Text Size

প্রশ্নোত্তর পর্ব — ১০ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

15 May 2022|Duration: 00:32:48|Bengali|Question and Answer Session|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত প্রশ্ন এবং উত্তর পর্ব, ১০ই মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, মায়াপুর, ভারত

জয়পতাকা স্বামী:-  যদি আমরা মনে করি যে আমরা গুরু এবং কৃষ্ণের কৃপা পেতে চাই, তাহলে স্বাভাবিকভাবে আমরা যা কার্যকলাপ করি তা সবই প্রার্থনামূলক ভাবনায় করি। কারণ আমরা যা করি সবক্ষেত্রেই আমরা কৃষ্ণের কৃপা পেতে চাই।

 

প্রশ্ন:- কিভাবে শ্রীল প্রভুপাদের গ্রন্থাবলি প্রত্যেকদিন অধ্যয়ন করার জন্য রুচি বিকশিত করা যায়? — সুন্দর নিতাই দাস, উজ্জয়নী

 

জয়পতাকা স্বামী:-  সুন্দর নিতাই দাস, তুমি যদি বইগুলি প্রত্যেকদিন পড়ো, তাহলে তোমার রুচি বৃদ্ধি পাবে। এবং গত রাতে আমি পড়ছিলাম, শ্রীল প্রভুপাদ বলছিলেন যে যারা কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনের সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত, তাদের সকলের উচিত শ্রীল প্রভুপাদের বই —  ভদবদ্‌গীতা, শ্রীমদ্ভাগবত, চৈতন্য চরিতামৃত, এবং অন্যান্য গ্রন্থাবলি পড়া। অন্যথায়, একজনের অধঃপতন হতে পারে এবং অপর্যাপ্ত জ্ঞানের কারণে কৃষ্ণভাবনামৃত ত্যাগ করে চলে যেতে পারে। তাই তুমি কৃষ্ণের কাছে প্রার্থনা করতে পারো যে কোন অপরাধ ছাড়া তুমি যাতে গ্রন্থ গুলি অধ্যয়ন করতে পারো। এবং প্রত্যেকদিন অধ্যয়ন করার মাধ্যমে, ধীরে ধীরে তুমি তোমার রুচি বৃদ্ধি করবে।

 

প্রশ্ন:-  আমি অনর্থের সাথে সংঘর্ষ করছি, কিভাবে অর্থ নিবৃত্তি হবে? — আপনার সেবক, অক্ষজ, ভোপাল

 

জয়পতাকা স্বামী:-  সাধারণত, ভজন ক্রিয়া স্তরটি হল যখন আমরা দীক্ষা গ্রহণ করি। এরপরে গুরুর নির্দেশ অনুসারে, আমরা অনর্থ নিবৃত্তি করি। আমরা গুরুর কাছ থেকে শ্রবণ করতে পারি অথবা আমাদের শিক্ষাগুরু থাকতে পারেন যিনি এই অনর্থ গুলি থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করবেন শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের একটি বই আমি অনুবাদ করেছিলাম, বৈষ্ণব কে? তিনি তার মনকে বলছেন, তুমি কেমন বৈষ্ণব? নির্জনে ভজন করার মাধ্যমে তুমি নাম এবং প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আশা করো। সেই বইটি, এটা একটা ছোট বই। কিভাবে মনকে নিয়ন্ত্রিত এবং সুশাসিত করা যাবে সেটি বুঝতে তুমি ওই বইটি পড়তে পারো। এছাড়াও, শ্রীনিবাস আচার্য কর্তৃক বিরচিত একটি ভজন আছে, এটি একজনকে মন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। অনর্থগুলি মনের মধ্যে আছে। অনর্থ নিবৃত্তি মানে মন শুদ্ধ হয়েছে।

 

প্রশ্ন:-  আমরা কিভাবে যথেষ্ট বুদ্ধি লাভ করব যাতে আমরা মায়ার প্রলোভন থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারি কারন মায়া আমাদের থেকেও অনেক বেশি বুদ্ধিমতী? — দর্শ

 

জয়পতাকা স্বামী:- মায়া আমাদের থেকে শক্তিশালী কিন্তু কৃষ্ণ মায়ার থেকেও শক্তিশালী। যদি আমরা কৃষ্ণের আশ্রয় গ্রহণ করি তাহলে মায়াকে অতিক্রম করতে পারবো। এই কারণে আমরা নিজেদেরকে কৃষ্ণের সেবায় নিযুক্ত করার চেষ্টা করি। আর এখানে একটি প্রতিযোগিতা হয়। মায়া আমাদের পরীক্ষা করে, কিন্তু যদি আমরা কৃষ্ণকে অনুসরণ করতে সক্ষম হই, তাহলে মায়া আমাদেরকে তার প্রণাম নিবেদন করবে। কিন্তু যদি আমরা তার পরীক্ষায় নতি স্বীকার করি, তাহলে আমরা এই জড় জগতেই থেকে যাবো।

 

হরে কৃষ্ণ! গুরুমহারাজ!

প্রশ্ন:- আমরা কিভাবে একজন সঠিক গুরুকে নির্বাচন করতে পারব? —  ঋত্বিক, ইস্‌কন বরোদা

 

জয়পতাকা স্বামী:-  যদি গুরু তোমাকে সাহায্য করতে সক্ষম হয়, যদি তুমি অনুভব করো যে শ্রীল প্রভুপাদ গুরুর মাধ্যমে তোমার সাথে কথা বলছেন এবং তুমি মায়াকে অতিক্রম করতে সক্ষম, তাহলে তিনি হলেন তোমার জন্য সঠিক গুরু। আর এছাড়াও তুমি বিভিন্ন শিক্ষাগুরু এবং বৈষ্ণবদের থেকে সাহায্য পেতে পারো। আমার কাছে ১৫টি  প্রশ্ন আছে তোমার উচিত নিজেকে জিজ্ঞাসা করা, এটি বোঝার জন্য যে ইনি সঠিক গুরু নাকি।

 

প্রশ্ন:- এত বাধা সত্বেও কি আপনাকে প্রচার করতে অনুপ্রাণিত করে, বিশেষত আপনার এই বার্ধক্যকালীন সময়ে? — অক্ষয়, ভদোদরা

 

জয়পতাকা স্বামী:- ভদোদরা থেকে কতজন এসেছো? ভদোদরা হল গুজরাটে অবস্থিত। ভদোদরা, আমার অনেক শিষ্যরা ভাদোদরায় থাকে। তারা ভক্তি বৃক্ষের অন্তর্গত। শ্রীল প্রভুপাদ আমার জন্য যা কিছু করেছেন তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ অনুভব করি এবং তাই তা শোধ করার জন্য আমি প্রচার করার চেষ্টা করি। আর ২০০৮ সালে আমার স্ট্রোক হয়েছিল এবং আমার শরীরের ডান দিক সম্পূর্ণ প্যারালাইসিসড নয় কিন্তু প্যারেসিস, আংশিকভাবে প্যারালাইসিস। এবং আমার মুখের বাম দিকটিও। কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভুর শিক্ষা অত্যন্ত আনন্দদায়ক। এতে বলা হয় যে সাধারণ মানুষ যদি তারা শস্য এবং দুধ খায়, তাহলে তুমি শক্তিশালী, কিন্তু ভক্তদের ক্ষেত্রে এমনকি যদি তোমার কাছে এক ফোটা অমৃত থাকে তাহলে তুমি অনেক শক্তি অনুভব করবে। চৈতন্য মহাপ্রভু এই অমৃত প্রদান করেন। আমরা আশা করি যে তোমাদের মায়াপুরে যাত্রা অত্যন্ত সুন্দর ছিল এটি ঔদার্য ধাম রূপে পরিচিত, কৃপা ক্ষেত্র। বৃন্দাবন হল মাধুর্য দাম, অত্যন্ত মধুর। জগন্নাথ পুরী এবং দ্বারকা হল ঐশ্বর্য ধাম, অত্যন্ত ঐশ্বর্যমণ্ডিত। এই স্থানটি হল কৃপা পাওয়ার জন্য এবং চৈতন্য মহাপ্রভু হলেন কৃষ্ণ কিন্তু তিনি একজন ভক্ত, শ্রীমতি রাধারাণীর ভাবে আছেন। তাই এই কারণে এটি হল বিশেষ কৃপা যা আমরা পাই এবং আমরা চৈতন্য মহাপ্রভু ও শ্রীল প্রভুপাদের সেবা করতে চাই। হরে কৃষ্ণ!

 

প্রশ্ন:- আমার মধ্যে উপভোগ করার অত্যন্ত দৃঢ় বাসনা আছে তাই এটি আমার আধ্যাত্মিক ইচ্ছাকে বাধা প্রদান করছে। কিভাবে সেবা করার ইচ্ছা লাভ করা যাবে?

 

জয়পতাকা স্বামী:-  তুমি দেখো সকলেই উপভোগ করতে চায়, তারা সুখী হতে চায়। কিন্তু আসলে, আসল সুখ আধ্যাত্মিক জগত থেকে পাওয়া যায়। জগতের সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী। তাই চিরস্থায়ী আনন্দ লাভ করা সম্ভব নয়, কিছু সুখের জন্য আমাদেরকে অনেক ক্লেশও পেতে হয়। যেমন বার্ধক্য, জরা, পড়াশোনা, পড়াশোনার জন্য অনেক সময় দেওয়া, যদি তুমি কাজ করো, তাহলে কর্মস্থানে অন্যান্য মানুষেরা হয়তো ঈর্ষা পরায়ন এবং তারা তোমাকে প্যাচে ফেলতে চায়, যাতে তারা ভালো প্রদর্শন করতে পারে, আর তারপর জেনারেল ম্যানেজার হতে পারে তাই আমরা দেখি যে গুন, নিয়ন্ত্রণ, অপারেশন, মার্কেটিং এইগুলি আসলে অন্যদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তাই আসল সুখ লাভ হল কৃষ্ণভাবনামৃত। তারপর তুমি জপকীর্তন এবং নৃত্য করো। কখনো কখনো চৈতন্য মহাপ্রভু বলেন যে একজন এত আনন্দ অনুভব করে যে তারা রোদন করে, হাসে। এইভাবে তারা অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করে। সকলে আনন্দ অনুভব করতে চাই। কিন্তু মায়া আমাদেরকে বিফল করে, আমাদেরকে পদাঘাত করে যে আমরা, আমরা এই জগতে সুখী হব। এই ধারণা দিয়ে যে আমরা যদি অনেক ইন্দ্রিয় তৃপ্তি করি, তাহলে আমরা খুশি হবো। কিন্তু আসলে, তা আসল সুখ প্রদান করেন। তাই একজনের কৃষ্ণভাবনাময় হতে এই মনুষ্য জন্ম কাজে লাগানো উচিত। তাই যদি তুমি মনে করো যে তুমি হলে এই শরীর, তাহলে এই শরীরকে উপভোগ করার অত্যন্ত দৃঢ় বাসনা আসবে। কিন্তু যদি তুমি উপলব্ধি করা যে তুমি এই শরীর নও, তাহলে তুমি কৃষ্ণকে প্রসন্ন করার মাধ্যমে আনন্দ উপভোগ করার চেষ্টা করবে। এবং কৃষ্ণকে খুশি করার মাধ্যমে আমরা আনন্দিত অনুভব করি।

 

প্রশ্ন:- আমি শ্রীল প্রভুপাদের আন্দোলনের নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই কিন্তু আমি জাগতিক জিনিসের প্রতি আসক্তি নিয়ে এবং আমার পরিস্থিতি সম্পর্কে আশঙ্কিত। —- মিলন, ইসকন ইয়ুথ ফোরাম, বড়দা

 

জয়পতাকা স্বামী:-  দেখুন চৈতন্য মহাপ্রভু, তিনি শিক্ষা দিয়েছেন যে তুমি বৈরাগী অথবা গৃহস্থ যাই হও না কেন তাতে সাফল্য লাভ করতে পারবে। তাই, তুমি যদি গৃহস্থ হও তাহলে তোমায় কৃষ্ণকে কেন্দ্রস্থলে রাখা উচিত। চেন্নাই ইউথদের কাছে আমি একটা নাটক দেখেছিলাম। একটি মেয়ে এবং একটি ছেলে যমদূতের অভিনয় করছিল এবং একটি মেয়ে, সে যমরাজের অভিনয় করছিল। সে যমরাজের মত মোচ এঁকেছিল। যমদূতগণ অভিযোগ জানাচ্ছিল। যমরাজ! আমরা কি করব? এই কৃষ্ণভাবনাময় ভক্তদের তাদের গৃহে শ্রীবিগ্রহ রয়েছে, তারা হরে কৃষ্ণ জপ করে, তারা ভগবত অধ্যায়ন করে, আমরা কি করব? আমরা তাদেরকে নরকে নিয়ে আসতে পারি না! হয়তো অন্য কোন চাকরি দরকার, অন্য কাজ। তাই যমরাজের অভিযোগ করতে দেখা খুবই আকর্ষণীয় ছিল। আসলে, কলকাতার একটি পরিবারে, মা,  সন্তানেরা, সকলেই দীক্ষিত ছিল। বাবা ছাড়া সকলে। তিনি এসবের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু তারপর তার ক্যান্সার ধরা পড়ে। তিনি বিছানাতে ছিলেন। এবং তিনি দেখলেন যে দুজন লোমশ ব্যক্তি চামড়ার দড়ি নিয়ে দেওয়াল থেকে বেরিয়ে আসছে। তিনি বললেন, “ না, না না, না!  না, না!  কোনভাবে তারা চলে গেল। তিনি তার স্ত্রীকে ডাকলেন, “আমি কন্ঠি চাই। আমি ভদবদ্‌গীতা চাই। আমি জপমালা চাই।আমরা এত সময় ধরে যা প্রয়াস করছিলাম, যমদূতেরা কয়েক মিনিটের মধ্যে তাকে পরিবর্তন করে দেয়। এরপর তিনি অত্যন্ত কৃষ্ণভাবনাময় হয়ে ওঠেন।

 

প্রশ্ন:- অন্যান্য ভক্তদের সাথে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা কিভাবে বন্ধ করব কারণ এটি আমাদের আধ্যাত্মিক ভাবনার ক্ষতি করে। —  নিখিল রাজ, ভোপাল

 

জয়পতাকা স্বামী:-  মায়াপুরে আমাদের এখানে কয়েকজন অত্যন্ত গম্ভীর ভক্ত আছেন। আপনি মায়াপুরের গ্রামবাসীদের জিজ্ঞেস করতে পারেন এবং তারা এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে। একজন হলেন জননিবাস প্রভু। যখনই তিনি আসেন, কৃষ্ণভাবণামৃত সম্পর্কে বলেন, কিন্তু যদি আলোচনাটা একটু ভিন্ন হয়, তখন তিনি চলে যেতেন। আপনি পিছন ফিরে দেখবেন উনি চলে গেছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি কৃষ্ণভাবনাময় ততক্ষণ তিনি সেখানে থাকবেন। অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা হলে আর তাহলে উনি নেই। এছাড়াও, কিছু কিছু মানুষেরা তারা বিষয়টিকে পরিবর্তন করতে সক্ষম। যদি কেউ অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলছে, তাহলে তারা জানে কিভাবে সেই বিষয়েকে পরিবর্তন করবে। এবং তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ কথায় ফিরিয়ে আনবে। আর যদি লোকেরা অপ্রয়োজনীয় কথা বলতে অত্যন্ত আসক্ত হয় তাহলে তারা আপনার সাথে থাকতে পছন্দ করবে না। 

 

প্রশ্ন:- আমরা কৃষ্ণ ভক্তিতে সমস্যার সম্মুখীন হওয়া সত্বেও কিভাবে উত্সাহী থাকবো?

 

জয়পতাকা স্বামী:- দেখুন সব সময় কিছু না কিছু পরীক্ষা থাকবে। মায়া আপনাকে পরীক্ষা করবে, যে আপনি কি সত্যি আন্তরিক? আপনি কি কৃষ্ণ সেবা করতে চান নাকি আপনি শুধু ছলনা করছেন। এখানে ভক্তরা আছেন। আমি প্রত্যেকদিন প্রবচন দেই, কমবেশি প্রতিদিন। আপনি যেখানেই থাকুন, ভোপাল, ভাদোদর, আপনি ক্লাসটি দেখতে পারেন, ফেসবুকের বা জুমের মাধ্যমে।

 

প্রশ্ন:- কিভাবে ভোগ করার মানসিকতাকে অতিক্রম করা যাবে?

 

জয়পতাকা স্বামী:- যখন আমরা আধ্যাত্মিক জীবনের স্বাদ পাই তখন আমরা আমাদের উৎসাহ উদ্দীপনাকে বজায় রাখি। যেমন ভক্তিমূলক সেবার বিভিন্ন স্তর ভজন-ক্রিয়া, অনর্থ-নিবৃত্তি, নিষ্ঠা, রুচি, রুচি মানে স্বাদ। তোমার রুচি থাকলে, তুমি আরো এবং আরো সেবা করতে চাইবে। এবং একবার, মন্ট্রিলে, মা ও বাবা ছেলেকে দেখতে এসেছিলেন। তাকে তাদের হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে তার সাথে ভালোভাবে কথা বলে। কিন্তু যখন তারা দরজার কাছে পৌঁছায়, তখন তারা তাকে জোড় করে ধরে এবং বাড়িতে যেতে বলে। তখন সে দরজা চেপে ধরে এবং তারা তার পা ধরে টানছিলো এবং শ্রীল প্রভুপাদ যখন তিনি তা শুনলেন, তিনি বললেন সে আসক্ত। রুচির পরে আসে আসক্তি, অনুরক্তি। পিতামাতাকে এইভাবে প্রতিহত করার জন্য তোমাকে আসক্ত হতে হবে। সে যাই হোক, ভক্তিমূলক সেবার মাধ্যমে আমরা ধীরে ধীরে স্বাদ পাই, তখন আমরা আসক্ত হই এবং এইভাবে আমরা অনেক, অনেক ভক্তিমূলক সেবা নিবেদনের অভিলাষ করি।

 

আজকে আমি একজন ভক্তের সাথে আলোচনা করছিলাম। তিনি আমাকে বললেন যে আমরা নিযুক্ত এমন প্রত্যেকটি সেবা অথবা প্রচার কার্যক্রমের ক্ষেত্রে আমাদের একটা পরিকল্পনা থাকতে হবে। গুরুমহারাজ, আমার প্রশ্ন হল...
প্রশ্ন:-  আমি যদি কর্তৃপক্ষের অধীনে সেবা করি, তাহলে একটি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে আমার কী পরিকল্পনা থাকতে পারে? কি হবে যদি আমাদের কর্তৃপক্ষের ভিন্ন পন্থা বা দৃষ্টিভঙ্গি থাকে? — অমৃতেস গৌর দাস, ভুবনেশ্বর

 

জয়পতাকা স্বামী:- দেখুন এটা হয়তো আলাদা হতে পারে বা একই হতে পারে। যদি তোমার পরিকল্পনা থাকে যে তুমি কৃষ্ণের সেবা করতে চাও, তুমি কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনের প্রসার করতে চাও, হয়তো কিছু ব্যক্তিগত বিভিন্নতা থাকবে। যদি তোমার উদ্দেশ্য কৃষ্ণভাবনাময় হয় তাহলে এটা কোনো সমস্যার নয়।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions