Text Size

২০২০১০০২ জুমে বাংলাদেশ ভক্তদের দীক্ষা অনুষ্ঠান

2 Oct 2020|Duration: 00:17:06|Bengali|Initiation Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
 

জয়পতাকা স্বামী:- 

গোবর্দ্ধনধরং বন্দে গোপাল গোপরূপিণম্।
 গোকুলোৎসবমীশানং গোবিন্দং গোপীকাপ্রিয়ম্॥

এই সমস্ত ভক্ত উপস্থিত আছে সব দীক্ষা প্রার্থী নাকি? সমস্ত দীক্ষা প্রার্থী শপথ নিয়েছে? কি শপথ? (৪ নিয়ম পালন) তারপরে? (কত মালা জপ করবে) কত? (কমপক্ষে ১৬ মালা জপ করবে গুরু মহারাজ) আর কি? (আপনাকে প্রচারে সাহায্য করবে) প্রভুপাদের যে আদেশ দিয়েছে সেটা সাহায্য করবে পূরণ করতে। যাইহোক, এখন বাংলাদেশ এই জুম অনুষ্ঠান প্রথম দীক্ষা অনুষ্ঠান হচ্ছে। নরসিংদী হচ্ছে বিশেষ স্থান, ১ নম্বর! আশা করি সবাইএখন এই দীক্ষা দেওয়া হচ্ছে মানে হচ্ছে নতুন জন্ম। এবং এটা যারা শপথ নিয়েছে, এটা যেন সারা জীবন পালন করে। আমিষ খাওয়া একটা কথা, আমিষ কোন ব্যবসাই না করা উচিত। কেননা মনু সংহিতা ছয় জনের মাংস আহার ভাগী আছে — যে পশু বিক্রি করে, পশু যারা নিয়ে যায়, পশু যার কথায় খুন করে, তারপরে যারা মাংস বিক্রি করে, যারা মাংস রান্না করে আর যারা খায়। এই ৬ জন। এখন ডাক্তার যদি বলে ওষুধ খেতে হয়, ওষুধের মধ্যে দেওয়া হয়, সেটা গোনা হয় না। কিন্তু ডাক্তার যদি চিকিৎসা করে। এইভাবে আমাদের জীবনে ইন্দ্রিয় যতদিন থাকবে তারা কখনো সুখী হবে, কখনো দুঃখী হবে, কিন্তু আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য থাকা উচিত ভগবানের সেবা করা। ইন্দ্রিয় তৃপ্তি যা হয় হবে, ইন্দ্রিয় দুঃখ হবে হোক। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য থাকা উচিত কিভাবে আমাদের ভগবত প্রেম হবে। এবং সেটা হবে জীবনের উদ্দেশ্য। এক এক আশ্রমে এক একটা দায়িত্ব আছে, ব্রহ্মচারী আশ্রম হচ্ছে বিশেষ শিখবে, এখন খুব বৈরাগী ভালো হয় তারা সন্ন্যাস হবে, অধিকাংশ ব্রহ্মচারীরা গৃহস্থ হয়ে যায়, গৃহস্থ ধর্ম তারা ভগবানের সেবা করবে এবং সেখানে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ভগবানের সেবার জন্য মনস্থির থাকবে। বাড়িতে বিগ্রহ থাকলে, বিগ্রহ সেবা করা ভালো। গৃহস্থ কাজকর্ম করার পর অর্থ যে থাকে সে অর্ধেক ভগবানের খরচ করা উচিত। সেইভাবে গৃহস্থ ধর্মে দান হয়। বানপ্রস্থ, সন্ন্যাসী, তারা বিভিন্ন ব্রত করবেন, বিভিন্নভাবে কৃষ্ণ সেবায় নিযুক্ত থাকবেন। মহাপ্রভু, আচার্যগণ বলেছিলেন, “গৃহে থাক বনে থাক সদা হরি বলে ডাককলিযুগে বেশিরভাগ গৃহস্থ হয়। কিন্তু যদি সেখানে কৃষ্ণ সেবা চিন্তা করা হয়, সেটা হচ্ছে আমাদের বিশেষ উপলক্ষ্য। এবং সেই ভগবানের সেবা এটা হচ্ছে অসীম আনন্দ। এখন আসলে আমরা পারমার্থিক পরিবেশ খুঁজি, যেরকম মাছ জলের বাইরে হয় সন্তুষ্ট হয় না, এইভাবে আমরা যদি ভগবানের সেবা না করি, আমরা যতই চেষ্টা করি সন্তুষ্ট হইনা। এটা আমাদের বিশ্বাস করতে হয়। এবং সেটা আমাদের পরম লক্ষ্য বলে করতে হয়। এখন নিশ্চয়ই একটা সন্তান করতে গেলে একটা ইন্দ্রিয়তৃপ্তি হয়, কিন্তু তার সঙ্গে যদি কেউ অসুস্থ হয়ে যায় সেটা দুঃখ হয়। এইভাবে সুখ হবে দুঃখ হবে এটা হচ্ছে ভৌতিক জগতে জীবন। এখন যে ভগবানের সেবা করবে বলা হয় না যে সুখ-দুঃখ হবে না, কিন্তু সেই ভগবানের সেবা আনন্দ সেটা বিশেষ উপলক্ষ্য। এইভাবে চেষ্টা করবে ভগবানকে কেন্দ্র করে সেবা করার। এখন যারা দীক্ষা নিচ্ছে, হরিনাম করছে সেখানে ভগবানের ধাম ফিরে যেতে পারে। কিন্তু আপনারা একা যাবেন না, চেষ্টা করবেন আরো পাঁচজনকে নিয়ে যাওয়া। সেইভাবে কোন কোন ভক্ত ৫ জন নিয়ে যায়, কোন ১০০ জন, কেউ ২ জন, বিভিন্ন লোকের বিভিন্ন ক্ষমতা আছে। এখন যত ভগবানের কীর্তন, ভগবানের বাণী প্রচার করতে পারেন ভালো। ভগবানের নাম ভগবানের অভিন্ন এবং সেই জন্য আমরা প্রত্যেকদিন ভগবানের নাম উচ্চারণ করি। ভগবানের নাম উচ্চারণ না করলে হয় না। ভগবানের নাম উচ্চারণ করে ... আমরা কৃষ্ণ সেবা করতে চাই। সেইভাবে যাতে আপনাদের সন্তান ভক্ত হয় সেটা চেষ্টা করবেন। এবং যাতে কৃষ্ণ নামে রুচি হয় এটা চেষ্টা করবেন। যাইহোক, আমি আর বেশি কিছু বলতে চাই না। হরিনাম দশ অপরাধ বলেছিল? আমি এখন মহামন্ত্র বলব। মহিলারা ডান কান খুলে রাখ। 

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 20/9/2023
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions