নিন্মোক্ত প্রবচনটি শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজ ৬ অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, শ্রীধাম মায়াপুর, ভারতে দিয়েছেন। এই জুম অধিবেশনটি বিজয়ওয়াড়া ভক্তদের সাথে হয়েছে।
মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
গোবর্ধন ধরং বন্দে গোপালাম গোপরুপিনং
গোকুলোৎসব ঈশানম গোবিন্দম গোপিকাপ্রিয়ম
ওঁ তৎ সৎ!
জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তিনি বিজয়ওয়াড়া হয়ে গিয়েছিলেন, তিনি মঙ্গল গিরিতেও গিয়েছিলেন। পাহাড়ের উপরে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীচরণপদ্মের চিহ্ন আছে। আমি মানুষদেরকে বলি যে মঙ্গলগিরির নিচে একটা নতুন মন্দির আছে, যা যুধিষ্ঠির মহারাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মঙ্গল গিরি মন্দির এতই পুরাতন যে তা যুগের পর যুগ ধরে রয়েছে। এবং পাদদেশে অবস্থিত মন্দিরটি ৫০০০ বছর পুরাতন, যা আপেক্ষিকভাবে নতুন। যাইহোক, চৈতন্য মহাপ্রভু বিজয়ওয়াড়াতে এগিয়েছিলেন, তাই এই স্থান ধন্য, তাঁর শ্রীচরণ ধূলি এই শহরে এসেছে। এছাড়াও কৃষ্ণা নদী হচ্ছে এক পবিত্র নদী এবং আমার আমাদের মন্দির কৃষ্ণা নদীর কাছে অবস্থিত।
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু নবদ্বীপে আবির্ভূত হয়েছেন যেখানে আমি থাকছি। তিনি গৃহস্থ হিসেবে ২৪ বছর ছিলেন এবং তারপর তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ছয় বছর দক্ষিণ ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি জগন্নাথ পুরী থেকে অন্ধ্রপ্রদেশে গিয়েছিলেন এবং সমগ্র দক্ষিণ ভারতেও সেই রকম অনুরূপ নির্দেশ দিয়েছিলেন,
“ভারত-ভূমিতে হৈল মনুষ্য-জন্ম যার,
জন্ম সার্থক করি' পর-উপকার”।
(চৈ. চ. আদি ৯.৪১)
যাদের ভারত ভূমিতে মনুষ্য জন্ম হয়েছে, তাদের নিজেদের জীবন সার্থক করা উচিত এবং অন্যান্যদের সাহায্য করা উচিত। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু কিছু কিছু গৃহেও গিয়েছিলেন কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভু বর্ষার চার মাস এক স্থানেই থাকতেন, এছাড়া ৬ বছর ধরে প্রত্যেকদিন নতুন গৃহে যেতেন, এক বছর তিনি বর্ষার ঋতুতে শ্রীরঙ্গমে ছিলেন।
তিনি যখন নবদ্বীপে ছিলেন, তিনি সংকীর্তন আন্দোলন শুরু করেছিলেন। চাঁদ কাজী তাকে সংকীর্তন করতে নিষেধ করেছিলেন, তিনি মৃদঙ্গ ভেঙে দিয়েছিলেন, কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভু এক বিশাল প্রতিবাদ কীর্তন-এর আয়োজন করেছিলেন। লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন। কেউ গণনা করেছেন ১০ লক্ষের অধিক মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। তাদের এক হাতে ছিল মশাল এবং আরেক হাতে ছিল তেলের পাত্র। সেখানে চারটি দল ছিল। একটিতে অদ্বৈত আচার্য নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, আরেকটিতে শ্রীবাস ঠাকুর, আরেকটিতে হরিদাস ঠাকুর এবং অন্যটিতে চৈতন্য মহাপ্রভু নিত্যানন্দ প্রভু ও গদাধর পন্ডিত সহ ছিলেন। এই কীর্তনের শব্দ তরঙ্গ এতই বিপুল ছিল যে তা সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড পরিব্যক্ত হয়েছিল। এটি ব্রহ্মাণ্ড ভেদ করে বৈকুন্ঠ, আধ্যাত্মিক জগতে গিয়েছিল। বিভিন্ন দেবতার যেমন ইন্দ্র ও অন্যান্যরাও তা দর্শন করতে নিম্নে এসেছিলেন। যখন ইন্দ্রদেব, বায়ু দেব ও অন্যান্য দেবতারা পরমেশ্বর ভগবানকে নাম করতে, ক্রন্দন করে কীর্তন করতে দেখেছিলেন, তখন তারা ভাবে বিভোর হয়ে অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। যখন তারা আবার তাদের চেতনা ফিরে পান। তখন তারাও মনুষ্য রূপ ধারণ করে সেই কীর্তনে যোগ দেন, সর্গ থেকে অপ্সরাগণ পুষ্প বর্ষণ করছিলেন। সেই রাস্তা পুষ্প পাপড়ি দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল। সমস্ত দরজা কলা গাছের পাতা এবং কলা গাছের ডাল, আখ আখ, আমের পাতা সহ পূর্ণকুম্ভ দ্বারা সুসজ্জিত ছিল। সবকিছুই অত্যন্ত মঙ্গলজনকভাবে হচ্ছিল। যখন নাস্তিকরা পাষণ্ডিরা এটা দেখেছিল, তখন তারাও কৃষ্ণপ্রেমের দ্বারা ভেসে গিয়েছিল, তারাও তাদের বাহু উর্ধ্ব করে নৃত্য কীর্তন করতে শুরু করে, মাটিতে গড়াগড়ি দিতে শুরু করে। হরিবোল! হরিবোল! গৌরাঙ্গ! প্রত্যেকে কীর্তন, নৃত্য করছিলেন, এভাবে বিশাল কীর্তন হয়েছিল। যেমন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ করেছিলেন, তেমনি চৈতন্য মহাপ্রভুর তাঁর সংকীর্তনযজ্ঞ করেছিলেন। এটি বলা হয়েছে যে মশাল ও তেল ধরাকালীন তারা হাতে তালিও দিচ্ছিলেন ও বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছিলেন। সেটা কিভাবে সম্ভব? বৃন্দাবন দাস ঠাকুর বলেছেন যে, নবদ্বীপের মানুষেরা তাদের চতুর্ভুজ প্রকট করেছিলেন কিন্তু তারা এমনকি তা জানতেন না। তাই, অন্য দুই হাত দিয়ে তারা মৃদঙ্গ, করতাল বাজাচ্ছিল ও হাতে তালি দিচ্ছিলেন। যখন চাঁদ কাজী আওয়াজ আসতে শুনেছিল, তখন তিনি ভেবেছিল এটা হিন্দুর বিবাহ বা এমন কিছু হচ্ছে। তিনি তার কিছু রক্ষককে বাইরে পাঠিয়েছিলেন দেখার জন্য। যখন তারা বিপুল জনগণকে দেখল, তারা ভীত হয়েছিল, “ওহ না আমরা তাদের থামাতে পারব না।” এত বিশাল ভিড়, তারা তাদের পাগড়ি ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল এবং তাদের দাড়ি ঢাকার চেষ্টা করেছিল ও দুই হাত তুলে কীর্তন করতে শুরু করেছিল যাতে কেউ তাদের জানতে না পারে। হরিবোল! হরিবোল! হরিবোল! এই ছিল শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর দিব্য কীর্তন। পরমেশ্বর ভগবান গোলক বৃন্দাবন থেকে পৃথিবীর মানুষদের কৃপা করার জন্য আবির্ভূত হয়েছিলেন।
সাধারণত কৃষ্ণপ্রেম পেতে গেলে কাউকে কৃষ্ণের প্রতি পূর্ণরূপে শরণাগত হতে হয়, কিন্তু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং শ্রীমন নিত্যানন্দ প্রভু, তাঁরা কে যোগ্য কে অযোগ্য বিচার না করে প্রত্যেককে অবাধে কৃপা করেছিলেন। প্রত্যেক অবতারের এক বিশেষ ভাব থাকে। যেমন ভগবান নরসিংহদেবের ক্রোধের মনোভাব আছে কারণ হিরণ্যকশিপু তার পুত্র প্রহ্লাদ, যিনি ছিলেন একজন ভক্ত, তাকে অত্যাচার করছিল। শ্রীকৃষ্ণ এসেছিলেন, তিনি খুবই মধুর ও অত্যন্ত অপরূপ সুন্দর ছিলেন, কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভু তিনি হচ্ছেন কৃপা অবতার। তাঁর মনোভাব হচ্ছে কৃপা, তাই তাঁর কৃপায় আমরা সহজেই রাধা কৃষ্ণের কৃপা লাভ করতে পারি। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা যাতে রাধা মাধবের কৃপা লাভ করার জন্য নিতাই গৌরের কৃপা আগে লাভ করি। একই ভগবান কিন্তু ভিন্ন মনোভাব। চৈতন্য মহাপ্রভুও তিরুমালায় এসেছিলেন ও বালাজিকে দর্শন করেছিলেন। চৈতন্য মহাপ্রভু প্রত্যেককে তাঁর কৃপা প্রদান করেছিলেন।
আমরা আশা করছি যে সকল ভক্তরা নিতাই গৌরের কৃপা গ্রহণ করবে। ৮৪ লক্ষ যোনি আছে। অনেক যোনি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে কারণ আমরা তাদের বাসস্থান ধ্বংস করছি, অনেক যোনি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে কারণ মানুষেরা তাদের বাস করার স্থান ধ্বংস করে দিচ্ছে। ৪ লক্ষ মনুষ্য প্রজাতি আছে এবং মানুষের কাছেই এই সুযোগ আছে ভাবার যে কৃষ্ণের সাথে আমাদের সম্বন্ধ কি। তাই, আমাদের ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার প্রচেষ্টা করা উচিত। এটাই হচ্ছে জীবনের সার্থকতা। যেহেতু আমরা প্রকৃতির নিয়ম ভঙ্গ করছি, ভগবানের নিয়ম ভঙ্গ করছি, তাই মানুষেরা এই বিশ্বব্যাপী মহামারীর কষ্ট ভোগ করছে। এই যুগের তপস্যা হচ্ছে পবিত্র নাম জপ করা, এই কারণে আমরা হরে কৃষ্ণ আন্দোলন নামে পরিচিত। শ্রীল রাধানাথ স্বামী মহারাজ অসাধারণ কীর্তন করছেন, স্বরূপ দামোদর গোস্বামী মহারাজ যখন এখানে ছিলেন, তিনিও অসাধারণ কীর্তন করেছিলেন। মনে হচ্ছে মনিপুরীরা, গন্ধর্বদের মতো। কোনো না কোনোভাবে আমাদের পবিত্র নাম কীর্তন করা উচিত। এইভাবে মানুষেরা উদ্ধার লাভ করতে পারবে এবং আমরা আধ্যাত্মিক জগতে ফিরে যেতে পারব।
এই মাস হচ্ছে পুরুষোত্তম মাস। কোন কর্মকাণ্ডের জন্য এটি ভালো নয় কিন্তু ভক্তির জন্য খুবই ভালো। ভক্তির জন্য অত্যন্ত ভালো, যদি আপনি স্বর্গে যেতে চান, তাহলে তা ভালো নয়। যদি আপনি গোলকে ফিরে যেতে চান, তাহলে খুব ভালো। অত্যন্ত ভালো! তাই, এই পুরুষোত্তম মাসে পূজা করুন এবং গোলক বৃন্দাবনে ফিরে যান। অন্যান্য মাসকে একত্র করলে তার ফল পুরুষোত্তম মাসের ফলের ১৬ ভাগের ১ ভাগের সমান নয়। মন্দিরে অনুদান দেওয়ার জন্য এটা এক ভালো মাস। প্রত্যেকদিন রাধা কৃষ্ণকে একটি দীপ নিবেদন করুন এবং এই মন্ত্র বলুন :
গোবর্ধন ধরং বন্দে গোপালাম গোপরুপিনং
গোকুলোৎসব ঈশানম গোবিন্দম গোপিকাপ্রিয়ম
আমাদের www.purusottamamonth.com নামে একটি ওয়েবসাইট আছে। এছাড়া যদি আপনারা চান, তাহলে আমার জয়পতাকা স্বামী অ্যাপ আছে, আপনারা অ্যান্ড্রয়েড অথবা আইওএস তা ডাউনলোড করতে পারেন এবং সেখানে প্রত্যেকদিন আমি কি করি সেই বার্তা দেই। আমি এটাও উল্লেখ করব যে আজকে আমি বিজয়ওয়াড়াতে গিয়েছিলাম এবং কিভাবে চক্রধারি আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন ও বিভিন্ন খবরাখবর দিয়েছেন। এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভক্তদের সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করুন। আমি কতক্ষণ বললাম? ওহ আমি বেশিক্ষণ বলেছি! অনেকক্ষণ বলেছি! চৈতন্য লীলা বলতে গিয়ে আমি আত্মহারা হ্য়ে গিয়েছিলাম। গৌরাঙ্গ! নিত্যানন্দ!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ