Text Size

২০১৯০২১৯ প্রশ্ন-উত্তর পর্ব

19 Feb 2019|Duration: 00:25:23|Bengali|Question and Answer Session|Kolkata, India

ফেসবুক লাইভ প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। নিন্মোক্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্বটি শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, কলকাতা, ভারতে প্রদান করেছেন।

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ

আজকে আমরা কলকাতা থেকে সম্প্রচারিত করছি, যা হচ্ছে শ্রীল প্রভুবাদের আবির্ভাব স্থান। আজ সকালে আমরা চেন্নাই ছেড়ে এসেছি। এটি ছিল এক হৃদয়বিদারক অনুভব। আমরা চেন্নাইতে কমবেশি এক বছর ছিলাম, এবং আমার কঠোর শারীরিক অভিজ্ঞতার বিভিন্ন বাঁধাবিপত্তির মধ্যেও সবসময় তারা আমাদেরকে সাহায্য করেছে। এবং কখনো কখনো ভক্তি পুরুষোত্তম স্বামী, গোপাল কৃষ্ণ গোস্বামী, রাধানাথ স্বামী এবং অনুত্তম প্রভু ও রুক্মিণী দেবী দাসী ও ভক্তি চারু স্বামী ও অন্যান্যরও সেখানে আমাকে দেখতে এসেছিলেন। চেন্নাইয়ের ভক্তরা কত চমত্কার ছিল! তাই, তাদেরকেবিদায়!বলা কঠিন ছিল। একই সাথে আমি মায়াপুরে আসার জন্য আগ্রহী ছিলাম। আমার মিশ্র অনুভূতি হচ্ছিল যে এই ভালো ভক্তদের থেকে বিরহ এবং পঞ্চতত্ত্ব, রাধামাধব অষ্টসখী, প্রহ্লাদ নরসিংহদেব ও জগন্নাথ বলদেব সুভদ্রার সামনে যাওয়ার অধীরতা, শ্রীল প্রভুপাদের পুষ্প সমাধিতে যাওয়া এবং সীমন্তিনি দেবী চৈতন্য মহাপ্রভু ও গৌরাঙ্গ আর নবদ্বীপের নটি দ্বীপ—সীমন্তদ্বীপ, মধ্যদ্বীপ, গোদ্রুমদ্বীপ, কোলদ্বীপ, ঋতুদ্বীপ, জহ্নুদ্বীপ, মোদাদ্রুমদ্বীপ, রুদ্রদ্বীপ, অন্তরদ্বীপ দর্শন করার আগ্রহ।  

 

এখন আমরা চেন্নাই থেকে কলকাতায় বিমানে করে এসেছি এবং যখন আমরা কলকাতায় পৌঁছালাম, তখন কিছু ভক্তরাও সেই বিমানে আমাদের সাথে ছিল। তারা লন্ডনের শিষ্যরা, যারা অন্যদিকে ঘুরে চেন্নাইতে গিয়েছিল এবং তারপর কলকাতার জন্য পুনঃনির্ধারিত বিমানে আসে। কিন্তু বিমানবন্দরের ভিতরটা বেশ ভাল ছিল, তবে যখনই আমরা বাইরে বের হলাম, সেখানে শত শত হাজার বা তার থেকেও বেশি ভক্তরা কীর্তন করছিল, নৃত্য করছিল, তাদের হাত উপরে তুলেছিল, কাঁদছিল, এমনকি পুলিশরা হতাশ হয়ে পড়েছিল যে কি করা যায়, তাই তারা একটি দড়ি দিয়ে ব্যারিকেট করে দিয়েছিল আর তাদেরকে ওটার পিছনে রেখেছিল। যেহেতু এটা আমার অপারেশনের পর প্রথম বছর, তাই আমাকে খুব সর্তকে থাকতে হবে কোন ইনফেকশন যাতে না হয়, না হলে তা খুবই গুরুতর হতে পারে। একদিকে রক্ষীরা সেই ভিড় দূরে রাখার চেষ্টা করছিল ও অন্যদিকে তারা এত উৎসাহী ছিল, যেহেতু তারা আমাকে এক বছর দেখেনি। কেউ কেউ আনন্দে লাফাচ্ছিল, কেউ কেউ কাঁদছিল, এ ছিল এক অত্যন্ত আবেগপূর্ণ অবস্থা। আমি জানিনা যে এর ছবিগুলো ছাড়া হয়েছে নাকি, আমি এখনো সেগুলো ফেসবুকে দেখিনি। কোনভাবে আমি গাড়ির ভিতর ঢুকেছিলাম, তারপর সব মানুষেরা বেরিয়ে এসে সেই গাড়ির পাশে, সামনে সবদিক ঘিরে ভিড় করে দাড়ায় ও ধীরে ধীরে গাড়ি এগোতে থাকে। এখন আমি আমার গন্তব্য স্থানে পৌঁছে গেছি, যা সর্বসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি কারণ আমরা চাইনা যে মানুষেরা এখানে আসুক। 

 

এটা হচ্ছে শ্রীল প্রভুপাদের আবির্ভাব স্থান, আবির্ভাবের শহর। এক সময় তারা কলকাতা মন্দির বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল, কারণ এটা কঠিন ছিল। তখন শ্রীল প্রভুপাদ লিখেছিলেন যে—তোমরা আমার জন্মস্থানের মন্দির বন্ধ করতে পারো না, এই মন্দির খোলা রাখতেই হবে।শ্রীল প্রভুপাদ এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই মন্দিরকে মায়াপুরের প্রবেশপথ হতেই হবে এবং তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ভক্তরা নতুন মন্দিরের জমি দেখছে, কিছু ভক্তরা যে সমস্ত মন্দিরে প্রভুপাদের থাকার স্থান ও লীলা স্থান আছে সেখান থেকে প্রচার করছে এবং ভবিষ্যতের জন্য আমাদের কিছু জমি আছে তা দেখছে, তবে আমরা এই আবির্ভাবস্থানে আরো জায়গা সংগ্রহ করতে চাই। এটি হচ্ছে গৌর মন্ডল ভূমির এক অংশ, এটি গাওয়া হয়েছে যে—গৌরমন্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামনি, তার হয় ব্রজ ভূমি বাস।গৌরমন্ডল ভূমি হচ্ছে দিব্য স্থান এবং যারা তা উপলব্ধি করে, তারা প্রকৃতপক্ষে বৃন্দাবনের বাসিন্দা। 

 

আজকে রাতে আমরা এখানে থাকছি এবং কালকে সকালে মায়াপুর যাব। এটাই হচ্ছে আমার আজকের দিনের বিবরণী এবং আমার কাছে চৈতন্য গ্রন্থের লেখনী নেই, তাই আমি আজকে নিয়মমাফিক প্রবচন দিতে পারবো না। তাই তোমাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে, তোমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদেরকে পাঠাতে পারো এবং আমরা দেখতে পারি যে কি প্রশ্ন আছে।

 

প্রশ্ন: সিদ্ধান্তমণি প্রভুপাদ দাস: যদি কোন দীক্ষিত ভক্তের তার ইন্দ্রিয় উপভোগের জন্য পতন হয় এবং সে যদি নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে ও পবিত্র নাম জপ করা এবং বৈষ্ণব ভক্তদের সঙ্গ করা ছেড়ে দেয়, তাহলে সেরকম ভক্ত কিভাবে তার ভক্তিমূলক জীবনে এগোতে পারবে? আর তার আধ্যাত্মিক গুরুদেবের প্রতি তার কি দায়িত্ব আছে? সেও কিভাবে আবার কৃষ্ণ প্রেম পেতে শ্রীল প্রভুপাদের নির্দেশাবলী পালনের মাধ্যমে সেবা করার বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক হতে পারবে

 

জয়পতাকা স্বামী:- যদি কেউ দীক্ষিত হয় ও নিয়ম নীতি ভঙ্গ করে, তাহলে তারা নাম অপরাধের একটি অপরাধ—আধ্যাত্মিক গুরুদেবকে অবজ্ঞা করা”, সেই অপরাধে অপরাধী। ভক্তিমূলক সেবা সম্পাদনের করার থেকে আর কোন বড় প্রায়শ্চিত্ত নেই। সেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির তার অকৃতকার্যের জন্য অনুশোচনা করা উচিত ও যতটা আন্তরিকভাবে সম্ভব আবার ভক্তিমূলক সেবা অনুশীলনের পন্থাটি গ্রহণ করা উচিত। তাহলে ধীরে ধীরে তারা তাদের সেইভাব আবার ফিরে পাবে। অবশ্যই তারা কিছু সময়ের জন্য তাদের প্রগতিকে রোধ করেছিল, তবে তারা আবার শুরু করতে পারে ও এর জন্য শাস্ত্রেতে আর অন্য কোন নির্দেশিত পন্থা নেই।   

 

প্রশ্ন:- নিত্যানন্দ প্রভুর থেকে কৃষ্ণ প্রেম পাওয়ার যোগ্যতা কি

জয়পতাকা স্বামী:- এটা কোন জড়-জাগতিক যোগ্যতা দ্বারা হবে না, না বিএ, এমএ বা পিএইচডি আর না কোন ধরনের অর্থ বা ভালো কর্মের মাধ্যমে। নিত্যানন্দ প্রভু এবং চৈতন্য মহাপ্রভুর সেবা করার প্রচেষ্টা করা কোন কঠিন কিছু নয় এবং তাঁদের কৃপা অহৈতুকি! তুমি যা কিছু কর, তা তাদের কৃপা পাওয়ার জন্য যথেষ্ট বা যথাযোগ্য নয়। কিন্তু ভাল বা খারাপ গুণ বিচার ছাড়াই উনি তাঁর কৃপা অবাধে প্রদান করেন। যদি তুমি তাঁর কৃপা পেতে চাও, তাহলে তোমার তা লাভ করার সম্ভাবনা বেশি, যারা তার কৃপা চায় না তিনি তাদেরকেও তাঁর কৃপা প্রদান করেন, যেমন জগাই মাধাই। 

 

প্রশ্ন: প্রতাপময় নিতাই দাস:- কিভাবে আমাদের যোগাযোগে থাকা বিদেশি শরীরধারী ব্যক্তিদের প্রত্যেকদিন হরে কৃষ্ণ জপ করার জন্য অনুপ্রেরণা দেওয়া যাবে?

জয়পতাকা স্বামী:- দেখো এক্ষেত্রে কোন বাধাধরা বা সাধারণ উত্তর হবে না যা প্রত্যেকের ক্ষেত্রে কাজ করবে। প্রত্যেকেই ভিন্ন তাই আমাদের প্রত্যেক ভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ভিন্ন পন্থা গ্রহণ করতে হবে এবং তারা যা খোঁজে, তাদেরকে সেটা প্রদান করতে হবে। তারা যেই উত্তর খুঁজছে সেটা, এই কারণে শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন যে একজন ভক্ত তৈরি করতে কলস ভর্তি রক্ত লাগে। এটা এমন নয় যে ভারতীয় ভক্তদের জন্য একটা এবং বিদেশী ভক্তদের জন্য অন্য কিছু, এটা এত সহজ নয়। তোমাকে বুঝতে হবে প্রত্যেক ভক্ত কোত্থেকে আসছে এবং তাদের কি প্রশ্ন আছে, তাদের কি ইচ্ছা আছে এবং এই সব কিছুই কৃষ্ণের কৃপা লাভের সাথে বা তাঁর সেবার পাওয়ার সাথে তুলনা করলে তুচ্ছ। তাই অনেক প্রচারের কার্যক্রম চলছে যা মানুষকে কৃষ্ণভাবনামৃতের সার বুঝতে সাহায্য করে যে কিভাবে তা তাদের জীবনের ক্ষেত্রে প্রয়োগীয়। তাই, তুমি যদি সেই ব্যক্তির জীবনে তা প্রয়োগ করতে পারতাহলে এই সম্ভাবনা আছে যে তারা তা চেষ্টা করে দেখতে চাইবে কিন্তু তা পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ—সকল মানুষের জন্যই। যদি তুমি তাদের সম্পর্কে কিছু জানো, তাহলে তা সাহায্যকারী হবে। হরে কৃষ্ণ! 

 

প্রশ্ন: সুসেবিনী গুরু গৌরাঙ্গ দেবী দাসী:-  হরে কৃষ্ণ প্রিয় গুরুদেব। আমরা মানুষের কাছে প্রচার করি, কিছু ব্যক্তিরা তা গ্রহণ করেন এবং অনেকেই দূরে চলে যায়। প্রচারের ফলাফল বিষয়ে কিভাবে নিরাশক্ত হওয়া যাবে ও  কিভাবে বোঝা যাবে যে আধ্যাত্মিক গুরুদেব আমাদের প্রচেষ্টার দ্বারা খুশি হয়েছেন?   

জয়পতাকা স্বামী:- কৃষ্ণ প্রত্যেকের হৃদয়ে পরমাত্মারূপে বিরাজমান। খ্রিস্টানরা ভগবানকে পবিত্র আত্মারূপে মানে। তাই কেউ আসলে হৃদয়ে থাকা পরমাত্মা মাধ্যমে কথা বলে, তাই পরমাত্মার সাহায্যে আমরা জীবদেরকে তাদের মোহ থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করতে চাই। প্রচার শব্দটির এক ধরনের নেতিবাচক অর্থ আছে। সেই শব্দটি সংস্কৃততে বা বাংলায় হচ্ছে প্রচার। প্রচার মানে ভগবানের গুণকীর্তন এবং তাঁর ভক্তিমূলক সেবার পন্থা, যার মানে কিভাবে কাউকে ভক্তিমূলক সেবা অনুশীলনে উৎসাহী করা যাবে। শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী প্রভুপাদ ঠাকুর বলেছেন যে জড় জগতে কোন কিছুর অভাব নেই, একমাত্র অভাব হচ্ছে ভক্তিমূলক সেবার। সব জায়গায় তুমি অভাব দেখতে পাবে, মানুষেরা এত কঠিন পরিশ্রম করে কোন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা জেতার জন্য, এত কঠিন কঠোর পরিশ্রম করে কিছু শিক্ষাগত ডিগ্রী লাভের জন্য, এত কঠিন পরিশ্রম করে উন্নতি লাভের জন্য, কিন্তু আসলে অল্প কিছু প্রচেষ্টায় তারা কৃষ্ণের সেবা করতে পারে এবং তা আসলে তাদেরকে নিজেদের জীবনে সার্থক হতে সক্ষম করবে। পাঁচ বছর আগের ক্রীড়া অনুষ্ঠানের কথা কার মনে আছে? কিছু মানুষেরা তা ছেড়ে চলে এসেছিল এবং কিছু মানুষদের হার ভেঙ্গে গিয়েছিল ও তারা সেখানে মারা গিয়েছিল। কিন্তু আমরা যদি কোন ভক্তিমূলক সেবা করি, তাহলে আমরা সেই ফল কখনো হারাবো না, তা আমাদের সাথে জন্ম-জন্মান্তর ধরে থাকে। কিন্তু আমরা এই জড় জগতে যা কিছু অর্জন করি, এই জীবনে আমরা যা কিছু অর্জন করি, তা আমরা ছেড়ে যাই। এক্ষেত্রে বলা যাক, যদি আমরা লক্ষ্য লক্ষ্য ডলার আয় করি, তাহলে পরবর্তী জন্মের জন্য আমরা এক পয়সা বা এক সেন্টও নিয়ে যেতে পারবো না, কিন্তু তুমি যা কিছু ভক্তিমূলক সেবা করবে, তাতে বলা হয়েছে যে এটা হচ্ছে তোমার সঞ্চয়। যদি তোমার কাছে যথেষ্ট পরিমাণ সঞ্চয় থাকে, তাহলে এই জড়জগৎ ছেড়ে যাওয়ার পর তুমি আধ্যাত্মিক জগতে ফিরে যাবে, যেখানে অবিরতভাবে ভগবানের সেবা করতে পারবে, যেখানে কোন জন্ম মৃত্যু জড়া ব্যাধি নেই। হরে কৃষ্ণ!

শেষ প্রশ্ন!

 

রসগোপাল দাস: (মন্তব্য):-  এত দীর্ঘ যাত্রার পর আপনার দর্শন পেয়ে আমরা খুবই কৃতজ্ঞ। গুরু মহারাজ দয়া করে আপনি ভালোভাবে বিশ্রাম গ্রহণ করুন, কারণ আগামীকালও এক দীর্ঘ দিন। আপনার জন্য আমরা মায়াপুরে অপেক্ষা করছি। 

জয়পতাকা স্বামী:- ও হ্যাঁ! তার মানে আমাকে তাড়াতাড়ি বিশ্রাম নিতে হবে। এত দীর্ঘ সময় পর এটি ছিল আমার প্রথম বিমানযাত্রা! 

 

প্রশ্ন: বৈকুণ্ঠ নিতাই দাস:- (জয়পতাকা স্বামী: ওহ বৈকুণ্ঠ নিতাই!) আপনার মায়াপুরে প্রথম আগমন থেকে শুরু করে এটাই কি সবথেকে দীর্ঘ সময় যে আপনি মায়াপুরে ছিলেন না? আপনার সেবক বৈকুন্ঠ নিতাই দাস। 

জয়পতাকা স্বামী:- আমার তাই মনে হয়, আমি অনেক ভ্রমণ করেছি কিন্তু সবসময়ই আমি দুই বা তিন মাস বা তার থেকেও কম সময়ের মধ্যে মায়াপুরে ফিরে আসতাম। এইবার আমি এক বছর ধরে মায়াপুর থেকে দূরে ছিলাম। আমি ভাবছি আমি কি অপরাধ করেছি যে তা আমাকে ধাম থেকে এক বছর দূরে রাখল? আমি আশা করি মায়াপুরের ভক্তরা অত্যন্ত সতর্ক, তারা বিশেষত বৈষ্ণব ও একে অন্যের প্রতি কোন অপরাধ করে না, যা কৃষ্ণকে অপ্রসন্ন করে। তোমাদের সকলকে ধন্যবাদ! 

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণকৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম
রাম রাম হরে হরে

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 1/10/2023
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions