মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
জয়পতাকা স্বামী:- শ্রীল প্রভুপাদ প্রতি রাত্রে অনুবাদ করার এই অসাধারণ কার্য করেছিলেন এবং রাত বারোটা থেকে তিনটে বা প্রায় এমন সময় পর্যন্ত তিনি প্রত্যেক রাতে অনুবাদ করতেন, কখনো কখনো তিনি আমাকে ডাকতেন এবং আমি নিচে যেতাম। আমি দেখতাম যে তিনি ডিকটাফোন দ্বারা অনুবাদ করছেন। তাঁর কাছে সাত টিকা সহ এক বিশেষ শ্রীমদ্ভাগবতম্ ছিল। সকলের কথা মনে নেই তবে তাতে শ্রীধর স্বামী (শ্রীধর মহারাজ), বলদেব বিদ্যাভূষণ, মাধ্বাচার্য ও অন্যান্যদের টিকা ছিল। এইভাবে তিনি তাঁদের টিকা এবং তাঁর নিজের উপলব্ধি দিয়ে অনুবাদ করতেন। বর্তমান প্রজন্ম শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যায়নের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গ লাভ করতে পারে। তিনি এই কার্যক্রমটি ভগবদ্গীতা ও অন্য কয়েকটি ছোট গ্রন্থ দ্বারা শুরু করেছিলেন, এগুলি অধ্যয়ন করে কেউ ভক্তিশাস্ত্রী পেতে পারে এবং শ্রীমদ্ভাগবতমের প্রথম ষষ্ঠ স্কন্ধ পর্যন্ত অধ্যয়নের মাধ্যমে কেউ ভক্তিবৈভব ডিগ্রি লাভ করতে পারে, পরের সপ্তম থেকে দ্বাদশ স্কন্ধ পর্যন্ত অধ্যয়নের মাধ্যমে কেউ ভক্তিবেদান্ত ডিগ্রী পেতে পারে। এবং চৈতন্যচরিতামৃত ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যান্য শাস্ত্র গ্রন্থ অধ্যয়নের মাধ্যমে কেউ ভক্তিসার্বভৌম লাভ করতে পারে। তাই, আমরা চাই ভক্তদের শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থাবলী পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অধ্যয়ন করা উচিত এবং তার মাধ্যমে তারা ভাবনামৃতের সম্পূর্ণ উপলব্ধি প্রাপ্ত হবে। তাই বিশেষত নতুন ভক্তদের ক্ষেত্রে এটি তাদের শ্রীল প্রভুপাদের সাথে সঙ্গ করার এক সুযোগ এবং শ্রীল প্রভুপাদের কৃষ্ণভাবনামৃতে অত্যন্ত গভীর উপলব্ধি ছিল, তাই তাঁর গ্রন্থ অধ্যয়নের মাধ্যমে কেউ সেই উপলব্ধি প্রাপ্ত হতে পারে এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে প্রত্যেকের শ্রীল প্রভুপাদের সঙ্গ লাভ করা উচিত।
আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে চেন্নাইয়ের ভক্তরা শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ অধ্যয়নে সময় দিচ্ছে এবং এইভাবে তারা সমস্ত দর্শনবিষয়ে নিপুন হতে পারবে। বলা হয়েছে যে যেখানে শ্রীমদ্ভাগবতমের যেকোন অংশ অমৃত। আপনি কামড় দিয়ে তার স্বাদ না নিলেও, তা অমৃত স্বাদ দেয়। আমাদের জীবন আসলে অত্যন্ত স্বল্প, এই কলিযুগে বলা হয়েছে যে মানুষ ১০০ বছর বাঁচে, কিন্তু মানুষেরা সর্বাধিক ৮০ বছর বাঁচে। আমাদের কাছে যাই আছে, আমরা সেই অর্থ নিতে পারবো না, আমাদের বস্ত্র নিতে পারবো না, আমাদের গৃহ বা গাড়ি সাথে করে নিতে পারব না কিন্তু আমরা কৃষ্ণভাবনামৃত নিয়ে যেতে পারবো। এই কারণে শ্রীল প্রভুপাদ প্রদত্ত তাৎপর্যসহ শ্রীমদ্ভাগবতম অধ্যয়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের সকলেরকে এখানে অংশগ্রহণ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। হরে কৃষ্ণ!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়