Text Size

২০২১১০০২ ভক্তিবৃক্ষ সম্মেলন উদ্দেশ্যে বার্তা

2 Oct 2021|Bengali|Public Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মুকম করোতি বাচালম পংগুম লংঘায়তে গিরিম
য়ত্-কৃপা তম অহম বন্দে শ্রী-গুরুম দিন-তারণম্
পরমানন্দম মাধবম শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম
হরিঃ ওঁ তৎ সৎ!

জয়পতাকা স্বামী:- আমি দেখছি যে মায়াপুর চন্দ্রদ্বয় মন্দিরে বিশেষ ভক্তরা আছেন এবং আপনারা এসেছেন, আমি আপনাদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমি আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাই। আমি শুনলাম যে মায়াপুরে অনেক ভক্তিবৃক্ষ দল আছে এবং আপনারা সব দলের থেকে এই সম্মেলনে, সমবেত অনুষ্ঠানে এসেছেন। আমি আশা করছি যে আপনাদের মায়াপুর ভালো লাগবে এবং আমি আপনাদের প্রতি খুবই কৃতজ্ঞ। এই নবদ্বীপ ধাম শ্রীমতি রাধারানী সৃষ্টি করেছেন, এখানে কৃষ্ণ বলেছেন যে নবদ্বীপ ধাম বৃন্দাবন ধামের থেকে অভিন্ন। আপনারা মায়াপুর নবদ্বীপ ধামে এসেছেন এবং এখানে আপনারা যাই সেবা করবেন তার ১০০০ গুন ফল পাবেন। হরিবোল! নামহট্ট এবং ভক্তিবৃক্ষ এগুলির পরিচালনা করছে, তা শুনে আমি খুবই খুশি হয়েছি। 

চৈতন্য মহাপ্রভু ইচ্ছা করেছেন যে, “ভারত–ভূমিতে মনুষ্য–জন্ম হৈল যার। জন্ম সার্থক করি’ কর পর–উপকার॥” চৈতন্য মহাপ্রভু নদিয়া জেলার ছিলেন। এই শিক্ষা দিয়া সব নদীয়া ফিরছে নেচে গৌর নিতাই। আপনারা নদীয়া বা নবদ্বীপ থেকে আসছেন, তাই আমি খুবই খুশি। 

এই মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য হচ্ছে যে আমরা কৃষ্ণের প্রতি ভক্তিমূলক সেবা করি। আজকে হচ্ছে ইন্দিরা একাদশী, আজ হচ্ছে হরিবাসর তিথি, আপনারা এই একাদশী তিথিতে এসেছেন এই কারণে আপনারা চৈতন্য মহাপ্রভুর বিশেষ কৃপা পাবেন। আমি আশা করি যে আপনারা সকলেই চৈতন্য মহাপ্রভুর আন্দোলনের প্রসার করবেন। আমাদের পরম গুরু ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর বলেছেন, “প্রান আছে যার সেই হেতু প্রচার” এখন সাধারণ মানুষ মনে করে যে তারা হচ্ছে এই দেহ এবং দেহের সন্তুষ্টি হচ্ছে তাদের লক্ষ্য। কিন্তু আমরা যদি কৃষ্ণ বা গৌরাঙ্গের প্রীতিবিধান করি, তাহলে আমরা সুখী হতে পারব, কারণ আমরা হচ্ছি কৃষ্ণের অংশ। তাই কৃষ্ণ যদি খুশি হন, তাহলে আমরা খুশি হব। 

আমি মথুরেশ প্রভু, যিনি ভক্তিবৃক্ষ পরিচালনা করছেন, তার প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমরা আশা করি যে স্বামী, স্ত্রী, মহিলা, পুরুষ সবাই কৃষ্ণ সেবা করবে।

আমি শ্রীল প্রভুপাদের ব্যাস পূজা তিথিতে চেন্নাইতে একটি নাটক দেখেছিলাম, যা কিছু ভক্তিবৃক্ষের ভক্তরা করেছিল। সেখানে একটি নাটক হয়েছিল যাতে ছোট মেয়ে ও ছেলে ছিল। দুজন ছিল যমদূত এবং যমরাজ ছিল। যমদূতরা যমরাজের কাছে অভিযোগ করছিল যে, “আমরা তাদেরকে যমালয়ে নিয়ে আসতে চাই, কিন্তু প্রত্যেকে হরিনাম করছে, তাই আমরা কাকে নিয়ে আসব? তাদের গৃহে মন্দির আছে এবং সব সময় তারা কৃষ্ণের নাম কীর্তন করছে। তাই আমাদের চাকরি এখন বিপদের মুখে। আমরা এটা করতে সক্ষম হচ্ছি না, তাদের সবার কৃষ্ণ প্রসাদ আছে এবং তাদের গৃহে শ্রীমদ্ভাগবত আছে, তাই আমরা কাউকেই নিয়ে আসতে পারছি না। আমি আশা করি এইভাবে যমদূতরা আমাদের গৃহে আসবে না এবং আমাদের গৃহে কৃষ্ণ নাম, কৃষ্ণ শিক্ষা এবং কৃষ্ণ প্রসাদ থাকবে। 

আমি রাধা গোবিন্দ দাস, মথুরেশ দাসের প্রতি মানুষদের এই পথে নিয়ে আসার জন্য কৃতজ্ঞ। আমি এখন চৈতন্য লীলা ক্লাস দেবো, তাই আমি এখানে আমার কথা শেষ করব। হরিবোল! রাধা কৃষ্ণে মতি রস্তু!

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 19/3/2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions