মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্।
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ
জয়পতাকা স্বামী:- আপনারা গৌর মণ্ডল ভূমির কিছু মহিমা শুনেছেন। আপনারা এর সাধারণ বিস্তার সম্পর্কে শুনেছেন এবং আপনারা দেখছেন কিছু স্থান ভালো আছে, কিছু স্থান পুরনো ধরনের, সেখানে অনেক কাজ করা দরকার এবং কিছু স্থান আসলে হারিয়ে গেছে! তবে গবেষণা করার মাধ্যমে আমরা সেই স্থানগুলি কোথায় তা চিহ্নিত করতে পারি। তাই যেহেতু বাংলাদেশের অনেকে হিন্দুরা ভারতে চলে এসেছে, তাই আমরা কয়েকজনের আবির্ভাব স্থানগুলি পেয়েছিলাম। অদ্বৈত আচার্যের আবির্ভাব স্থান, শ্রীবাস ঠাকুরের আবির্ভাব স্থান। আমরা গদাধর পণ্ডিতের আবির্ভাব স্থানটি পেতে চেষ্টা করছি, পুন্ডরিক বিদ্যানিধির আবির্ভাব স্থানটি আমাদের কাছে আছে। আমাদের কাছে রূপ এবং সনাতনের বাল্যকালের সেই স্থানটি আছে। এবং এছাড়াও আমাদের কাছে আছে নরোত্তম দাস ঠাকুরের শ্রীপাট। তিনি ছিলেন একজন রাজকুমার তবে তিনি প্রচার করার জন্য তার রাজ সিংহাসন পরিত্যাগ করেছিলেন। বাংলাদেশের ভক্তরা, তারা এই কার্যক্রমকে অত্যন্ত উৎসাহের সাথে গ্রহণ করেছে। বাংলায় আমাদের মায়াপুরে মন্দির আছে, আমাদের একচক্রতে মন্দির আছে এবং অন্যান্য স্থানে ভক্তিবেদান্ত স্বামী চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অনুদানের অর্থে আমাদের কানাই নাটশালা মন্দির হয়েছে। কিন্তু কিছু স্থান আছে যা আমরা করতে পারি এবং আমাদের কাছে থাকা উচিত। অথবা আমরা অনেক সেবায়েতদের সাহায্য করতে পারি। আমরা অর্থ সাহায্য প্রদান করতে না চাইলেও, আমরা সেখানে যেতে পারি এবং তাদেরকে বিভিন্ন কার্যে সাহায্য করতে পারি। তাই এটাই হল আমাদের বর্তমান মানদণ্ড। নবদ্বীপ ধামে আমরা অনেক উন্নয়ন করেছি, নরসিংহ পল্লী, হরিহর ক্ষেত্র, মধ্যদ্বীপে হংস বাহন মন্দির এবং অন্যান্য অনেক মন্দির। রাজাপুরে আমাদের জগন্নাথ মন্দির আছে এছাড়াও সীমন্তিনি দেবী আছেন। তো এইভাবে অনেক কাজ আছে যা করতে হবে। আমরা দেখি যে কিভাবে রূপ এবং সনাতন, ষড় গোস্বামীগন তারা বৃন্দাবনের বিভিন্ন স্থানগুলি খনন করেছিলেন।
আমরা কত ভাগ্যবান যে শ্রীল প্রভুপাদ আমাদেরকে এই সেবা প্রদান করেছেন। যদিও তিনি আমাকে ৪৩ বছর আগে সীমিত পুঁজি প্রদান করেছিলেন যাতে আমি করতে পারি কিন্তু এখানে অনেক কিছু আছে যা করতে পারা যেত। আসলে, তিনি ভক্তিবেদান্ত স্বামী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট নির্মাণ করেছিলেন কিন্তু তাতে সীমিত সম্পদ ছিল। তাই আমি বলছিলাম যে এখানে অনেক শ্রীপাট আছে ও তারা আমাদের কাছে উন্নয়ন কার্যের জন্য আসছে। আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম যে আমাদের একটি ওয়েব পেজ থাকা দরকার এবং সেখানে শ্রীপাট গুলির প্রকল্পের সম্পর্কে ধারণা দেওয়া দরকার যাতে কেউ একটি শ্রীপাটের ক্ষেত্রে কিছু সাহায্য করতে পারে বা একটি শ্রীপাটের দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারে। এইভাবে রমণীপতি প্রকল্প সম্পর্কে কিছু বলতে পারে, যা আসতে চলেছে। তাই আসলে, এ হল এক মহান সুযোগ। আসলে, এই সকল পার্ষদরা চৈতন্য মহাপ্রভুর নিত্য পার্ষদ। শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর তিনি এই সম্পর্কে ভজন লিখেছেন। এছাড়াও আমরা শুনেছি যে কিভাবে শ্রীল প্রভুপাদ এবং বিভিন্ন আচার্যরা এটি বর্ণনা করেছেন যে, “গৌর মন্ডল ভূমি যেবা জানে চিন্তামনি তার হয় ব্রজভূমে বাস” যে জানবে যে গৌর মন্ডল হল দিব্য ধাম সে বৃন্দাবনে বাস করে। আমি ভুলে গেছি সেই ভজনটা, “গৌরাঙ্গের সঙ্গী গনে নিত্য সিদ্ধ করি মানে। যারা চৈতন্য মহাপ্রভুর পার্ষদ তারা আসলে ভগবানের পার্ষদ। তাই, এখন রামকেলিতে আমাদের সাত বিঘা, প্রায় ২ একর জমি ক্রয় করার একটি সুযোগ আছে, সেই স্থান যেখানে চৈতন্য মহাপ্রভু রূপ এবং সনাতনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এইভাবে সেখানে আরো অন্যান্য স্থান আছে যার উন্নয়ন করা দরকার। এখন রামকেলিতে আমাদের ভক্তরা আছেন যারা সেখানে থাকতে সম্মত হয়েছেন এবং এটা কানাই নাটশালা থেকে প্রায় ৩০ মাইল দূরে অবস্থিত। যা হল গঙ্গার অপরদিকে অবস্থিত। এ হল বাংলার পুরাতন রাজধানী। এইভাবে, পুরো বাংলায় বিভিন্ন পবিত্র স্থান আছে, আমরা পড়ছিলাম, যে শচীমাতার কথা স্মরণ করে, এমনকি যদি লক্ষ্য বার ও তাদের অপসারিত করা হয়, শুধু তাঁকে স্মরণ করার মাধ্যমে, তাঁকে সেবা নিবেদনের মাধ্যমে একজন চৈতন্য মহাপ্রভুর বিশেষ আশীর্বাদ প্রাপ্ত হতে পারবে। অদ্বৈত আচার্য শান্তিপুরে মাধবেন্দ্রপুরীর থেকে দীক্ষা পেয়েছিলেন। তাই প্রতিবছর গোবিন্দ, দ্বাদশী, গৌড় পূর্ণিমার আগের দ্বাদশীতে তিনি বড় উৎসব করতেন। আমরা সেখানে যাই এবং প্রায় ৫০০০০ মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করি। এইভাবে কিছু বিষয় হল শ্রীপাটের স্থায়ী উন্নয়ন এবং কিছু হল সেবার সুযোগ। অবশ্য, শ্রীল প্রভুপাদ তিনি আশা করেছিলেন যে সারস্বত পরিবারের সকল বিভাগগুলি একত্রিভূত করা হবে। ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর তিনি দেখেছিলেন যে যারা বৈষ্ণব তাদের স্বাভাবিকভাবেই ব্রাহ্মণের গুণাবলী রয়েছে। তাই, তিনি বৈষ্ণবদের উপনয়ন দিয়েছিলেন। তাতে এটি প্রয়োজনীয় ছিল না যে তারা ব্রাহ্মণ জাতের কিনা। এইভাবে এই কার্যক্রম স্থাপনের মাধ্যমে শ্রীল প্রভুপাদ সমগ্র বিশ্বে মন্দির স্থাপন করেছিলেন। যাই হোক, এখানে আমরা শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের আবির্ভাব স্থানের উন্নয়ন করতে চাই এবং অন্যান্য বিভিন্ন শ্রীপাট ভূমি গুলিও। তাই, এই কারণে ভবিষ্যতে আমাদের সাহায্য দরকার। হরে কৃষ্ণ
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ