মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: আমি বাংলাতে বলতে পারতাম, কিন্তু আমি পূর্ববর্তী বক্তাদের মত একই ধারায় বলব। আমাদের মায়াপুরের কীর্তনীয়াদের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছিল। শ্রীল প্রভুপাদ চাইতেন যে কীর্তন যাতে সর্বক্ষণ হয়, কিন্তু শ্রীশ্রীমৎ জযয়াদ্বৈত মহারাজ বললেন যে, কিভাবে তিনি মায়াপুরে আসতেন কীর্তন শ্রবণ করার জন্য, কিন্তু এখন তিনি সেই একই ব্যাপার লক্ষ্য করেন না যেমনটা আগে ছিল। বাংলাদেশে পুণ্ডরিক ধামে তাদের ২৪ ঘন্টা কীর্তন হত। একজন মহারাজ সেখানে কীর্তন শ্রবণ করতে বসেছিলেন, ৪৫ মিনিট বা ১ ঘন্টা পর তিনি আমাকে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলেন, “তারা কি গাইছে?” তারা কেবল হরেকৃষ্ণ নাম করছিল, কিন্তু তিনি বুঝতে পারছিলেন না যে তারা কি কীর্তন করছে। এটাই হচ্ছে বিষয় যা শ্রিল প্রভুপাদ নিষিদ্ধ করেছিলেন যে—কীর্তনে যেন এত সুর, এত ভাব না থাকে যে তুমি এটাই শুনতে পারবে না যে তারা কি কীর্তন করছে।
একবার আমি এখানে কীর্তন প্রতিযোগিতা করেছিলাম। শ্রীল প্রভুপাদ তা শুনছিলেন, তিনি বললেন— “তারা কীর্তন করছে ‘টাকা’ ‘টাকা’ ‘টাকা’” এবং শ্রীল প্রভুপাদ লোকেদের শ্রবণাতীত বা অননুমোদিত কীর্তনের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন এখন এখানে যে কীর্তন হয়, আমার মনে হয় না তা ততটা সেই রকম। রামনবমী বা রাধাষ্টমীতে বিশেষ কীর্তন হয়, যেমন— “জয় রাধে” বা “জয় শ্রীরাম” প্রভুপাদ তা মেনে নিতেন কিন্তু অন্যান্য দিনে তিনি তা মান্য করতেন না।
এখন আমরা চাই যে মায়াপুরে আমাদের একটি কীর্তন অ্যকাডেমী হোক। আমাদের কীর্তন দৃষ্টান্তমূলক হওয়া উচিত। অবশ্য, আমাদের মৃদঙ্গ আছে, করতাল আছে, কিন্তু স্বয়ং কীর্তন অনুমোদিত হওয়া উচিত। বৃহৎ পরিসরে তোমরা সবাই খুবই ভালো করছ। আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি যে শ্রীশ্রীমৎ চন্দ্রমৌলি মহারাজ এবং শ্রীশ্রীমৎ জয়াদ্বৈত স্বামী কীর্তন সম্বন্ধে বলেছেন। আমরা চাই কীর্তন মানুষদের কাছে আকর্ষণীয় হোক, কিন্তু একই সাথে আমাদের সেই মন্ত্র শ্রবণ করা উচিত। যখন আমি দেখি যে আমাদের কয়েকজন কীর্তনীয়া, যারা অন্যান্য দেশে যায়, তারা কখনো কখনো অনুচিতভাবে কীর্তন করে, কিন্তু তাদেরকে সবসময় দেখা হচ্ছে। তাই, আমরা আশা করি যে তোমরা সবাই তোমাদের কীর্তন সেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত দৃষ্টান্তমূলক হবে। শ্রীশ্রীমৎ জয়াদ্বৈত মহারাজ তোমাদেরকে বলেছেন যে কিভাবে শ্রীল প্রভুপাদ কীর্তনে নেতৃত্ব দিতেন। আমরা শুনি যে কিভাবে পবিত্র নাম কত শক্তিশালী, তাই এটা এমন হওয়া উচিত যে মানুষেরা যেন পবিত্র নাম শ্রবণ করতে পারে এবং তাতে তাদের হৃদয় যেন পরিবর্তিত হয়। হরে কৃষ্ণ!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ