Text Size

২০২৩১০০১ দীক্ষা অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্য

1 Oct 2023|Bengali|Initiation Address|Bangalore, India

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
   যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
   পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ

জয়পতাকা স্বামী:- কারা এখন হরিনাম দীক্ষা নিতে চলেছে? কারা আশ্রয় নেবে? এবং কারা পরিদর্শন করতে এসেছে? প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমাদের ভক্তরাও আশ্রয় এবং দীক্ষা গ্রহণ করছে। ভক্তরা যারা দীক্ষা নেবে, তারা কি তাদের প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেছে? যারা তাদের প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেনি, হাত তুলুন! শ্রীবিগ্রহগণ আধ্যাত্মিক জগত থেকে এসেছেন, তাঁরা আপনাদের সেবা গ্রহণ করতে এসেছেন। বেশিরভাগ মানুষেরা ভগবানের কাছে জাগতিক আশীর্বাদ প্রার্থনা করে, কিন্তু ভগবানের ভক্তরা তারা ভগবানকে সেবা নিবেদন করতে চায়। এটি চৈতন্য মহাপ্রভুর দ্বারা অত্যন্ত প্রশংসিত। এই জড়জগতে মানুষেরা তারা কৃষ্ণের সাথে তাদের সম্পর্ক সম্বন্ধে ভাবে না কিন্তু কৃষ্ণের সাথে আমাদের সম্পর্কই হচ্ছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কৃষ্ণের সাথে অত্যন্ত গভীর সম্বন্ধ থাকা প্রয়োজন। এইভাবে ভগবান তিনি দেখেন যে আমরা তাঁর ঐকান্তিক ভক্ত। এমন নয় যে ভগবানের কিছু প্রয়োজন আছে, কিন্তু আমাদের ভগবানকে নিবেদন করার প্রয়োজন আছে।

কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ তিনি সমগ্র বিশ্বে ১৪ বার ভ্রমণ করেছেন এবং তিনি ভক্তি যোগের এই পন্থা শিক্ষা দিয়েছেন, যেখানে আপনি জপকীর্তন করেন, নৃত্য করেন এবং ভক্তিযোগের বাণী শ্রবণ করেন। এইভাবে আমাদের প্রত্যেক কার্য ভগবানের নিকটস্থ হয়, তাই শ্রীবিগ্রহগণ আপনাকে তাদের সেবকরূপে গ্রহণ করার জন্য এখানে উপস্থিত হয়েছেন। কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন “ন মে ভক্তঃ প্রণশ্যতি” — আমার ভক্তের কখনও বিনাশ হবে না। আমরা ভগবানের সেবা করতে চাই, আমরা ভগবানকে আমাদের সেবা করতে বলতে চাই না। যদি আপনি কিছু প্রার্থনা করেন, তাহলে কৃষ্ণভাবনামৃতের সাথে সংযুক্ত কিছু প্রার্থনা করুন।

আমরা আনন্দিত যে এত ভক্তরা আজকে এখানে আছেন! সবথেকে ভালো জিনিস যা আপনি করতে পারেন, তা হচ্ছে রাধা কৃষ্ণের কাছে আত্মসমর্পণ করা এবং নিতাই নটোবর ও গৌর সুন্দরের কাছে আত্মসমর্পণ করা। আমি দেখছিলাম যে কিভাবে শ্রীবিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর ভক্তরা কীর্তন করছিলেন এবং নৃত্য করছিলেন, তাই আমাদের শরীরকে ভগবানের সেবায় ব্যবহার করা, ভগবানের জন্য নৃত্য করা, ভগবানকে প্রসাদ নিবেদন করা, এটাই হচ্ছে জীবনের পরিপূর্ণতা। কেউ একজন জিজ্ঞেস করছিল যে আমরা কিভাবে সব সময় খুশি থাকতে পারব? সবকিছু কৃষ্ণের প্রতি নিবেদন করার মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই কেউ আনন্দ অনুভব করবে। জাগতিক জিনিসের একটি শুরু আছে ও শেষ আছে, কিন্তু কৃষ্ণের প্রতি ভক্তিমূলক সেবার কোন সমাপ্তি নেই। আমরা এই দীক্ষা অনুষ্ঠান শুরু করতে চাই, আমি শুনলাম যে চৈতন্য মহাপ্রভু নবজাত শিশুদের নাম দিতেন, তিনি বিবাহিত জীবনের প্রতি অত্যন্ত ইতিবাচক ছিলেন। এইভাবে আমাদের গৃহস্থদের অনেক আচার্য সন্তান লাভের জন্য তাদেরকে উৎসাহিত করতে হবে, শ্রীল প্রভুপাদ বলেছিলেন যে তাঁর গুরু হচ্ছেন শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের সন্তান। শ্রীবিগ্রহের সামনে প্রার্থনা করতে হবে, এইভাবে গৃহস্থদের প্রার্থনা করা উচিত কৃষ্ণভাবনাময়, সুস্বাস্থ্যবান, সুপুত্র যাতে লাভ হয়। কেউ পুত্র হোক বা পুত্রি যাই হোক। আমরা গতকাল ভক্তদের আনন্দমগ্ন হয়ে নৃত্য করতে দেখছিলাম।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে / হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 24/1/2024
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions