মুকম করোতি বাচালম পংগুম লংঘায়তে গিরিম
ইয়াত-কৃপা তম অহম বন্দে শ্রী-গুরুম দীনা-তারমণম
পরমানন্দ-মাধবম শ্রীচৈতন্য সৈতন্য
ওহিত্তী
জয়পতাকা স্বামী: আমার ক্লাস ইংরেজিতে হবে। আপনি কি তামিলে অনুবাদ করবেন? আমি সবাইকে স্বাগত জানাতে চাই, সু-স্বাগতম ! গৌরাঙ্গ! নিত্যানন্দ! অদ্বৈত আচার্য! গদাধর, শ্রীবাসা-আদি গৌর-ভক্তি-বৃন্দ!
সুতরাং রাধারানী এই পবিত্র ধামটি নির্মাণ করেছেন । আর তিনি তাঁর বাঁশি বাজাচ্ছিলেন। তখন কৃষ্ণ অবাক হয়ে ভাবলেন, “কে এত মধুরভাবে বাঁশি বাজাচ্ছে?” তাই তিনি এখানে এসে রাধারানীকে দেখলেন এবং এই সুন্দর ধামটি তৈরি করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানালেন! আর এই ধামের প্রতিটি দ্বীপ পদ্মের একটি অংশের মতো। পদ্মের কেন্দ্রটি হলো পরাগধানী এবং তার চারপাশে আটটি পাপড়ি। এই নয়টি পাপড়ি ভক্তিযোগের নয়টি অনুশীলনের সাথে সম্পর্কিত । তাই এর চারপাশে অনেক বিভিন্ন তীর্থস্থান রয়েছে। কৃষ্ণ বললেন, “এই ধাম বৃন্দাবনের থেকে অভিন্ন হবে। এখানে করা প্রতিটি ভক্তিপূর্ণ কর্মের ফল হাজার গুণ বৃদ্ধি পায়। বৃন্দাবনে, যেকোনো পাপকর্মের ফলও হাজার গুণ বৃদ্ধি পায়।” কিন্তু এখানে, এটি করুণার ধাম নামে পরিচিত । তাই এখানে পাপকর্ম বা পাপচিন্তার ফল হাজার গুণ বৃদ্ধি পায় না।
সুতরাং আমাদের শিষ্য পরম্পরায়, শ্রী জগন্নাথ দাস বাবাজী বৃন্দাবনে ছিলেন। তিনি দেখলেন যে কখনও কখনও পাপ বা মন্দ চিন্তার ফল খুব ভারী হয়! তাই, তিনি এখানে এলেন এবং তাঁর সিদ্ধস্বরূপ লাভ করলেন । নবদ্বীপে তাঁর আশ্রম রয়েছে এবং যেখানে তিনি কৃষ্ণের দর্শন পেয়েছিলেন , সেটিও সেখানেই। এখন, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সময়ে এই স্থানটি শহরের কেন্দ্র ছিল। তারপর ব্রিটিশ শাসনামলে, রেলস্টেশনটি ওদিকে ছিল এবং তাই লোকেরা ওই দিকে বসবাস করতে শুরু করে। তাই, শ্রীল প্রভুপাদ বলছিলেন যে ভগবদ্গীতায় [ ৪.৯] বলা আছে যে জন্ম কর্ম চ মে দিব্যম্ । সুতরাং, এক কিলোমিটার দূরে, ওই দিকেই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান। সুতরাং ওটাই জন্মস্থান এবং শ্রীল প্রভুপাদ একেই কর্মস্থান বলেছেন। তাই আমরা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কর্ম সম্পাদন করার চেষ্টা করছি !
আপনি এখানে এসেছেন বলে আমরা খুব খুশি! ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে যে, আমরা দেহের মধ্যে এক আত্মা। ব্যাপারটা এমন নয় যে আমরাই দেহ এবং আমাদের একটি আত্মা আছে। আমরাই আত্মা এবং আমাদের দেহ আছে। আমাদের দুটি দেহ আছে – স্থূল দেহ এবং সূক্ষ্ম দেহ। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ হয়তো মনে করেন যে, জীবনের উদ্দেশ্য হলো দেহকে উপভোগ করা। তাই, আমরা যখন দেহে থাকি, তখন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সুখ ও দুঃখ থাকে। কিন্তু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু শিখিয়েছেন যে, মানবজীবনের আসল উদ্দেশ্য হলো কৃষ্ণকে প্রেম করা। আমাদের কাছে ‘ভক্তির অমৃত’ গ্রন্থটি আছে , যেখানে এর অনেক বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে। আর কৃষ্ণ আধ্যাত্মিক জগতে আনন্দ করছেন। এই জড় জগৎ হলো ভগবানের শক্তির মাত্র এক-চতুর্থাংশ। আর আধ্যাত্মিক জগৎ হলো তিন-চতুর্থাংশ। দেখুন, যখন কৃষ্ণ পৃথিবীতে নেমে এলেন, তাঁর সঙ্গে প্রেমের এক ভাণ্ডারও এসেছিল! কিন্তু সেটি তালাবদ্ধ ছিল!! হে প্রভু চৈতন্য, তিনিই রাধারানী ভাবের কৃষ্ণ, তিনিই তালা ভেঙেছেন! আর তিনি কৃষ্ণপ্রেম অবাধে বিলিয়ে দিয়েছেন! কে এর যোগ্য আর কে নয়, তা তিনি বিশ্লেষণ করেননি! তিনি বিলিয়ে দিয়ে বলেছেন, “আমি একটি গাছের মালীর মতো। গাছটিতে এত ফল ধরেছে, আমি কীভাবে তা বিলিয়ে দেব, কেউ পাবে, কেউ পাবে না।” তাই, প্রভু চৈতন্য চান আপনারা সবাই তাঁকে সাহায্য করুন, ভগবানের প্রতি প্রেমের ফল বিলিয়ে দিন! মহিলারা হাততালি দিচ্ছেন, পুরুষরা দিচ্ছেন না – কেন এমন হচ্ছে? এখন তো সবাই হাততালি দিচ্ছে! গৌরাঙ্গ!
Lecture Suggetions
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন