২০২০১০০৭ জুমের মাধ্যমে বাংলাদেশে গ্রন্থ বিতরণকারী ভক্তবৃন্দের উদ্দেশ্যে প্রবচন
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী:
গোবর্ধন ধরং বন্দে গোপাল গোপরূপীনং
গোকুলোৎসবম্ ঈষানাং গোবিন্দম্ গোপিকাপ্রিয়ম্
যাইহোক প্রভুপাদ চেয়েছেন এই গ্রন্থ বিতরণ হোক। কিন্তু যদি লোক গ্রন্থ বিতরণকারীকে জিজ্ঞেস করে, “এতে কি আছে?” “আমি জানিনা!”, সে যদি উত্তর দেয়, “আমি কেবল বই বিক্রি করি।” এটা প্রভুপাদ চাননি। আপনারা গ্রন্থ পড়বেন, অধ্যয়ন করবেন, বিতরণ করবেন। তারপর আপনাদের এই অনুভব করার পর এইটা বিতরণ করার ইচ্ছা থাকবে। এবং এই গীতা এবং ভাগবত এটা হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। ভগবদ্গীতা কৃষ্ণের নিজের পদ্মমুখ বাণী এবং ভাগবতম হচ্ছে ভাগবত পুরাণ, যা হচ্ছে ভগবানের সম্বন্ধ তত্ত্ব। এবং এটা ভগবানের একটা গ্রন্থ অবতার। ভাগবতম যে বাড়িতে থাকে সমস্ত দেবতাগণ এসে প্রণাম করে। এই ভাগবতম এত বিশেষ গুরুত্ব আছে, একটু পড়লেই ভগবানের সান্নিধ্য লাভ হয়। এবং ভগবানের কি গুণ আছে, কি লীলা আছে, এটা প্রথম স্কন্ধ থেকে পর পর পর পড়লে সেটা অনুভব হয়। তখন দশম স্কন্ধে শ্রীকৃষ্ণের লীলা পড়লে বোঝা যায় যে তিনি পরমেশ্বর ভগবান, কিন্তু উনি যে মনুষ্য়ের মতো ব্যবহার করছেন যে তাঁর জ্যেষ্ঠ আছে তাদের কাছে প্রণাম করা, সমবয়সী আলিঙ্গন করা ইত্যাদি। পণ্ডিত লোক ওঁনার ব্যবহার দেখে বিভ্রান্ত হয়ে যায় যে এত উনি ব্যবহার করেছেন সবার সাথে। কিন্তু যদি ভাগবত জানো অপরাধী খন্ড খন্ড পড়ে, আমরা সেইভাবে ভগবানের বিশেষ গুণ উপলব্ধি হয়। এখন সাধারণভাবে তো লোক বোঝে না যে ভগবান এই জড়জগতের কোন অংশ নয়। কিন্তু এটা যদি পড়া হয়, বোঝা যায় যে উনি এই পৃথিবীতে আগে ছিলেন এবং পড়ে আছেন। এখন এই বিশ্ব ওঁনার থেকে সৃষ্টি হয়। অনেক লোক মনে করে যে ব্যক্তিত্ব আছে সেটা হচ্ছে এই জড়জগৎ। অব্যক্তবাদী মনে করছে যে পরমব্রহ্ম দুনিয়ার কারণ। কিন্তু যে ভগবান উনি ব্যক্তি, তিনি সেরকম ব্যক্তি নয়, তিনি হচ্ছেন সম্পূর্ণভাবে সচ্চিদানন্দ। এবং এইভাবে সবকিছু বোঝা যায় যদি ভাগবত, গীতা যদি পড়া হয়। এইটা একটা জিনিস যে গ্রন্থ অধ্যয়ন করতে হয়। তারপরে আমরা তখন অধ্যয়ন করব, বুঝব এই গ্রন্থ অমূল্য সম্পদ। এবং এটা যাতে সাধারণ লোক পায়, এটা আমাদের ইচ্ছা হয়। এই পেলে আমরা বসে কত ঘন্টা আরেকজনের সঙ্গে বলতে পারব। একটা গ্রন্থ মানে কত ঘন্টা হবে। এখন সেইভাবে প্রত্যেকের কাছে গ্রন্থ বিতরণ করা, বিশেষ এই পড়লে যথেষ্ট উপকার পাবে।
আমি শুনছি যে একজন লস এঞ্জেলসে, সে (?) গুন্ডা ছিল। তিনি অ্যালকোহলিক বিক্রি করতেন। তিনি কোনরকমে একটা গ্রন্থ কিনেছে, ঠিক ওই মুহূর্তে একটা লোক এসে তার শত্রু গুন্ডা ঢুম ঢুম ঢুম গুলি মারছে। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু! কিন্তু তার হাতে ছিল কৃষ্ণের গ্রন্থ। সেই ভাবে তার কত ভাগ্য হল! এই গ্রন্থ হাতে রাখলে বহু তার উপকার হল। এইভাবে আমরা কত লোককে সৌভাগ্যবান করব এই গ্রন্থ বিতরণ করে। একটা গ্রন্থ আমাদের এখানে ভক্তি নিত্যানন্দ স্বামী ওনার বিভিন্ন আত্মীয় একটা গ্রন্থ নিয়েছেন—উনি পড়লেন, তার ভাই পড়লেন, তার ভাই বউ পড়লেন, এইভাবে অনেকে ভক্ত হয়ে গেল। এইভাবে গ্রন্থ বিতরণ করলে, এটা সে যদি না পড়তে পারে এমনও লোক আছে হয়ত এটা তার ডেক্সে রাখে, আরেকজন আত্মীয় পড়ল। এবং সে পড়লে সে ভক্তি তত্ত্ব বুঝতে পারবে। সেইভাবে আমাদের ইচ্ছা হয় যে সবাই যেন কৃষ্ণভক্তি পথে এসে যায়। এটা আমার পরম গুরুদেব বলছিলেন এ হচ্ছে বৃহৎ মৃদঙ্গ। সাধারণত মৃদঙ্গ এই কয়েকশো মিটার শব্দ যায়, কিন্তু এই গ্রন্থ কত দূরে চলে যাবে। এই জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই গ্রন্থ বিতরণ করা। আমরা যদি গ্রন্থ বিতরণ করি, আমরা ভগবানের আশীর্বাদ পাই, আর যারা গ্রন্থ নেয় তারাও পায়। বাড়ি নিয়ে গেলে অনেক লোক উপকৃত হয়। এইভাবে এই গ্রন্থ হচ্ছে ভগবানের নাম, ভগবানের গুণ, ভগবানের লীলা, সবকিছুই ভগবানের অপ্রাকৃত অভিন্ন তত্ত্ব।
প্রাচীন দুর্গাপূজা শুনলাম, সেখানে আগে একটা শালিগ্রাম শিলা রাখতেন। এবং সেখানে শালিগ্রাম শিলা পূজা করে তারপরে সেই প্রসাদী পূজা দুর্গাকে অর্পণ করতেন। এখন কেউ কেউ এটা এখনো করে, কিন্তু অনেকে করে না। এখন এটা হচ্ছে প্রকৃত পদ্ধতি। দুর্গা, শিব তারা চান কৃষ্ণপ্রসাদ। এই কৃষ্ণপ্রসাদ পেয়ে তাঁরা অত্যন্ত খুশি। যাইহোক, সকালে যাতে ভক্ত হয়ে যায়, বৈষ্ণব হয়ে যায়, এটা আমাদের আশা।
শ্রীল অভয়চরণ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ, তিনি ছিলেন গোষ্ঠীয়ানন্দী। তিনি চেয়েছেন যে ভক্ত সংখ্যা বাড়ুক। সেভাবে এটা হচ্ছে দুই রকম আছে—গোষ্ঠীয়ানন্দী আর ভজনানন্দী। যে ভগবানের ভজন করে নিজের উপলব্ধি পায়, এটা ভজনানন্দী। এবং যে ভক্ত অন্য ভক্তদেরকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চায় গোলক বৃন্দাবনে, সে হচ্ছে গোষ্ঠীয়ানন্দী। তারা চায় ভক্ত সঙ্গ বাড়ানো হোক। যাইহোক, আমি দেখলাম অনেকে জয়পতাকা স্বামী অ্যাপ ডাউনলোড করলেন, আমি তাই জন্য কৃতজ্ঞ। অনেকে এখনো ডাউনলোড করবেন, সেটা ভালো। আমি প্রতিদিন কমপক্ষে ৪-৫ বার কিছু সংবাদ দিচ্ছি যে কি করি, এক এক দিনে কি হয়। যা কিছু কাজ হয় বলে দেই। যাই হোক, ওর মধ্যে একটা পূজা করার সিস্টেম আছে—শাখ, ঘন্টা, ধুপ, দীপ, পুষ্প ইত্যাদি অর্পণ করার পদ্ধতি আছে। সেই ভাবে নিতাই-গৌর, রাধা-কৃষ্ণ, প্রহ্লাদ-নরসিংহদেব ইত্যাদি।
যাইহোক, আপনারা অনেক গ্রন্থ বিতরণ করছেন। প্রভুপাদ আমাকে বলছিলেন যেন আমি ১০,০০০ বড় গ্রন্থ এবং ১,০০,০০০ ছোট গ্রন্থ প্রতি মাসে দেই। এখন এটা আমার ব্যক্তিগত সম্ভব নয়, প্রভুপাদ চেয়েছেন যে আমি সবাইকে উৎসাহিত করি। আপনারা যদি আমার কথায় উৎসাহিত হন, আপনারা ভক্তিবিজয় ভাগবত মহারাজের কাছে আপনারা কত গ্রন্থ বিতরণ করলেন এটা আপনি দিন। এবং লস এঞ্জেলসে যেখানে সংকীর্তন নিউজ লেখা হয়, এটা আপনারা প্রতি মাসে কত গ্রন্থ বিতরণ করলেন এটা পাঠান। আমরা চাই যে তারা বুঝুক যে বাংলাদেশ, ইসলামিক দেশ কিন্তু সেখানে অনেক গীতা, ভাগবত বিতরণ হয়। এখন গ্রন্থ অধ্যয়ন করুন, আর গ্রন্থ বিতরণ করুন।
আপনাদের কোন প্রশ্ন যদি থাকে বলুন। এই চ্যাট বক্সের মধ্যে প্রশ্ন দিতে পারেন।
ভক্ত: দেবর্ষি, গুরুমহারাজ যে বিষয়ে ক্লাস দিলেন—গ্রন্থ অধ্যয়ণ এবং গ্রন্থ প্রচার, এই প্রসঙ্গে যারা প্রশ্ন করবেন, প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন, তুমি সেগুলো দেখে দেখে গুরুমহারাজকে পড়ে শোনাতে পারো।
শ্রীপাদ দেবর্ষি শ্রীবাস প্রভু: গুরুমহারাজ, এখানে ৩ বছরের একটা মেয়ে আছে গুরুমহারাজ। (২১:৩৬) সে আর কি আপনাকে একটু জপ করে শোনাবে। (২১:৫০) গুরুমহারাজ ওর বয়স ৩ বছর গুরুমহারাজ, কিন্তু সে এখন এত সুন্দর জপ করে গুরুমহারাজ।
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: হরিবোল!!
(শিশুটি জপ করছে।)
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: প্রভুপাদ বলছিলেন যে এইভাবে গৃহস্থ ঘরে যেসব শিশু আসে, তারা হচ্ছেন বৈকুন্ঠ শিশু, যেন খুব যত্ন করে ভক্তি শেখায় এবং যাতে ভালোবাসা এবং যত্ন করে। হরে কৃষ্ণ!
প্রশ্ন: পরমারাধ্য গুরুমহারাজ কিভাবে আমি গ্রন্থ অধ্যয়ন নিয়মিত করতে পারব? মাঝে মাঝে উৎসাহ হারিয়ে ফেলি, কিন্তু প্রভুপাদের এই সেবা করতে চাই এবং জন্ম-জন্মধরে আপনার চরণাশ্রয়ে থাকতে চাই এবং প্রভুপাদের এই গ্রন্থ প্রচারে আমি যুক্ত হতে চাই, কিন্তু মাঝে মাঝে আমি উৎসাহ হারিয়ে ফেলি গুরুমহারাজ। কিভাবে আমি সবসময় উৎসাহ ধরে রাখতে পারব?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: মাঝে মাঝে উৎসাহ হারিয়ে ফেললে (২৩:২৪) এবং সেভাবে উৎসাহ আবার ফিরে আসবে। এখন এটা হচ্ছে অনর্থ। অনর্থ্ নিবৃত্তি হবে, নিষ্ঠা হবে, তখন নামের রুচি হবে, তবে এগিয়ে যাবে।
প্রশ্ন: গুরুমহারাজ এখন তো ডিজিটাল ডিভাইসের উপদ্রব হয়েছে, ডিজিটাল ডিভাইস যেমন মোবাইল, কম্পিউটার। সেখানে পিডিএফ গ্রন্থ সকলে পড়তে পারে, সেই ক্ষেত্রে অনেকেই এই পিডিএফ গ্রন্থের কথা বলে। মূল যে হার্ড কপি গ্রন্থ, সেটাকে অনেকেই চায় না। এই ক্ষেত্রে আমাদের প্রচার কিছুটা ব্যাহত হয়। আমরা কিভাবে তাদেরকে এটা বোঝাব গুরুমহারাজ?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: BBT(ভক্তিবেদান্ত বুক ট্রাস্ট) সাথে কথা বলুন। BBT কিছু এইভাবে ই-বই হয়েছে। কিন্তু আমি জানিনা বাংলা না ইংরেজি, ইংরেজিতে হয়েছে। কি ভাষা আমি জানিনা। ট্রানসেন্ড বলে একটা সাইট আছে, ওখানে ই-বই পাওয়া যায়। কিভাবে ই-বই বিতরণ হতে পারে সেটা BBT-র সাথে কথা বলে; আমি অবশ্যই বলব। ভালো প্রশ্ন!
প্রশ্ন: গ্রন্থ প্রচার করতে কিরকম যোগ্যতা লাগবে গুরুমহারাজ?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: ভগবানের সেবা করার ইচ্ছা, বদ্ধ জীবের উপরে দয়া। যখন বিতরণ করবে বই, যদি যার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে তার প্রতি একটা প্রার্থনা করা যাতে ভগবান তার উপরে কৃপা বিস্তার করেন। এইভাবে কৃপা করলে হয়ত তারা গ্রন্থ নেবে। একজন ভক্ত বিমানবন্দরে সারাদিন বই বিতরণ করল, কেউ নিল না তো, তিনি ভগবানের কাছে প্রার্থনা করলেন যেন কেউ এই গ্রন্থ নিয়ে নেয়, এবং আবার একটা বিমান এসেছে, এবং সমস্ত যাত্রী তারা নেমে গেছে, সবাই খুব ব্যস্ত সবাই তাকে চলে গেল, একজনের কাছে বলছে এই গ্রন্থ আছে।
তিনি বলছে, “আজ আমার সবথেকে খারাপ দিন গেল! সব থেকে খারাপ দিন! আমি আপনার কিছু দেখব না।”
“মহাশয় আমরা মানুষের খারাপ দিন সংশোধন করার জন্য এসেছি। আপনার কি খারাপ দিন হল?”
“আমি কেন পড়াশোনা করলাম? কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম? কেন বিয়ে করলাম? কেন চাকরি করলাম? সবকিছু করলাম আমার মা সন্তুষ্ট করার জন্য, আজকে আমার মা মরে গেছে!!! আহহহাহা!! আমার সবথেকে খারাপ দিন!”
“না আপনার মা মরেনি। এখানে ভগবদ্গীতা আছে যে আত্মা হচ্ছে নিত্য। দেহ মরে, আত্মা মরে না! আপনার মা আছেন।”
“আছেন? আমি গ্রন্থ নিতে পারি?”
“হ্যাঁ, নিতে পারো।”
“মাত্র কুড়ি ডলার আছে।”
“ঠিক আছে! যা আছে দেন।”
এইভাবে ভগবানের প্রার্থনা করা কি না হতে পারে। হরিবোল! গৌরাঙ্গ! নিত্যানন্দ! শ্রীল প্রভুপাদ কি জয়!
প্রশ্ন: লখনৌ বা ভারতের বিভিন্ন জায়গায়, তারা মহাপ্রভু এবং নিত্যানন্দ প্রভুকে চেনে না। চৈতন্য চরিতামৃত কি তারা জানেই না। সেই ক্ষেত্রে আমরা তাদেরকে চৈতন্য চরিতামৃত প্রচারে কিভাবে উদ্বুদ্ধ করব?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: সে তারা কৃষ্ণকে চেনে, রামকে চেনে। কৃষ্ণ, রাম সম্বন্ধে বলুন। চৈতন্যদেব বললেন, কৃষ্ণের সবসময় নাম করো, কৃষ্ণের ভজন কর। আমার একজনের সাথে পরিচয় হল, সে বলল—“আমি ২৬ বছর এই হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করছি, আমি কোন আনন্দ পাচ্ছি না।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “আপনার কি চৈতন্য দেবের নাম আছে তো?” “না আমি অন্য সম্প্রদায়।” আমি তখন পঞ্চতত্ত্ব মন্ত্র দিলাম—“শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু-নিত্যানন্দ শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌর ভক্তবৃন্দ।” লিখে দিলাম। এটা আগে জপ করুন, তারপরে হরে কৃষ্ণ বলুন। এটা করলে দেখবেন ভালো ফল পাবেন। এখন আমি তিন মাস পরে এসছি, উনি দূর থেকে আমায় দেখে দৌড়ে... এসেছেন। আমার কাছে সাষ্টাঙ্গ দণ্ডবৎ করেন, “কি মন্ত্র দিয়েছ? কি মন্ত্র? আমি কত আনন্দ পাচ্ছি! আপনি কি মন্ত্র দিলেন?” এখন লখনৌ যদি থাকেন, কিছু না জানে, তোমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ রইল। এখন কৃষ্ণ প্রচার করো, রাম প্রচার করো এবং সেখানে কিছু শেখাও নিতাই-গৌর মাহাত্ম্য। গৌরাঙ্গ এসছেন, বৃন্দাবনে এসেছেন, বেনারসে, প্রয়াগে। সেইভাবে গৌরাঙ্গ কত সহজে কৃষ্ণপ্রেম, রামপ্রেম বিতরণ করছেন। হরিবোল! হরিবোল! নিতাই-গৌরাঙ্গ!
প্রশ্ন: গুরুমহারাজ কেউ যদি শুধু গ্রন্থ প্রচার করে, আর কোন সেবা না করে, তাহলে কি সে কৃষ্ণভাবনাতে টিকে থাকতে পারবে ও ভগবদ্ধামে যেতে পারবে?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: জপ করবে না? প্রসাদ পাবে না? (গুরুমহারাজ জপ, প্রসাদ, এগুলো করবে, কিন্তু সেবা শুধু করবে গ্রন্থ প্রচার।) এখন যদি সে সবসময় গ্রন্থ প্রচারের সেবা করে, অসুবিধা কি? আমাদের সবসময় একটা না একটা কিছু সেবা করতে হয়। এখন যদি সে গ্রন্থ বিতরণ করবে, ভালো! এখন গ্রন্থ বিতরণ অনেকে হয়ত মায়াপুর আসে, সবসময় গ্রন্থ বিতরণ করতে পারে না এবং তারা সেখানে আরবিতে যোগদান করে, নাচে, এইভাবে বিভিন্ন সেবা করে। এখন সবসময় যদি গ্রন্থ বিতরণ করতে পারে, অসুবিধে কি? আরো ভালো! কিন্তু আমাদের সবসময় একটা না একটা সেবা নিয়ে থাকতে হবে। একজন রান্না করে, রান্না না হলে আমাদের সৈনিক চলে না। যেমন সৈনিক খেতে হয়, অনেক গ্রন্থ বিতরণ করতে গেলে প্রসাদ খেতে হয়, তাই কেউ রান্না করবে, কেউ সেবা করবে, একজন প্রসাদ বিতরণ করবে। কেউ যদি বলে আমি অন্য কোন সেবা করব না, সেটা কেন? যে গ্রন্থ বিতরণ করবে, সবকিছু করতে পারে। কিন্তু গ্রন্থ বিতরণের যখন সময় গ্রন্থা বিতরণ করবে। অর্থাৎ প্রসাদ পরিবেশনের সময়, না হলে খাওয়ার সময়, ভগবানের আরতি যোগদান করা, সবকিছু করবে। কিছু না কিছু একটা সেবা নিয়ে করতে হবে। এখন যত বই বিতরণ করতে পারবে তত ভালো, কিন্তু সবসময় একটা সেবা করতে হয়।
প্রশ্ন: গুরুমহারাজ যখন গ্রন্থ বিতরণ করতে যাই, কাউকে যখন বলা হয় গ্রন্থ নিন। বলেন আমার গ্রন্থ আছে। যেটাই বলা হয়, বলে যে এটাও আছে। (...) কষ্ট লাগে, তখন কি করা উচিত?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: কষ্ট? কষ্ট হবে কেন? সবাই যে নেবে এমন কথা নাই। অনেকে বলছে আমার এই গ্রন্থ আছে। ওহ ভগবদ্গীতা যথাযথ আছে? কেমন লেগেছে? ১২ অধ্যায় ৩২ শ্লোকে কি আছে? আমরা জানি ১২ অধ্যায়ে মাত্র ২০টা শ্লোক আছে। এখন সে সত্যিকারে গীতা পড়ে আছে কি না অজুহাত দিচ্ছে? এখন কত সময় দেবে আর কয়েকজনের কাছে, যদি সময় থাকে তার সাথে আলোচনা করো। ওহ গ্রন্থ আপনার কেমন লেগেছে? দেখুন কত গ্রন্থ আছে। আর যদি অনেক লোক থাকে, ঠিক আছে ভালো বলে অন্য লোকের কাছে গেল। আমরা তো পদের জন্য কর্ম ফলাকাঙ্ক্ষী নই। আমরা চাই ভগবানের সেবা করার জন্য। এখন যদি কেউ বলে আমার আছে, তাহলে ঠিক আছে। ভালো অন্য লোকের কাছে নিয়েছে, কিন্তু সত্যিকারে প্রভুপাদের গ্রন্থ আছে না কি গ্রন্থ আছে?
প্রশ্ন: গুরুমহারাজ কখনো কখনো অনেক গরিব মানুষ থাকে, কখনো তাদের কাছে গ্রন্থ প্রচার করতে গেলে, আসলেই দেখি যে তাদের কাছে টাকা থাকে না। ব্রহ্মচারীদের তো কিছু টাকা থাকে, আমাদের হাত থেকে টাকা দিলে কি কোন অপরাধ হবে? তাকে কম টাকাতে গ্রন্থটা দিলে?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: এরকম যদি খুব গ্রন্থ নেওয়ার জন্য ইচ্ছা থাকে এবং সত্যিকারে পয়সার অভাব আছে, অল্প পয়সা দিয়ে একটা ছোট বই দিতে পারো। সেটা একজন বেশি দিচ্ছে, একজন কম দিচ্ছে, মেকআপ করা হয়। আমাদের কাছে একজন এসেছে হাওড়া স্টেশনে বই বিতরণ করল। সরকারি কর্মচারী একজন বই পড়ল, বলছে, “আমি বই পড়ে আমি মনস্থির হয়েছি। আমি এটা অনুশীলন করব। আমি কি করব?”
“আপনি তাহলে মন্দিরে চলে আসুন।”
“আমার স্ত্রী আছে, মেয়ে আছে, ছেলে আছে, দুটো গাভি আছে, একটা বোন আছে যে খাঁটো ইত্যাদি সব পরিবার আছে। আমি সব নিয়ে চলে আসব?”
“আমি মন্দিরের সভাপতি কে জিজ্ঞেস করে তারপর বলব।”
“আমি বই পড়েছি, আমি মনস্থির করলাম আমি অনুশীলন করব, কি করব?”
“আপনি আজীবন সদস্য হয়ে যান।”
কত লাগবে, হয়ত হাজার হাজার টাকা।
“না, আমি গরিব লোক। আমি চাকরিতে বেশি পাই না।”
“আপনি কিস্তি কিস্তি করে দিন ১০০ টাকা মাসে।”
“আমি আপনার গ্রন্থ পড়ে, আমি মনস্থির করলাম আমি অনুশীলন করব। আমি অনুশীলন করব। কি করব বলুন?”
“তাহলে আর কিছু বই নিন।”
হাহাহা!! এখন এটা হওয়ার কারণে আমি নামহট্ট স্থাপন করলাম যে গৃহে থেকে ভজন করতে পারবে। কেননা সবাই যদি মন্দির চলে আসবে ঠিক ব্যবহারিক নয়। এইভাবে গ্রন্থ বিতরণ করা এটা হচ্ছে গুরু-গৌরাঙ্গের প্রতিনিধি হওয়া। এবং সবার কাছে এটা সুযোগ দেওয়া যে কৃষ্ণা সেবা করার জন্য। হরিবোল!
প্রশ্ন: গ্রন্থ বিতরণ করতে গেলে অনেকে বলে যে তুমি ব্যবসা করতে এসেছ, ইসকন ব্যবসা করে, কখনো উৎসাহ অনেক কমে যায় এবং কখনো কখনো ক্রোধ উঠে যায়। ক্রোধ কিভাবে তখন সংবরণ করব?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: এখন বই ছাড়াতে গেলে বিনামূল্য ছাপায় না। কাগজের একটা দাম আছে, ছাপানোর দাম আছে, অন্যান্য গ্রন্থের তুলনায় আমাদের গ্রন্থের অনেক কম দাম। অন্য বুক স্টলে গেলে ৩০০ টাকা, ৪০০ টাকা, ৫০০ টাকা একটা বই। আমাদের গীতা বাংলাদেশে প্রায় ১০০-২০০ টাকা। এখন এইভাবে আমরা বেশি লাভ নিচ্ছি না তো। এখন এটা যদি আপনারা বিনামূল্যে ছাপাবেন, আমরা বিতরণ করব বিনামূল্যে। নাই কাজ খই বাছ!
প্রশ্ন: গুরুমহারাজ মাতাজিরা তো সংসারে অনেক সেবা থাকে, আমরা এই সংসারে থেকে কিভাবে গ্রন্থ প্রচার করতে পারব একটু পথ দেখাবেন। আর যারা অবিবাহিত মাতাজিরা আছে, অবিবাহিত মাতাজিরা কি পুরুষদের কাছে বা অন্যান্যদের কাছে গ্রন্থ বিতরণ করতে পারবে?
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: এখন এক এক দেশের এক একটা পরিস্থিতি বা পরিবেশ আছে। বিদেশে এরকম কোন ব্যাপার নাই। স্ত্রী-পুরুষ তারা এমনিতেই মেশে। এখন স্ত্রীলোক পুরুষের কাছে গিয়া বই বিতরণ করা, সেটা কোন অসুবিধা হয় না। এখন বাংলাদেশে আমি বলতে পারিনা যে সংস্কৃতি বা পরিবেশে অবিবাহিত মহিলা পুরুষের কাছে যেতে পারে কিনা। সেটা বাংলাদেশের নেতারা বলতে পারে। কিন্তু কমপক্ষে যারা মহিলা পুরুষের কাছে যেতে পারে না, পুরুষ মহিলার কাছে যেতে পারেনা, এইভাবে মহিলা মহিলার কাছে গেলে অসুবিধা কি? আমি জানিনা মহিলা পুরুষের কাছে গেলে অসুবিধা আছে কিনা, কিন্তু যেমন মহাবিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা হোস্টেল আছে, মহিলা যেতে পারে সেখানে। সাধারণত হিন্দুদের একটা আলাদা হোস্টেল থাকে। এখন পুরুষরা তো মহিলা হোস্টেলে যেতে পারবে না, এইভাবে মহিলা গেলে সেখানে গ্রন্থ বিতরণ করতে পারে। আমি আগে যখন মন্ট্রিয়াল ছিলাম, আমি বিশ্ববিদ্যালয়, হোস্টেলে বই বিতরণ করতে যেতাম। এখন যারা গৃহে থাকে, যদি একটা সময় থাকে, বিকেলবেলা যে সময় ফ্রি থাকে, স্ত্রী গ্রন্থ বিতরণ করতে পারে। এখন মহামারীর সময় অনেকে গ্রন্থ বিতরণ করছে টেলিফোন বা ইন্টারনেটের দ্বারা। সেইভাবে এটা সবার কাছে প্রতিদিন ১০০ গীতা, ভাগবত ৬ সেট, চৈতন্য চরিতামৃত ইত্যাদি প্রত্যেকদিন বিতরণ হয়। আজকে জন্মদিন তিথি উদযাপন হইল, এবং সে নিজে ৫০টা গীতা আমাদের যে ভার্চুয়াল টেবিল আছে নিয়েছে। আমি যেতে পারছি না, টেবিল রেখেছি, টেবিলে অনেকে দান করে। কারও কাছে পাঠাই কুরিয়ারে আর কেউ এমনি দান করে। এখন সেইভাবে আত্মীয় বা কোন বন্ধুর কাছে ফোন করে বই বিতরণ করতে পারো। ভক্তিবিজয় ভাগবত স্বামী এই প্রসঙ্গে ভালোভাবে জানে। এখন সে প্রত্যেকদিন সংকীর্তনের ছেলে এখানে মায়াপুরের বিতরণ করছে। তাদের ১০ টা বাস আছে যেতে পারছে না, কিন্তু তারাও বিতরণ করছে।
ঠিক আছে?
শ্রীপাদ দেবশ্রী শ্রীবাস প্রভু: গুরুমহারাজ ইসকনের স্বামীবাগ এবং আমাদের ভক্তিঅদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজ আপনাকে কিছু (৫১:২৭) প্রসাদ পাওয়াবেন। এবং গুরুমহারাজ আপনার কিছু ব্যক্তিগত দিন, আপনি অনেক সুন্দর কৌশল শিখিয়েছেন গুরুমহারাজ। ১-২টা কৌশল অনেক ভালো লাগছে সবার। গুরুমহারাজ আপনার কিছু ব্যক্তিগত কয়েকটা টিপস আপনি আমাদেরকে দিয়েছেন। আরো যদি আপনার ব্যক্তিগত টিপস থাকে গুরুমহারাজ গ্রন্থ প্রচারের, এগুলো যদি আপনি শেয়ার করতেন গুরুমহারাজ।
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: কৌশল বলে গ্রন্থ বিতরণ না, এই গ্রন্থ এমনি মানুষ আকর্ষণ আছে। এবং আমি যখন নিজের পার্টি নিয়ে যেতাম, সেখানে অন্যান্য লোক, আমার সঙ্গে ভক্তি চারু স্বামী, অন্যান্য ভক্ত ছিল। তখন তারা সব গ্রন্থ বিতরণ করত এবং আমার কাজ ছিল কিভাবে কোথায় থাকবে রাত্রিবেলা দেখা। তখন আমার একটা কায়দা ছিল যে সবথেকে ধনী এবং দানশীল ব্যক্তি কোথায়। কয়েক জনের আমি সন্ধান পেতাম, তার কাছে গেলাম, জিজ্ঞেস করছিলাম যে—পুণ্যবান ব্যক্তি কোথায়? আমরা এত ব্রহ্মচারী আছি থাকব একদিন। কার কাছে যাব? তখন সে বলত, “না! না! আমার কাছে থাকুন।” এখন হিন্দুদের গৃহস্থ আশ্রম নীতি যে অতিথি তারা কিছু খরচ করতে পারবে না, তাই আমি লিস্ট নিয়ে যেতাম এবং বলতাম কোথায় বাজার? আমি তো জানতাম বাজার কোথায়। আমি ভগবানের জন্য ভোগ নিবেদন করব বাজার কোথায়? আমার কাছ থেকে জোর করে টেনে নিত। “না! না! না! আমি নেব। আমি নেব।” এইভাবে প্রত্যেকদিন আমি বিভিন্ন জায়গায় থাকতাম। আমাদের নিতাই গৌরের বিগ্রহ ছিল, আমরা রান্না করতাম। আমাদের রাধুনী ভক্ত ছিল। এবং সেই রান্না করে, ভগবানের কাছে অর্পণ করে, আমি অতিথি হয়ে তাদের কাছে প্রসাদ দিতাম। এবং তারা খুবই খুশি!! তারা কি নিরামিষ কি আমিষ আমি জানিনা, কিন্তু আমি রান্না করে তাদের কাছে কৃষ্ণপ্রসাদ পেতাম। এবং আমি তাদের যে পরিবারের মহিলা সবাইকে প্রসাদ দিতাম। তারা খুব খুশি হত। এবং তখন আমি সব প্রচারে গিয়ে ভক্ত নিয়ে আসতাম, সেখানে বাড়িতে থেকে প্রসাদ পেত। এটা আমাদের কায়দা ছিল। হরে কৃষ্ণ!
Lecture Suggetions
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন