Text Size

২০২৩১১২৩ কার্তিক নবদ্বীপ মণ্ডল পরিক্রমায় প্রদত্ত বার্তা

23 Nov 2023|Duration: 00:11:14|Bengali|Navadvīpa Maṇḍala Parikramā|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
   যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
   পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
   হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- পরিক্রমার শেষ দিনে আমি বেলপুকুরে অংশগ্রহণ করার জন্য যেতে চাইছিলাম, কিন্তু আমার গাড়ি কলকাতায় মেরামতের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অন্যান্য শারীরিক কারণ আছে। আমি জানিনা অন্যান্য বক্তারা কি লীলা বলেছেন, তাই আমি এমন কিছু বলব যা কেউ বলেননি।

একজন ছিলেন সূর্যদাস সরখেল, তার দুই কন্যা জাহ্নবা এবং বসুধা, তারা শাল গ্রামে থাকছিলেন, যা বর্তমানে পূর্বভাগ থেকে আরেকটু পাশে অবস্থিত। সেই সময় গঙ্গা এর পাশ দিয়ে বয়ে যেত। কৃষ্ণ হোরা ছিলেন ভগবানের পার্ষদ। নিত্যানন্দ প্রভু, তিনি ভেবেছিলেন যে দুই পুত্রী জাহ্নবা এবং বসুধা নিত্যানন্দ প্রভুর জন্য ঠিক পাত্রী হবেন, যিনি চৈতন্য মহাপ্রভুর থেকে নির্দেশ পেয়েছিলেন যে তাঁর গৃহস্থ আশ্রমে প্রবেশ করা উচিত। প্রথমে সূর্যদাস সরখেল তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তিনি বলেছিলেন যে, “নিত্যানন্দ প্রভু একজন অবধূত!” এরপর সেই রাতে তিনি এক স্বপ্ন দেখেছিলেন, তিনি দেখলেন যে তার দুই কন্যার বলরামের সাথে বিবাহ হয়েছে, তখন তিনি উপলব্ধি করলেন যে তিনি হয়ত ভুল। তাই তিনি কৃষ্ণ হোরাকে বললেন যে তিনি এতে সহমত, তারপর কৃষ্ণ হোরা নিত্যানন্দ প্রভুকে তা বললেন, যিনি নবদ্বীপে তখন পাঠ দিচ্ছিলেন, তিনি বুঝতে পারলেন যে উনি  কি বলছেন, তারপরও পাঠ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এরপর তিনি সহমত প্রকাশ করেন ও তাঁদের বিবাহ অনুষ্ঠান হয়। নিত্যানন্দ প্রভু বসুধা এবং জাহ্নবা দেবীকে বিবাহ করলেন। সেই সময় গঙ্গার স্থান পরিবর্তিত হয় এবং রুকুমপুর নামক এক স্থান দিয়ে তা বয়ে যাচ্ছিল, যা হচ্ছে নবদ্বীপ ধামের উত্তর প্রান্ত। বলা হয়েছে যে কার্তিক মাসে, বিশেষত কার্তিক পূর্ণিমাতে স্নান করলে, তা উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে স্নান করার শতগুণ ফল প্রদান করে। নিত্যানন্দ প্রভু, তিনি সেখানে তাঁর পরিক্রমা দলকে নিয়ে যেতেন। যেহেতু রুকুমপুর দূরে উত্তরে ছিল, সেই জন্য তিনি শুধু তা আঙুল দিয়ে তা দেখিয়ে দিতেন। অবশ্য, নাড়ুগোপাল বলেছে যে সে জিপ গাড়িতে করে পরিক্রমা নিয়ে যায় এবং তারা হয়ত রুকুমপুরে যেতে সক্ষম। হেঁটে পরিক্রমার ক্ষেত্রে এটা অনেক দূর। আমার শিষ্য কীর্তন প্রিয় দাস, সে মদন গোপাল শ্রীবিগ্রহের শৃঙ্গার করে এবং সেবায়েত হচ্ছে নিমাই কৃষ্ণ দাস, সে আমার থেকে দীক্ষা গ্রহণ করেছিল। সেই শ্রীবিগ্রহ ১১০০ - ১৪০০ বছর পুরাতন। এছাড়াও সেখানে নীলাম্বর চক্রবর্তী ও শচীমাতা আছেন। শচীমাতা তাঁর বিবাহের পূর্বে নিজে এই শ্রীবিগ্রহ সেবা করতেন আর তাই এই দ্বীপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এই দ্বীপটি হচ্ছে শ্রবণ। আমি আশা করি আপনারা সবাই পরিক্রমায় আনন্দ পাচ্ছেন। হরে কৃষ্ণ!

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 30/1/2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions