মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়
শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১২.৩০
নৈতৎপূর্বৈঃ কৃতং ত্ব্দযে ন করিষ্যন্তি চাপরে।
যস্ত্বং দুহিতরং গচ্ছেরনিগৃহ্যাঙ্গজং প্রভুঃ॥
অনুবাদ: হে পিতা! এই প্রকার কর্ম যার ফলে আপনি নিজেকে সমস্যাগ্রস্ত করছেন, তা পূর্বে কোন ব্রহ্মা কখনও করেননি, অন্য কেউ করেনি, অথবা পূর্ব কল্পে আপনিও করেননি, এবং ভবিষ্যতেও কেউ তা করতে সাহস করবে না। এই ব্রহ্মাণ্ডে আপনি হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী, তাহলে কিভাবে আপনি আপনার কন্যার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে চান, এবং আপনার সেই বাসনাকে সংযত করতে পারেন না?
তাৎপর্য: ব্রহ্মাণ্ডে ব্রহ্মার পদ হচ্ছে সর্বোচ্চ, এবং এখানে বোঝা যাচ্ছে যে, আমাদের এই ব্রহ্মাণ্ড ছাড়াও অন্যান্য অনেক ব্রহ্মাণ্ডে বহু ব্রহ্মা রয়েছেন। সেই পদে যিনি অধিষ্ঠিত থাকেন, তাঁর ব্যবহার অবশ্যই আদর্শ হতে হবে, কেননা ব্রহ্মা অন্য সমস্ত জীবের আদর্শ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। ব্রহ্মা, যিনি সবচাইতে পবিত্র এবং আধ্যাত্মিক মার্গে সবচাইতে উন্নত জীব, তাঁকে পরমেশ্বর ভগবানের ঠিক পরবর্তী পদটি প্রদান করা হয়েছে।
শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১২.৩১
তেজীয়সামপি হ্যেতন্ন সুশ্লোক্যং জগদ্গুরো।
যদ্বৃত্তমনুতিষ্ঠন্ বৈ লোকঃ ক্ষেমায় কল্পতে॥
অনুবাদ: আপনি যদিও সবচাইতে শক্তিশালী ব্যক্তি, তবুও এই আচরণ আপনার শোভা পায় না কেননা পারমার্থিক উন্নতি সাধনের জন্য জনগণ আপনার চরিত্রের অনুসরণ করে।
তাৎপর্য: বলা হয় যে, পরম শক্তিশালী জীব তাঁর ইচ্ছা অনুসারে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন, এবং তাঁর এই প্রকার আচরণ কখনও তাঁকে প্রভাবিত করতে পারে না। দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যায় যে, ব্রহ্মাণ্ডের সবচাইতে শক্তিশালী অগ্নিময় গ্রহ সূর্য যেকোন স্থান থেকে জল বাষ্পীভূত করতে পারে, এবং তা সত্ত্বেও সে পূর্বেরই মতো শক্তিশালী থাকে। সূর্য নোংরা জায়গা থেকেও জল বাষ্পীভূত করতে পারে, কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই নোংরা তাকে দূষিত করতে পারে না। তেমনই, ব্রহ্মা সর্ব অবস্থাতেই অনিন্দনীয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও, যেহেতু তিনি হচ্ছেন সমস্ত জীবেদের গুরু, তাই তাঁর আচরণ ও চরিত্র আদর্শ হওয়া উচিত, যাতে তাঁর মহৎ আচরণ অনুসরণ করে মানুষেরা সর্বোচ্চ পারমার্থিক উন্নতি সাধন করতে পারে। তাই তাঁর পক্ষে এই প্রকার আচরণ করা ঠিক হয়নি।
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ শ্রীব্রহ্মাকে শ্রীমদ্ভাগবতের নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। তাই এই ঘটনা নিশ্চয়ই এর আগে ঘটেছিল, কারণ শ্রীকৃষ্ণ ব্রহ্মাকে বলেছিলেন যে এখন আর কখনই তোমার অধঃপতন হবে না। যাইহোক, অনেক শিক্ষা আছে এই ঘটনার মধ্যে যে এই ভৌতিক জগৎ কত শক্তিশালী স্থান, যে কেউ মায়ার মধ্যে পড়তে পারে। আসলে তাঁর অধঃপতন হয়েছিল না, তবে তাঁর বরিষ্ঠ সন্তানরা, তাঁর শিষ্যরা তাঁর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধাপূর্ণভাবে প্রচার করেছিলেন। এটি প্রদর্শন করে যে যদি আধ্যাত্মিক গুরুর কোন সমস্যা হয়, তাহলে তাকে তৎক্ষণাত পরিত্যাগ করার পরিবর্তে বরিষ্ঠ শিষ্যরা শ্রদ্ধাপূর্ণভাবে তার সাথে কথা বলতে পারেন।
আমি সাম্প্রতিক শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর প্রভুপাদের তিরোভাব তিথির শ্রদ্ধার্ঘ্য দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছি। সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়েছিল যে, কিভাবে শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর তিনি শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন, সেই সময় বাংলায় প্রাকৃত সহজিয়াদের আধিপত্য ছিল। মানুষেরা ভাবত যে সেটাই হচ্ছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রকৃত ধর্ম। তারা জানত না যে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রকৃত নির্দেশ কি। আমি বলতে চাইছি, আমি জানিনা আপনারা জানেন কিনা যে প্রকৃত সহজিয়ারা কি প্রচার করে। তারা বিভিন্ন ধরনের আছে, সেখানে এমন একটি ধরন আছে যারা বলে যে — শরীর হচ্ছে আধ্যাত্মিক জগতের প্রতিকৃতি বা তারা তিলক দেয় তাদের পায়খানা দিয়া, শরীরে যা উৎপত্তি হয় তা শুদ্ধ হয়। বাউলরা, আমি জানিনা আপনারা তাদেরকে কি বলেন, হয়ত বাউলিনি। আউল, বাউল, কর্তাভাজি, ন্যাড়ানেড়ী — আমাদের এখানে একবার এক ন্যাড়ানেড়ী এসেছিল, সেই মহিলা বা পুরুষ গৃহ মন্ত্রীর একজন অতিথি ছিল, যিনি হেলিকপ্টারে করে মায়াপুরে এসেছিলেন। সে বসেছিল, সে তার মস্তক আবৃতভাবে শাড়ি পরিধান করেছিল, কিন্তু তারপর সে যখন তাকাল এবং আমরা দেখলাম যে তার দাড়ি আছে। তারা সখীদের মতো পোশাক পরিধান করতে চায়, আর এইভাবে তারা মনে করতে চায় যে তারা গোপি হবে। এইরকম সেই সময় ১৩ ধরনের প্রাকৃত সহজিয়া ছিল। সে মনে করেছে যে এটা চৈতন্যদেবের প্রচার। শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর, তিনি প্রাকৃত সহজিয়াদের দ্বারা প্রভাবিত ব্যক্তিদেরকে সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য প্রচার করেছিলেন এবং এদের আরেকটি ধরন হচ্ছে, তারা মনে করে আপনাকে ব্রাহ্মণ পরিবারে অর্থাৎ জাত গোঁসাই হিসেবে জন্মগ্রহণ করতে হবে। শূদ্র যদি জন্ম হয়, তাকে শুদ্ধ করা যায় না, কিন্তু দৈবিবর্ণাশ্রম এটা বলেনি যে, জন্ম-কর্ম— গুণকর্মবিভাগয়োঃ [গীতা ৩.২৮]
শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর মেদিনীপুরে পণ্ডিতদের এক বিরাট সভায় গিয়েছিলেন এবং তিনি সেখানে ব্রাহ্মণদের মহিমা বর্ণনা করার মাধ্যমে বক্তৃতা শুরু করেছিলেন, তখন সব ব্রাহ্মণরা তা খুব পছন্দ করেছিলেন, তবে তারপর তিনি ব্রাহ্মণদের গুণাবলী সম্বন্ধে বলেছিলেন যেমন—চার নিয়ম পালন করা এবং আরো অন্যান্য কিছু, তারপর তাতে তারা খুবই বিচলিত হয়ে পড়ে। তারপর তিনি কিছু উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন, যা সব শাস্ত্র থেকে উল্লেখিত ছিল। ঠিক যেমন আমরা জানি যে একটি শ্লোক আছে, যেখানে বলা হয়েছে যে ব্রাহ্মণ যদি জড়জাগতিক কার্যে লিপ্ত থাকে এবং তার যদি কৃষ্ণের প্রতি কোন বিশ্বাস না থাকে, তাহলে সে হচ্ছে এক শূদ্র এবং যদি শূদ্রের কৃষ্ণের প্রতি বিশ্বাস থাকে, তাহলে তিনি হচ্ছেন একজন বৈষ্ণব —
শুচি হয়ে মুচি হয়, যদি কৃষ্ণ ত্যজে
মুচি হয়ে শুচি হয়, যদি কৃষ্ণ ভজে
যদি কেউ একজন শুদ্ধ জীব হয়, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ পূজা না করে, তাহলে সে মুচি হয় কিন্তু যদি কোন শূদ্র কৃষ্ণ পূজা করে, তাহলে সে সব থেকে শুদ্ধ ভক্ত হয়। সেটা একটা সংস্কৃতে শ্লোক আছে—
চণ্ডালোঽপি দ্বিজশ্রেষ্ঠো হরিভক্তিপরায়ণঃ।
হরিভক্তিবিহীনশ্চ দ্বিজোঽপি শ্বপচাধমঃ॥
যদি একজন ব্যক্তি ভগবান শ্রীহরির প্রতি ভক্তিপরায়ণ হন, তাহলে এমনকি যদি তিনি কুকুর ভক্ষক হন, তবুও তিনি দ্বিজ-র থেকে উত্তম।
আমি রামেশ্বর প্রভুর কথার দ্বারা খুবই প্রভাবিত এবং অত্যন্ত মনমুগ্ধ হয়েছিলাম যে প্রত্যেকদিন ভক্তরা গ্রন্থবিতরণ করে ফিরে আসতেন এবং উনি একটা কাগজে লিখত যে কি গ্রন্থ বিতরণ, কি প্রচার হইল। প্রভুপাদ ওই একটা কাগজ চেয়েছে, প্রভুপাদ সেই কাগজের উপরে কিছু লিখেছে। শ্রীল প্রভুপাদ কি লিখতেন?
রামেশ্বর প্রভু: আমি শ্রীল জয়পতাকা স্বামীর নির্দেশে বলছি — একদিন রাত্রে ব্রহ্মানন্দ সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এসে আমাকে বললেন যে শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর বিছানায় শায়িত আছেন এবং তিনি বার বার পাশ ফিরছিলেন এবং বলছিলেন যে, “আমরা এই সমস্ত মেকি যোগীদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেব।” তারপর তিনি তাঁর শ্রীহস্তপদ্ম দ্বারা একটি বার্তা লেখেন এই বলে যে, “আমি খুবই খুশি যে আমার গুরু মহারাজ তোমাদের গ্রন্থ বিতরণ সেবার দ্বারা অত্যন্ত প্রসন্ন আছেন এবং নিশ্চিতরূপে তিনি তোমাদেরকে আমার থেকেও সহস্রাধিক কৃপা প্রদান করবেন, আর সেটাই হচ্ছে আমার সন্তুষ্টি।”
জয়পতাকা স্বামী: গতকাল আমরা শুনলাম যে ৪১,০০০ মানুষ এসেছিলেন। তারা এটি ঘোষণা করেন যে প্রত্যেকদিন কত মানুষ আসেন। আমি বলি যে আমাদের ভক্তদেরকে যে তাদের দর্শনার্থীদের কাছে প্রচার করা উচিত। তাহলে আমি খুবই খুশি হব, কিন্তু শ্রীমান রামেশ্বর প্রভুর কথা শোনার পর যে শ্রীল প্রভুপাদ সহস্রাধিক গুন খুশি হবেন, এখন আমার এটা বলার কোন ভাষা নেই যে পূর্ববর্তী আচার্যগণ তাহলে কতটা খুশি হবেন!
তোমরা জানো যে তারা সমগ্র ভারতে সমীক্ষা করেছিল এবং বাংলা ছিল নাম্বার এক, কিন্তু এটা কোন গর্বের বিষয় ছিল না! এখানে ৯৮% আমিষভোজী— মাছ, মাংস, ডিম, পিঁয়াজ খায়। ভক্তরা যারা বৈষ্ণব আচার গ্রহণ করেছেন, যদি তারা কোন দর্শনার্থীকে দিয়ে এমনকি নাম জপ করাতে পারেন বা এমন কোনোকিছু করাতে পারেন, তাহলে সেটা এক বিশাল বিশাল কৃতিত্ব।
১৯৭৩ সালে শ্রীল প্রভুপাদ লন্ডনে তাঁর ব্যাস পূজার দিনে এই প্রবচন দিচ্ছিলেন, আমি জানিনা কত গৃহস্থ কত ব্রহ্মচারী, কিন্তু তিনি তাঁর গৃহস্ত ভক্তদেরকে বলছিলেন, “আপনারা সবাই হবেন পরমহংস!” আমি চিন্তা করছিলাম, পরমহংস উদাহরণ হিসেবে আমি কাকে প্রদর্শন করতে পারি? আমাদের পঞ্চতত্ত্বের মধ্যে শ্রীবাস ঠাকুর আছেন, যিনি ছিলেন গৃহস্থ, তার সন্তানাদি ছিল এবং তিনি চাঁদ কাজীর কাছে যাওয়া কীর্তন দলের মধ্যে একটিতে নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন। তিনি রথযাত্রা ছিল পুরীতে সেখানে একটি দলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এমন নয় যে যখন মানুষেরা বলে, “গৃহস্থ, তুমি কি করে পরমহংস হতে পারবে?” এটি আয়ত্তের বাইরে নয়! যদি শ্রীল প্রভুপাদ বলেন যে গৃহস্থদের পরমহংস হওয়া উচিত, তাহলে ব্রহ্মচারীদের বিষয়ে আর কি বলার আছে? হা! হা! শ্রীল প্রভুপাদ লন্ডনে তাঁর সেই প্রবচনে এটিও বলেছিলেন যে, তাঁর গুরু মহারাজ ছিলেন শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সন্তান, যিনি ছিলেন একজন গৃহস্থ, যিনি হচ্ছেন একজন আচার্য। তাই তিনি বলেছিলেন, “আমার শিষ্যদেরও আচার্য সন্তান হওয়া উচিত!” যখন ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের দেহত্যাগ করার সময় এসেছে, তিনি হাত ধরেছেন ভক্তিসিদ্ধান্ত ঠাকুরকে এবং তিনি বলেছেন যে, “ষড়্ গোঁসাই এবং চৈতন্য মহাপ্রভুর বাণী প্রচার করো।” এবং তার সহধর্মিনী, শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের মা আরো কয়েক বছর ছিলেন। যখন তিনি শেষ শয়ানে ছিলেন, তিনি ভক্তিসিদ্ধান্ত ঠাকুরের হাত ধরেছিল এবং তিনি বলছিলেন যে, “গৌরাঙ্গ বাণী প্রচার কর যত পারো।” যতদূর সম্ভব! তাই এখানে যারা গৃহস্থ আছ, তাদের সন্তানেরা আছে, যদি তারা এইভাবে অনুপ্রাণিত হতে পারে, তাহলে তা সত্যিই এক অসাধারণ ব্যাপার হবে! যখন আমি তা শুনেছিলাম, তখন তা আমাকে অত্যন্ত মন্ত্রমুগ্ধ করেছিল।
আমাদের এই সমাজে অনেক গৃহস্ত আছে, যেমন ৭০০০। হয়ত ৫০০ ব্রহ্মচারী আছে, বেশিরভাগ তারা সবাই গ্রন্থ বিতরণের জন্য বাইরে আছে। আজকের দিনটি খুবই অনুপ্রেরণাদায়ক দিবস, আমি অসুস্থ ছিলাম এবং নিচে আসতে পারছিলাম না, কিন্তু আমি আমার মোবাইল ফোনে শুনছিলাম শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর এবং তাঁর স্ত্রী এক ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যে গৃহস্থদের কেমন ভাবে জীবন যাপন করা উচিত। তিনি শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরকে শ্রীধাম মায়াপুর, নবদ্বীপে পরিক্রমা শুভারম্ভ করতেও বলেছিলেন এবং এটা আমার কল্পনাতীত, তবে ভক্তিবিনোদ ঠাকুর বলেছিলেন যে নবদ্বীপ পরিক্রমা করার মাধ্যমে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে প্রত্যেকেই কৃষ্ণভক্তি প্রাপ্ত হবে এবং তিনি আরো নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, আমাদের শ্রীমায়াপুরের সেবার বিষয়টি দেখা উচিত, যাতে এটি চিরস্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দিন দিন আরো দীপ্তিময় হয়ে ওঠে। তিনি বলেছিলেন, “নির্জন ভজন করা যথার্থ পন্থা নয়।” তিনি বলেছেন, “গ্রন্থ বিতরণ করো এবং নামহট্ট প্রচার করো।”
তারা আমাকে এটি দিয়েছেন ২৬শে ডিসেম্বর পঞ্চ ক্রোশ পরিক্রমার বিষয়ে পড়তে, অবশ্য আমরা বিভিন্ন পরিক্রমা করি। এবং তাদের মধ্যে একটি হচ্ছে পঞ্চ ক্রোশ। তিনি শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরকে বলেছিলেন যে, “এটি হচ্ছে তোমার প্রতি আমার বিশেষ নির্দেশ!” শ্রীল প্রভুপাদ প্রথম পরিক্রমা দলকে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং এটি তাঁর নির্দেশ ছিল যে আমরা যাতে পরিক্রমা করতে থাকি। গুরু পরম্পরার মাধ্যমে আমরা এই সমস্ত নির্দেশ প্রাপ্ত হই, তাই দয়া করে গ্রন্থ বিতরণ করুন, প্রচার করুন এবং মায়াপুরকে জ্যোতির্ময় করে তুলুন।
হরিবোল! হরিবোল! হরিবোল!
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ