Text Size

২০২০১০১১ ভাদ্র পূর্ণিমার উপলব্ধি বিষয়ে রাত্রিকালীন প্রবচন

11 Oct 2020|Duration: 00:08:51|Bengali|Public Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

নিন্মোক্ত প্রবচনটি শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ ভাদ্র পূর্ণিমার উপলব্ধি বিষয়ে রাত্রে জুমে ১১ অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারতে প্রদান করেছেন

নমো ওঁবিষ্ণুপাদায় কৃষ্ণপ্রেষ্ঠায় ভূতলে।
শ্রীমতে ভক্তিবেদান্ত স্বামীনিতি নামিনে॥
নমস্তে সারস্বতে দেবে গৌরবাণী প্রচারিনে।
নির্বিশেষ-শুন্যবাদী পাশ্চাত্যদেশ তারিণে॥

জয়পতাকা স্বামী:- কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে আমি নিজে লকডাউনে আছি। কিন্তু জুম ব্যবহার করেছি, আমি বিভিন্ন ভক্তদের এই ভাদ্র পূর্ণিমায় অংশগ্রহণ করার জন্য অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেছি। আমরা জানি যে শ্রীমদ্ভাগবতমকে পূজা করার এবং এছাড়াও কাউকে শ্রীমদ্ভাগবতম দান করার জন্যও এটি এক বিশেষ সুযোগ। তাই, আমি প্রত্যেকদিন পাঠে কিছুটা সময় ভাদ্র পূর্ণিমা উৎসব বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছি। এবং আমার বুক টেবিল ও আছে, ভার্চুয়াল বুক টেবিল। এবং মানুষেরা সেখান থেকে ভাগবতম সেট নিচ্ছে বা দান করছ। ভাদ্র পূর্ণিমায় আমি বিভিন্ন গৌড়ীয় মঠে ভাগবতম দিয়েছি, আমি ভেবেছি যাতে তারা শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ পড়েন, তাহলে তারা বুঝতে পারবেন যে আমরা কেন শ্রীল প্রভুপাদের এত প্রশংসা করি! এছাড়াও আমি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন সংস্থার, যাদের লাইব্রেরী আছে, সেই সব লাইব্রেরিতে গ্রন্থ বিতরণ করেছি, যাতে সব মানুষেরা শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থ পড়তে পারে। আমার ভার্চুয়াল টেবিলে এখানে এক স্থানে বসে আমি ৪৯৫ সেট শ্রীমদ্ভাগবতম বিতরণ করতে পেরেছি। আমার মনে হয় যে, যদি প্রত্যেক গুরু, প্রত্যেক সন্ন্যাসীর ভার্চুয়াল টেবিল থাকে এবং তার মাধ্যমে শ্রীমদ্ভাগবতম প্রচার করা হয়, তাহলে তারা অনেক গ্রন্থ প্রচার করতে পারবে। এইভাবে আমরা ভাগবতম চেতনা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করতে পারি এবং এই ভাদ্র পূর্ণিমা অনুষ্ঠানকে এক বিরাট সাফল্যে রূপান্তরিত করতে পারি। আমি বিবিটি, বিজয় দাস এবং শ্রীপাদ বৈশেস্বিকা দাসের প্রতি তাদের অনুপ্রেরণা এবং ভাদ্র পূর্ণিমায় বিশেষ পূজার জন্য অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আসলে আসামে যেখানে শঙ্করদেব প্রচার করেছেন, তাদের একটি বিশেষ সিংহাসনে শ্রীমদ্ভাগবতম আছে এবং তারা তা পূজা করেন। যেহেতু তারা ব্রাহ্মণ নয়, তাই তারা শ্রীবিগ্রহ রাখার বিষয়ে নিজেদেরকে যোগ্য মনে করেন না।  কিন্তু প্রত্যেকেই শ্রীমদ্ভাগবতম্ পূজা করতে পারে। হরি বোল! শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বিশেষত পরামর্শ দিয়েছেন যে, আমাদের কৃষ্ণের শিক্ষা অধ্যয়ন করা উচিত—গীতা হচ্ছে কৃষ্ণের দ্বারা কথিত বাণী এবং ভাগবতম হচ্ছে কৃষ্ণ সম্পর্কিত কথা। তাই প্রত্যেকে যারা শ্রীমদ্ভাগবতম নিচ্ছেন, আমরা তাদেরকে বিনামূল্যে ভগবদ্‌গীতা দিচ্ছি, যাতে তাদের সকলের কাছে কৃষ্ণের শিক্ষা থাকে। 

অসংখ্য ধন্যবাদ! যারা ভাদ্র পূর্ণিমার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন, আমি সেই সকল ভক্তদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি আশা করি যে আমার তত্ত্বাবধানে থাকা স্থানের ভক্তরা এই অ্যাপের পরিকল্পনা এবং জুহু ভক্তদের থেকে পাওয়া সব পরিকল্পনার সুযোগ গ্রহণ করবে। হরে কৃষ্ণ! অসংখ্য ধন্যবাদ!  

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 13/8/2023
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions