Text Size

২০২৪০৮১৭ গীতা ভবনে গীতা-পাঠ চক্র সম্মেলনে প্রদত্ত প্রবচন

17 Aug 2024|Duration: 00:12:28|Bengali|Public Address|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
 যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
 পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
 হরি ওঁ তৎ সৎ

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী: আমি কিছুটা অসুস্থ হয়েছি। আমি আগে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। জানিনা এখন উলুবেরিয়া, আমতা যেতে পারব কিনা। আপনারা এসছেন মায়াপুর ধাম এটা খুব ভালো। এখানে ধাম যা কিছু করবেন তাতে এক হাজার গুণ বেশি ফল হয়। যেমন উদাহরণ দিচ্ছি যে এক পা হাঁটবেন মায়াপুর ধামে তাহলে এক-এক পায়ে এক-একটা অশ্বমেধ যজ্ঞেরও বেশি ফল হয়। তারপরে দেড় ক্রোশ গঙ্গা তীরে ১ লক্ষ বেশি ফল হয়। এখন এক হাজার, এক লক্ষ আপনারা গুন করেন, আপনারা অংক ভালো পারেন।

তো আমরা আশা করি যে আপনারা সকলেই ভালো শিক্ষা নিচ্ছেন এবং ভালো শিক্ষা দিচ্ছেন ভগবদ্গীতা যথাযথ থেকে। এবং ভগবদ্গীতা পড়ুন। প্রভুপাদ বলেছেন আমাদের দীক্ষা নিতে গেলে দশবার পড়তে হবে ভগবদ্গীতা। আমি বলছি আমার কাছ থেকে দীক্ষা নিতে হলে কমপক্ষে দুবার পড়তে হয়। এবার ঝুলনযাত্রা সবাই মায়াপুরে এসছেন। তারপর আজকে হচ্ছে রূপ গোঁসাইর তিরোভাব। তো আপনারা খুব ভালো করেছেন এসেছেন, আমরা আশা করি প্রভুপাদ গ্রন্থ অধ্যয়ন করে ভালো লাগছে। এবং যেভাবে গীতাচক্র বিস্তার হইল আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আপনাদের সকলের কাছে আশীর্বাদ দিতে চাই। কৃষ্ণে মতি রস্ত! তো এখন আমি জানিনা আপনাদের কি প্রশ্ন আছে, কিভাবে আপনারা এগিয়ে যাচ্ছেন ভক্তিপথে এবং আপনাদের কোথায় সন্দেহ আছে।

এখন চৈতন্য মহাপ্রভু সবথেকে দয়ালু অবতার। তিনি এসেছেন সবাইকে উদ্ধার করার জন্য। কৃষ্ণ চিন্তা করলেন যে আমি ব্রজধামে বৃন্দাবনে এত আনন্দ পেয়েছি, কিন্তু এই বদ্ধ জীব অনেকদিন আমি তাদের দয়া করিনি। আমি অবতীর্ণ হব ভক্তরূপে চৈতন্যদেব এবং সবাইকে বৃন্দাবনের প্রেমভক্তি বিতরণ করব। হরিবোল! আপনারা গীতা কোর্সের ছাত্রগণ ভালো করে হরিধ্বনি করতে পারেন। হরিবোল! মহিলারা পারে না? হরিবোল! মনে হচ্ছে মহিলারা বেশি উলুধ্বনি করলেন। হরিবোল! মহিলারা দুটোই পারে হরিধ্বনি উলুধ্বনি। পুরুষরা হরিধ্বনি। কত আনন্দ আছে গৌরাঙ্গের সেবা করায় এটা হিসাব করা সম্ভব নয়! মনুষ্য জন্ম ৮৪ লক্ষ জন্ম পর পাওয়া যায়। মনুষ্য জন্মের কর্তব্য ভগবানকে খুঁজে পাওয়া উচিত। তো আমি এখানে সমাপ্ত করব। আপনাদের কোন সন্দেহ আছে বা কোন প্রশ্ন আছে, যদি চান আমাকে দিতে পারেন।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by আনন্দলীলা পদ্ম দেবী দাসী 18/07/2025
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions