মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
জয়পতাকা স্বামী:- চেন্নাইয়ের আইসিইউতে এক মাসের বেশি সময় কাটানোর পর, তারা আমাদেরকে এই ধার্মিক গৃহস্থদের কাছে ছেড়েছে এবং আমরা প্রত্যেকে এখান থেকেই আমাদের আধ্যাত্মিক অনুশীলন করছি।
একটি বিষয় যা আমরা উপলব্ধি করেছি, তা হচ্ছে কিভাবে প্রত্যেক জীবাত্মা জাগতিক শক্তির দ্বারা আচ্ছাদিত। পাঁচটি স্থূল শরীর এবং তিনটি সূক্ষ্ম শরীর আছে। আমরা কৃত্রিমভাবে নিজেদেরকে এইসব বাহ্যিক দেহের দ্বারা সনাক্ত করছি। যদিও আমরা সন্তুষ্টি পেতে সক্ষম নই, এটাই হচ্ছে কেবল সত্য যা আমরা জানি। মানুষেরা মনে করে যে কোনভাবে ইন্দ্রিয়ের ব্যবহার করার মাধ্যমে তারা সুখ লাভ করবে এবং এটি সত্য— খুব অল্প সুখ হয়। কিন্তু এটা কাউকে সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট নয়। একজন পুরুষের কিছু নির্দিষ্ট হরমোন আছে, মহিলার হরমোন আছে, পশুদের হরমোন আছে। স্বাভাবিকভাবে তারা এইসব হরমোনের দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং এইভাবে এমনকি কারো হয়তো কোন পূর্ব ইচ্ছা নেই, তবে শুধু অপর লিঙ্গের উপস্থিতি এই হরমোনগুলিকে উত্তেজিত করে এবং এইভাবে কেউ এই জড় জগতে আবদ্ধ থাকে। এতে কোন পরিবর্তন নেই বা এটি এক সাধারন কারাগারের মতো। কিন্তু কেউ এই ভ্রমে আছে এবং মনে করছে যে তারা হচ্ছে শরীর।
ভাগবতমে রাজা পুরঞ্জনের কাহিনী আছে। একসময় তিনি রাজা হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তারপর রানী হয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেই অনুযায়ী তাকে হরমোন দেওয়া হয়েছিল, যাতে স্বাভাবিকভাবে কেউ এগুলি অনুভব করতে পারে। এইভাবে আমরা দেখি যে কিভাবে বর্ণাশ্রম পন্থা আছে, যার মানে হচ্ছে গুণ ও কর্ম অনুসারে মানুষদেরকে বর্ণাশ্রমে বিভক্ত করা। কেউ একজন শ্রীল প্রভুপাদকে মন্তব্য করে বলেছিল যে “সেই সৈন্যরাও ক্ষত্রিয় ছিল!” কিন্তু প্রভুপাদ বলছিলেন, “না! তারা হচ্ছে শুদ্র। তারা পারিশ্রমিকের জন্য কাজ করছিল, তারা কোন উচ্চ উদ্দেশ্যে তা করছিল না।” তাই আমাদের প্রকৃতি অনুসারে আমাদের যে শরীর আছে, আমরা সেই অনুযায়ী ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় বা বৈশ্যের মত কাজ করছি। বর্তমান যুগে বেশিরভাগ মানুষেরাই শূদ্রের মতো কাজ করছে। কেউ খুব কম পারিশ্রমিক পায়, কেউ খুব বেশি পারিশ্রমিক পায়, কিন্তু তারা মালিক নয়, তারা হচ্ছে শূদ্র। এই উপলব্ধি খুবই আকর্ষণীয় ছিল! কালকে আমি সেই স্বপ্ন সম্পর্কে বলবো যা আমি দেখেছি, কিন্তু এখন আমার গলার স্বর কমে আসছে, তাই আমি এখানেই শেষ করব।
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ