Text Size

২০২০১০০৯ জুমের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামহট্ট মেলা ভক্তদের উদ্দেশ্যে প্রবচন

9 Oct 2020|Duration: 00:42:26|Bengali|Zoom Sessions|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
 যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
 পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
 হরি ওঁ তৎ সৎ
 

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী:

গোবর্ধন ধরং বন্দে গোপাল গোপরূপীনং
গোকুলোৎসবম্ ঈষানাং গোবিন্দম্ গোপিকাপ্রিয়ম্

ভক্তিবিনোদ ঠাকুর এই নামহট্ট স্থাপন করলেন। এখন বহু লোক শহরের মধ্যে থাকেন। এখন আগে লোক বেশি গ্রামে থাকত, এবং সেইভাবে নামহট্ট অত্যন্ত উপযুক্ত। কিন্তু শহরের মধ্যে ছোট গ্রুপ সেখানে বেশি উপযুক্ত। কেননা একটা ফ্ল্যাটে ১০-১৫ জন বেশি থাকলে কষ্ট হয়। গ্রামের মধ্যে নামহট্টে ৫০-৬০ জন অসুবিধা নেই। তাই এই ভক্তিবৃক্ষ হচ্ছে অল্প লোকের গ্রুপ। এবং সেখানে যেহেতু অল্প লোক আছেন, সেইভাবে উপযুক্ত আলোচনা করা যায়। বেশি লোক হলে সবাই কথা বলে অসুবিধা হয়ে যায়।

এখন ভক্তিবৃক্ষের ৬টা অঙ্গ আছে—

প্রথম হচ্ছে, নিজের সবার কাছে পরিচিত হওয়া, সেইভাবে একটা আলোচনা হয়। বাইরের জীবন থেকে নিজের একটা ঘনিষ্ঠতা স্থাপন করার জন্য। তারপরে এমনি একটা জপ-কীর্তন, সবাই হরিনাম করলে হরিনামের কৃপা পাবে। তারপরে একটা আলোচনা হয়, এখন সেটা বিভিন্ন প্রকার হয়। কেউ গীতার উপরে করেন, কেউ বিভিন্ন শ্লোক বার করে করে, কেউ হয়ত বিশেষ একটা আগে থেকে একটা পদ্ধতি করা হয় যে ৫৭তম শ্লোক বা ৬৫তম শ্লোক, এইভাবে একটা পড়া হয়। এবং সেখানে (৫:৫৭) প্রথম একটা কেউ পড়ল, এবং সবাই অনুসন্ধান করবে এই উক্তির মধ্যে সবথেকে মূল্যবান জিনিস কি। সেইভাবে ইংরেজিতে বলা হয় discovery. এবং তারপরে উপলব্ধি করা, সেই জিনিস একটা নিজের উপলব্ধি করা। এবং সেইটার বিভিন্ন আলোচনা করা হয়। এটা কি কি শাস্ত্র উদাহরণ আছে ইত্যাদি। তারপরে একটা আছে উপলব্ধি বা সেখানে যোগদান করা। এটা নিজের জীবনের মধ্যে এই শিক্ষাটা কিভাবে প্রয়োগ করব। এবং সেটা ৭ প্রকারের আছে। এখন এইভাবে আলোচনা করার খুব সুন্দর একটা…যে নেতৃত্ব করবে সবাই যাতে অংশগ্রহণ করে সেটা দেখবে। তারপরে প্রচারের একটা সভা, সবাই বলবে কি প্রচার করেছে বা কি করার ইচ্ছা আছে। কিভাবে নতুন লোক নিয়ে আসবে বা কিভাবে প্রচার করবে। তারপরে একটা পূজা, সংক্ষিপ্ত একটা আরতি—পুষ্প-দীপ, তারপরে প্রসাদ বিতরণ, একটা খুব সহজ প্রসাদ, বেশি জটিল প্রসাদ না কর, যাতে সবার ক্ষমতা থাকবে। বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন লোকের বাড়িতে অনুষ্ঠান উদযাপন করতে পারে কারণ সেইভাবে একটা সহজ প্রসাদ যদি তৈরি করতে পারে। যদি কারও জন্মদিন হয় বা কোন বিশেষ উপলক্ষ, তাহলে হয়ত বিশেষ উৎসব হতে পারে। এইভাবে ৬টা ধাপ আছে একটা নামহট্টের। আশা করি সবাই এটা করবে। 

এখন ব্যাঙ্গালোর থেকে করছে যে একটা ভক্তিবৃক্ষের সম্মেলন একটা ৩-৪ মিনিটের একটা ভিডিও দিতে হবে (১০:৪৯) সেই উপরে আলোচনা হবে। কেউ শাস্ত্র উপরে, কেউ ভিডিও উপরে, একটা কিছু করে তারপর আলোচনা শুরু হয়। এখন মায়াপুরে একজন চেষ্টা করছে একটা কিভাবে এই লকডাউন-এর মধ্যে কিভাবে ভক্তিবৃক্ষ জুমে বা ইন্টারনেটের দ্বারা হতে পারে। জুমে ৪৫ মিনিট বিনামূল্যে করা যায়। এই ৪০ মিনিটের মধ্যে যাতে একটা ভক্তবৃক্ষ হতে পারে, এইভাবে চেষ্টা করছে। এখন বিভিন্নভাবে বিভিন্ন প্রচেষ্টা করছে। 

এখন যেহেতু এই পরিস্থিতি, আমি দেখলাম যে বাংলাদেশে অনেক মিলন হয়। কোন কোন দেশে মিলন এখনো পর্যন্ত নিষেধ আছে। আমাদের মন্দিরের ৬ ফিট অন্তর অন্তর সামাজিক দূরত্ব রেখে কেউ যোগদান করতে পারে। 

যাই হোক, ভক্তিবৃক্ষ হচ্ছে একটা সুবিধা, এইভাবে ঘনিষ্ঠ আলোচনা হয়। অনেক সময় আলোচনা করার ফলে সবার নিজের নিজের বেশি উপলব্ধি হয়। একটা মহিলা অনেকবার নামহট্টে এসেছিল। সে জানতে পারেন নিরামিষ খেলে ভালো হয়, সেটা শুনেছে তার মাথার উপর দিয়ে চলে গেল। ভাবছে এটা অন্য লোকের জন্য আমি তো মাছ খেতে চাই। তারপর একদিন ভক্তিবৃক্ষতে এসেছে, এখন সেখানে আলোচনা হল আমরা যা খাই, সেটা আমরা হয়ে যাই। যে পশু, মাছ পছন্দ করে, সে বিড়াল বা কি পশু ভালোবাসে মাছ খাওয়া? সে হতে পারে। এখন ভক্তিবৃক্ষে এক একজনকে কিছু বলতে বলা হয়। ওনারে যখন পালা এসছে—“যদি মাছ খেয়ে বিড়াল যদি জন্ম নিতে হয়, আমি আজ থেকে আর মাছ খাব না।” হরিবোল! তো এই ভক্তিবৃক্ষ, যেহেতু এটা সবার কাছে একটা আলোচনা করা, এটা একদিকে সুবিধা। 

যাইহোক, ভক্তিবৃক্ষ হচ্ছে এক প্রকার নামহট্ট। শহরের নামহট্ট। যেহেতু গ্রামে যত বড় হোক সবাই শুনতে পারে, শহরে তা হয় না। (১৬:২৩) মহাপ্রভু বলছিলেন, আপনারা ১০ জন হাততালি দিয়া আপনার বাড়ির বারান্দায় কৃষ্ণ নাম কর। এই ভাবে ছোট দল যখন স্থাপিত করলেন।

যাইহোক, উপস্থিত কয়জন ভক্তিবৃক্ষ করে? আর কয়জন নামহট্ট করে? এটা একটা পল করো। যে পল করবে, সঙ্গে সঙ্গে শেষ করবে না। পল সঙ্গে সঙ্গে শেষ করা উচিত নয়। কেননা অনেক লোক তো সময় লাগে মনস্থির করা। 

একজন হাওড়ার স্টেশনে আমার কাছে বলছিল, যে সেখানে গ্রন্থ বিতরণ করছিল। এবং একজন সক্রিয় রেলে কর্মচারী একটা বই কিনে পড়ছিল। সরকারি কর্মচারী তো, অনেক ঘন্টা ছিল। এবং সমস্ত বই পড়ল। যে সংকীর্তন ভক্ত, তার কাছে বলছিল—“আমি আপনার বই পড়ে আমি মনস্থির হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি! আমি করব! কি করব বলুন? আপনি আমার গুরু বলুন।”

“তাহলে তুমি মন্দিরে চলে এসো।”

“আমার স্ত্রী আছে, পুত্রগণ আছে, মেয়েগণ আছে, একটা পঙ্গু একটা বোন আছে, বুড়ি মা আছে, ঠাকুমা, তারপরে গাভি আছে, সব চলে আসব?”

“হম্ম! আমি মন্দিরের সভাপতিকে জিজ্ঞেস করি!” 

“আমি বিশ্বাস করি! বলুন আমি কি করব?”

“আপনি আজীবন সদস্য হয়ে যান।”

“কি করতে হয়?”

“এত হাজার টাকা দিতে হবে।”

“আমি গরিব লোক আমি এত একসঙ্গে দিতে পারব না।”

“তাহলে আর একটা বই কিনুন!”

তখন আমাকে বলছিল যে আমি বুঝেছি এখন অনেক লোক আছে যারা প্রভুপাদের গ্রন্থ পড়ে, গীতা পড়ে, ভাগবত পড়ে, তারা পালন করতে চায়। এইভাবে আমি তখন নামহট্ট শুরু করলাম। প্রভুপাদের শতবার্ষিকী যখন হল ১৯৯৬ সালে, তখন আমি ভক্তিবৃক্ষ করলাম। এখন সেইভাবে গৃহস্থ যারা, ছাত্র যারা, তারা বিভিন্ন নামহট্ট, ভক্তিবৃক্ষ, (২১:২৯) সেবা বা যোগদান করতে পারে। এবং তারা নেতৃত্ব সেবা করতে পারে। এইভাবে একটা চৈতন্যদেবের বাণী বিস্তার করতে পারে। তারা বিভিন্নভাবে তা বাড়িতে পালন করতে পারে। এবং ১টা নামহট্ট থেকে আবার ২-৩-৪টে ভক্তিবৃক্ষ হয়ে যায়। এখন আমাদের কোন কোন শহরে ১০০, ২০০, ৩০০ ভক্তিবৃক্ষ হয়। এইভাবে (২২:৪৪) ৩-৪০০ ভক্তি বৃক্ষ আছে। এবং সেভাবে বাংলা আছে, হিন্দি আছে, বিভিন্ন ভাষা। চেন্নাই চেন্নাইতে প্রায় ১২০টা ভক্তিবৃক্ষ আছে। বিভিন্ন শহর বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছে। রাশিয়াতে প্রায় ৫৫৬ ভক্তিবৃক্ষ আছে। (২৩:৪৮) এইভাবে পৃথিবীতে এখন বহু ভক্তিবৃক্ষ হয়ে গেল। এবং কোন কোন জায়গায় নামহট্ট আছে। এখন বাংলাদেশে যেহেতু অনেকে বাড়ি থেকে ভজন করছেন, এইভাবে ভক্তিবৃক্ষ করতে একটা সুবিধা থাকবে। এবং সকলে এই ভক্তিবৃক্ষে একটা বিশেষ সেবা করতে পারে, প্রচার করতে পারে। যদি কোন জায়গায় ৪-৫টা ভক্তিবৃক্ষ হয়, সেটা হচ্ছে উপচক্র। ১০-১৫ ভক্তিবৃক্ষ হচ্ছে একটা চক্র। এইভাবে ৩টে চক্র ১টা মহাচক্র। এবং ৩টে মহাচক্র মিলে ১টা মালা। মালার যে সেনাপতি তাদের মোটামুটি ১০৮টা সঙ্গ থাকে। এরকম আমাদের কয়েকজন আছে। এখন মহা চক্রপতি অনেক আছে, যেখানে ৩৪টা ভক্তিবৃক্ষ থাকবে। এইভাবে একটা তত্ত্বাবধান থাকবে যাতে সবাই ঠিক মতন মিলন হচ্ছে এটা দেখবে। সেটা উপচক্রপতি প্রত্যেকে তার উপচক্রের মধ্যে প্রত্যেক সঙ্গ কমপক্ষে ১ বার মাসিক যোগদান করবে। আর চক্র সেনাপতি সে প্রত্যেকের উপচক্রের মধ্যে যাবে ১ মাসের মধ্যে। এবং এভাবে ৩ মাসের মধ্যে প্রত্যেক সঙ্গ যোগদান হবে। মহাচক্র সেনাপতি সে প্রত্যেক চক্রের মধ্যে প্রত্যেক মাসে যাবে। এবং সেইভাবে সমস্ত বার করতে ৬ মাস লাগবে। এভাবে সুন্দর একটা সঙ্গ হয়। মাঝে মাঝে একটা মহামিলন হয়। এইভাবে একটা পদ্ধতি থাকবে। সবাই এখন শিষ্যর জন্য ভক্তিবৃক্ষ হয়, মহিলার জন্য ভক্তিবৃক্ষ হয়, পুরুষের জন্য হয়, পরিবার হয়, বিভিন্নরকম।

এখন আশা করি যে বাংলাদেশে হাজার হাজার নামহট্ট এবং ভক্তিবৃক্ষ হবে। আমি এ বিষয়ে কোন রিপোর্ট পাইনা। কত ভক্তিবৃক্ষ বা কত নামহট্ট আছে বাংলাদেশে, সেটা কেউ রিপোর্ট দেবেন? কেউ যদি প্রশ্ন থাকে, কিছু প্রশ্ন নিব। তারপরে কারও বাড়ি যাব।

প্রশ্ন: পুরুষোত্তম মাসে যে আরতি করছি আমরা, সেখানে চৌরাগ্রগণ্যাষ্টকম্ টি পাঠ করতে আপনি না করেছেন, সেখানে আমরা কোন কোন রাধা-কৃষ্ণের ভজনগুলো গাইতে পারি এবং আরতি দেখানোর সময়, প্রদীপ দেখানোর সময়, অনেক মন্দির এটা বন্ধ করেনি গুরুমহারাজ, সেক্ষেত্রে আপনি কি নির্দেশ দেবেন?

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: মায়াপুরে আমরা করছি যুগলাষ্টকম্। জীব গোস্বামী করলেন একটা গান। এখন সেই গান যুগলাষ্টকম্ গান করছে। এখন যে চৌরাষ্টকম্ বলতে চায় আমি বাধা দিচ্ছি না। এটা কেউ জিজ্ঞেস করছে যে কোন আচার্য কি অনুমোদন করেছিল এই গান করতে? সেটা আমরা পণ্ডিতকে বললাম দেখো। এখন তারা বলছে পুষ্টিমার্গে নাকি এই গান করে, কিন্তু আমাদের বিশেষভাবে রাধাকৃষ্ণকে গান করা উচিত। যেহেতু পুষ্টিমার্গ রাধাকৃষ্ণ ভজন করে না, তারা এই গান করে, এই গান খারাপ নাই, গান করতে পারে, কিন্তু এটা রাধাকৃষ্ণের উপলক্ষে নয়, এটা হচ্ছে এমনি কৃষ্ণের উপলক্ষে। এটায় রাধা নাম শুধু একবার আছে যে রাধার হৃদয় চুরি কর। সেজন্য আমরা রাধাকৃষ্ণের কোনো গান করা যেতে পারে। আমি দেখলাম যে জীব গোস্বামীর গান এটা অনেক সহজ হয়, সবচেয়ে ভালো এটা সবাই করতে পারে বা কোন রাধাকৃষ্ণের গান করলে, এটা পুরুষোত্তম মাস ও রাধাকৃষ্ণ হচ্ছেন ঠাকুর। এখন দামোদর মাস, সেখানে দামাদার এবং যশোদা হচ্ছেন ঠাকুর। তখন সে প্রভুপাদ বলছিলেন গান করার জন্য—“সচ্চিদানন্দরূপম” এটা কোন আচার্য যখনও বিশেষ প্রার্থনা করতে বলেনি। কিন্তু তাঁরা বলেছেন যে ঠাকুর রাধাকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে পূজা হবে। এইভাবে আমি যুগলাষ্টকম্-এ আমি রাজি হলাম। 

প্রশ্ন: পুরুষোত্তম ব্রত যারা হবিষ্যান্ন প্রসাদ গ্রহণ করে করছেন, তারা কিভাবে ব্রত ভঙ্গ করবেন?

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: সেটা আমি একটা ভিডিও করার জন্য ভাবছি। চতুর্দশীতে ভঙ্গ করতে হবে। এবং সেখানে ৩৩টা মালপোয়া অর্পণ করতে হয়। সেটা কোনো গৃহস্থের ব্রাহ্মণকে দিতে হয়। এবং সেখানে ওই দিনে বিভিন্ন সেবা করতে হয়, বিভিন্ন দান করতে হয়। যারা গৃহস্থ ব্রত করছেন। হরে কৃষ্ণ!

আমি দেখছি আজকে আমি বলব বিস্তারিত কিভাবে ব্রত ভঙ্গ হবে। আমি সংক্ষিপ্ত (৩৬:০০) 

প্রশ্ন: গুরুমহারাজ তুলসি কাষ্ঠতে তুলা দিয়ে আমরা প্রদীপ দেখাই, সেই প্রদীপটি তো সবাইকেই দেখাই আমরা গুরুবর্গ, তুলসী মহারানী, রাধারানী; সাধারণত যাদেরকে তুলসীপত্র নিবেদন করা হয় না। এটা কি কোন অপরাধ হবে গুরুমহারাজ?

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: আমরা রাধাকৃষ্ণকে দেওয়ার আগে দেখাই গুরু-পরম্পরাকে, নিবেদন করি না, দেখাই। দেখানোর পরে আমরা গুরু-পরম্পরার দ্বারা রাধাকৃষ্ণ বা নিতাইগৌর পূজো করছি। তারপরে সেই প্রসাদী গুরু-পরম্পরাকে দেওয়া কোন অপরাধ নাই। তুলসী যদি কৃষ্ণকে অর্পণ করা হয়, তারপরে আমরা খেতে পারি, এটা হল কৃষ্ণের প্রসাদ। 

প্রশ্ন: স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ভক্ত, কিন্তু স্বামী ভক্তিমূলক সেবা করতে চান না। ওনাকে কিভাবে বোঝানো যেতে পারে?

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: কেন? কি ধরনের ভক্ত? এখন কাউকে জোর করে করানো যায় না। এখন কৌশল করে মহিলা কায়দা জানে—“আমাকে সাহায্য করো এই আরতি করব!” বা গীতা নিয়ে —“এই শ্লোক আমি বুঝতে পারছি না, দয়া করে আমাকে বোঝান।”  হয়ত সেই মহিলা বুঝতে পারে, কিন্তু স্বামী, ওনার একটা অহংকার আছে যে আমি পুরুষ, তাই বল যে—“আমি মহিলা, আমি বুঝতে পারছি না, আপনি বলুন।” তখন তিনি পড়বেন, আর এই পড়াটাও ওনার কিছু একটা সেবা হল। সেইভাবে কিছু বলবে। এইভাবে বিভিন্ন কৌশল দিয়ে মহিলা তার স্বামীকে কৃষ্ণ সেবার মধ্যে নিযুক্ত করতে পারে। এটা আমরা পারব না, কিন্তু মহিলাদের সেই ক্ষমতা আছে।

ভক্ত: হরেকৃষ্ণ গুরুমহারাজ, জীব গোস্বামীপাদের যেটা এই পুরুষোত্তম মাসে আপনি কীর্তন করতে বললেন, সেটা আপনার ফেসবুক পেজে একটু দিয়ে দেন, তাহলে সেটা সবার মাঝে পৌঁছাবে। এটা আমাদের কাছে পৌঁছায়নি এখনও। 

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: ঠিক আছে! (৪১:৩০) ফেসবুক বাংলা, ইংরেজি যাতে দেওয়া হয়। হরিবোল! গৌরাঙ্গ! নিত্যানন্দ! কৃষ্ণে মতি রস্ত!

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 23/07/2025
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions