মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
শ্রীমদ্ভাগবতম ৩/১/৩২
কচ্চিদ্ বুধঃ স্বস্ত্যনমীব আস্তে
শ্বফল্কপুত্রো ভগবৎপ্রপন্নঃ
যঃ কৃষ্ণপাদাঙ্কিতমার্গপাংসু-
ষ্বচেষ্টত প্রেমবিভিন্নধৈর্যঃ॥
অনুবাদ:- শ্বফল্কনন্দন অক্রূর ভাল আছেন তো? তিনি নিষ্পাপ এবং পরমেশ্বর ভগবানের শরণাগত। এক সময় তিনি পথের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের পদচিহ্ন দর্শন করে অপ্রাকৃত প্রেমানন্দে ধৈর্যহারা হয়ে সেই পথের ধুলোয় লুটিয়ে পড়েছিলেন।
তাৎপর্য:- অক্রূর যখন শ্রীকৃষ্ণের অন্বেষণে বৃন্দাবনে এসেছিলেন, তখন তিনি নন্দগ্রামের পথে শ্রীকৃষ্ণের পদচিহ্ন দর্শন করে অপ্রাকৃত প্রেমে আত্মহারা হয়ে সেখানেই লুটিয়ে পড়েছিলেন। শ্রীকৃষ্ণের চিন্তায় সর্বক্ষণ মগ্ন ভক্তের পক্ষেই এই প্রকার দিব্যভাব অনুভব করা সম্ভব। ভগবানের এই প্রকার শুদ্ধ ভক্ত স্বাভাবিকভাবে নিষ্পাপ কেননা তিনি সর্বদাই পরম পবিত্র পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গ করছেন। নিরন্তর ভগবানের চিন্তা জড় গুণের প্রভাব থেকে উৎপন্ন সংক্রমণের নিরাময়কারী উষধ। ভগবানের শুদ্ধ ভক্তেরা সর্বদা ভগবানের চিন্তায় মগ্ন থেকে তাঁর সঙ্গ লাভ করেন। তবুও, স্থান ও কালের বিশেষ পরিপ্রেক্ষিতে, সেই চিন্ময় আবেগ বিভিন্ন রূপ নেয়, এবং তা ভক্তের মনের ধৈর্য ভঙ্গ করে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু দিব্য প্রেমের উন্মাদনার এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করে গেছেন, যা আমরা হৃদয়ঙ্গম করতে পারি ভগবানের এই অবতারের জীবনচরিত থেকে।
***
জয়পতাকা স্বামী:- আপনারা কতজন পরমেশ্বর ভগবানের সঙ্গ লাভ করতে চাইবেন? তাই এখানে আমরা রহস্যটি পাই যে আপনি সবসময় ভগবানের সঙ্গ করতে পারবেন তাকে স্মরণ করার মাধ্যমে। অক্রূর সব সময় এই চিন্তায় ছিলেন যে তিনি আর কিছু মুহূর্ত পরই ভগবানের সঙ্গ লাভ করতে পারবেন, এইভাবে তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চিন্তায় মগ্ন ছিলেন। যখন তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচরণ চিহ্ন দর্শন করেন, তখন তিনি ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়েন এবং মাটিতে অজ্ঞান হয়ে যায় এখানে অক্রূর তিনি ভগবান কৃষ্ণের শ্রীচরণপদ্মের চিহ্নগুলি দেখছিলেন, তিনি ক্রন্দন করছিলেন ও ভাবাবিষ্ট হয়েছিলেন। এখন আমরা বুঝি যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমরা যেমন এই জড় জগতে আমাদের কর্ম অনুসারে আসি, তিনি তেমনভাবে আসেন না। তিনি হচ্ছেন এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় সবকিছু তাঁর হাতে। কিন্তু তিনি তাঁর ভক্তদের সাথে প্রেম ও স্নেহের ভাববিনিময় করার জন্য আবির্ভূত হন।
ভগবদগীতা (৪.৮) এটি বলা হয়েছে যে, “পরিত্রাণায় হি সাধুনাং বিনাশয় চ দুষ্কৃতাম” তাকে ব্রহ্মা অনুরোধ করেছিলেন যে, “দয়া করে নিম্মে আসুন এবং পৃথিবীর বোঝা দূরে করুন!” কিন্তু একই সাথে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর কোন ব্যক্তিগত কারণে আসেন, যেমন অক্রূর তিনি শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচরণপদ্ম চিহ্ন দেখে ভাবাবিষ্ট হয়ে পড়ে গিয়েছিলেন, এইভাবে তাঁর ভক্তদের সাথে প্রেমময় ভাববিনিময়ের জন্য তিনি আবির্ভূত হন।
আমার মনে হয় যেভাবে বিদুর তিনি অত্যন্ত নিপুন ছিলেন, তিনি শূদ্র হওয়ার অভিশাপ পেয়েছিলেন কিন্তু তিনি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং তিনি কৃষ্ণের কাকা হয়েছিলেন, তিনি জিজ্ঞেস করছিলেন যে কৃষ্ণ বলরামের কি খবর এবং তাদের আত্মীয়দের কি খবর। তিনি অক্রূরের সম্পর্কেও জিজ্ঞেস করছিলেন। তিনি ছিলেন এক শুদ্ধ জীবাত্মা, তিনি সবসময় কৃষ্ণের কথা স্মরণ করছিলেন, প্রত্যেকে যারা হাত তুলেছে তারা সহমত হয়েছে যে তারা কৃষ্ণের সঙ্গ লাভ করতে চায়। এখানে আমরা দেখতে পারছি যে কিভাবে আমরা তাকে স্মরণ করার মাধ্যমে সঙ্গ লাভ করতে পারি। আমরা সবসময় শ্রবণ করি যে কৃষ্ণ বৃন্দাবন ছেড়ে এক পদক্ষেপও বাইরে যান না, কিন্তু আমরা দেখি যে অক্রূর এসে কৃষ্ণ এবং বলরামকে নিয়ে চলে যান। কৃষ্ণ বলরাম যখন তাঁরা যমুনায় স্নান করেন, তখন কিছু রহস্যময় কাণ্ড হয়, তাই তখন আরেক কৃষ্ণ বলরাম এসেছিলেন। এখন যেইসব ভক্তরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বা চৈতন্য মহাপ্রভুর সম্পর্কে সবসময় চিন্তা করছে, এইভাবে তারাও তাঁদের সঙ্গ লাভ করছে এবং ভক্তরা তাদের জপমালায় জপ করার মাধ্যমে, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে, তারা সবসময় কৃষ্ণকে স্মরণ করছে। কৃষ্ণের জন্য সেবা করার মাধ্যমে আমরা সবসময় তাঁর সংস্পর্শে আছি। আমরা সবসময় কৃষ্ণকে স্মরণ করছি।
চৈতন্য মহাপ্রভু তিনি ভগবানের এক ভক্তরূপে আবির্ভূত হন। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন যে কিভাবে কেউ সর্বদা কেবল স্মরণ করার মাধ্যমে কৃষ্ণের সঙ্গ লাভে নিমগ্ন থাকতে পারবে। তিনি তার জীবনের প্রথম ভাগ নবদ্বীপে কাটিয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি পবিত্র নাম কীর্তন করতেন, এক সময় তিনি শ্রীবাস ঠাকুরের কাছে যান এবং তাকে জিজ্ঞেস করেন যে তিনি একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন কিনা। তখন শ্রীবাস বললেন, “কেন নয়? আপনার কি প্রশ্ন আছে?” তিনি বললেন, “মানুষেরা বলে আমি পাগল, তারা বলে যে আমার কোন ত্রুটি আছে, আমার কোন রোগ আছে। এটা কি সত্যি? আমার কি কোন রোগ আছে?” শ্রীবাস জিজ্ঞেস করলেন, “কি কি লক্ষণ আছে?” চৈতন্য মহাপ্রভু বললেন, “যখনই আমি কৃষ্ণ নাম শ্রবন করি, তখন আমি আর কোনভাবেই নিজেকে সাহায্য করতে পারি না, তবে ক্রন্দন করি, কখনো কখনো আমার শিহরিত হই, কখনো কখনো আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। তাই মানুষেরা বলে যে আমার এক রোগ আছে। আমার কি কোন রোগ আছে?” “হ্যাঁ! এবং আমিও এই রোগ চাই।” কেউই সাধারণত রোগ চায় না, তাহলে তিনি কি বলছিলেন? তখন শ্রীবাস তিনি বললেন যে, “আপনার কৃষ্ণ প্রেম আছে এবং সাধারণ মানুষ এই বিষয়টি বুঝতে পারবে না, কিন্তু আপনি যদি আমার গৃহে আসেন, তাহলে আমি এমন ভক্তদের নিমন্ত্রণ করব যারা আপনার এই ভাবের প্রশংসা করবে।”
এই বছর আমি নাড়ুগোপাল প্রভুর পরিক্রমা দলের সাথে শ্রীবাস অঙ্গনে গিয়েছিলাম। এই শ্রীবাস অঙ্গন এক অনেক বিশাল দেওয়াল দ্বারা ঘেরা ছিল এবং কেবল কিছু ভক্তরাই সেখানে যাওয়ার অনুমতি ছিল। ভক্তরা শুনতে পেতেন যে চৈতন্য মহাপ্রভুর কীর্তন হচ্ছে, অত্যন্ত সুন্দর, কিন্তু তারা দেখতে পেতেন না বা শ্রবণ করতে পারতেন না, হিংসুক ব্যক্তিরা বিভিন্ন ধরনের মূর্খতাপূর্ণ কথা বলত। কিছু ব্রাহ্মণেরা চাঁদ কাজীর কাছে যায় এবং অভিযোগ করে যে, “সে ভগবানের পবিত্র নাম অত্যন্ত জোরে জোরে কীর্তন করে, যা অত্যন্ত অপরাধমূলক! পবিত্র নাম মানসিকভাবে বলা যায়, কিন্তু সে হিন্দুধর্ম নষ্ট করছে। সে হরে কৃষ্ণ জোরে জোরে কীর্তন করছে।” তখন সেই কারণে চাঁদ কাজী মৃদঙ্গ ভেঙে দেন, এই কারণে শ্রীবাস ঠাকুরের গৃহের বহির্ভাগের সেই স্থানটি খোল ভাঙ্গা ডাঙ্গা নামে পরিচিত, যেই স্থানে মৃদঙ্গ ভঙ্গ করা হয়েছিল। তখন তারা এসে চৈতন্য মহাপ্রভুকে বলেন যে তাদেরকে চাঁদ কাজীর দ্বারা হুমকি দেওয়া হয়েছে যে তিনি তাদের ধর্ম কেড়ে নেবেন। চৈতন্য মহাপ্রভু বললেন, “কেউই সংকীর্তন আন্দোলন বন্ধ করতে পারবে না এবং সেটাই ছিল প্রথমবার।” যখন তিনি বের হয়ে এসেছিলেন এবং চারটি ভিন্ন কীর্তন দল ছিল। তিনি চতুর্থ দলে, তাঁর দুই দিকে নিতাই এবং গদাধর ছিলেন কারণ শচীমাতা তাদের দুজনকেই বলে দিয়েছিলেন যে যদি কোনভাবে তিনি মূর্ছিত হন, তাহলে তোমরা তাঁকে ধরবে, সে মাটিতে পড়ার আগেই, তোমরা তাঁকে ধরতে পারবে। সেই দলেরা নবদ্বীপের বিভিন্ন অংশে যান এবং সেখান থেকে মানুষদের যুক্ত করেন, সেখানে ছিল শ্রীবাস ঠাকুরের দল, হরিদাস ঠাকুরের দল এবং অদ্বৈত গোসাইয়ের দল, তারপর সেখানে ছিল গৌরাঙ্গের দল এবং কিছু নাস্তিকরা হাসছিল যে ভক্তরা কীর্তন করছে, কিন্তু যখন তারা চৈতন্য মহাপ্রভুকে দেখে যে তিনি ভাবাবিষ্ট হয়ে ক্রন্দন করছেন এবং কীর্তন করছেন, তখন তারা তাদের নাস্তিকতা আর বজায় রাখতে পারেনি এবং সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয়েছিল। তারাও ভাবাবিষ্ট হয়েছিল, কীর্তন করছিল, নৃত্য করছিল এবং মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছিল। সেই কীর্তন সমগ্র বিশ্বে শোনা যাচ্ছিল, এমনকি আধ্যাত্মিক জগতেও ইন্দ্রদেব এবং বায়ুদেব নিম্নে এসেছিল যে এখানে কি হচ্ছে! যখন ইন্দ্রদেব এবং বায়ু দেব দেখলেন যে পরমেশ্বর ভগবান আনন্দে মগ্ন হয়ে কীর্তন করছেন এবং নৃত্য করছেন, তখন তা দেখে তারা মূর্ছিত হয়ে পড়েন, যখন তারা তাদের চেতনা ফিরে পান, তখন তারাও মনুষ্য রূপ ধারণ করেন এবং সেই কীর্তনে যোগ দেন। গৌরাঙ্গ!! অপ্সরারা উপর থেকে পুষ্প ও কড়ি বর্ষণ করছিলেন। তখন চাঁদকাজী, অবশেষে অবশ্য এই সবকিছু হয়েছিল এবং তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, “আমি বা আমার বংশে কেউ সংকীর্তনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।”
একজন দক্ষিণ ভারতের ব্রাহ্মণ ছিলেন, তিনি জগন্নাথদেবকে দর্শন করতে এসেছিলেন। জগন্নাথস্বামী কি জয়! তিনি বিলাপ করছিলেন যে তিনি অত্যন্ত গরিব এবং তিনি অভুক্ত আছেন ও তিনি নিজেকে আঘাত করা শুরু করেন এবং তিনি বিলাপ করছিলেন যে তার কাছে কোন অর্থ নেই। তাই তিনি সমুদ্রের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন এবং তিনি দেখলেন যে এক বিশাল ব্যক্তি, কুড়ি বা তিরিশ মিটার উচ্চতা যুক্ত, সমুদ্র থেকে বের হয়ে আসছে। তারপর তিনি সাধারণ মানুষের রূপ ধারণ করেছিলেন, তখন সেই ব্রাহ্মণ তার কাছে যান এবং তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কে” এবং সেই ব্যক্তি সেই ব্রাহ্মণকে বলেন, “আমি যা, আমি সেটাই, আপনি কে?” তখন ব্রাহ্মণ এক সরল ব্যক্তি ছিলেন, তিনি বললেন যে, “আমি এক ব্রাহ্মণ, দক্ষিণ ভারত থেকে এসেছি।” সেই ব্যক্তি তখন হাঁটতে শুরু করেন, সেই ব্রাহ্মণ তাকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। তারপর সেই ব্যক্তি তিনি কাশী মিশ্রের গৃহে যান এবং চৈতন্য মহাপ্রভুর দর্শন করেন। তিনি চৈতন্য মহাপ্রভুকে তার প্রণাম নিবেদন করেন এবং চৈতন্য মহাপ্রভু তাকে তার পাশে বসান। চৈতন্য মহাপ্রভু বললেন, “বিভীষণ তুমি কেমন আছ?” চৈতন্য মহাপ্রভু, তাঁর সকল অবতারগণ, তাঁরা কখনো ভোলেন না।যখন তিনি রামচন্দ্রের অবতারে ছিলেন তখন বিভীষণ তাঁর শরণ গ্রহণ করেছিলেন। তারপর লক্ষণ বলেছিলেন যে, “তিনি হয়ত গুপ্তচর হতে পারে, আমরা কিভাবে তাকে বিশ্বাস করব?” বিভীষণ বললেন, “আমি যদি ঐকান্তিক না হই, তাহলে আমি কলি যুগের রাজা হব।” কারণ এটি ভয়ঙ্কর! সেই জন্য নিশ্চয়ই তিনি সত্যই বলছিলেন, এইভাবে তিনি চৈতন্য মহাপ্রভুর সাথে কথা বলছিলেন। চৈতন্য মহাপ্রভু বললেন, “সেই ব্রাহ্মণকে কিছু অনুদান দাও।” বিভীষণ রাজা ছিলেন। “সেই ব্রাহ্মণ আমাকে আঘাত করছিল, সে নিজেকে আঘাত করছিল জগন্নাথদেবের সামনে এবং তা ছিল জগন্নাথের কাছে অত্যন্ত কষ্টদায়ক।” তখন জগন্নাথদেব তিনি সেই ব্রাহ্মণের প্রতি অত্যন্ত অনুকূল হণ, “তাই সেই ব্রাহ্মণকে ধন, সমুদ্র প্রদান কর ও তাকে খুশি করো।” এইভাবে তাদের কিছু লীলা হয়েছিল, বিভীষণ তিনি যান ও জগন্নাথদেবের দর্শন করেন। তিনি সেই ব্রাহ্মণকে কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু সেই ব্রাহ্মণ তাকে সব জায়গায় অনুসরণ করছিলেন, তাই এই বড় কাহিনীকে ছোট করে বলতে গেলে—তিনি বিভীষণকে জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি যে ব্রাহ্মণকে দেখলে তিনি কে?” বিভীষণ বললেন, “তুমি মূর্খ ব্রাহ্মণ! এক বোকা ব্রাহ্মণ! তিনি চৈতন্যদেব, তিনি জগন্নাথদেব, তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।” এইভাবে চৈতন্য মহাপ্রভু তিনি এই পৃথিবীতে এইসব লীলা করেছিলেন।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তিনি দ্বাপর যুগে আসেন এবং তাঁর লীলা করেন। আমরা সৌভাগ্যবান যে শ্রীল প্রভুপাদের কৃপায় আমাদের চৈতন্য মহাপ্রভুর সম্পর্কে জ্ঞান আছে, আমাদের রাধামাধব, নরসিংহদেব সম্পর্কে জ্ঞান আছে। এগুলি সবই শ্রীল প্রভুপাদের কৃপা। আমাদের সবসময় পবিত্র নাম জপ করা উচিত এবং শ্রীশ্রী রাধামাধব, পঞ্চতত্ত্ব সম্পর্কে স্মরণ করা উচিত। এটি সব সময়ের জন্য প্রয়োজন। ষড়্ গোস্বামীগণ তারা সর্বত্র খুঁজতেন—কোথায় রাধা মাধব?সহজিয়ারা বলতে পছন্দ করে যে, “ওহ আমি কৃষ্ণকে দর্শন করেছি।” চৈতন্যদেব আমাদেরকে ভাব, প্রকৃত বিরহ ভাবের শিক্ষা প্রদান করেছেন। এইভাবে যারা মায়াপুরে আছেন, আমাদের সর্বদা নিতাই গৌর, রাধা কৃষ্ণের স্মরণে নিমগ্ন থাকা উচিত। হরে কৃষ্ণ!
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ