Text Size

২০২১০৯০৪ শ্রীমদ্ভাগবতম ১.১১.২

4 Sep 2021|Duration: 00:50:01|Bengali|Śrīmad-Bhāgavatam|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

 মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
 যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
 পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
 হরি ওঁ তৎ সৎ 

ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
     ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
     ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!

শ্রীমদ্ভাগবতম ১/১১/২
স উচ্চকাশে ধবলোদরো দরো-
ঽপ্যুরুক্রমস্যাধরশোণশোণিমা।
দাধ্মায়মানঃ করকঞ্জসম্পুটে
যথাব্জখণ্ডে কলহংস উৎস্বনঃ।।

অনুবাদ:- শুভ্র স্ফীতোদর শঙ্খটি পরমেশ্বর ভগবানের করকমলে বিধৃত হয়ে তাঁর দ্বারা ধ্বনিত হলে, তার অপ্রাকৃত অধরোষ্ঠের স্পর্শে সেটি রক্তিমাভ হয়ে উঠেছিল। তখন মনে হচ্ছিল, একটি শুভ্র রাজহংস যেন রক্তিমাভ কমলদলের মৃণাল মধ্যে উচ্চরবে খেলা করছে।

তাৎপর্য:- ভগবানের অধর স্পর্শে শ্বেত-শঙ্খের রক্তিমা পারমার্থিক মাহাত্মযব্যঞ্জক। ভগবান পূর্ণ চিন্ময়, এবং জড় হচ্ছে সেই চিন্ময় অস্তিত্ব সমন্ধে অজ্ঞানতা। প্রকৃতপক্ষে চিন্ময় জ্ঞানের আলোকে জড় বলে কোন বস্তু নেই, এবং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সান্নিধ্য লাভের ফলে তৎক্ষণাৎ এই চিন্ময় জ্ঞানের আলোক প্রকাশিত হয়। সমস্ত অস্তিত্বের প্রতিটি অণু-পরমাণুতে ভগবান রয়েছেন, এবং তিনি যে কোন ব্যক্তির কাছে তাঁর উপস্থিতি প্রকাশ করতে পারেন। ভগবানের প্রতি প্রগাঢ় প্রেম এবং ভক্তির দ্বারা, অর্থাৎ ভগবানের চিন্ময় সন্নিধ্যের ফলে সব কিছুই ভগবানের হস্তধৃত শঙ্খের মতো চিন্ময় রক্তিমা প্রাপ্ত হয়; এবং পরমহংস বা পরম বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা, চিন্ময় আনন্দরূপ জলে, ভগবানের পাদপদ্মরূপ পদ্মের দ্বারা নিত্য অলংকৃত হয়ে কলহংসের মতো ক্রীড়া করেন। 

***

জয়পতাকা স্বামী:- হস্তিনাপুরের ভক্তরা তারা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি গভীর বিরহে ছিলেন। কৃষ্ণ তাঁর শঙ্খ ধ্বনিত করে ভক্তদের অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন যে —আমি এসেছি!আমার মনে পড়ে, একবার আমরা যখন শ্রীল প্রভুপাদের প্রতি অনেক গভীর বিরহ অনুভব করছিলাম, তখন তিনি ওঁনার বারগেন্ডি রঙের গাড়িতে আসেন, যখন দূর থেকে আসছেন, তখন কেউ পটাকা বাজিয়েছে। আমরা পদ্ম ভবনের উপরে সাইরেন বাজাতাম, আমরা এত আনন্দ অনুভব করতাম যে শ্রীল প্রভুপাদ এসেছেন। এখন দ্বারকার যে ভক্ত তারা অনেক উচ্চস্তরের, তারা কিভাবে কৃষ্ণের জন্য বিরহের মধ্যে ছিলেন, প্রভুপাদ আসছেন আমরা দেখে কি আনন্দ পেয়ে গেছি, তার একটা বিন্দু। এখন সেটা একটা অতুলনীয় আনন্দ! দ্বারকার ভক্তগণ কত ভালবাসতেন, তাই তারা কত আনন্দিত হয়েছিলেন। তাদের কাছে কৃষ্ণের আগমন তাদের মৃত শরীরে প্রাণ সঞ্চারের মতো ছিল। আমাদের জন্য প্রভুপাদ একটা কৃষ্ণের প্রতিনিধি, আমরা এর কিছু অনুভব করেছি। প্রভুপাদ যখন প্রধান দ্বার দিয়ে ঢুকতেন গাড়ি করে, এই মন্দিরের কাছে চলে আসতেন, সমস্ত ভক্ত কীর্তন করে আনন্দে নেচে প্রভুপাদকে সংবর্ধনা করলেন। তিনি তাঁর গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতেন ও সকল ভক্তদের দিকে তাকিয়ে হাসতেন। এগুলি হচ্ছে কিছু অবিস্মরণীয় মুহূর্ত! কিন্তু আমরা তো কনিষ্ঠ ভক্ত, এই দ্বারকাবাসীরা প্রেমী ভক্ত, তাই তারা যে কত আনন্দিত হয়েছিলেন তা কল্পনাতীত!

অন্য আরেকটি বিষয় হচ্ছে যখন শ্রীকৃষ্ণ স্পর্শ করে সেই শঙ্খ বাজিয়েছিলেন, তখন সেই শঙ্খ রক্তিম হয়ে গিয়েছিল, কৃষ্ণের স্পর্শ পেয়ে তা পারমার্থিক হয়ে গিয়েছিল। এখন আমরা জড়জাগতিক মানুষ, ইন্দ্রিয় তৃপ্তি নিয়া বেশি থাকি। কৃষ্ণ যদি আমাদের সংস্পর্শে আসেন তো আমাদের জীবন সম্পূর্ণ পারমার্থিক পরিবর্তন হবে। আমরা দেখছিলাম যে কিভাবে চেন্নাইয়ের ভক্ত গোষ্ঠী শ্রীল প্রভুপাদের ব্যাস পূজো উদযাপন করছিল, তারা এই উৎসব বলরাম পূর্ণিমার পরের দিন থেকে জন্মাষ্টমীর আগের দিন পর্যন্ত করেছিল। কোন একটি ভক্তিবৃক্ষ দলের দ্বারা তারা একটি নাটক মঞ্চস্থ করেছিল। সেখানে দুজন যমদূত যমরাজের কাছে অভিযোগ করছিল যে, “আমরা এমনটি ভক্তিবেদান্ত স্বামী চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রচার করে এখন সবাই কিছু আর করতে পারছি না নরকে যাওয়ার, এই ভক্তরা সবসময় কৃষ্ণ নাম কীর্তন করে, এবং মৃত্যুকালে কৃষ্ণ নাম করে গোলোকে চলে যায়। তাদের বাড়ির মধ্যে বিগ্রহ থাকে, পূজা করে, আমরা কি করে তাদের নরকে নিয়ে যাব? আমরা কিছু করতে পারি না।আমাদের তাহলে অন্য চাকরি পাওয়া উচিত।” হা! হা! তাই আমরা আশা করি যে এমন পরিস্থিতি যাতে হয় প্রত্যেক থেকে যাতে হরে কৃষ্ণ জপ করে ও তাদের গৃহে শ্রীবিগ্রহ পূজা করে। 

আমরা দেখতে পাই যে মনুর তিন কন্যা ও দুই পুত্র ছিল। শ্রীমদ্ভাগবতমে বলা হয়েছে যে মনুর কন্যাদের সম্পর্কে এবং তাদের সন্তান-সন্ততিদের কথা পড়লে কেউ এই জড়জগৎ থেকে মুক্ত হতে পারবে। দেবহুতি দেবী তিনি ছিলেন কৃষ্ণের অবতার কপিল মুনির মাতা। এইভাবে আহুতি, দেবহুতি, প্রসূতি তিনটে মেয়ে ছিল। এইরকম ইতিহাস যে তারা অনেক সুন্দর ভক্ত জন্ম দিয়েছিলেন। উত্তানপদ ছিলেন ধ্রুব মহারাজের পিতা, ধ্রুব মহারাজের মাও ভগবদ্ধামে ফিরে গিয়েছিলেন। এখন সে তার ছেলেকে ভগবানকে খোঁজার জন্য বলেছিল, এইভাবে শয়ম্ভূ মনু তিনি গৃহস্থ ছিলেন, কিন্তু তিনি কৃষ্ণের সঙ্গে স্পর্শে সব কিছু হয়েছে। চৈতন্য মহাপ্রভু এইভাবে তিনি ওঁনার ভক্তদের বলছিলেন —গৃহে থাক বনে থাক সদা হরি বলে ডাকএইভাবে কৃষ্ণের সংস্পর্শে এসে আমাদের জীবন শান্তিময় হয়েছে এবং জীবন পারমার্থিক হয়ে যাবে। এটা খুব সরল পন্থা। আমাদেরকে ভাবতে হবে যে কিভাবে আমাদের জীবনকে এমন ছাঁচে গড়ে তোলা যাবে যাতে তা কৃষ্ণকে কেন্দ্র করে থাকে। শ্রীল প্রভুপাদ, আমরা প্রত্যেক দিন তাঁর কাছে প্রার্থনা করি — গৌরবানী প্রচারিণেতাই আমরা শ্রীল প্রভুপাদকে চৈতন্য মহাপ্রভুর বাণী প্রচারে সাহায্য করতে পারি, এছাড়াও এইভাবে আমরা যদি কৃষ্ণভাবনামৃতের প্রতি সম্পূর্ণ উৎসর্গীকৃত থাকি, তাহলে কোন সমস্যা হবে না। মানুষেরা কৃষ্ণাকে ভুলে গেছে এবং তারা মনে করে যে তারা এই শরীর, তারা মনে করে যে তারা যেই ভূমিতে জন্মগ্রহণ করেছে তা পূজনীয়, এই দেহের থেকে উদ্ভূত বস্তুসমূহ তাদের নিজেদের যেমন ছেলে মেয়ে, এবং এই দেহ সম্পর্কিত যে বস্তু তা তাদের কাছে প্রিয়। তারা পবিত্র স্থানে যায় কেবল স্নান করতে, সেখানে গিয়ে তারা সাধু মহাত্মাদের থেকে সেই পবিত্র স্থান সম্পর্কে শুনতে পছন্দ করে না। শ্রীমদ্ভাগবতম বলে যে তারা হচ্ছে গাধা বা গরুর মতো, তাদের কোন আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি নেই। এইভাবে তাদের জীবন বারংবার হয়ে যায়, কেউ কেউ তাদের গাড়ির পিছনে লেখে জন্ম নিয়েছি আবার! আবার! আবার! কারণ খ্রিস্টানরা আবার জন্ম নিয়েছে বলতে পছন্দ করে। যখন তারা যীশুখ্রীষ্টকে গ্রহণ করে, তখন বলে দ্বিতীয় জন্ম। তারা জন্ম নেয় আবার আবার, যা এটি দেখায় যে আমরা আসলে নিত্য আত্মা, যে অনেকবার জন্ম নিয়েছি। এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি যে বিশ্বে কত ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ক্ষরা আরো কত কিছু হচ্ছে। তারপর এক মহামারী এল, আর হাজার হাজার মানুষেরা এই করোনা ভাইরাসে মারা যাচ্ছে। তাই শ্রীল প্রভুপাদ, চৈতন্য মহাপ্রভু তাঁরা আবির্ভূত হয়েছেন, তাঁরা এসেছেন জনসাধারণকে এইসব সমস্যার সমাধান প্রদান করার জন্য। কৃষ্ণের আশ্রয় নিন, তবে সেই সমস্ত সমাধান হবে। 

ঠিক যেমন ভগবানের ওষ্ঠের স্পর্শে সেই শঙ্খ রক্তিম হয়ে গিয়েছিল আর আমরা যদি চিন্তা করি যে কিভাবে আমরা মানুষদের কৃষ্ণ ভাবনাময় হতে সাহায্য করতে পারব, সেক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে একজন ভক্ত তৈরি করতে শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন কলস কলস রক্ত লাগে, এইভাবে সকল ভক্তকেই ভক্তিমূলক সেবায় নিযুক্ত করা যেতে পারে ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করার মাধ্যমে, তাঁর নির্দেশ পালন করার মাধ্যমে আমরা কৃষ্ণভাবনাময় হতে পারব। আমরা কোন ভক্ত বা ভক্তিন সম্পর্কে ভাবতে পারি এবং সেই ব্যক্তিকে কৃষ্ণভাবনাময় হতে উত্সাহিত করতে পারি — তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে তাদেরকে কৃষ্ণভাবনামৃত অনুশীলনে উত্সাহিত করার মাধ্যমে, এবং একবার তারা ভক্ত হলে তাদেরকেও নিজেদের কৃষ্ণভাবনামৃত অনুশীলন অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করা উচিত। এইভাবে, কেউ কৃষ্ণের সেবায় নিযুক্ত হতে পারে। একই সাথে মানুষের যত্ন নেওয়া, সাহায্য করা যেতে পারে এবং আমরা চাই যে মানুষদের যাতে এই জড়জাগতে বারংবার জন্মগ্রহণ করতে না হয়। আপনার পুনর্জন্মকে শেষ করা এই সাহায্য হচ্ছে সব থেকে উচ্চস্তরের। অন্য কোন সাহায্যের একটি সীমা আছে, কিন্তু এইভাবে কৃষ্ণের ভক্তি দিয়ে পুনর্জন্ম শেষ করে, এইটা সব থেকে উচ্চস্তরের সেবা। কৃষ্ণ চয়েছেন যে ওঁনার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করে, তিনি কৃপা করতেন। কিন্তু কৃষ্ণ চৈতন্য তাঁর থেকে কৃপা অনেক বেশি। ওঁনার কৃপা প্রভুপাদ বলতেন সীমা নাই। এমনকি আফ্রিকান যারা আদিবাসী ছিল, তাদের অনেক অভ্যাস খুব ... ছিল, প্রভুপাদ বলেছিলেন পঞ্চতত্ত্ব মন্ত্র বলতে, এই পঞ্চতত্ত্ব মাত্র এমন দয়ালু যে, “পাপী-তাপী যত ছিল হরিনামে উদ্ধারিলচৈতন্য মহাপ্রভু তিনি বিচার করেন না যে কে যোগ্য আর কে অযোগ্য, তিনি প্রত্যেককে কৃপা প্রদান করেন। আমরা জানি যে চৈতন্য মহাপ্রভুর এই আন্দোলন সমগ্র বিশ্বে ১০,০০০ বছর থাকবে, তাই আমরা যদি স্বর্গে জন্মগ্রহণ করি এবং জড়জাগতিক আনন্দ ভোগ করি, তাহলে আমাদের জীবনকাল ১০,০০০ বছরেরও অনেক অধিক হবে, তাই সকল শুদ্ধ ভক্তরা প্রার্থনা করে যে — “এই জন্মে আমি যদি আধ্যাত্মিক জগতে ফিরে যাওয়ার যোগ্য না হই, তাহলে যাতে বৈষ্ণব পরিবারে জন্ম হয়।” 

১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে প্রভুপাদ কলকাতায় তাঁর আগমনী বার্তায় যে প্রবচন দিয়েছিলেন, আমি তা শুনছিলাম। তিনি সমগ্র বিশ্বে ভ্রমণের টিকিট পেয়েছিলেন, তিনি বোম্বে থেকে হংকং গিয়েছিলেন, হংকং থেকে তিনি কোনভাবে হনুলুলুতে থেমেছিলেন, তারপর তিনি মেক্সিকো শহরে গিয়েছিলেন, এবং সেখান থেকে তিনি কার্কস গিয়েছিলেন, তিনি ত্রিনিদাদে যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাঁর সময় ছিল না। এবং তিনি বলেছিলেন যে কিছু ত্রিনিদাদ বাসিন্দারা যারা বেশিরভাগই ভারতীয় ছিল, তারা তাঁকে দর্শন করতে এসেছিল। তারপরে মিয়ামি হয়ে আটলান্টা চলে গেছেন, উনি আটলান্টা নিউ পানিহাটি ধাম ... দক্ষিণ আমেরিকাতে আসার জন্য এটা উনি পাঠ করছেন। আমি ২২ বছর ধরে আটলান্টার জিবিসি ছিলাম, তারপর কিভাবে শ্রীল প্রভুপাদ সেখানে গিয়েছিলেন ও স্বরূপ দামোদর মহারাজের সাথে কথা বলেছিলেন যে কিভাবে তিনি শ্রীবিগ্রহের সামনে লোচন দাস ঠাকুরের ভজন গেয়েছিলেন, তিনি গেয়েছিলেন, “পরম করুণ, পহুঁ দুই জন নিতাই গৌরচন্দ্রসেখানে নিতাই গৌরের শ্রীবিগ্রহ মন্দিরের মধ্যস্থানে ছিল, তিনি বলেছিলেন যে আটলান্টার পারমার্থিক নাম হওয়া উচিত নব পানিহাটি ধাম। আমেরিকা, নিউইয়র্ক, নব হাম্পশির ইত্যাদি অনেক নতুন নাম আছে। এখন শ্রীল প্রভুপাদ উনি বিভিন্ন পারমার্থিক নাম দিয়েছেন — নব বৃন্দাবন, নব পানিহাটি, নব দ্বারকা। এইভাবে শ্রীল প্রভুপাদ প্রত্যেককে কৃষ্ণভাবনাময় হতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন, ঠিক যেমন যদি আমরা কৃষ্ণকে আমাদের জীবনে যুক্ত করি তাহলে সবকিছু পারমার্থিক হয়ে ওঠে, তেমনই আমরা চাই প্রত্যেকে যাতে তাদের জীবনকে পারমার্থিক করে ও এই জন্ম-মৃত্যুর চক্র সমাপ্ত করে। 

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 1/10/2023
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions