Text Size

২০২৩১১১৮ শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১.১৬

28 Nov 2023|Duration: 00:16:35|Bengali|Śrīmad-Bhāgavatam|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

 মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ

ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
    ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
    ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!

শ্রীমদ্ভাগবতম ৩/১/১৬

স্বয়ং ধনুর্দ্বারি নিধায় মায়াং
ভ্রাতুঃ পুরো মর্মসু তাড়িতোহপি
স ইত্থুমত্যুল্বকর্ণবাণৈ-
র্গতব্যথোহয়াদুরু মানয়ানঃ॥

অনুবাদ:- এইভাবে কর্ণভেদী বাণের মতো তীক্ষ্ণ বাক্যে মর্মাহত হয়ে বিদুর দ্বারে তার ধনুক রেখে তীর ভ্রাতার প্রাসাদ পরিত্যাগ করলেন। ভগবানের মায়ার খেলা বলে মনে করে তিনি তাতে কিছুমাত্র ব্যথিত হননি।

তাৎপর্য:- ভগবানের শুদ্ধ ভক্ত কখনও ভগবানের বহিরঙ্গা মায়া সৃষ্ট কোন অপ্রীতিকর অবস্থাতে বিচলিত হন না। ভগবদ্গীতায় (৩/২৭) উল্লেখ করা হয়েছে —

প্রকৃতেঃ ক্রিয়মাণানি গুণৈঃ কমাণি সবশিঃ।
অহঙ্কারবিমূঢাত্বা কর্তাহমিতি মন্যতে ॥

বহিরঙ্গা প্রকৃতির বিভিন্ন গুণের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বদ্ধ জীব সংসার জীবনে মগ্ন হয়, অহঙ্কারে মত্ত হয়ে সে মনে করে যে, সে নিজেই সব কিছু করছে। ভগবানের বহিরঙ্গা শক্তি মায়া সর্বতোভাবে ভগবানের নিয়ন্ত্রণাধীন, এবং বদ্ধ জীব সম্পূর্ণরূপে মায়ার নিয়ন্ত্রণাধীন। অতএব, বদ্ধ জীব সম্পূর্ণরূপে ভগবানের নিয়মের অধীন। কিন্তু, মোহাচ্ছনন হওয়ার ফলে কেবল সে মনে করে সব কিছু করার স্বাধীনতা তার রয়েছে। বহিরঙ্গা প্রকৃতির এই প্রভাবের বশবর্তী হয়ে দুর্যোধন আচরণ করছিল, যার ফলে চরমে তার বিনাশ অবশ্যম্ভাবী ছিল। সে বিদুরের সদুপদেশ গ্রহণ করতে পারেনি, পক্ষান্তরে সে তাদের সমগ্র পরিবারের শুভাকাঙক্ষী সেই মহাত্মাকে অপমান করেছিল। বিদুর তা বুঝতে পেরেছিলেন, কেননা তিনি ছিলেন ভগবানের শুদ্ধ ভক্ত। দুর্যোধন কর্তৃক কঠোরভাবে অপমানিত হওয়া সত্বেও বিদুর দেখতে পাচ্ছিলেন যে, বহিরঙ্গা মায়ার প্রভাবে দুর্যোধন তার নিজের বিনাশের পথেই অগ্রসর হচ্ছে। তিনি তাই বিবেচনা করেছিলেন যে, মায়ার প্রভাবই চরম, যদিও তিনি দেখেছিলেন ভগবানের অন্তরঙ্গা শক্তি কিভাবে তাকে সেই পরিস্থিতিতে সাহায্য করেছিলেন। ভক্ত সর্বদাই ত্যাগের মনোভাব সমন্বিত, কেননা জড় জগতের আকর্ষণ কখনই তাকে তৃপ্তিদান করতে পারে না। বিদুর কখনই তার ভ্রাতার রাজপ্রাসাদের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন না। তিনি প্রাসাদ পরিত্যাগ করে সম্পূর্ণরূপে পরমেশ্বর ভগবানের প্রেমময়ী সেবায় যুক্ত হবার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। এখন দুর্যোধনের কৃপায় সেই সুযোগ লাভ করার ফলে, তিনি তার কঠোর নিন্দাবাক্যে ব্যথিত হওয়ার পরিবর্তে তাকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন, কেননা তার ফলে তিনি একাকী তীর্থে বাস করে পূর্ণরূপে ভগবানের প্রেমময়ী সেবায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। এখানে গতব্যথঃ (ব্যথিত না হয়ে) শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কেননা জড় জগতে জড়জাগতিক কার্যকলাপের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে প্রতিটি মানুষকে সাধারণত যে সমস্যাগুলিতে জর্জরিত হতে হয়, বিদুর সেই ক্লেশসমূহ থেকে মুক্ত হয়েছিলেন। তাই তিনি মনে করেছিলেন যে, ধনুকের দ্বারা তার ভাইকে রক্ষা করার আর কোন প্রয়োজন ছিল না, কেননা তার ভাইয়ের বিনাশ অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। এইভাবে দুর্যোধন কিছু করার আগেই তিনি প্রাসাদ পরিত্যাগ করেছিলেন। ভগবানের শক্তি মায়া এখানে অন্তরঙ্গা ও বহিরঙ্গা উভয়ভাবেই কার্য করেছিলেন।

***

জয়পতাকা স্বামী:- এখানে আমরা দেখতে পাই যে কিভাবে বিদুর, যিনি ছিলেন এক মহান ভক্ত, তাকে অপমান করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি দুঃখিত হন নি। আমার মনে হয় এখানে থাকা সকল ভক্তরা প্রত্যেকেই কোন না কোন সময় কিছু অপ্রীতিকর বিষয় শুনেছেন, তাই কতজন কাউকে সমালোচনা করতে শুনেছেন? হাত তুলুন! এখানে আমরা দেখি যে বিদুর তিনি কেবল সত্য বলেছিলেন, কিন্তু সেই জন্য দুর্যোধন তাকে হুমকি দিয়েছিল যে তাকে বের করে দেওয়া উচিত এবং প্রহার করা উচিত। কিন্তু তিনি তার নিজের মত চলে গিয়েছিলেন, তিনি দুঃখ অনুভব করেননি, তিনি বুঝতে পারছিলেন যে জড়জাগতিক শক্তি কার্য করছেন, দুর্যোধন এই বিষয়টি বুঝতে পারছে না এবং অজ্ঞানতার দ্বারা পরিচালিত হয়ে সে এই সমস্ত কথা বলছে। এটি এক অত্যন্ত বাস্তবিক উপমা। প্রত্যেক ভক্ত, প্রায় প্রত্যেকেই তাদের হাত তুলেছে যে তাদেরকেও কিছু না কিছু অপমানকর বিষয় শুনতে হয়েছে। কেবল তুমি নয়, এমনকি বিদুরকেও তা শুনতে হয়েছিল, কিন্তু তিনি দুঃখিত হননি, তিনি তা জড়জাগতিক শক্তির আয়োজন হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি এটিকে তার কৃষ্ণের প্রতি পূর্ণরূপে শরণাগত হওয়ার এক সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

সাধারণত ভক্তরা যখন এমন কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন, তখন সাধারণত তারা বিরক্ত হন। কিন্তু বিদুর তিনি দুঃখিত হননি, আমাদের এইরকম দিব্য দৃষ্টিশক্তি থাকতে হবে। ইংরেজিতে তারা বলে লাঠি এবং পাথর আমার হাড় ভাঙতে পারে কিন্তু শব্দ কখনো আমাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে পারবে না। তবে আসলে এই শ্লোকে বলা হয়েছে যে বিদুরকে এমন কিছু বলা হয়েছিল যা হচ্ছে তার কর্ণে তীরবিদ্ধ করার মতো। তাই আসলে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি বলেছে যে এসব বিষয় আমাদেরকে বিরক্ত করে না, কিন্তু কেউ যদি ঘনিষ্ঠ হয়, তাহলে তার ফলে আমরা প্রভাবিত হই।

যখন প্রথমবার আমি ভারতে এসেছিলাম, সেখানে একটি সেমিনার ছিল। আমার মনে পরে সেই সময় নদীর ধারে কিছু শিশুরা বলছিল “দম মারো দম” এক চলচ্চিত্র বের হয়েছিল, যেখানে মানুষেরা গাজা ও অন্যান্য কিছু সেবন করছে, আর তারা বলছে “হরে কৃষ্ণ হরে রাম” আমরা তখন সেই সম্পর্কে আর বেশি কিছু শুনিনি আর সেই অভিনেতা তিনি ক্ষমা চেয়েছিলেন, তিনি বলেছিলেন যে তিনি এটি করেছেন বলে দুঃখিত। জাগতিক শক্তি বিভিন্নভাবে মানুষকে অপরাধজনক বিষয় বলতে অনুপ্রেরিত করে, তাই আমাদেরকে বুঝতে হবে যে প্রকৃতির ত্রিগুণ কার্য করছে। এখন সাধারণত সাধারণ জনগণের জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ভালো কার্য করি, তাই কেউ অপমানিত বোধ করুক বা প্রশংসিত বোধ করুক, আমাদেরকে সর্বদা একই থাকতে হবে।

এমনকি দক্ষিণ ভারতের কোন এক রাষ্ট্রপতি জিজ্ঞেস করছিলেন যে, “যখন কেউ আপনাকে অপমান করে তখন আপনি কি করেন?” সেই সময় এই দৃষ্টান্তটি আমার মাথায় আসেনি, কিন্তু আমি নিত্যানন্দ প্রভুর সম্পর্কে ভেবেছিলাম। নিত্যানন্দ প্রভুর মস্তকে একটি মদের বোতল দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাঁর রক্তপাত হচ্ছিল কিন্তু তিনি জগাই এবং বাধাইকে বলেছিলেন, “তোমরা রক্তপাত করেছো বলে কি এর মানে এই যে আমি তোমাদেরকে প্রেম দেব না?” নিত্যানন্দ প্রভু এত ধৈর্যশীল ছিলেন। তাঁর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, কিন্তু তবুও তিনি কৃষ্ণ প্রেম বিতরণ করছিলেন, এই হচ্ছে নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপা। আর কোথায় আপনি এমন কৃপা খুজে পাবেন? তাই আমরা পঞ্চ তত্ত্ব এবং তাদের প্রতিনিধি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের ভরসায় আছি।

চৈতন্য মহাপ্রভু ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন যে ওঁনার নাম সমগ্র বিশ্বের প্রতি নগর ও গ্রামে কীর্তিত হবে। তাই শ্রীল প্রভুপাদ সেটি সত্য করতে চাইছিলেন। যখন তিনি বৃন্দাবনের সাধুদেরকে তাঁর পরিকল্পনা বলেছিলেন, তখন তারা বলেছিলেন যে, “পৃথিবী মানে সভ্য জগত, যার মানে ভারত এবং পাশ্চাত্যে তা হবে না।” তাই শ্রীল প্রভুপাদের এই দূরদৃষ্টি ছিল যে সমগ্র বিশ্ব কৃষ্ণভাবনাময় হবে। শ্রীল প্রভুপাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তার কেবল এই দৃষ্টিভঙ্গিই ছিল না, তিনি তা কার্যের মাধ্যমেও করেছেন। এখন নেপালের সেই নেত্রী বলছেন যে যদি তাকে মায়াপুরে আনা হয় এবং যদি তিনি মায়াপুর দর্শন করেন তাহলে তিনি সম্পূর্ণরূপে ইসকনের প্রতি আত্মসমর্পণ করবেন।

প্রভুপাদ বলেছিলেন যে সেই ঘাসের কুটিরটিকে রাখো, এই হচ্ছে সেই স্থান যেখান থেকে সবকিছু শুরু হয়েছিল। সেই ঘাসের কুটির যা প্রধান গেটের পাশে আছে, সেটাই সেখানে ছিল। সেখানে ছিল এক খাটা মলঘর! এবং একদিন শ্রীল প্রভুপাদ অভিযোগ করেন যে কেউ একজন তাঁর কুটিরের রাস্তায় ডায়রিয়ার মল ত্যাগ করেছে, তখন জয়পতাকা স্বামী সব সমস্যার সমাধানের জন্য নথিভুক্ত! তাই কেউ একজন, আমি জানিনা কত কিন্তু এক বা দু লিটার খেজুরের রস খেয়েছিল এবং এর কারণে ডায়রিয়া হয়েছিল। যাইহোক, আমাদেরকে তা পরিষ্কার করতে হয়েছিল। 

শ্রীল প্রভুপাদ তিনি এক অত্যন্ত তপস্যাকর পরিস্থিতিতে থাকছিলেন। নিজের বাড়ি থাকা এবং বিভিন্ন জাগতিক বস্তু থাকার এই ধরনের অভিজ্ঞতা শ্রীল প্রভুপাদের ছিল। প্রান্তভাগে, তার ঘাসের কুটিরের শেষ ভাগে সেখানে একটি মৌচাক ছিল এবং কোন এক গাভী, সেই মৌচাকের তলায় সেখানে সবুজ ঘাস ছিল এবং মমমম! গাভীরা সবুজ ঘাস পছন্দ করে, তাই তখন সেই গাভী মৌচাকে ধাক্কা মারে আর ঘাস খায়, এবং সেটা এই কাহিনীর শেষ নয়। এটা হচ্ছে শুরু, সব মৌমাছিগুলো সেই মৌচাক থেকে উড়ে যায় এবং শ্রীল প্রভুপাদের কক্ষের ভিতর ঢুকে যায়, শ্রীল প্রভুপাদ ডাকলেন, “জয়পতাকা স্বামী এই মৌমাছিদেরকে এখান থেকে বের করো!” আমার এক অমৃতময় সেবা ছিল! আমাকে বললেন যে সেই মৌচাক অন্য কোথাও রাখতে, তিনি অত্যন্ত সহনশীল ছিলেন। কত কঠিন পরিস্থিতি আমরা পার করে এসেছি। যাই হোক, আমি সেই মৌমাছিদের বাইরে বার করেছিলাম এবং তা ছিল এক কৌশল।

সেই ঘাসের কুটির পিছনে আমাদের ত্রিপল টানানো রান্নাঘর ছিল এবং একদিন শ্রীধর স্বামী বোম্বে থেকে ফিরেছিলেন, তিনি এক আধুনিক যন্ত্র এনেছিলেন। তোমরা কি জানো সেই যন্ত্র কি ছিল?  সেটা হচ্ছে লুচি তৈরি করার যন্ত্র। আপনি যদি সেখানে ময়দার বল দেন, তাহলে সুইচ! সুইচ! বেলা হয়ে যাওয়া গোল লুচি তৈরি, তাই আমরা ভাবলাম যে আমরাও এটা চেষ্টা করব। সেখানে খেজুর গুড়ে ভর্তি এক মাটির ভার ছিল, তখন শ্রীধর স্বামী গরম গরম লুচি পুরি তৈরি করছিলেন, পুরি হচ্ছে আটা দিয়ে এবং লুচি হচ্ছে ময়দার। আমরা সেখানে গোল করে বসেছিলাম এবং শ্রীধর স্বামী আমাদেরকে গরম গরম লুচি দিচ্ছিলেন আর আমরা তা খেজুরের গুড় দিয়ে খাচ্ছিলাম, এটাই যা করার ছিল, ওটাই ছিল লুচি তৈরির যন্ত্রের প্রথম দিন। শ্রীল প্রভুপাদ তাঁর বাঁশের জানালা দিয়ে ঘর থেকে তা দেখেন ও আমাকে ডাকেন, “জয়পতাকা স্বামী!” তখন আমি সেখানে যাই এবং তিনি বললেন, “এটা সন্ন্যাসী জীবন নয়!” তাই আমি চেষ্টা করছিলাম যে কিভাবে শ্রীল প্রভুপাদ, তিনি অনেক তপস্যা করছিলেন কিন্তু একইসাথে প্রত্যেক সময় তিনি আমাকে প্রশিক্ষণও দিচ্ছিলেন।

গতকাল আমরা সেই নাটক দেখলাম যেখানে শ্রীল প্রভুপাদ নিউইয়র্ক গিয়েছেন এবং তাকে প্রহার করা হয়েছিল এবং আক্রমণ করা হয়েছিল ও আরো অনেক কিছু হয়েছিল। তিনি  কত সমস্যা গ্রহণ করেছিলেন, তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল, তাঁকে প্রহার করা হয়েছিল এবং এখন আপনি যদি চারপাশ দেখেন, তাহলে দেখবেন যে মন্দির মানুষে ভর্তি, কিন্তু এটা হয়েছে প্রভুপাদের এত তপস্যার কারণে।

এখানে আমরা দেখি যে বেদুর তিনি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক শব্দ সহ্য করেছিলেন, তিনি সেই স্থান ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এবং উনি বিভিন্ন তীর্থস্থানে যান ও নির্দেশ লাভের জন্য এক শুদ্ধ ভক্তকে খুঁজে পান। আমাদের শ্রীল প্রভুপাদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, যিনি কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলন প্রচারের জন্য এত কঠিনতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন। তাই চৈতন্য মহাপ্রভু এসেছেন যে যদি আমরা শ্রীকৃষ্ণের থেকে বিরহ অনুভব করি, তাহলে আমরা সর্বদা কৃষ্ণভাবনায় থাকতে পারব।

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 17/9/23
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions