্যানন্দ প্রভু, অদ্বৈত গোঁসাই প্রসন্ন হবেন আর পঞ্চতত্ত্বের সকলেও প্রসন্ন হবেন। যাইহোক, আমাদের আগে শ্রীমদ্ভাগবতম বিতরণের জন্য ভাদ্র পূর্ণিমা ছিল, এখন আমাদের গীতা ম্যারাথন হচ্ছে, গীতা জয়ন্তী হচ্ছে। মোক্ষদা একাদশীতে শ্রীকৃষ্ণ ভগবদ্‌গীতা বলেছিলেন এবং তাই এটি অত্যন্ত অভূতপূর্ব। একাদশী হচ্ছে বিশেষ দিন এবং একাদশীতেই তিনি ভগবদ্‌গীতা বলেছিলেন, তাই আমি আশা করি সকল ভক্তরা প্রচারে উৎসাহিত হবে এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের নির্ভীক হতে সহায়তা করবে। 

কত লক্ষ লক্ষ মানুষেরা কষ্ট পাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে যে কোভিড করোনা ভাইরাসের মহামারী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের থেকেও আরো অধিক মানসিক আঘাত হেনেছে, তাই আমাদেরকে সবসময় বলা হয়েছে যে বিশ্ব যুদ্ধ হলে তারপর প্রচার আরো ভালো হবে, কিন্তু এখন আমরা ইতিমধ্যেই এমন কিছুর সম্মুখীন হচ্ছি যা বিশ্বযুদ্ধের থেকেও বেশি কিছু, তাই এটিই হচ্ছে প্রচারের সুযোগ, মানুষদেরকে শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ বিতরণ করে তাদেরকে নির্ভীক হতে এবং ভগবদ্ধামে ফিরে যেতে সহায়তা করতে হবে। তাই এটি এক মহান কৃপা, আমরা দেখেছি কিভাবে প্রহ্লাদ মহারাজ পাঁচ বছর বয়সে অসুরদের সন্তানদের প্রচার করেছিলেন, তিনি ছিলেন গোষ্ঠীয়ানন্দী, তিনি মায়ের গর্ভে থাকাকালীন নারদ মুনির থেকে নির্দেশ পেয়েছিলেন। আমরা তত সময় অতিবাহিত করতে পারব না, কিন্তু আমরা যদি শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ দেই, তাহলে তারা সেই গ্রন্থ পড়বে এবং তা হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা পর দিন ধরে প্রচার। 

আমরা একজনের থেকে শুনছিলাম, আমরা একজনকে ভগবদ্‌গীতা বিতরণ করেছিলাম। তিনি তা পড়েছিলেন এবং তার বাড়িতেই রেখে দিয়েছিলেন, তারপর তার খুর্তুতো ভাই সেটি পরে, তার ভাই পড়ে এবং এইভাবে পুরো পরিবার ভগবদ্‌গীতা পড়ে ভক্ত হয়ে গিয়েছিল। একটি ভগবদ্‌গীতা থেকে পুরো পরিবার ভক্ত হয়ে গিয়েছিল, হরিবোল! হরিবোল! এই গ্রন্থগুলি বোমের মতো, আমরা জানি না এটি কোথায় যাবে, কার হাতে যাবে। আমি দক্ষিণ কালিফোর্নিয়াতে একজন গ্রন্থ বিতরণকারীর থেকে শুনেছিলাম তারা একজন ব্যক্তিকে গ্রন্থ বিতরণ করেছিল এবং তখন একটি গাড়ি সামনে আসে ও তাকে গুলি করে দেয়। তিনি সম্ভবত একজন মাদক বিক্রেতা ছিল এবং অন্যান্য মাদক বিক্রেতারা তাকে গুলি করে দেয়, কিন্তু সেই সময় তিনি সেই গ্রন্থটি হাতে ধরেছিলেন, যা তিনি তখনই কিনেছিলেন। এইভাবে তিনি আশীর্বাদ প্রাপ্ত হয়েছিলেন, অন্যথায় তিনি পাপী ব্যক্তি থেকে যেতেন, কিন্তু গ্রন্থ হচ্ছে কৃষ্ণের অবতার এবং সেই গ্রন্থ পেয়ে তিনি মারা গেছেন। এই গ্রন্থ গুলি হচ্ছে প্রকৃত কৃপা। 

আমার আশা আমি যদি আমরাও সেখানে যেতে পারতাম, আমি হুইল চেয়ারে চলি কিন্তু আমার ভার্চুয়াল টেবিল আছে এবং তার দ্বারা গ্রন্থ বিতরণের চেষ্টা করছি। কিন্তু আমি যখন তরুণ ছিলাম, তখন আমি বাইরে গিয়ে গ্রন্থ বিতরণ করতাম। আমি দেখতে পাচ্ছি, বৈশেষিকা প্রভু হার্ট ইমোজি পাঠাচ্ছেন। আমি কি খুব বেশিক্ষণ ধরে কথা বলেছি

বৈশেষিকা প্রভু:- না না এটি কেবল প্রশংসার জন্য! ধন্যবাদ মহারাজ! আমরা অন্তর থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছি। আমরা এখানে অমৃতপ্রপাতের নিচে বসে আছি, যা আপনার শ্রীমুখপদ্ম থেকে বেরিয়ে আসছে। আমরা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা কি আপনাকে কিছু মানচিত্র দেখাতে পারি? আমরা সমগ্র বিশ্ব দেখিয়ে আপনাকে পরিকল্পনাটি বলতে চাই যে প্রত্যেক মহাদেশই এই কার্য চলছে, কেবল আন্টার্কটিকা বাদে। আমাদের সেখানে কাউকে প্রয়োজন। 

জয়পতাকা স্বামী:-  আমি চিলিকে বলবো তাদের সেখানে যাওয়া উচিত। আমরা দেখব যে সব পেঙ্গুইনের দলও ভগবদ্‌গীতা পড়ছে!

আমি দেখছি যে দক্ষিণ ভারত এখনে নেই। মায়াপুরে ভক্তি বিজয় ভাগবতকে বলব। ভক্তিবিনোদ স্বামী হচ্ছেন দক্ষিণ ভারতে ডিসির সভাপতি, আমি তাকে জিজ্ঞেস করবো যে কেন আমরা এতে দক্ষিণ তামিলনাড়ু, কেরালা, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশকে দেখতে পারছি না? 

আমি এখনো পর্যন্ত ইতালি বা স্পেনও দেখিনি। 

আমি ঘানা- নাইজেরিয়া বাদে পূর্ব-পশ্চিম ভাগ দেখতে পারছি না, কেন্যা? ভক্তি ধীর দামোদর স্বামী তিনি নাইজেরিয়া থেকে, আর গোপালকৃষ্ণ গোস্বামী কেন্যার জীবিসি। কেন্যা থেকে ৮০০০ অর্থ অনুদানের প্রতিশ্রুতি এসেছে। 

মালয়েশিয়া থেকে কিছু পূর্বেই ৫০০০ অর্থ অনুদানের প্রতিশ্রুতি এসেছে, মালয়েশিয়াকে অসংখ্য ধন্যবাদ! আমার পুনরাবৃত্তিকারী মালয়েশিয়া থেকে। 

আমরা ব্রাজিল দেখতে পারছি না। কানাডাও সেখানে আছে কি?

খুব ভালো হয়েছে! 

বৈশেষিকা প্রভু:- আপনি যদি কৃপা করে আমাদের আশীর্বাদ করতে কিছু বলেন মহারাজ, যাতে আমরা এই বছরের ২.২ মিলিয়নের লক্ষ্য ভেদ করতে পারব। 

জয়পতাকা স্বামী:- কৃষ্ণে মতি রস্তু!

বৈশেষিকা প্রভু:- মহারাজ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! আমরা আজকে এখানে আপনার উপস্থিতির জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং আমরা আপনার কথাগুলি নিজেদের হৃদয়ে ধারণ করব ও সেইভাবে সেই মানচিত্র পূর্ণ করার চেষ্টা করতে থাকবো ও তারপর আপনাকে দেখাবো যে অনেক শূন্যস্থান পূর্ণ হয়েছে। 

জয়পতাকা স্বামী:- আমি দক্ষিণ ভারত ও ব্রাজিলকে এতে অংশগ্রহণ করতে বলবো।

বৈশেষিকা প্রভু:- যদি আন্টার্টিকার জন্য কিছু হতে পারে তাহলে আমরা তাতেও আগ্রহী।  

জয়পতাকা স্বামী:- আমি শুনেছি যে তারা সেখানে হরিনাম করেছে আন্টার্টিকাতে এবং আমি শুনেছি যে চিলির দক্ষিণ ভাগে তারা গাভীদেরও চশমা পড়ায় কারন সেখানে ওজন স্তরে একটি ছিদ্র আছে, তাই আপনি যদি আপনার চোখ না ঢাকেন, তাহলে আপনি অন্ধ হয়ে যাবেন। কিন্তু আমি জানিনা আন্টার্টিকাতে আশ্রয় স্থান আছে নাকি, সম্ভবত আমরা তাদেরকে কিছু গ্রন্থ দিতে পারি। 

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী (27/6/2023)
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions