Text Size

২০২৩১১১১ শ্রীমদ্ভাগবতম ৩.১.৯

11 Nov 2023|Duration: 00:47:54|Bengali|Śrīmad-Bhāgavatam|শ্রীমায়াপুর্ ধাম, ভারত

 মূকং করোতি বাচালং পঙ্গুং লঙ্ঘয়তে গিরিম্
যৎকৃপা তমহং বন্দে শ্রী গুরুং দীন তারণম
পরমানন্দমাধবম্ শ্রী চৈতন্য ঈশ্বরম্
হরি ওঁ তৎ সৎ

ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
    ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!
    ওঁ নম ভগবতে বাসুদেবায়!

শ্রীমদ্ভাগবতম ৩/১/৯

যদা চ পার্থপ্রহিতঃ সভায়াং
জগদগুরুর্যানি জগাদ কৃষ্ণঃ।
ন তানি পুংসামমৃতায়নানি
রাজোরু মেনে ক্ষতপুণ্যলেশঃ॥

অনুবাদ:- অর্জুন কর্তৃক জগদগুরু শ্রীকৃষ্ণ যখন কৌরবসভায় প্রেরিত হয়েছিলেন, এবং যদিও তার বাণী কেউ কেউ (ভীম্ম আদি) বিশুদ্ধ অমৃতের মতো শ্রবণ করেছিলেন, কিন্তু পুণ্যক্ষয় হওয়াতে অন্যরা তা শ্রবণ করতে পারেনি। রাজা (ধৃতরাষ্ট্র অথবা দুর্যোধন) শ্রীকৃষ্ণের বাক্য বহুমানন করেনি।

তাৎপর্য:- শ্রীকৃষ্ণ, যিনি হচ্ছেন সারা জগতের গুরু, তিনি অর্জুন কর্তৃক দূতকার্যে নিযুক্ত হয়ে, কলহের মীমাংসা করে শান্তি স্থাপনের উদ্দেশ্যে, ধৃতরাষ্ট্রের রাজসভায় গিয়েছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ সকলেরই প্রভু, তবুও অর্জুনের অপ্রাকৃত বন্ধু হওয়ার ফলে তিনি সানন্দেই তার দূত হয়েছিলেন, ঠিক একজন সাধারণ বন্ধুর মতো। তার শুদ্ধ ভক্তদের সঙ্গে ভগবানের আচরণের এটিই হচ্ছে মাধুর্য। তিনি সভায় গিয়ে শান্তির বাণী বলেছিলেন, এবং তার সেই বাণী ভীম্ম আদি মহান নেতারা আস্বাদন করেছিলেন, কেননা তা ছিল স্বয়ং ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণী। কিন্তু দুর্যোধন অথবা তার পিতা ধৃতরাষ্ট্রের পূর্বকৃত পুণ্যফল সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার ফলে, তারা শ্রীকৃষ্ণের সেই বার্তার বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। পুণ্যহীন ব্যক্তিদের আচরণই এই রকম। পূর্বকৃত পুণ্যকর্মের ফলে কেউ একটি দেশের রাজা হতে পারে, কিন্তু দুর্যোধন ও তার অনুগামীদের পুণ্যফল বিনষ্ট হওয়ার ফলে, তাদের ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে স্পষ্টরূপে প্রতীয়মান হয়েছিল যে, পাণ্ডবদের কাছে তারা অবশ্যই তাদের রাজ্য হারাবে। ভগবানের বাণী সর্বদাই তাঁর ভক্তদের কাছে অমৃতের মত, কিন্ত অভক্তদের কাছে তা ঠিক বিপরীত। সুস্থ মানুষের কাছে মিছরি মিষ্টি, কিন্তু যারা পাণ্ডুরোগে ভূগছে তাদের কাছে তা অত্যন্ত তিক্ত।

***

জয়পতাকা স্বামী:- আমাকে প্রথমে শ্রীল প্রভুপাদ সম্পর্কে কিছু বলতে বলা হয়েছে

যখন শ্রীল প্রভুপাদ এখানে ছিলেন, তখন আমাদের ছোট রাধা কৃষ্ণ এবং গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু ছিলেন। ছোট রাধা কৃষ্ণ যারা এখন সিংহাসনে আছেন, সেই সময় তাঁরা ওখানে ছিলেন, সেই সময় শ্রীবিদ্রোহ সেই স্থানে ছিলেন, যেখানে এখন শ্রীল প্রভুপাদ আছেন এবং প্রভুপাদ তিনবার পরিক্রমা করতেন। তিনি একদিকে ঘণ্টা বাজাতেন, তিনি বলছিলেন যে অন্যদিকে ঘন্টা থাকা উচিত। কিন্তু আমরা তা রেখেছিলাম না। এখন আমাদের দুই দিকেই ঘন্টা আছে। এটি করতে আমাদের এত বছর লাগল, একবার আমি কীর্তনে নেতৃত্ব প্রদান করছিলান এবং হরে কৃষ্ণের পরে আমি বলছিলাম হরিবোল! আমি চাইছিলাম প্রত্যেকেই যাতে আমার সাথে কীর্তন করে। শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে ডাকলেন এবং বললেন, “মন্ত্রতে আর কোনো শব্দ যুক্ত কর না!” তিনি ভীত ছিলেন যে যদি আমি বলি হরিবোল, তাহলে সমগ্র ইসকনেও হরিবোল বলা শুরু হয়ে যাবে। সাধারণ ব্যাপার যে তিনি শুধু হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্রকেই রাখতে চাইছিলেন।

এখানে আমরা অনুবাদ পড়ছিলাম, এখানে লেখা ছিল যে কিভাবে ধৃতরাষ্ট্র এবং দুর্যোধন, তাদের সব ধার্মিকতা সমাপ্ত হয়ে গিয়েছিল, আমরা ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে অর্ধ কুম্ভ মেলায় ছিলাম এবং সেখানে শেষে শ্রীল প্রভুপাদ জিজ্ঞেস করতেন যে কোন প্রশ্ন আছে কিনা। একজন বরিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন, তিনি বললেন, “আমার একটি প্রশ্ন আছে!” তিনি বললেন, “ধার্মিক কার্য যেমন যজ্ঞ, দান, যে কোনো পুণ্য কার্যের জন্য আমরা কৃষ্ণভাবনামৃত পাই, আমি আমার পূর্ব জীবন দেখি এবং আমার মনে হয় না যে আমি কোন ভালো কর্ম করেছি, তাহলে আমি কিভাবে কৃষ্ণভাবনামৃত পেলাম?” তাই এটা ছিল তার প্রশ্ন। শ্রীল প্রভুপাদ উত্তর দিলেন, “আমি তোমার সৌভাগ্য করে দিয়েছি!” আসলে আমাদের হয়ত কোন ভালো কর্ম ছিল না, কিন্তু কেবলমাত্র শ্রীল প্রভুপাদের কৃপায় মানুষেরা, ভক্তরা কৃষ্ণভাবনামৃত অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। কখনো কখনো কেউ ভাবতে পারে যে তারা এই সব কিছু অর্জন করেছে তাদের ভালো কার্যের জন্য, কিন্তু আসলে এ হচ্ছে শ্রীল প্রভুপাদ, যিনি এসেছিলেন এবং এইভাবে আমরা কৃপা প্রাপ্ত হয়েছি। আমি দুটো লীলা বলেছি।

তো এখানে আমরা দেখতে পাই যে কিভাবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তিনি বার্তাবহক হয়ে গিয়েছিলেন এবং বার্তাবহক হওয়া এক দাস্যপূর্ণ কার্য। যেহেতু তিনি ছিলেন অর্জুনের বন্ধু, তাই তিনি এই পদ গ্রহণ করেছিলেন। আসলে কৃষ্ণের কার্যকলাপ অত্যন্ত বিশেষ, তিনি কুরুদের রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন এবং শান্তির বার্তা দিয়েছিলেন। ভীষ্ম ও অন্যান্য ভক্তরা তার কথাগুলি সুমিষ্ট অমৃতের মত গ্রহণ করেছিলেন। শ্রীল প্রভুপাদ এই উপমা ব্যবহার করেছিলেন যে যদি কেউ পাণ্ডু রোগাক্রান্ত হয়, তাহলে মিষ্টি তাকে সুমিষ্ট স্বাদ আস্বাদন করায় না, কিন্তু একজন সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে সাধারণত মিষ্টি মিষ্ট স্বাদই দেয়। রাজত্ব লাভ করার জন্য কিছু কর্ম লাগে, কিন্তু রাজা হিসেবে থাকার জন্য তোমার আরো কর্মের প্রয়োজন। কারণ আমি জানি না যে মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর কি কর্ম জমায়েত আছে, কিন্তু আমাদের মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেক বছর কলকাতাতে রথযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন, আর তা অত্যন্ত ধার্মিক কার্য। এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী তিনি সমগ্র বিশ্বের সবথেকে বৃহৎ ভগবদগীতা ইসকন দিল্লিতে উদ্বোধন করেছিলেন, এবং তিনি আরো অন্যান্য কিছু করেছেন যা অত্যন্ত ভালো কর্ম, যেমন তিনি যে সমস্ত মানুষদের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন তাদেরকে ভগবদগীতা দিয়েছিলেন। আমরা শ্রীমদ্ভাগবতে বিভিন্ন শাস্ত্র সম্পর্কে পড়ি যে কিভাবে যেমন বালি তিনি স্বর্গের রাজা হয়েছিলেন, কিন্তু সেই রাজ পদে থাকার জন্য তাকে অনেকবার অশ্বমেধ যজ্ঞ করতে হত। তাই দুই ধরনের কর্ম আছে, রাজা হওয়া এবং রাজা থাকা। ধৃতরাষ্ট্র এবং দূর্যোধন, কোনভাবে তারা রাজা হয়েছিল, কিন্তু তাদের রাজা থাকার সেই কর্ম ছিল না। তাই এটি লক্ষ্য করা আকর্ষণীয় যে যেকোনো পদে থাকার জন্য কাউকে দৃঢ় বদ্ধ হতে হবে এবং ক্রমাগত ভালো কর্ম করতে হবে। কৃষ্ণ ছিলেন অর্জুনের বন্ধু, তাই তিনি অর্জুনের সাথে ভাববিনিময় করেছিলেন এবং তাঁর ভালো বন্ধুর মতো আচরণ করেছিলেন। শ্রীমদ্ভাগবতের দশম স্কন্ধে কৃষ্ণ বইতে এটি বলা আছে যে ব্রজবাসীরা কৃষ্ণের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিলেন, কেশী অসুর তাদের মাঝে এসেছিল এবং কৃষ্ণ বললেন “আসো!” এইভাবে অনেক সময় ব্রজবাসীরা বিভিন্ন অসুরদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং কৃষ্ণ অত্যন্ত কৃপা করে তাদের সকলকে রক্ষা করেছিলেন।

আমরা সাম্প্রতিক রাধা কুণ্ড-এর আবির্ভাব তিথি উদযাপন করলাম। কিভাবে রাধারানী তিনি কৃষ্ণের সাথে এক বিশেষভাবে ভাববিনিময় করেছিলেন এবং যখন কৃষ্ণ এসেছিলেন, রাধারানী বললেন, “তুমি দূষিত হয়েছ, তুমি গাভী হত্যা করেছ, তাই তোমাকে এই পাপকর্ম থেকে মুক্ত হতে বিভিন্ন তীর্থের জলে স্নান করতে হবে।” তখন কৃষ্ণ বললেন, “তুমি ভাবছ আমাকে সমগ্র বিশ্বের বিভিন্ন তীর্থস্থানে যেতে হবে? আমি সমগ্র তীর্থকে এখানে আনায়ন করব।” তখন কৃষ্ণ শ্যাম কুণ্ড তৈরি করেছিলেন এবং সেখানে সকল তীর্থস্থানকে রেখেছিলেন। তারপর রাধারানী এবং তাঁর সখীগণ রাধাকুণ্ড সৃষ্টি করেছিলেন। কৃষ্ণ বললেন যে, “আমি একটি খাল করব যাতে আমার জল রাধা কুণ্ডে বয়ে যেতে পারে।” রাধারানী বললেন, “না তোমার জল দূষিত! আমার সখীরা যাবে এবং আকাশগঙ্গা থেকে পাত্র ভর্তি জল নিয়ে আসবে।” কিন্তু তারপর পবিত্র তীর্থের স্বরূপগণ বের হয়ে আসেন এবং রাধারানীকে প্রণাম নিবেদন করেন ও রাধারানী বললেন, “আপনারা কি চান?” তখন তীর্থ স্বরূপ ব্যক্তিরা বললেন, “যদি আমরা আপনার কুণ্ডে থাকতে পারি।” আমার সেখানে বলা সেই কথাগুলি মনে পড়ছে না, কিন্তু তা ছিল অত্যন্ত আন্তরিক অনুরোধ। তখন রাধারানী ললিতার দিকে তাকালেন এবং তাকানোর মাধ্যমেই জিজ্ঞেস করলেন, “আমার কি করা উচিত?” তখন ললিতা দেবীর মাথা নাড়লেন, “হ্যাঁ!” এবং রাধারানী সেই তীর্থ স্বরূপ ব্যক্তিগণকে রাধাকুণ্ডে স্থান দেন। তাই আমরা দেখতে পাই যে কিভাবে কৃষ্ণের বিভিন্ন ভক্তদের সাথে বিভিন্ন সম্পর্ক ছিল। যদিও তিনি হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবান, কিন্তু তিনি তাঁর ভক্তদের সাথে সেই সম্পর্ক অনুযায়ী ভাববিনিময় করতেন।

ঠিক যেমন এখন আমরা যশোদা দামোদরের পূজা করছি এবং কিভাবে কৃষ্ণ যশোদার সাথে ভাব বিনিময় করেছিলেন, ঠিক সময় যশোদা কৃষ্ণকে বন্ধন করতে চাইছিলেন, তখন দুই আঙ্গুল ছোট হচ্ছিল এবং অবশেষে তিনি যশোদাকে তাকে বন্ধন করতে দেন, কারণ তিনি প্রচেষ্টা করছিলেন কারণ তিনি তা শুদ্ধ প্রেম দ্বারা করেছিলেন। সাধারণত কেউই কৃষ্ণকে বাঁধতে পারে না, কিন্তু যেহেতু যশোদার শুদ্ধ প্রেম ছিল, তাই কৃষ্ণ তাঁর সাথে ভাব বিনিময় করেছিলেন, একইভাবে চৈতন্য মহাপ্রভু তার বিভিন্ন লীলায় তিনি বিভিন্ন ভক্তদের সাথে ভাববিনিময় করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে সবকিছুই স্থির ছিল যে তিনি বিষ্ণুপ্রিয়াকে বিবাহ করবেন এবং কেউ একজন চৈতন্য মহাপ্রভুর কাছে আসেন এবং কৌতুকপূর্ণভাবে চৈতন্য মহাপ্রভুকে বলেন, “তুমি তো বিষ্ণুপ্রিয়াকে বিবাহ করতে চলেছ না? হা! হা! হা!” তাই তখন সেই ব্যক্তি গিয়ে বিষ্ণুপ্রিয়ার পিতাকে বলেন যে নিমাই পণ্ডিত বলেছেন যে তিনি এই বিবাহ সম্পর্কে কিছু জানেন না। তখন বিষ্ণুপ্রিয়ার পিতা তার হৃদয়ে ভিন্ন কিছু অনুভব করছিলেন এবং আপনারা জানেন যে প্রত্যেক কন্যা সন্তান তার পিতার কাছে অত্যন্ত কাছের এবং নিমাই বলেছিলেন, “আমি কিছুই জানিনা!” তখন পিতার হৃদয় চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছিল এবং চৈতন্য মহাপ্রভু তিনি ভাবলেন যে আমি চাইনা আমার ভক্ত এমন কষ্ট পাক। তাই তিনি একজন ব্রাহ্মণকে বললেন, “যাও এবং তার পিতাকে বল যে আমি সেই ব্যক্তির সাথে কেবল কৌতুক করছিলাম। আমি নিশ্চিতরূপে জানি যে আমি আপনার কন্যাকে বিবাহ করব।” তাই কেউ একজন সেই কৌতুক করছিলেন এবং চৈতন্য মহাপ্রভু তাকে কৌতুক করেছিলেন কিন্তু চৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর ভক্তকে এমন কষ্ট পেতে দিতে চাননি। এই কিভাবে তপন মিশ্র এবং চন্দ্রশেখর তারা অত্যন্ত কষ্ট অনুভব করছিলেন, যেহেতু মায়াবাদী সন্ন্যাসীরা চৈতন্য মহাপ্রভুর সমালোচনা করছিল, তখন চৈতন্য মহাপ্রভু সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ তার ভক্তরা দুঃখিত অনুভব করছিল। এইভাবে কখনো কখনো চৈতন্য মহাপ্রভু তিনি তার ভক্তদের সাথে এমন ভাব বিনিময় করতেন, কিন্তু কখনো কখনো তিনি কৃষ্ণের কোন লীলায় নিমগ্ন থাকতেন।

তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে ভক্তরা যাতে চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা অনুধাবন করে। ওঁনার ব্যবহার কিছুটা কৃষ্ণের মত ছিল এবং কখনো কখনো তিনি রাধারানীর মত আচরণ করতেন, তারা সব জায়গায় চৈতন্য মহাপ্রভুকে খুঁজছিলেন, কিন্তু তিনি তাঁর কক্ষে ছিলেন না। তারা সর্বত্র খুঁজছিলেন এবং তারা ওঁনাকে গোশালাতে ভাবাবেগে নিমগ্ন দেখতে পান। তাঁর লীলাসমূহ অত্যন্ত বিশেষ এবং তিনি যখন জগন্নাথপুরীর চারিদিকে কীর্তন করছিলেন, তখন তাঁর চারটি কীর্তনের দল ছিল, প্রত্যেকদিকে একটি করে। যে দল তাঁর কাছে যেত, তিনি সেই নৃত্যকারীকে আলিঙ্গন করতেন। এই হচ্ছে চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলা। 

কোন প্রশ্ন বা মন্তব্য আছে কি?

- END OF TRANSCRIPTION -
Transcribed by ভক্তিপ্রিয়া রাই দেবী দাসী 17/9/23
Verifyed by
Reviewed by

Lecture Suggetions