শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য গ্রন্থ সংকলন
24শে জুন, 2021 তারিখে শ্রী ধামা মায়াপুর , ভারতে পরম পবিত্র জয়পতাকা স্বামী মহারাজা প্রদত্ত একটি শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য গ্রন্থের সংকলন নিম্নলিখিতটি।
মুখম করোতি ভ্যাচালম পংগুম লংঘায়তে গিরিম
ইয়াত-কৃপা তম অহম বন্দে শ্রী-গুরুম দীনা-তারমণম
পরমানন্দম মাধবংশশ্রীত্য চৈতন্য
Hariḥ oṁ tat sat!
হরে কৃষ্ণ! প্রিয় ভক্তবৃন্দ! আজ আমরা শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য গ্রন্থের সংকলন চালিয়ে যাব । আজকের অধ্যায়ের শিরোনাম হল:
যেমন পিতা, তেমন পুত্র – অদ্বৈত আচার্য ও অচ্যুতানন্দ [পর্ব-২]
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.184
শ্রী-অদ্বৈত-আচার্য-কর্তর্ক শ্রী-চৈতন্য-পরশদা স্বিয়া শিশু-পুত্রের প্রতি আদার—
পুত্রের মহিমা দেখি' অদ্বৈত-আচার্য
পুত্র কোলে করি' কান্দে চাদৈশর্য'
জয়পতাকা স্বামী: পুত্রের মহিমা দর্শন করে অদ্বৈত আচার্য তাঁকে কোলে তুলে আলিঙ্গন করলেন এবং ভাবাবেশে ক্রন্দন করে অন্য সকল কর্ম থামিয়ে দিলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.185
পুত্রের আঙ্গেরা ধুলা আপনারা আঙ্গে
লেপেনা অদ্বৈত আতি পরানন্দ-রঙ্গে
জয়পতাকা স্বামী: অদ্বৈত আচার্য তখন পরম দিব্য ভাবাবেশে তাঁর পুত্রের দেহের ধূলি নিজের দেহে মাখলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.186
চৈতন্যের পরশদা জন্মিলা মোরা ঘরে
এতা বলি' নাচে প্রভু তালি দিয়া করে
জয়পতাকা স্বামী: তিনি হাততালি দিয়ে ও নৃত্য করতে করতে ঘোষণা করলেন, “ভগবান চৈতন্যের সহচর আমার গৃহে জন্মগ্রহণ করেছেন!” এটাই গৃহস্থ জীবনের পূর্ণতা, তাঁর এমন এক সন্তান হয়েছে, যিনি ভগবানের সহচর। তাই, অদ্বৈত আচার্য অত্যন্ত আনন্দিত হলেন যে তাঁর পুত্রের এমন মহান উপলব্ধি হয়েছে, তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি ভগবান চৈতন্যের সহচর।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.187
পুত্র কোলে করি নাচে অদ্বৈত গোসানি
ত্রিভুবনে ইয়াহারা ভক্তির সিমা নাই
জয়পতাকা স্বামী: অদ্বৈত গোষাণি, যাঁর ভক্তি ত্রিভুবনে অতুলনীয়, তখন তাঁর পুত্রকে কোলে নিয়ে নৃত্য করতে লাগলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.188
অদ্বৈত-গৃহে প্রভুর সপর্শদে উপস্থিতি—
পুত্রের মহিমা দেখি' অদ্বৈত বিহ্বল হেনা
কালে উপসন্ন সর্ব সুমঙ্গলা
জয়পতাকা স্বামী: পুত্রের মহিমা দর্শন করে অদ্বৈত আচার্য অভিভূত হলে, তাঁর গৃহে সকল শুভ লক্ষণ প্রকাশিত হলো।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.189
সপর্শদে শ্রী-গৌরসুন্দর সে-কৃষাণে
অসী' আবিরভব হাইলা অদ্বৈত-ভাবনে
জয়পতাকা স্বামী: সেই মুহূর্তে ভগবান শ্রী গৌরসুন্দর ও তাঁর সঙ্গীগণ অদ্বৈত আচার্যের গৃহে আবির্ভূত হলেন ।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.190
প্রাণ-নাথ ইষ্ট-দেব অদ্বৈত দেখায় পড়িলেনা পৃথিবীতে দান্ডবত
হাইয়া
জয়পতাকা স্বামী: অদ্বৈত আচার্য যখন তাঁর পূজনীয় জীবন প্রভুকে দেখলেন , তখন তিনি ভূমিতে লুটিয়ে পড়ে দণ্ডবৎ প্রণাম করলেন ।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.191
'হরি' বালি' শ্রী-অদ্বৈত করেনা হুঙ্কার
প্রেমানন্দে দেহা পাসরিলা আপনারা
জয়পতাকা স্বামীঃ ভগবান শ্রী অদ্বৈত আচার্য ভাবাবেশে ‘ হরি বোল!’ বলে ভগবান হরির নাম ধ্বনি করলেন এবং নিজের দেহের কথা ভুলে গেলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.192
জয়া-জয়কার ধ্বনি করে নারী-গানে
উঠিলা পরমানন্দ অদ্বৈত-ভাবনে
জয়পতাকা স্বামী: অদ্বৈত আচার্যের মহিলারা ‘জয় ! জয় ! উলু-ধ্বনি’র মতো শুভ ধ্বনি উচ্চারণ করতে লাগলেন এবং এইভাবে অদ্বৈত আচার্যের সমগ্র গৃহ দিব্য আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেল। সুতরাং আমরা দেখতে পাই যে কীভাবে অদ্বৈত পরিবারে সকলেই কৃষ্ণভাবনাময় ছিলেন। এবং যখন শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর সঙ্গী অদ্বৈত আচার্যের সঙ্গে আবির্ভূত হলেন, তখন তিনি নৃত্য করছিলেন এবং ‘হরি বোল!’ ধ্বনি উচ্চারণ করে প্রণাম নিবেদন করছিলেন। আর তাঁর গৃহের মহিলারা ‘ জয় জয় ! উলু-ধ্বনি’র মতো শুভ ধ্বনি উচ্চারণ করতে লাগলেন। ফলে তাঁর সমগ্র গৃহ দিব্য আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেল।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.193
আচার্য ও মহাপ্রভুর পরস্পর প্রেমক্রন্দন—
প্রভু হে করিলা অদ্বৈতেরে নিজ-কোলে
সিঁসিলেনা অংগ তাংরা প্রেমানন্দ-জলে
জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু স্বয়ং অদ্বৈত আচার্যকে আলিঙ্গন করে প্রত্যুত্তর দিলেন এবং তারপর পরমানন্দময় প্রেমের অশ্রুতে তাঁর দেহ সিক্ত করলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.194
পদ-পদ্ম বক্ষে করি আচার্য গোসানি
রোদনা করেনা আতি বাহ্য কিছু নাই
জয়পতাকা স্বামীঃ আচার্য গোসাই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর পাদপদ্ম বক্ষে ধারণ করে অঝোরে কাঁদতে লাগলেন এবং সমস্ত বাহ্যিক চেতনা হারিয়ে ফেললেন। অদ্বৈত গোসাইয়ের সেই ভাবাবেশ সম্পূর্ণ অবর্ণনীয়। এই জগতে মানুষ মাঝে মাঝে প্রেম নিয়ে কথা বলে, কিন্তু আসলে তারা দেখে যে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এবং অদ্বৈত গোসাইয়ের সম্পর্কটিই ছিল প্রকৃত প্রেম। এই জগতে আমরা ঠিক এই জিনিসটাই হারিয়ে ফেলেছি।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.195
ভক্তগণের প্রেমক্রন্দন—
চাটুর-ডাইকে ভক্ত-গণ কারেন ক্রন্দন
কি অভূত প্রেম, স্নেহা,—না ইয়া বর্ণন
জয়পতাকা স্বামী: চারপাশের ভক্তরা কাঁদতে লাগলেন। এমন অপূর্ব প্রেম ও স্নেহের প্রকাশ বর্ণনাতীত।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.196
অদ্বৈত-কর্ত্রক প্রভুকে আসন প্রদান—
স্থির হ্যায়' ক্ষনেকে অদ্বৈত মহাশয়
বসিতে আসন দিলা করিয়া বিনয়
জয়পতাকা স্বামী: কিছুক্ষণ পরেই অদ্বৈত মহাশয় স্থির হলেন । তারপর তিনি বিনীতভাবে শ্রীচৈতন্যকে বসার জন্য একটি আসন বা গালিচা নিবেদন করলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.197
সপর্শদা মহাপ্রভুর উপবেশনা —
ভাসিলেন মহাপ্রভু উত্তমা আসানে
চাতুর-দিক শোভা করে পরিষদ-গানে
জয়পতাকা স্বামী: চৈতন্য মহাপ্রভু সেই সুন্দর আসনে বসতেই, তাঁর সঙ্গীরা চারিদিক থেকে সুন্দরভাবে তাঁকে ঘিরে রইলেন ।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.198
নিত্যানন্দে ও অদ্বৈতে কোলাকুলি —
নিত্যানন্দে অদ্বৈতে হাইলা কোলাকুলি
দুংহা দেখি' অন্তরে দোঁহে কুতুহালি
জয়পতাকা স্বামী: ভগবান নিত্যানন্দ এবং অদ্বৈত আচার্য পরস্পরকে আলিঙ্গন করলেন। পরস্পরকে দেখে তাঁরা উভয়েই উল্লসিত হলেন ।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.199
ভক্তগণের আচার্য-নমস্কার ও আচার্যের প্রেমালিঙ্গনা—
আচার্যেরে নমস্কারিলেনা ভক্ত-গণ
আচার্য্য সবরে কৈলা প্রেম-আলিঙ্গন
জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সকল ভক্ত অদ্বৈত আচার্যকে প্রণাম নিবেদন করলেন, এবং তিনিও সস্নেহে তাঁদের সকলকে আলিঙ্গন করলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.200
অদ্বৈত-গৃহের আনন্দ বেদব্যাসই বর্ণে সমর্থ—
ইয়ে আনন্দ উপজেলা অদ্বৈতের ঘরে
বেদব্যাস বিনা তাহা বর্ণে কে পারে?
জয়পতাকা স্বামী: বেদব্যাস ছাড়া আর কেউই অদ্বৈত আচার্যের গৃহে প্রকাশিত সেই পরমানন্দ বর্ণনা করতে সক্ষম নন। অদ্বৈত আচার্যের সঙ্গে ভগবান নিত্যানন্দ, ভগবান চৈতন্য এবং সমস্ত সঙ্গীদের মিলন এমন ছিল যে, এমন এক প্রেমময় পরমানন্দ প্রকাশিত হয়েছিল, গৃহটি সম্পূর্ণরূপে আধ্যাত্মিক জগতের মতো হয়ে গিয়েছিল।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.201
অচ্যুতের প্রতি প্রভুর অপরা কৃপা—
ক্ষনেকে অচ্যুতানন্দ-অদ্বৈত-কুমার
প্রভুর করণে আসি' হাইলা নমস্কার
জয়পতাকা স্বামী: এর কিছুক্ষণ পরেই অদ্বৈত আচার্যের পুত্র অচ্যুতানন্দ এসে ভগবান চৈতন্যের পাদপদ্মে প্রণাম নিবেদন করলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.202
অচ্যুতেরে কোলে করি 'শ্রী-গৌরসুন্দর
প্রেম-জলে ধুইলেনা তাঁরা কালেভরা
জয়পতাকা স্বামী: ভগবান শ্রী গৌরসুন্দর অচ্যুতানন্দকে আলিঙ্গন করলেন এবং প্রেমের অশ্রুতে তাঁর দেহ সিক্ত করলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.203
অচ্যুতেরে প্রভু না চাদনে বক্ষ হাইতে
অচ্যুত প্রবিষ্ট হাইলা প্রভুর দেহেতে
জয়পতাকা স্বামী: তখন ভগবান চৈতন্যদেব অচ্যুতানন্দকে তাঁর বক্ষ থেকে মুক্ত করলেন না, এবং অচ্যুতানন্দ ভগবান চৈতন্যদেবের দেহে বিলীন হয়ে গেলেন বলে মনে হলো।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.204
অচ্যুতেরে কৃপা দেখি' সর্ব ভক্ত-গণ
প্রেমে সবে লাগিলনা করিতে ক্রন্দন
জয়পতাকা স্বামী: অচ্যুতানন্দের উপর শ্রীচৈতন্যের কৃপা দেখে সকল ভক্ত প্রেমাসক্ত হয়ে কাঁদতে লাগলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.205
অচ্যুতের মহিমা—
য়তা চৈতন্যের প্রিয়া পরীষদা-গণ
অচ্যুতের প্রিয়া নাহে, হেনা নাহি জানা
জয়পতাকা স্বামী: শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রিয় সকল ভক্ত ও সহযোগীদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন না যাঁর কাছে অচ্যুতানন্দ প্রিয় ছিলেন না।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.206
নিত্যানন্দ-স্বরুপের প্রাণের সমানা
গদাধর-পণ্ডিতের শিষ্যের প্রধান
জয়পতাকা স্বামী: ভগবান নিত্যানন্দ তাঁকে নিজের প্রাণের সমান বলে মনে করতেন এবং তিনি গদাধর পণ্ডিতের প্রধান শিষ্য ছিলেন।
চৈতন্য-ভাগবত অন্ত্য-খণ্ড 4.207
yogyatama pitāra yogyatama putra—
ইহারে সে বলি যোগ্যা অদ্বৈত-নন্দন
য়েনা পিতা তেনা পুত্র, উসিতা মিলন
জয়পতাকা স্বামী: অতএব, অচ্যুতানন্দকে অদ্বৈতের যোগ্য পুত্র বলা হয়। যেমন পিতা, তেমন পুত্র, পিতা ও পুত্রের এক অনুকরণীয় জুটি ।
সুতরাং, এই অধ্যায়ে অচ্যুতানন্দের মহিমা বর্ণনা করা হয়েছে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রতি পূর্ণ ভক্তি থাকার কারণে অচ্যুতানন্দ সকল ভক্তের অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন এবং অদ্বৈত আচার্যকে অত্যন্ত প্রসন্ন করেছিলেন, এমনকি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁকে বিশেষ কৃপাও করেছিলেন। সেইরূপে আমরা দেখতে পাই, কীভাবে অচ্যুতানন্দ নিতাই-গৌর, অদ্বৈত আচার্য এবং অন্যান্য সকল পার্ষদের আশীর্বাদ লাভ করেছেন।
‘ভগবানের বৃন্দাবন গমন’ পরিচ্ছেদের অন্তর্গত ‘ যেমন পিতা, তেমন পুত্র - অদ্বৈত আচার্য ও অচ্যুতানন্দ’
শীর্ষক অধ্যায়টি এইভাবেই সমাপ্ত হলো ।
Lecture Suggetions
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব্ব – ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৫ই মার্চ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221031 Address to Navadvīpa-maṇḍala Kārtika Parikramā Devotees
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৪ঠা মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২২ দেবানন্দ পণ্ডিতের শ্রদ্ধাহীনতা বক্রেশ্বর পণ্ডিতের কৃপার দ্বারা ধ্বংস হয়
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২১শে ফ্রব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭২৩ দেবানন্দ পণ্ডিত শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে শ্রীমদ্ভাগবত ব্যাখ্যা করার সঠিক উপায় সম্পর্কে নির্দেশ দানের অনুরোধ করলেন
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব- ২৭শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20221103 Addressing Kārtika Navadvīpa Mandala Parikramā Devotees
-
20210318 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 2 Haṁsa-vāhana Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব, ২রা মার্চ – ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ৩০শে মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
20210320 Navadvīpa Maṇḍala Parikramā Day 4 Koladvīpa Address
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব - ৩রা মার্চ ২০২২
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২১০৭১১ গোলোকে গমন করো – ভাদ্র পূর্ণিমা অভিযান সম্বোধন জ্ঞাপন
-
২০২১০৭২১ ভক্তদের মহিমা কীর্তন এবং দিব্য পবিত্র নাম কীর্তনে ভক্তগণের অপরাধ অপসারণ
-
20220306 Addressing Śrī Navadvīpa-maṇḍala-parikramā Participants
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
প্রশ্নোত্তর পর্ব – ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
-
২০২২০৪০১ প্রশ্নোত্তর পর্ব
-
২০২১০৭১৯ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল।
-
২০২১০৭২৬ নবাব হুসেন শাহ্ বাদশা তাজা সংবাদ পেলেন – রামকেলি গ্রামে একজন সন্ন্যাসী আগমন করেছেন
-
২০২১০৭২০ ফলশ্রুতি – কুলিয়ায় শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা প্রসঙ্গ শ্রবণের ফল- ২য় ভাগ