Text Size

২০২১০৫২২ শ্রীমদ্ভাগবতম ১.৮.৪১

22 May 2021|Duration: 00:38:30|Bengali|Śrīmad-Bhāgavatam|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ

ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়

শ্রীমদ্ভাগবতম ১.৮.৪১

অথ বিশ্বেশ বিশ্বাত্বন বিশ্বমূর্তে স্বকেষু মে।
স্নেহপাশমিমং ছিন্ধি দৃহং পান্ডুষু বৃষ্ণিষু।।
  

অনুবাদ:- হে জগদীশ্বর, হে সর্বান্তযামী, হে বিশ্বরূপ দয়া করে তুমি আমার আত্মীয়-স্বজন পাণ্ডব এবং যাদব দের প্রতি গভীর স্নেহের বন্ধন ছিন্ন করে দাও। 

তাৎপর্য:- ভগবানের শুদ্ধ ভক্ত ভগবানের কাছে ব্যাক্তিগত স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো কিছু চাইতে লজ্জা বোধ করেন। কিন্তু পারিবারিক স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ফলে গৃহস্থদের কখনো কখনো ভগবানের কৃপা প্রার্থনা করতে হয়। কুন্তী দেবী এ বিষয়ে সচেতন ছিলেন, এবং তাই তিনি তাঁর আত্মীয়- স্বজন পাণ্ডব এবং বৃষ্ণি দের সঙ্গে তাঁর স্নেহের বন্ধন ছিন্ন করার জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। পাণ্ডবরা ছিলেন তাঁর নিজ পুত্র এবং বৃষ্ণিরা ছিলেন তাঁর পিতৃবংশীয়। শ্রীকৃষ্ণ উভয় পরিবারের সঙ্গেই সমভাবে সম্পর্কিত ছিলেন। উভয় পরিবারেরই ভগবানের সহায়তার প্রয়োজন ছিল, কেননা উভয় পরিবারই ছিলেন ভগবানের শরণাগত ভক্ত। কুন্তীদেবী অভিলাষ করেছিলেন যে, শ্রীকৃষ্ণ তাঁর পুত্র পাণ্ডবদের সঙ্গে থাকেন, কিন্তু তাহলে তাঁর পিতৃকুল শ্রীকৃষ্ণের সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হতো। এই ধরনের পক্ষপাত কুন্তী দেবীর মন কে বিচলিত করেছিল, এবং তাই তিনি স্নেহের বন্ধন ছিন্ন করার বাসনা করেছিলেন। শুদ্ধভক্ত তাঁর পরিবারের সীমিত স্নেহের বন্ধন ছিন্ন করে সমস্ত বিস্তৃত আত্মাদের জন্য ভক্তযোগে তাঁর সেবা পরিধি বিস্তার করেন। তার আদর্শ দৃষ্টান্ত হচ্ছেন ষড়গোস্বামীগণ, যারা শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পথ অনুসরণ করেছিলেন। তাঁরা সকলেই অত্যন্ত জ্ঞানী এবং সংস্কৃতিসম্পন্ন উচ্চবর্ণের সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য তাঁরা তাঁদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ গৃহ পরিত্যাগ করে ভিক্ষা বৃত্তি অবলম্বন করেছিলেন। পারিবারিক স্নেহের বন্ধন ছিন্ন করার অর্থ হচ্ছে কার্যকলাপের পরিধী বিস্তার করা। তা না করে কেউই ব্রাক্ষণ, রাজা, জননেতা বা ভাগবতভক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে না। একজন আদর্শ রাজা রূপে পরমেশ্বর ভগবান সেই দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করেছিলেন। শ্রীরামচন্দ্র আদর্শ রাজার গুণাবলী প্রকাশ করার জন্য তাঁর প্রিয়তমা পত্নীর স্নেহের বন্ধন ছিন্ন করেছিলেন। ব্রাক্ষণ, ভগবতভক্ত, রাজা অথবা জননেতাকে কর্তব্যকর্ম সম্পাদনের জন্য অবশ্যই অত্যন্ত উদার মনোভাব সম্পন্ন হতে হয়। শ্রীমতী কুন্তীদেবী এই বিষয়ে সচেতন ছিলেন, এবং তাই তিনি দুর্বল হওয়ার ফলে তাঁর পারিবারিক স্নেহের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। ভগবানকে এখানে বিশ্বেশ বা বিশ্বাত্মন বলে সম্বোধন করা হয়েছে এবং তার মাধ্যমে এটিই ইঙ্গিত করা হয়েছে যে পারিবারিক স্নেহের বন্ধনের গ্রন্থি ছিন্ন করার সমস্ত শক্তি তাঁর রয়েছে। তাই কখনো কখনো দেখা যায় যে দুর্বল ভক্তদের প্রতি তাঁর বিশেষ অনুগ্রহের ফলে তিনি তাঁর সর্বশক্তিমত্তার দ্বারা সৃষ্ট বিশেষ পরিস্থিতির চাপের মাধ্যমে তাদের পারিবারিক স্নেহের বন্ধন ছিন্ন করেন।সেটি করার মাধ্যমে তিনি ভক্তকে তাঁর ওপর সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করতে বাধ্য করে ভগবত ধামে ফিরে যাওয়ার পথটি প্রশস্ত করেন।

*** 

জয়পতাকা স্বামী:-  এই শ্লোকটি হচ্ছে কুন্তী মহারানীর প্রার্থনা, এই প্রার্থনা আমাদেরকে খুব সুন্দর উপদেশ দেয়। রানী কুন্তি প্রার্থনা করছেন কৃষ্ণের কাছে যাতে এই পারিবারিক বন্ধন দূর হয়। মহিলাদের দুটো পরিবারে আসক্তি থাকে, কারণ ভারতে মহিলারা বেশিরভাগ তার স্বামীর সাথে থাকে, আর তার পিতামাতার প্রতি তার আসক্তি থাকে। এবং স্বামী ও তার পরিবারের প্রতি আসক্তি থাকে, এর মানে তার দুটো পরিবার আছে। এখন তিনি কৃষ্ণের কাছে প্রার্থনা করলেন এই বন্ধন থেকে মুক্ত যাতে হয়। কৃষ্ণ বৃষ্ণিদের সাথে দ্বারকায় ছিলেন, বৃষ্ণিরা হচ্ছে কুন্তি দেবীর পিতৃ পরিবার। কিন্তু তিনি তার পুত্র পাণ্ডবদের প্রতিও আসক্ত ছিলেন, যা ছিল তার স্বামীর পক্ষের। একদিকে তিনি চেয়েছিলেন যে কৃষ্ণ পাণ্ডবদের সাথে থাকুক, কিন্তু এটা হলে ওনার যে পিতৃ পরিবার সেটা কৃষ্ণের সঙ্গ থেকে বঞ্চিত হবে। তিনি এই দুই পারিবারিক আসক্তির মধ্যে বিদীর্ণ হচ্ছিলেন। কিন্তু আসলে সবকিছুই কৃষ্ণের সম্বন্ধীয়, কারণ কৃষ্ণ দুই পরিবারের সাথেই অত্যন্ত সংযুক্ত ছিলেন। এই দুই পরিবারই ছিল ভগবানের শুদ্ধ ভক্ত। রানী কুন্তি প্রার্থনা করেছেন এমনভাবে যেন এটা এক পারিবারিক আসক্তি, কিন্তু আসলে এটা ওনার শুদ্ধ ভক্তি কৃষ্ণের প্রতি। তিনি আমাদেরকে এক ভালো দৃষ্টান্ত দিচ্ছেন যে কিভাবে আমাদের কৃষ্ণের প্রতি আসক্ত হওয়া উচিত, পরিবারের প্রতি নয়। আমাদের যদি একটা পরিবারের লোক অসুস্থ হয়ে যায়, তাহলে সাধারণত ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি। (৯:১০) এই কারণে আমরা বলি যে, “যদি ভগবান প্রসন্ন হন” আমরা জানিনা ভগবানের পরিকল্পনা কি, সেই জন্য আমরা আমাদের প্রার্থনা নিবেদন করি, কিন্তু যদি ভগবানের কোন অন্য পরিকল্পনা থাকে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তা বলবান। 

শ্রীল প্রভুপাদ ভগবান শ্রীরামের দৃষ্টান্ত বলতেন যে তিনি একজন আদর্শ রাজা ছিলেন, তিনি রাজা হিসেবে তার ভালো দৃষ্টান্ত উপস্থাপনের জন্য তাঁর স্ত্রীকেও ত্যাগ করেছিলেন। একইভাবে, শ্রীল প্রভুপাদ ষড় গোস্বামীগণের দৃষ্টান্ত দেন, যে রকম গোপাল ভট্ট গোস্বামী তিনি শ্রীরঙ্গমের প্রধান পুরোহিত পরিবারের। রূপ ও সনাতন, জীব গোস্বামী তারা কর্নাটকের উচ্চ ব্রাহ্মণ, কিন্তু তারা মুঘল শাসক দ্বারা এক উচ্চ পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। সনাতন গোস্বামী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী এবং রূপ গোস্বামী ছিলেন অর্থমন্ত্রী, জীব গোস্বামী ছিলেন তাদের ভ্রাতুস্পূত্র। রঘুনাথ দাস গোস্বামীর পিতা  ছিলেন কোটিপতি, এইভাবে তারা সবাই উচ্চ পদে স্থিত ছিলেন, কিন্তু তারা সকলেই বৃন্দাবনে ভিক্ষুক বেশ ধরণ করেছিলেন। প্রভুপাদ এই দৃষ্টান্ত ব্যবহার করেননি, কিন্তু আমরা দেখি যে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, তাঁর এক স্নেহময়ী মাতা এবং সুন্দরী স্ত্রী ছিল, তিনি নবদ্বীপের সব পণ্ডিতদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।  কিন্তু ২৪ বছর বয়সে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন, তিনি বের হয়ে গিয়েছিলেন ও সমগ্র ভারতে প্রচার করেছিলেন, তিনি দেখাচ্ছিলেন যে কিভাবে কেউ নিরাসক্ত হতে পারে। কিন্তু উনি আসক্তি কৃষ্ণের প্রতি প্রকাশ করলেন, উনি এটা দেখায়নি নবদ্বীপে, উনি করেছেন দক্ষিণ ভারতে। সেখানে যখন তিনি মানুষদের সাথে সাক্ষাৎ করতেন, তিনি তাদেরকে আলিঙ্গন করতেন ও ভক্তি শক্তি প্রদান করতেন। আমরা তাঁর লীলায় দেখি যে নীলাচলে আমরা দেখছিলাম কিভাবে সার্বভৌম ভট্টাচার্য তার স্ত্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্য রাজকীয় প্রসাদ প্রস্তুত করেছিলেন। চৈতন্য মহাপ্রভু বললেন, “আমি খুশি হয়েছি যে আপনারা প্রচুর প্রসাদ নিবেদন করেছেন এবং কৃষ্ণের জন্য এ এক খুব ভালো প্রসাদ। কিন্তু আমাকে ছোট্ট একটা পাত্র দাও, আমি পাশে কিছু পাব, এত কিছু পাব না।” এইভাবে এটা হয়েছিল, যা আমরা প্রত্যেকদিন পড়ছি। সার্বভৌম ভট্টাচার্য জানতেন যে চৈতন্য মহাপ্রভু হচ্ছেন কৃষ্ণ, কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভু এটা সাধারণত প্রকাশ করতেন না। যাইহোক, আমরা এখনো জানিনা তারপর কি হয়েছিল। আমি শুনেছি একটি পরিবার মায়াপুরে এসেছিল, মন্দিরে। তাদের ছেলে তাদের বাড়ির পুকুরে মারা গিয়েছিল, কিন্তু ওই মা, সাধারণত মা আবেগপূর্ণ হয়, কিন্তু এই মা স্বাভাবিক ছিল। আমরা ... জিজ্ঞেস করেছিলাম ছেলের কি হয়েছিল? তিনি বললেন, “হ্যাঁ সে মারা গেছে, তাতে আমি কি করতে পারি? আমি কৃষ্ণের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম যাতে সেই জীবাত্মা কৃষ্ণের কাছে যায়।” তাই, আমরা দেখি যে এই মা তার আধ্যাত্মিক উপলব্ধিতে অত্যন্ত উন্নত ছিলেন। 

এই শ্লোক থেকে আমরা বুঝতে পারি যে কিভাবে আমাদের কৃষ্ণের প্রতি অধিক আসক্ত হতে হবে। এটা স্বাভাবিক যে আমাদের নিজেদের পরিবারের প্রতি কিছু আসক্তি আছে, কিন্তু আমাদের কৃষ্ণের প্রতি আরো অধিক আসক্ত হতে হবে এবং এইটা উদাহরণ খুব ভালো আমাদের পক্ষে। রানী কুন্তী একজন শুদ্ধ ভক্ত হওয়ায় তিনি আমাদেরকে ভালো নির্দেশ দিয়েছেন, সেখানে ভগবানের অনেক উন্নত শুদ্ধ ভক্তরা ছিলেন, যেমন — কুন্তি দেবী, দ্রৌপদী দেবী, দেবহুতি, সুনিতি এবং আরো অনেকে। আমরা দেখি চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলায় সেখানে ভক্তরা বাংলা থেকে জগন্নাথপুরীতে যেতেন, পুরুষেরা চৈতন্য মহাপ্রভুর কাছে যেতে পারতেন কারণ তিনি ছিলেন সন্ন্যাসী। কেউ প্রণাম জানিয়েছে, কেউ আলিঙ্গন করেছে, যে যার সম্পর্ক মতো, কিন্তু মহিলারা দূর থেকে দেখে যে ওঁনার চরণ স্পর্শ করে তাদের চোখে জল। এইসব মহিলারা ছিলেন শুদ্ধ ভক্ত। চৈতন্য মহাপ্রভু প্রত্যেকদিন গৃহস্থদের গৃহে যেতেন এবং প্রসাদ গ্রহণ করতেন। 

সন্ন্যাসী হয়ে আগুন স্পর্শ করতে নেই, তাই অপরে রান্না করে দিতে হয়। এইভাবে মহিলা চৈতন্যদেবের জন্য রান্না করত, তাদের সঙ্গে কখনো তাদের স্বামীও সাহায্য করেছে, কারণ স্বামীরাও মহাপ্রভুর সেবার জন্য অপেক্ষা রত থাকতেন। এই ছিলএক দুর্লভ সুযোগ যে মানুষেরা স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে সেবা করতে পারতেন। সার্বভৌম ভট্টাচার্য প্রার্থনা করেছেন কৃষ্ণের (মহাপ্রভু) কাছে যে আমার বাড়িতে ৩০ দিন প্রসাদ পান, কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভু বলেছিলেন, “না!”

তারপর সার্বভৌম ভট্টাচার্য বললেন, “তাহলে আমার কাছে ২০ দিন কর।”

চৈতন্য মহাপ্রভু বললেন, “না!”

“১৫ দিন?”

“না!”

“১০ দিন? কমপক্ষে ১০ দিন?”

“না!”

শেষে পাঁচ দিন রাজি হলেন। যেমন বাংলায় বাজারের মধ্যে দর করে, এইভাবে ৩০ দিন থেকে,  তারপর তিনি বললেন যে তিনি তার গৃহে পাঁচ দিন প্রসাদ পাবেন। স্বরূপ দামোদর ৫ দিন এবং অন্যান্য ভক্তরা, এই রকম করে ওঁনার পুরো মাসের সময় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। 

এইভাবে চৈতন্যদেবের সেবা করার এই সুযোগ পেয়েছেন। ছয় বছর ধরে তিনি দক্ষিণ ভারত এবং পশ্চিম ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন। প্রত্যেকদিন তিনি ভিন্ন গৃহস্থের গৃহে থাকতেন, সেই গৃহস্থ তাঁর শ্রীচরণ অভিষেক করতেন। মহিলা জল ঢালতেন, আর স্বামীরা শ্রীচরণ মর্দন করতেন। এখানে কতজন শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীপাদপদ্ম অভিষেক করাতে চায়? হরিবোল! এইভাবে কোন না কোনভাবে চৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর সকল ভক্তদের ইচ্ছা পূর্ণ করেছিলেন।

আমরা যেমন কোন একটা নদীর মধ্যে ঘাস ভাসতে থাকে, আমরা জীবনের মধ্যে এইভাবে আছি। ঠিক যেমন ঘূর্ণিপাকে ঘাস কখনো কখনো একত্রিত হয়, আবার তারা পৃথক হয়ে যায়। এইভাবে আমরা কেউ পুরুষ, কেউ মহিলা ও বিভিন্ন জীবনে একত্র হয়, আবার পৃথক হয়। আর এইভাবে আমরা মনে করি যে বর্তমান জাগতিক জীবন কত গুরুত্বপূর্ণ! কিন্তু এই জীবনের পর কিছু খেয়াল থাকে? এইভাবে আমরা বিভিন্ন সম্পর্কে থাকি, কিন্তু তারপর ভুলে যাই। কিন্তু চিরস্থায়ী কি? সেটা হচ্ছে কৃষ্ণের সাথে আমাদের সম্পর্ক। শ্রীল প্রভুপাদ কত কৃপালু, তিনি এসেছিলেন, তিনি আমাদেরকে কৃষ্ণের সাথে আমাদের নিত্য সম্পর্কের এই তথ্য প্রদান করেছিলেন। তাই, যাইহোক, এই শ্রীমদ্ভাগবত শ্রবণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 6/FEB/2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions