মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
জয়পতাকা স্বামী: এমনটি হয়েছে যে আমরা জগন্নাথ পুরীতে চৈতন্য মহাপ্রভুর সম্পর্কে অধ্যয়ন করছিলাম। যেমন বর্ণিত আছে যে, চৈতন্য মহাপ্রভুর তিনি কাটোয়ায় সন্ন্যাস গ্রহণের পর তারপর নিত্যানন্দ প্রভুর আয়োজনে ভুল পথে পরিচালিত হয়ে, শান্তিপুরে অদ্বৈতর গৃহে গিয়েছিলেন। এবং তখন তাঁর মা তাকে বলেছিলেন যে, “বৃন্দাবনে থাকার পরিবর্তে জগন্নাথ পুরীতে থাকো কারণ তা নিকটবর্তী এবং আমরা কিছু খবরা-খবর পেতে পারবো। তুমি বৃন্দাবনে যেতে পারো কিন্তু সেখানে থাকবে না” তখন চৈতন মহাপ্রভু জগন্নাথ পুরীতে যেতে সম্মত হন। তিনি তাঁর মাকে বলেন, “এই শরীর তোমার। তুমি যা আদেশ করবে আমি তাই করবো।” তিনি এত বিশ্বাসী ভক্ত ছিলেন যে তিনি জানতেন, তিনি যদি চৈতন্য মহাপ্রভুকে ঘরে ফিরে যেতে আদেশ করেন তাহলে তিনি সমালোচিত হবেন কারণ তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেছেন তাই গৃহে ফিরতে পারবেন না সেই কারণে তিনি জগন্নাথ পুরীতে যান। তিনি সেখানে কেবল ১৮ দিন ছিলেন এবং তারপর তিনি বললেন, “আমি আমার ভাই বিশ্বরূপ, যে সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিল তাকে খুঁজতে চাই।”
এবং এই ১৮ দিনে তিনি সার্বভৌম ভট্টাচার্যকে এক শুদ্ধ ভক্তে রূপান্তরিত করেছিলেন এবং আমি দুঃখিত যে আমরা আপনাদের সার্বভৌম ভট্টাচার্যের গৃহের ভিডিওটি দেখাতে পারলাম না। তিনি সেখানে গিয়েছিলেন এবং সার্বভৌম ভট্টাচার্য, যিনি ছিলেন একজন মায়াবাদী, তার শিক্ষা শুনেছিলেন তখন তিনি ছিলেন জগন্নাথ পুরীতে শ্রেষ্ঠ গুরু কিন্তু তার কথা শ্রবণ করার পর তিনি বললেন, “আমি শ্লোক বুঝতে পারছি কিন্তু আমি আপনার মন্তব্য অনুধাবন করতে পারছিনা।” মন্তব্য করা হয় কোন শ্লোক আরো স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য কিন্তু তিনি বললেন তিনি শ্লোক গুলি বুঝতে পারছেন তবে সেই মন্তব্য বুঝতে পারছেন না। যাইহোক, তিনি সার্বভৌম ভট্টাচার্যকে বৈষ্ণব ভাবধারা অনুযায়ী বেদান্ত সূত্রের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আমি ভক্তি নিত্যানন্দ স্বামীর থেকে শুনলাম যে তিনি নিত্যানন্দ প্রভুর সাথে যেতে চাননি কারণ তিনি তাঁর দণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন, তাঁকে শান্তিপুরে যেতে প্রতারিত করেছিলেন। তাই তিনি তাঁর কোন ভক্তের সঙ্গে যেতে চাননি কারণ তিনি তাদেরকে তাঁর কার্যে হস্তক্ষেপকারী বলে মনে করছিলেন। এরপর তারা ওঁনাকে কালা কৃষ্ণ, এক সরল ব্রাহ্মণ সঙ্গীকে সাথে নিয়ে যেতে বলেন। অবশ্য চৈতন্য মহাপ্রভু, গতকাল আপনারা দক্ষিণ ভারতের সাফারি দর্শন করেছেন, তিনি কিছু বছর দক্ষিণ ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন তারপর জগন্নাথ পুরী থেকে বৃন্দাবনে গিয়েছিলেন। মোট ৬ বছর তিনি জগন্নাথ পুরীর বাইরে ছিলেন। আর ১৮ বছর তিনি জগন্নাথ পুরীতে ছিলেন।
তখন তিনি দক্ষিণ ভারত থেকে জগন্নাথ পুরীতে ফিরেছিলেন তখন এই খবর বাংলায় পৌঁছায় যে চৈতন্য মহাপ্রভু ফিরে এসেছেন। তাই প্রায় দুশো ভক্তরা বাংলা থেকে শিবানন্দ সেনের সাথে চৈতন্য মহাপ্রভুকে দর্শন করার জন্য আসে। সেই সময় রাজা প্রতাপ রুদ্র তিনি ও চৈতন্য মহাপ্রভুকে দর্শন করার আকাঙ্ক্ষী ছিলেন কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভু তাতে সহমত হননি। তখন তিনি প্রাসাদের ছাদ থেকে বাংলা থেকে আগত সকল ভক্তদের দেখছিলেন এবং তিনি গোপীনাথ আচার্যকে জিজ্ঞেস করেন বলার জন্য যে তারা কারা, তিনি অদ্বৈত আচার্যকে দেখেন এবং তিনি বললেন, “তিনি অত্যন্ত দীপ্তিমান! তিনি কে?” তাই একের পর এক তিনি বলেন ইনি হলেন অদ্বৈত আচার্য, তিনি হলেন এই ব্যক্তি, তিনি হলেন ওই ব্যক্তি এবং তখন রাজা প্রতাপ রুদ্র মন্দিরের অধ্যক্ষ কাশি মিশ্রকে বলেন, “তাদেরকে থাকার জায়গা দাও, তাদেরকে প্রসাদ দাও” তিনি বললেন যে, “যখন কেউ পবিত্র স্থানে যায় তখন সাধারণত তারা একদিন উপবাস থাকে কিন্তু তারা এসব কিছুই করছে না।” তখন সার্বভৌম ভট্টাচার্য এবং গোপীনাথ আচার্য রাজাকে বলেন যে, “এই ভক্তরা এই পবিত্র ভূমিতে এই কারণে আসছেন না যে তারা কোন পাপ করেছেন, তারা চৈতন্য মহাপ্রভুর প্রতি প্রেম বসে আসছেন।” তারপর তারা বলেন যে কিভাবে প্রত্যেক ভক্ত কেবল চৈতন্য মহাপ্রভুকে দর্শন করার জন্য এসেছেন।
এবং কিভাবে চৈতন্য মহাপ্রভু তাদের প্রসাদ দিয়েছেন ও তাদেরকে আলিঙ্গন করেছেন এবং তিনি তাদেরকে তাঁর ভালোবাসা এবং স্নেহ প্রদর্শন করেছেন। এমনকি সেই সকল ভক্তরা যারা চৈতন্য মহাপ্রভুকে এর আগে দেখেননি, চৈতন্য মহাপ্রভু তাদেরও নাম জানেন এবং তাদের নাম বলেন। তবে মুরারি গুপ্ত তিনি উপস্থিত ছিলেন না। চৈতন্য মহাপ্রভু জিজ্ঞেস করছিলেন, “মুরারি গুপ্ত কোথায়?” তারা তাকে খুঁজছিল তারপর তারা দেখে যে তিনি নরেন্দ্র সরোবরে কান্না করছেন আর তার প্রণতি নিবেদন করছেন। তিনি বলছেন যে তিনি অতি পতিত তাই চৈতন্য মহাপ্রভুর সামনে যাওয়া যোগ্য নয় এবং তারপর তারা তাকে তুলে আনে এবং চৈতন্য মহাপ্রভুর সামনে নিয়ে আসে। তিনি চৈতন্য মহাপ্রভুকে বললেন, “আমি অতি পতিত, আমি আপনার সামনে আসতে পারি না।” মুরারি গুপ্ত চৈতন্য মহাপ্রভুকে তার প্রণতি নিবেদন করেন। চৈতন্য মহাপ্রভু তাঁকে তোলেন এবং আলিঙ্গন করেন। মুরারি গুপ্ত এত উন্নত ভক্ত আর তিনি ক্রন্দন করছেন যে তিনি সামনে যাওয়ার যোগ্য নন! তিনি হলেন হনুমানের অবতার।
তারপর, এভাবে চৈতন্য মহাপ্রভু জিজ্ঞেস করলেন, “হরিদাস ঠাকুর কোথায়?” হরিদাস ঠাকুর বাইরে সষ্টাঙ্গ প্রণতি নিবেদন করছিলেন। তিনি বললেন, “আমি অতি পতিত, আমি ভগবান জগন্নাথের সেবকদের স্পর্শ করতে চাই না। আমি একটি অ-হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি তাই আমি মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবো না। আমার জগন্নাথ দেবের ভক্তদের সাথে মেল-মেশা উচিত নয়। চৈতন্য মহাপ্রভু তাকে বলেন যে, “আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে তোমার প্রসাদের ব্যবস্থা করব।” আমরা সেই যে চক্র দেখতে পাই যেমন ভক্তি পুরুষোত্তম স্বামী উল্লেখ করেছেন যে আপনি যদি মন্দিরের চক্র দর্শন করেন এবং প্রণাম করেন, তাহলে তা ভগবানকে দর্শন করার সমান।” তাই হরিদাস ঠাকুরকে সিদ্ধ বকুলে থাকতে বলা হয়েছিল। সেই সময় সেই স্থান থেকে মন্দিরের চক্র দর্শন করা যেত।
চৈতন্য মহাপ্রভু যেতেন এবং জগন্নাথদেবকে দর্শন করতেন। তারপর তিনি বেরিয়ে আসতেন এবং মন্দিরের চারপাশে কীর্তন করতেন। মন্দিরটি অনেক বিশাল এবং সেখানে চারটি দ্বার রয়েছে। সিংহ দ্বার, চারটি দরজা চারদিকে। চৈতন্য মহাপ্রভুর চারটে সংকীর্তন দল ছিল এবং সেই কীর্তন দলে নৃত্য কারী, মৃদঙ্গ বাদক ছিল। একটি কীর্তন দলে অদ্বৈত নৃত্য করতেন, একটিতে নিত্যানন্দ প্রভু, একটিতে শ্রীবাস এবং অন্য আরেকটিতে বক্রেশ্বর পণ্ডিত। চৈতন্য মহাপ্রভু দলগুলি দেখতেন। চৈতন্য মহাপ্রভু একই সময়ে তাদের সকলের দিকে তাকিয়ে থাকতেন আর তারা প্রত্যেকে ভাবতো যে তারা সৌভাগ্যশালী যে তিনি সবসময় তাদের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাই এইভাবে তিনি মন্দিরের চারপাশে যেতেন, দুর্দান্তভাবে কীর্তন এবং নৃত্য করতেন।
প্রথমে সেখানে স্নানযাত্রা হয়েছিল এবং রাজা প্রতাপ রুদ্র তাদেরকে সেই স্থানে থাকতে বলেন যেখানে সাধারণত তিনি এবং তার রানী থাকতেন। তাই তারা জগন্নাথ বলদেব সুভদ্রার স্নানযাত্রা মহোৎসব সুন্দরভাবে দর্শন করতে পেরেছিলেন। তারপর, চৈতন্য মহাপ্রভু, স্নানযাত্রা মহোৎসব এরপর জগন্নাথ ১৫ দিনের জন্য অনবসরে যান এবং সেইসময় মানুষেরা দর্শন করতে পারেন না। তাই চৈতন্য মহাপ্রভু এত বিরহ অনুভব করছিলেন যে তিনি কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আলাল নাথ মন্দিরে দৌঁড়ে ছুটে যান। হয়তো ১১ কিলোমিটার। সেখানে তিনি শ্রীবিগ্রহের সামনে প্রণতি নিবেদন করেন, তিনি এত বিরহ অনুভব করছিলেন যে তিনি সেই শ্রী বিগ্রহের সামনের পাথর গলিয়ে ফেলেছিলেন! এবং তারা সেই পাথরকে বের করে এবং তা বাইরে একটি পৃথক মন্দিরে রাখা হয়। সেখানে চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীঅঙ্গের ছাপ দৃশ্যমান, আপনারা তা স্পর্শ করতে পারেন। রথ যাত্রার আগের দিন জগন্নাথ দেব দর্শন দেন তাই চৈতন্য মহাপ্রভু তিনি গণ্ডিচা মার্জন করেছিলেন। এতে বলা হয়েছে যে, কিভাবে আমাদের নিজেদের হৃদয়কে পরিষ্কার করা উচিত।
রথ যাত্রার সময় তিনি সাতটি কীর্তন দল তৈরি করেছিলেন এবং প্রত্যেক দলে ২জন মৃদঙ্গ বাদক, ৬জন কীর্তনীয়া, ১জন কীর্তন নেত্রী এবং আর পাঁচজন যারা তাদের সাথে ছিল, একজন নৃত্যকারী। এইভাবে কীর্তন হয়েছিল।
একটি বিষয় হল আমরা একটি সুখবর পেয়েছি যে পঙ্কজাঙ্ঘ্রী প্রভুর শারীরিক স্থিতি মাপ একটু ভালো আছে কিন্তু আসলে এক ঘন্টা আগে আমি খবর পেলাম যে তিনি ভালো অনুভব করছেন না তাই আমাদের নিজেদের প্রার্থনা বাড়ানো উচিত। এছাড়া আমি শুনলাম যে ভক্তির রাঘব মহারাজের করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ধরা পড়েছে এবং তাকে শিমগ, কর্নাটক, ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভারতে দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে, গতকাল ২৩৭,০০০ জন মানুষেরা আক্রান্ত ধরা পড়েছে। আমাদের আজকের খবরটি জানতে হবে। দয়া করে প্রার্থনা করুন, আমি কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে আসছি।
আমি শেষ একটি লীলা বলতে চাই। আমি কিছু অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছিলাম। চৈতন্য মহাপ্রভু রথযাত্রা উদযাপন করেছিলেন তিনি সাতটি কীর্তন দল তৈরি করেছিলেন তাতে তিনি ২জন মৃদঙ্গ বাদক, ৬ জন কীর্তনীয়া, ১জন নৃত্যকারী এবং অনেক ভক্তদেরকে এক একটি দলে রেখেছিলেন। একটি দলে সেই নেত্রী কীর্তনীয়া ছিলেন স্বরূপ দামোদর। আমি সঠিক মনে করতে পারছি না কোন নেত্রী কীর্তনীয়া কোন নৃত্য কারীর সাথে ছিলেন কিন্তু আমি নৃত্যকারীদের কথা মনে করতে পারছি। একজন ছিলেন নিত্যানন্দ প্রভু, আরেকজন অদ্বৈত, আরেকজন শ্রীবাস, আরেকজন বক্রেশ্বর পণ্ডিত এবং অন্য আরেকজন ছিলেন হরিদাস। তারপর সেখানে শ্রীখন্ডের ভক্তবৃন্দ, নরহরি এবং রঘুনানন্দ ঠাকুর নেত্রীস্থানীয় নৃত্যকারী ছিলেন। একজন ছিলেন কুলীন গ্রাম থেকে। কুলীন গ্রাম এক অত্যন্ত বিশেষ স্থান, সেখানে প্রত্যেকে হরে কৃষ্ণ জপ করে। রাজা প্রতাপ রুদ্র তার প্রাসাদের ছাদ থেকে সবকিছু দেখছিলেন।
চৈতন্য মহাপ্রভু তার প্রতি অত্যন্ত কৃপালু এবং দয়াশীল ভাবে দরদী ছিলেন কারণ রাজা জগন্নাথ দেবের সামনের রাস্তা ঝাড় দিয়েছিলেন। যদিও সেই সময় তিনি রাজাকে দেখেননি কিন্তু তবুও তিনি অত্যন্ত কৃপাময় ছিলেন। চৈতন্য মহাপ্রভু প্রত্যেক দল থেকে আরেকটি দলে যান তারপর তিনি এক অলৌকিক ঘটনা ঘটান। ঠিক যেমন, তিনি বৃন্দাবনে করেছিলেন, যখন তিনি লক্ষ লক্ষ গোপীদের সঙ্গে নৃত্য করছিলেন, যেমন দ্বারকাতে তার ১৬,১০৮ পত্নী ছিল এবং তিনি ১৬,১০৮ রূপে নিজেকে প্রকাশিত করেছিলেন, সেইরকম ভাবেই তিনি সাতটি সংকীর্তন দলেই নৃত্য করছিলেন এবং প্রত্যেক দল ভাবছিল যে আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে চৈতন্য মহাপ্রভু কেবল আমাদের সাথেই নৃত্য করছেন। কিন্তু প্রতাপ রুদ্র মহাশয় দেখতে পেরেছিলেন যে চৈতন্য মহাপ্রভু সাত রূপে সাতটি দলে উপস্থিত। হরিবোল! সার্বভৌম ভট্টাচার্য এবং গোপীনাথ আচার্য সম্পূর্ণ বিস্মিত ছিলেন যে কিভাবে রাজা চৈতন্য মহাপ্রভুর দ্বারা এত আশীর্বাদ প্রাপ্ত হলেন যে তিনি চৈতন্য মহাপ্রভুকে একই সময় সাতটি দলে দেখতে পারছিলেন। আমরা গতকাল এই সম্পর্কে পড়ছিলাম আমি এখন আর বেশি কিছু বলতে চাই না কিন্তু এই সাফারির পর আমরা চৈতন্য লীলা প্রবচনেও জগন্নাথ পুরীর বিষয়ে আলোচনা করব। আমরা এই লিংকটি চেঞ্জ করবো না আপনারা এতে যুক্ত হতে পারেন। যদি আপনার ইচ্ছা হয়, তাহলে আপনি থাকতে পারেন এবং দেখতে পারেন এর পরবর্তী অধ্যায় রথযাত্রার লীলাতে কি বলা হচ্ছে।
আমি দক্ষিণ আমেরিকার সাফারির জন্য অপেক্ষা করছি। যদিও আমি দক্ষিণ আমেরিকা অনেকবার গিয়েছি। সেখানে চারটি দেশ আমার মণ্ডলীর অন্তর্গত, তবে আমি অন্যান্য দেশগুলিতেও যাই কিন্তু এটি প্রথম বার যে আমরা এখানে সাফারি করছি তাই তা অতি অতি বিশেষ। অবশ্য, এই যাত্রাটি করতে হাজার হাজার ডলার খরচা হয়েছে এবং কোনভাবে মরীচি প্রার্থনা করছিল পুরো বিষয়টি যাতে ভালোভাবে হয়! আমার মনে হয় যেহেতু এটি একটি ভার্চুয়াল সাফারি সেই জন্য। ধন্যবাদ এই বছরের সাফারিতে অংশগ্রহণ করার জন্য! সকলকে ধন্যবাদ জগন্নাথ পুরী, শ্রী ক্ষেত্রে পাঠ দেওয়ার জন্য! এটি অত্যন্ত পবিত্র স্থান।
শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে প্রচেষ্টা করতে বলেছিলেন যাতে বিদেশী ভক্তদের জগন্নাথ পুরী মন্দিরে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা হয়। আমি গজপতি মহারাজকে একটি চিঠি লিখেছিলাম। তিনি আমাকে বলেছিলেন পুরীর শংকরাচার্যের সাথে আলাপ করতে। কিন্তু যেমন মহারাজ বললেন, এমনকি যদি আমরা তত্ক্ষণাত প্রবেশের অনুমতি নাও পাই, তবুও সেখানে দর্শন করার জন্য অনেক পবিত্র স্থান রয়েছে। ধন্যবাদ! হরে কৃষ্ণ!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২