মুকম করোতি বাচালম পংগুম লংঘায়তে গিরিম
ইয়াত-কৃপা তম অহম বন্দে শ্রী-গুরুম দীনা-তারমণম
পরমানন্দ-মাধবম শ্রীচৈতন্য সৈতন্য
ওহিত্তী
জয়পতাকা স্বামী: এখানে আসতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। আমি রাধাষ্টমী উৎসব দেখছিলাম, এবং তা খুব সুন্দর ছিল! দুর্ভাগ্যবশত, আমি একটু অসুস্থ! আমার পায়ে সংক্রমণ হয়েছে!
১৯৬৮ সালে কানাডার মন্ট্রিলে আমি প্রথম দীক্ষা গ্রহণ করি। এরপর ১৯৬৯ সালে নিউইয়র্কে দ্বিতীয় দীক্ষা নিই। শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে ভারতে যেতে বললেন। তারপর কলকাতায় আমি গৌড়ীয় মঠে কয়েক মাস ছিলাম। এরপর, আমরা দক্ষিণ কলকাতায় কিছুদিনের জন্য একটি খালি বাড়ি পেলাম। তাই, ১৯৭০ সালে শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন আমি সন্ন্যাস নিতে চাই কি না । তখন শ্রীল প্রভুপাদের নির্দেশনায় আমি বললাম, “হ্যাঁ!” এরপর ১৯৭০ সালে কলকাতায়, আমি দক্ষিণ কলকাতায় সন্ন্যাস গ্রহণ করি । সেদিন দুজন সন্ন্যাস নিয়েছিলেন – শ্রীল প্রভুপাদ বললেন একজন দশম এবং আমি একাদশ। এভাবেই আমি দণ্ডটি পেলাম এবং বহু বছর ধরে তা বহন করে চলেছি। শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে মায়াপুর দিয়ে বলেছিলেন, “এর উন্নয়ন করো!” আমি এখনও মায়াপুরের উন্নয়ন করার চেষ্টা করে চলেছি!
১৯৭৭ সালে শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে জিবিসি-তে নিযুক্ত করেন। সেই বছরই তিনি আমাকে তাঁর ইচ্ছাপত্রের অন্যতম নির্বাহক হিসেবে নিযুক্ত করেন। এবং তিনি ভক্তিবেদান্ত চ্যারিটি ট্রাস্টও গঠন করেন ও আমাকে এর আজীবন চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন। সুতরাং, শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে অনেক কিছুই করতে বলেছিলেন। সেই কারণেই আমার অনেক সেবা রয়েছে, এবং এই সেবাগুলোই আমাকে রক্ষা করেছে! তাই এই সমস্ত সেবার কারণেই আমি ৫৫ বছর ধরে সন্ন্যাস পালন করতে পেরেছি ! আমাদের কাজ হলো ক্রমাগত চিন্তা করা যে কীভাবে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সংকীর্তন আন্দোলনকে সারা বিশ্বে প্রসারিত করা যায়! আমি কতবার বিশ্ব ভ্রমণ করেছি, তা আমার দপ্তর এখনও আমাকে বলতে পারেনি! তাই শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে বলেছিলেন যে আমি বেশিরভাগ সময় মায়াপুরে থাকতে পারি এবং সারা বিশ্ব থেকে লোকেরা এখানে আসবে!
তাই, আমি আজ থেকে কয়েকটি কর্মসূচি শুরু করছি। তার মধ্যে একটি হলো ‘সহানুভূতিমূলক চিকিৎসা তহবিল’। অনেক ভক্তের কাছে সমস্ত অপারেশন, ওষুধপত্র ইত্যাদির খরচ বহন করার মতো যথেষ্ট টাকা থাকে না। যেমন, তাঁরা কৃষ্ণনগরে দাম জেনেছিলেন, সেটা ছিল দেড় লক্ষ টাকা, আর আমাদের হাসপাতাল বলেছিল যে তারা এটা ৫৫,০০০ টাকায় করে দেবে! কিন্তু, সেই ব্যক্তির কাছে ছিল মাত্র ৩৫,০০০ টাকা। তাই, মূল ধারণাটি হলো, এই ধরনের মানুষেরা, যাঁরা তাঁদের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করার চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাঁদের কাছে টাকা নেই, তাঁদের বাকি টাকাটা এই “সহানুভূতিমূলক তহবিল” থেকে আসবে। আমি ২০ মিলিয়ন টাকা পর্যন্ত সমপরিমাণ অর্থ দেব, অর্থাৎ আপনি ২০ মিলিয়ন দেবেন, আমিও ২০ মিলিয়ন দেব। এই টাকা একটি ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা হবে এবং এর থেকে পাওয়া সুদই খরচ করা হবে। সুতরাং এটি একটি চিরস্থায়ী তহবিল হবে। তাই, আমি ২ কোটি টাকার একটি তহবিল দিয়ে শুরু করছি। আপনার যেকোনো অনুদানের সাথে আমি দুই কোটি পর্যন্ত সমপরিমাণ অর্থ দেব। তবে যে কেউ একই কাজ [হরিবোল] করতে পারেন। ইশ, যদি আরও দিতে পারতাম!
বোম্বেতে, মীরা রোডের হাসপাতালে এমন একটি ব্যবস্থা আছে যে দেবতা ঘুরে ঘুরে রোগীদের দেখেন। এখানে মায়াপুরে, আমাদের হাসপাতালেও সেই ধরনের দেবতা থাকবেন! এখন যে দেবতার পূজা করা হচ্ছে, আমি যে নাম দিয়েছিলাম তা হলো দয়াল নিতাই গৌর হরি! সুতরাং, পরম করুণাময় ভগবান নিত্যানন্দ দয়াল নিতাই এবং ভগবান চৈতন্য গৌর হরি নামে পরিচিত! তো, এই দুটি কথাই আমি আপনাদের বলতে চেয়েছিলাম। আমি একটি বড় কেক দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু আমি তা খেতে পারব না, আপনাদেরকেই তা খেতে হবে!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ